1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

খাবারে ডাইঅক্সিন পাওয়ায় জার্মানির বহু মুরগির খামার বন্ধ

৪ জানুয়ারি ২০১১

মুরগির ডিম এবং মাংসে ক্ষতিকারক ডাইঅক্সিন পাওয়ার কারণে জার্মানির লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যের প্রায় এক হাজার মুরগির খামার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ রাজ্যের কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এই কথা জানানো হয়েছে৷

https://p.dw.com/p/ztIL
Chicken, cage, market, deadly, disease, farm Farms, Germany, dioxin, egg, খাবার, ডাইঅক্সিন, জার্মানি, বহু মুরগি, খামার, বন্ধ
ফাইল ছবিছবি: AP

সোমবার মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, খামারগুলো মুরগির জন্য যে খাবার কিনেছে তা থেকে এই ক্ষতিকারক ডাইঅক্সিন আসতে পারে৷ এখনও এই ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে বলে জানানো হয়েছে৷ তবে সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতেই অনেক মুরগির খামার বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ জানা গেছে, বন্ধ করে দেওয়া খামারগুলোতে মুরগি ছাড়াও শুকর ও টার্কি পালন করা হয়৷ লোয়ার স্যাক্সনি রাজ্যে এই ধরণের ৫০ হাজার খামার রয়েছে৷

জানা গেছে, গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকেই মুরগির ডিম এবং খাবারে ক্ষতিকারক ডাইঅক্সিন পাওয়া যায়৷ উল্লেখ্য, ডাইঅক্সিন মানুষের শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে বলে চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের ধারণা৷ গত সপ্তাহে নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যেও এই উপাদান পাওয়া যায়৷ এর ফলে এই রাজ্যের খামারে আট হাজার মুরগি মেরে ফেলা হয়৷ রাজ্য কর্তৃপক্ষের ধারণা, প্রায় এক লাখ ২০ হাজার ডিমে ডাইঅক্সিন ঢুকে গেছে৷ তবে অনেক ডিমই দোকান থেকে ফেরত আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা৷

এদিকে এসব অঞ্চলের মুরগির খাবার প্রস্তুতকারক কোম্পানি হার্লস অ্যান্ড ইয়েন্ৎস জানিয়েছে যে খাবারের উপাদান তাদের সরবরাহ করেছে নেদারল্যান্ডস'এর একটি কোম্পানি৷ তাদের দাবি, এই ক্ষতিকারক ডাইঅক্সিন সেখান থেকেই এসেছে৷ আবার সেই ডাচ কোম্পানি দাবি করেছে যে তাদের সরবরাহকৃত উপাদান তারা এনেছে জার্মানিরই আরেকটি কোম্পানি থেকে৷ এভাবেই চলছে একে অপরের অপর দোষ চাপানো৷ তবে জার্মান সরকার আপাতত ক্ষতি এড়াতে বেশ কিছু খামার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷

নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের ভোক্তা সুরক্ষা মন্ত্রী, সবুজ দলের রাজনীতিক ইওহানেস রেমেল বলেছেন, এই ডাইঅক্সিন কেলেঙ্কারির প্রেক্ষিতে ভবিষ্যতের জন্য আরো কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা ভাবতে হবে৷ তিনি অবশ্য বলেন, ডাইঅক্সিন দুষ্ট ডিম খেয়ে ফেলেছেন যারা তাদের তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যহানির কোন গুরুতর আশঙ্কা নেই৷ তবে খাবারদাবারে ডাইঅক্সিনের কোন স্থান নেই৷ সেটা নিশ্চিত করার জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে, বলেন এই মন্ত্রী৷

প্রতিবেদন: রিয়াজুল ইসলাম

সম্পাদনা: আবদুল্লাহ আল-ফারূক