আইএস-এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তিনজন শরণার্থী গ্রেপ্তার

তথাকথিত জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত সন্দেহে তিন সিরীয় শরণার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে জার্মানির পুলিশ৷ টানা কয়েকসপ্তাহ ধরে তদন্তের পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়৷

জার্মানির কেন্দ্রীয় পাবলিক প্রসিকিটরের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে যে, জার্মানির কেন্দ্রীয় পুলিশ এবং বিশেষ বাহিনী জিএসজি ৯ সন্দেহভাজনদের ধরতে ভোররাতে অভিযান চালায়৷ স্থানীয় গণমাধ্যমে অবশ্য আগেই এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল৷ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ তারা সবাই সিরিয়ার নাগরিক৷ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে পাঠানো বিবৃতিতে তাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মাহির আল-এইচ (১৭), মোহামেদ এ. (২৬) এবং ইব্রাহিম এম. (১৮)৷ জার্মান পুলিশ সাধারণত জঙ্গি সন্দেহে আটকদের পুরো নাম প্রকাশ করেনা৷

পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতরা বিদেশি জঙ্গি সংগঠন তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সদস্য বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷ আইএসের নির্দেশ বাস্তবায়নের বা পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে গত নভেম্বরে জার্মানিতে আসে তারা৷

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মাহির আল-এইচ. সিরিয়ার রাকায় কিভাবে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক ব্যবহার করতে হয় সে সম্পর্কে গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রশিক্ষণ নিয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে৷ প্রশিক্ষণ গ্রহণের একমাস পর সে এবং অপর দুই সন্দেহভাজন আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাইরে হামলা পরিচালনার উদ্দেশ্যে জার্মানিতে আসে৷

আলেপ্পোয় সুখি সংসার

২০১৬ সালে তোলা কোটা পরিবারের ছবি৷ খলিল, তাঁর স্ত্রী হামিদা, সন্তান মান্নান, ডোলোভান, আয়াজ এবং নের্ভানা৷ তখন সিরিয়ায় কোনো গৃহযুদ্ধ ছিল না, ছিল না ধ্বংসলীলা৷

দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত

সিরিয়ায় ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধ শুরুর সময় খলিল কোটো সেদেশের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি শাখার প্রধান ছিলেন৷ গৃহযুদ্ধ শুরুর পর চাকুরি হারান এই ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার৷ একসময় খাদ্য এবং পানির অভাব প্রকট হতে থাকে৷ ২০১৪ সালের এপ্রিলে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, তারা তুরস্ক চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যেখানে খলিলের মা বাস করতেন৷

ধাপে ধাপে আগানো

খলিল তুরস্কে কোনো কাজ খুঁজে পাননি৷ তাই ২০১৪ সালের জুলাইয়ে তাঁর পরিবার জার্মানিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন৷ খলিলের ভাই ইউরোপে বাস করেন৷ তিনিই পরিবারটিকে জার্মানিতে আসতে উৎসাহ যোগান৷ শরণার্থী হিসেবে জার্মানিতে আসার পথে বুলগেরিয়ায় একটি শরণার্থী শিবিরে ছয় মাস কাটান কোটো পরিবার৷ এই চামচটি সেই শিবিরের এক স্মৃতিচিহ্ন৷

জার্মানিতে স্বাগতম

অবশেষে জার্মানিতে কোটো পরিবার৷ জার্মানির উত্তরের শহর ব্রেমেনে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে৷ সেখানকার এক নারী খলিলকে এই জিন্সের প্যান্টটি দিয়েছেন, জার্মানিতে পাওয়া তাঁর প্রথম পোশাক এটি৷

অনিশ্চিত ভবিষ্যত

খলিলের সন্তানরা এখন জার্মান স্কুলে যাচ্ছেন৷ আর খলিল এবং তাঁর স্ত্রী হামিদা শিখছেন জার্মান৷ ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার জার্মানিতে একটি চাকরি পাবেন বলে আশা করছেন৷ সিরিয়ায় ফেলে আসা অতীত মাঝে মাঝে মনে করে আনন্দ খোঁজেন তারা৷ আয়াজের সিরিয়ার স্কুলের আইডি কার্ড এটি৷

খলিল তুরস্কে কোনো কাজ খুঁজে পাননি৷ তাই ২০১৪ সালের জুলাইয়ে তাঁর পরিবার জার্মানিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন৷ খলিলের ভাই ইউরোপে বাস করেন৷ তিনিই পরিবারটিকে জার্মানিতে আসতে উৎসাহ যোগান৷ শরণার্থী হিসেবে জার্মানিতে আসার পথে বুলগেরিয়ায় একটি শরণার্থী শিবিরে ছয় মাস কাটান কোটো পরিবার৷ এই চামচটি সেই শিবিরের এক স্মৃতিচিহ্ন৷

জার্মানির কেন্দ্রীয় পাবলিক প্রসিকিটরের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে যে, জার্মানির কেন্দ্রীয় পুলিশ এবং বিশেষ বাহিনী জিএসজি ৯ সন্দেহভাজনদের ধরতে ভোররাতে অভিযান চালায়৷ স্থানীয় গণমাধ্যমে অবশ্য আগেই এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল৷ অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ তারা সবাই সিরিয়ার নাগরিক৷ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে পাঠানো বিবৃতিতে তাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে মাহির আল-এইচ (১৭), মোহামেদ এ. (২৬) এবং ইব্রাহিম এম. (১৮)৷ জার্মান পুলিশ সাধারণত জঙ্গি সন্দেহে আটকদের পুরো নাম প্রকাশ করেনা৷

পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতরা বিদেশি জঙ্গি সংগঠন তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সদস্য বলে সন্দেহ করা হচ্ছে৷ আইএসের নির্দেশ বাস্তবায়নের বা পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে গত নভেম্বরে জার্মানিতে আসে তারা৷

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মাহির আল-এইচ. সিরিয়ার রাকায় কিভাবে অস্ত্র এবং বিস্ফোরক ব্যবহার করতে হয় সে সম্পর্কে গত বছরের সেপ্টেম্বরে প্রশিক্ষণ নিয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে৷ প্রশিক্ষণ গ্রহণের একমাস পর সে এবং অপর দুই সন্দেহভাজন আইএস নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাইরে হামলা পরিচালনার উদ্দেশ্যে জার্মানিতে আসে৷

আলেপ্পোয় সুখি সংসার

২০১৬ সালে তোলা কোটা পরিবারের ছবি৷ খলিল, তাঁর স্ত্রী হামিদা, সন্তান মান্নান, ডোলোভান, আয়াজ এবং নের্ভানা৷ তখন সিরিয়ায় কোনো গৃহযুদ্ধ ছিল না, ছিল না ধ্বংসলীলা৷

দেশত্যাগের সিদ্ধান্ত

সিরিয়ায় ২০১১ সালে গৃহযুদ্ধ শুরুর সময় খলিল কোটো সেদেশের জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি শাখার প্রধান ছিলেন৷ গৃহযুদ্ধ শুরুর পর চাকুরি হারান এই ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার৷ একসময় খাদ্য এবং পানির অভাব প্রকট হতে থাকে৷ ২০১৪ সালের এপ্রিলে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, তারা তুরস্ক চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, যেখানে খলিলের মা বাস করতেন৷

ধাপে ধাপে আগানো

খলিল তুরস্কে কোনো কাজ খুঁজে পাননি৷ তাই ২০১৪ সালের জুলাইয়ে তাঁর পরিবার জার্মানিতে আসার সিদ্ধান্ত নেন৷ খলিলের ভাই ইউরোপে বাস করেন৷ তিনিই পরিবারটিকে জার্মানিতে আসতে উৎসাহ যোগান৷ শরণার্থী হিসেবে জার্মানিতে আসার পথে বুলগেরিয়ায় একটি শরণার্থী শিবিরে ছয় মাস কাটান কোটো পরিবার৷ এই চামচটি সেই শিবিরের এক স্মৃতিচিহ্ন৷

জার্মানিতে স্বাগতম

অবশেষে জার্মানিতে কোটো পরিবার৷ জার্মানির উত্তরের শহর ব্রেমেনে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে৷ সেখানকার এক নারী খলিলকে এই জিন্সের প্যান্টটি দিয়েছেন, জার্মানিতে পাওয়া তাঁর প্রথম পোশাক এটি৷

অনিশ্চিত ভবিষ্যত

খলিলের সন্তানরা এখন জার্মান স্কুলে যাচ্ছেন৷ আর খলিল এবং তাঁর স্ত্রী হামিদা শিখছেন জার্মান৷ ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার জার্মানিতে একটি চাকরি পাবেন বলে আশা করছেন৷ সিরিয়ায় ফেলে আসা অতীত মাঝে মাঝে মনে করে আনন্দ খোঁজেন তারা৷ আয়াজের সিরিয়ার স্কুলের আইডি কার্ড এটি৷

আইএস তাদের সিরিয়ার পাসপোর্ট এবং চার অংকের ভালো পরিমান মার্কিন ডলার দিয়েছে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন৷ সঙ্গে আগে থেকে ইনস্টল করা কমিউনিকেশনস প্রোগ্রামসহ মোবাইল ফোনও সন্দেহভাজনদের দেয়া হয়েছিল৷ তারা সিরিয়া থেকে তুরস্ক এবং গ্রিস হয়ে জার্মানিতে এসেছিল বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে৷

তবে সন্দেহভাজনরা হামলা পরিচালনার কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পেয়েছে কিনা তা এখনো তদন্তকারীরা জানাতে পারেননি৷ জার্মানির শ্লেষভিগ-হলস্টাইন রাজ্যে অভিযান চালিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করেছে৷ এ সময় তাদের বাড়িও তল্লাশি করা হয়েছে৷ অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর দু'শ' সদস্য অংশ নেয় বলে জানা গেছে৷