গৃহহীন হবে বাংলাদেশের তিন কোটি মানুষ

বৈশ্বিক উষ্ণতা সম্পর্কে খুব একটা ধারণা নেই নাজমার৷ তবে সে এতটুকু বোঝে, প্রতিদিন চুড়ি বানাতে গিয়ে যেভাবে তার হাত পোড়ে, তেমনি বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলেও পুড়ছে পৃথিবী৷ ১০ বছর বয়সি আসমা কিছুদিন আগেও ছিল এক নদীর তীরে৷

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

কিন্তু আসমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকার একটি বস্তি৷ প্রলয়ংকরী বন্যা তার পরিবারকে বাধ্য করেছে নদীতীর ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিতে, আর তাকে শিশুশ্রমিক হতে৷

জলবায়ু পরিবর্তন কি তা জানেনা শশি৷ তবে এতটুকু বোঝে হঠাৎ করে বেড়ে ওঠা পানির প্রচন্ড স্রোতে সবকিছু হারানোই সম্ভবত জলবায়ু পরিবর্তন৷

আর হাসিনা, সে দিনে একবেলা খায়, জলবায়ু পরিবর্তন বা বৈশ্বিক উষ্ণতা তার চিন্তার বিষয় নয়৷ সে চিন্তা করে, কিভাবে আগামী কাল তার সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেবে৷

আসমা, শশি আর হাসিনার মতো বাংলাদেশীরা এখন বেশ নাজুক অবস্থায় জীবন যাপন করছে৷ তাদেরকে বলা হচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তু৷ তাদের জীবনের লক্ষ্য এখন একটাই, শুধুই বেঁচে থাকা৷ আর সপ্তাহখানেকের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার এমন লাখো আসমা, শশি বা হাসিনা হয়ে উঠবে আলোচনার খোরাক, ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জলবায়ু সম্মেলনে৷

দারিদ্র্য, দুর্বল সরকার ব্যবস্থা আর সীমিত সম্পদের কারণে এমনিতেই বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর রয়েছে নানা সমস্যা৷ তার মধ্যে এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জলবায়ু পরিবর্তন৷ বিশেষজ্ঞ, দাতাসংস্থা আর বেসরকারি উন্নয়নসংস্থাগুলোর দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের জীবন যাপন হয়ে উঠবে আরো দুর্বিষহ, আরো কঠিন৷

বাংলাদেশের উন্নয়নকর্মীরা জলবায়ু পরিবর্তনকে আখ্যা দিচ্ছেন নিত্যদিনের সমস্যা হিসেবে৷ দ্য ইন্টারগর্ভমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ বা আইপিসিসি-র মতে, বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ একই ধরণের মত বিশ্ব ব্যাংকেরও৷ তারা জানাচ্ছে, বাংলাদেশ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশ৷

এই সপ্তাহে দ্য সায়েন্টিফিক কমিটি অন এন্টার্কটিক রিসার্চ বা এসসিএআর জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে যেহারে বরফ গলছে তাতে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট বাড়বে৷ নতুন এই পরিসংখ্যান বিগত দিনের পরিসংখ্যানগুলোর প্রায় দ্বিগুন৷ আর এই পরিসংখ্যান সত্যি হলে, সবচেয়ে ভুগবে বাংলাদেশ৷ ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ডিএফডিআই এর মতে, পাঁচ ফুট পানি বাড়লে বাংলাদেশের এক পঞ্চমাংশ তলিয়ে যাবে৷ ফলে প্রায় ৩ কোটি মানুষ হবে গৃহহীন, একইসঙ্গে কমে যাবে ফসল উৎপাদন, বাড়বে রোগ বালাই৷

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো তাই এখন তাকিয়ে আছে কোপেনহেগেনের দিকে৷

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

এই সপ্তাহে দ্য সায়েন্টিফিক কমিটি অন এন্টার্কটিক রিসার্চ বা এসসিএআর জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে যেহারে বরফ গলছে তাতে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট বাড়বে৷ নতুন এই পরিসংখ্যান বিগত দিনের পরিসংখ্যানগুলোর প্রায় দ্বিগুন৷ আর এই পরিসংখ্যান সত্যি হলে, সবচেয়ে ভুগবে বাংলাদেশ৷ ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ডিএফডিআই এর মতে, পাঁচ ফুট পানি বাড়লে বাংলাদেশের এক পঞ্চমাংশ তলিয়ে যাবে৷ ফলে প্রায় ৩ কোটি মানুষ হবে গৃহহীন, একইসঙ্গে কমে যাবে ফসল উৎপাদন, বাড়বে রোগ বালাই৷

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো তাই এখন তাকিয়ে আছে কোপেনহেগেনের দিকে৷

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

আসমা, শশি আর হাসিনার মতো বাংলাদেশীরা এখন বেশ নাজুক অবস্থায় জীবন যাপন করছে৷ তাদেরকে বলা হচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তু৷ তাদের জীবনের লক্ষ্য এখন একটাই, শুধুই বেঁচে থাকা৷ আর সপ্তাহখানেকের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার এমন লাখো আসমা, শশি বা হাসিনা হয়ে উঠবে আলোচনার খোরাক, ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জলবায়ু সম্মেলনে৷

দারিদ্র্য, দুর্বল সরকার ব্যবস্থা আর সীমিত সম্পদের কারণে এমনিতেই বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর রয়েছে নানা সমস্যা৷ তার মধ্যে এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জলবায়ু পরিবর্তন৷ বিশেষজ্ঞ, দাতাসংস্থা আর বেসরকারি উন্নয়নসংস্থাগুলোর দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের জীবন যাপন হয়ে উঠবে আরো দুর্বিষহ, আরো কঠিন৷

বাংলাদেশের উন্নয়নকর্মীরা জলবায়ু পরিবর্তনকে আখ্যা দিচ্ছেন নিত্যদিনের সমস্যা হিসেবে৷ দ্য ইন্টারগর্ভমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ বা আইপিসিসি-র মতে, বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ একই ধরণের মত বিশ্ব ব্যাংকেরও৷ তারা জানাচ্ছে, বাংলাদেশ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশ৷

এই সপ্তাহে দ্য সায়েন্টিফিক কমিটি অন এন্টার্কটিক রিসার্চ বা এসসিএআর জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে যেহারে বরফ গলছে তাতে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট বাড়বে৷ নতুন এই পরিসংখ্যান বিগত দিনের পরিসংখ্যানগুলোর প্রায় দ্বিগুন৷ আর এই পরিসংখ্যান সত্যি হলে, সবচেয়ে ভুগবে বাংলাদেশ৷ ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ডিএফডিআই এর মতে, পাঁচ ফুট পানি বাড়লে বাংলাদেশের এক পঞ্চমাংশ তলিয়ে যাবে৷ ফলে প্রায় ৩ কোটি মানুষ হবে গৃহহীন, একইসঙ্গে কমে যাবে ফসল উৎপাদন, বাড়বে রোগ বালাই৷

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো তাই এখন তাকিয়ে আছে কোপেনহেগেনের দিকে৷

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

কিন্তু আসমার বর্তমান ঠিকানা ঢাকার একটি বস্তি৷ প্রলয়ংকরী বন্যা তার পরিবারকে বাধ্য করেছে নদীতীর ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিতে, আর তাকে শিশুশ্রমিক হতে৷

জলবায়ু পরিবর্তন কি তা জানেনা শশি৷ তবে এতটুকু বোঝে হঠাৎ করে বেড়ে ওঠা পানির প্রচন্ড স্রোতে সবকিছু হারানোই সম্ভবত জলবায়ু পরিবর্তন৷

আর হাসিনা, সে দিনে একবেলা খায়, জলবায়ু পরিবর্তন বা বৈশ্বিক উষ্ণতা তার চিন্তার বিষয় নয়৷ সে চিন্তা করে, কিভাবে আগামী কাল তার সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেবে৷

আসমা, শশি আর হাসিনার মতো বাংলাদেশীরা এখন বেশ নাজুক অবস্থায় জীবন যাপন করছে৷ তাদেরকে বলা হচ্ছে জলবায়ু উদ্বাস্তু৷ তাদের জীবনের লক্ষ্য এখন একটাই, শুধুই বেঁচে থাকা৷ আর সপ্তাহখানেকের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার এমন লাখো আসমা, শশি বা হাসিনা হয়ে উঠবে আলোচনার খোরাক, ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জলবায়ু সম্মেলনে৷

দারিদ্র্য, দুর্বল সরকার ব্যবস্থা আর সীমিত সম্পদের কারণে এমনিতেই বাংলাদেশ এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর রয়েছে নানা সমস্যা৷ তার মধ্যে এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জলবায়ু পরিবর্তন৷ বিশেষজ্ঞ, দাতাসংস্থা আর বেসরকারি উন্নয়নসংস্থাগুলোর দাবি, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের জীবন যাপন হয়ে উঠবে আরো দুর্বিষহ, আরো কঠিন৷

বাংলাদেশের উন্নয়নকর্মীরা জলবায়ু পরিবর্তনকে আখ্যা দিচ্ছেন নিত্যদিনের সমস্যা হিসেবে৷ দ্য ইন্টারগর্ভমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ বা আইপিসিসি-র মতে, বাংলাদেশ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ একই ধরণের মত বিশ্ব ব্যাংকেরও৷ তারা জানাচ্ছে, বাংলাদেশ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দেশ৷

এই সপ্তাহে দ্য সায়েন্টিফিক কমিটি অন এন্টার্কটিক রিসার্চ বা এসসিএআর জানিয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণতার ফলে যেহারে বরফ গলছে তাতে ২১০০ সালের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট বাড়বে৷ নতুন এই পরিসংখ্যান বিগত দিনের পরিসংখ্যানগুলোর প্রায় দ্বিগুন৷ আর এই পরিসংখ্যান সত্যি হলে, সবচেয়ে ভুগবে বাংলাদেশ৷ ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ডিএফডিআই এর মতে, পাঁচ ফুট পানি বাড়লে বাংলাদেশের এক পঞ্চমাংশ তলিয়ে যাবে৷ ফলে প্রায় ৩ কোটি মানুষ হবে গৃহহীন, একইসঙ্গে কমে যাবে ফসল উৎপাদন, বাড়বে রোগ বালাই৷

বাংলাদেশের মতো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো তাই এখন তাকিয়ে আছে কোপেনহেগেনের দিকে৷

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়