‘ইউরোপকে আরও শরণার্থী গ্রহণ করতে হবে'

ইউরোপের দক্ষিণ সীমায় শরণার্থীদের ঢল এবং তাঁদের অনেকের মর্মান্তিক পরিণতি নিয়ে সোশাল মিডিয়াও উত্তপ্ত৷ সরকারসহ বিভিন্ন পক্ষের আচরণ নিয়ে শোনা যাচ্ছে মন্তব্য ও সমালোচনা৷

শরণার্থীদের প্রাণ বাঁচাতে ও তাদের জন্য দ্বার খুলে দেবার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপর চাপ বাড়ছে৷ জাতিসংঘও এই মর্মে আহ্বান জানিয়েছে৷ অনেক টুইটার ব্যবহারকারী খবরটি শেয়ার করেছেন৷

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশানাল-এর ডিজিটাল এনগেজমেন্ট অফিসার এডওয়ার্ড হার্বার্ট শরণার্থী ও অভিবাসীদের প্রতি ইইউ-র দায়িত্ববোধের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন৷

বর্তমান এই সংকট সম্পর্কে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈঠকের আগেই ‘হিউম্যানিটি ফার্স্ট ইন্টারন্যাশানাল' নামের সংগঠন লিখেছে, শুধু সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ নয়, শরণার্থীদের ঢলের কারণ ও তাদের পরিস্থিতির প্রতি মনোযোগ দিতে হবে৷

একই সুরে সংকট প্রতিরোধের ডাক দিয়েছেন সাংবাদিক রানিয়া খালেক৷ তাঁর মতে, উদ্ধারকার্যে বিনিয়োগ না করে ইইউ-র উচিত টিউনিশিয়া, মিশর, সুদান, মালি ও নাইজারের মতো দেশের হাতে অর্থ দেওয়া, যাতে শরণার্থীদের পালানোর প্রয়োজন না পড়ে৷

ইউরোপে শরণার্থীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে নগণ্য – এই বাস্তবের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছেন অনেকেই৷ যেমন টম লন্ডন লিখেছেন, গোটা বিশ্বের প্রায় ৮৬ শতাংশ শরণার্থীই উন্নয়নশীল দেশগুলিতে আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন৷ ইইউ-র উচিত তার ন্যায্য ভাগ বহন করা৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: আশীষ চক্রবর্ত্তী