1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ইরাকে আত্মঘাতী গাড়িবোমা হামলায় নিহত ৩০

২২ জুলাই ২০১০

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের উত্তরে গাড়িবোমা হামলায় নিহত কমপক্ষে ৩০ জন৷ আহত ৪৬ জন৷ অপর এক হামলায় প্রাণ হারান এক মার্কিন সৈন্য৷ এদিকে, ২০০৩ সালে শুরু হওয়া ইরাক যুদ্ধকে অবৈধ বলে মন্তব্য করলেন ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্লেগ৷

https://p.dw.com/p/ORDq
একের পর এক বোমা হামলা ইরাকেছবি: AP

বুধবার বিকেল ৬ টার দিকে ঘটল গাড়িবোমা হামলা৷ রাজধানী বাগদাদ থেকে ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে শিয়া অধ্যুষিত এলাকায়৷ দিয়ালা প্রদেশের আবু সাইদা শহরে মসজিদের বাইরে রাখা গাড়িতে ছিল বোমা৷ গাড়িবোমার বিস্ফোরণে ধসে গেছে পাঁচটি বাড়ি৷ বোমার আঘাতে ধ্বংস হয়েছে আরো পাঁচটি গাড়ি৷ এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে কমপক্ষে ৩০ জন৷ সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে এই খবর৷

হতাহতদের অধিকাংশই স্থানীয় নারী, পুরুষ ও শিশু৷ গাড়িবোমা বিস্ফোরণের পর দু'টি তাজা বোমা নষ্ট করতে সক্ষম হয় পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে আরো বোমা থাকতে পারে আশঙ্কায় আবু সাইদা শহরে সান্ধ্য আইন জারি করা হয়েছে৷ একই প্রদেশে আগের দুই দিনও বোমা হামলা চালানো হয়৷ এতে সাতজন নিহত এবং আহত হয়েছে আরো ২৯ জন৷ এছাড়া বুধবার রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারান এক মার্কিন সৈন্য৷ এনিয়ে ২০০৩ সাল থেকে ইরাকে প্রাণ হারালেন মোট ৪,৪১৩ জন মার্কিন সেনা সদস্য৷

এদিকে, ২০০৩ সালে শুরু হওয়া ইরাক যুদ্ধকে অবৈধ বলে মন্তব্য করলেন ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী নিক ক্লেগ৷ বুধবার হাউস অব কমন্সে প্রশ্নোত্তর পর্বে এমন মন্তব্য করেন ক্লেগ৷ ইরাক যুদ্ধ শুরুর সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন বর্তমান বিরোধী দল লেবার পার্টির সদস্য জ্যাক স্ট্র৷ নিক ক্লেগ স্ট্র'কে লক্ষ্য করে বলেন, ‘‘ইরাকে অবৈধ হামলার সবচেয়ে বিপর্যয়কারী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকার জন্য জবাবদিহি করতে হবে৷''

লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা ক্লেগের এমন মন্তব্যে জোটের শরিক কনজার্ভেটিভ পার্টি'তে শুরু হয় গুঞ্জন৷ কারণ কনজার্ভেটিভ পার্টির অধিকাংশের মতোই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনও সমর্থন করেন ইরাক যুদ্ধের সিদ্ধান্ত৷ তবে ক্লেগের মন্তব্য জোট সরকারের নীতির বহিঃপ্রকাশ নয়, এমন ঘোষণা দিয়ে পরিস্থিতি হাল্কা করার চেষ্টা করল ডাউনিং স্ট্রিট৷ সরকারি মুখপাত্রের বিবৃতি, ‘‘ইরাক সংঘাতের বৈধতা কিংবা এ বিষয়ে কোন নীতি প্রকাশ করেনি জোট সরকার৷ তবে এর অর্থ এই নয় যে, জোট সরকারের সদস্যরা কেউ নিজস্ব অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারবেন না৷''

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম