ইউরোপ

ইউরোপে শরণার্থী পাঠানোয় এনজিও জড়িত!

ইটালির কাতানিয়া শহরের মুখ্য সরকারি কৌঁসুলি পুনরায় অভিযোগ করেছেন যে, লিবিয়া থেকে অভিবাসীদের ইউরোপে আনতে এনজিওগুলো মানব পাচারকারীদের সঙ্গে একযোগে কাজ করছে৷

default

কাতানিয়া বন্দর নগরের চিফ প্রসিকিউটর কার্মেলো জুকারো রবিবার ‘লা স্তাম্পা' দৈনিককে বলেছেন, এনজিওগুলো যে অভিবাসীদের ইটালিতে আনার জন্য সরাসরি মানব পাচারকারীদের সঙ্গে কাজ করছে, তাঁর কাছে এমন সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে৷

কী ধরনের সাক্ষ্যপ্রমাণ, সে বিষয়ে জুকারো বিশদ কিছু বলেননি এবং কোনো দায়রা তদন্ত হবে কিনা, সে বিষয়েও তিনি নীরব থেকেছেন৷ তাঁর বক্তব্য হলো, ‘‘এই তথ্য বাস্তবিক বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হবে কিনা অথবা কিভাবে, তা আমরা জানি না৷ কিন্তু আমরা যা বলছি, সে ব্যপারে আমরা নিশ্চিত, লিবিয়া থেকে কিছু এনজিওর কাছে টেলিফোন কল এসেছে৷''

প্রসঙ্গত, গত মাসেও জুকারো অনুরূপ মন্তব্য করেছিলেন৷ মানবিক সাহায্য গোষ্ঠীগুলি ইতিপূর্বেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে যে, তারা না থাকলে আরো অনেক উদ্বাস্তু প্রাণ হারাত৷

দায়িত্ব কার?

এনজিও এবং বেসরকারি মালিকানার জলযানের পাশাপাশি ইটালির উপকূলরক্ষী বাহিনীও ভূমধ্যসাগর থেকে নিমজ্জমান অভিবাসীদের উদ্ধার করার কাজে সংশ্লিষ্ট থেকেছে৷ অবশ্য জুকারো বলেছেন যে, যেসব এনজিও ইটালির উপকূলরক্ষীবাহিনীর সঙ্গে কাজ করে, তাদের সকলেরই যে মানব পাচারকারীদের সঙ্গে যোগসাজস আছে, এমন নয়৷

জুকারো বলেছেন, ‘‘সন্দেহভাজন এনজিওগুলির ক্ষেত্রে আমাদের বুঝতে হবে, তারা কী করছে৷ ভালো এনজিওগুলির ক্ষেত্রে প্রশ্ন থেকে যাবে, ভূমধ্যসাগরে কোথায় এবং কিভাবে হস্তক্ষেপ করতে হবে, তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব এনজিওদের উপর ছেড়ে দেওয়াটা ইউরোপীয় সরকারবর্গের পক্ষে ঠিক এবং স্বাভাবিক কিনা৷''

২০১৭ সালে অভিবাসীদের লিবিয়া থেকে ডিঙি বা বোটে চড়ে  সাগর পার হয়ে ইটালি আসার প্রচেষ্টা লক্ষণীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ এ যাবৎ প্রায় ৩৬,০০০ অভিবাসীকে ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্বার করা হয়েছে, যা কিনা ২০১৬ সালের অনুরূপ সময়ের তুলনায় ৪৪ শতাংশ বেশি৷ শুধুমাত্র ২০১৭ সালের প্রথম চার মাসেই অন্তত ১,০০০ অভিবাসী সাগরপাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংগঠন আইওএম৷ এভাবে চললে বছর শেষ হওয়ার আগে আড়াই লাখ অভিবাসী ইটালির উপকূলে পৌঁছতে পারে বলে জুকারোর ধারণা৷

পপুলিজমের পালে হাওয়া

ইটালির প্রধানমন্ত্রী পাওলো কিছু এনজিওর অপরাধী করা সম্পর্কে সাবধান করে দিয়েছেন৷ এনজিওগুলো ‘‘জীবন বাঁচায় ও তাদের ধন্যবাদ দেওয়া উচিৎ'', বলেছেন পাওলো৷ কিন্তু ২০১৮ সালের গ্রীষ্মের আগেই ইটালিতে সাধারণ নির্বাচন৷ উদ্বাস্তুদের চাপে ইটালিতে এনজিওগুলোর প্রতি জনসহানুভূতি কমতির দিকে৷ ওদিকে বিভিন্ন পপুলিস্ট দল ও তাদের নেতারা এনজিওদের নিন্দায় মুখর৷

ফাইভ-স্টার মুভমেন্ট দল এনজিও-দের কাজকে অভিবাসীদের জন্য ‘‘ট্যাক্সি সার্ভিস'' বলে অভিহিত করেছে৷ সাম্প্রতিক জরিপে এই দল ক্ষমতাসীন মধ্যম-বামপন্থি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ে এগিয়ে৷ এছাড়া পপুলিস্ট পন্থি নর্দার্ন লিগ ও ফর্ৎসা ইতালিয়া দল দু'টিও এনজিগুলোর বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ তুলেছে৷

এসি/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو