‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে সবাই সবার মতো চলুক’

‘‘এক সময় ‘নাস্তিক’ বলতে বুঝতাম ধর্ম অবমাননাকারী ‘অপদার্থ, কুলাঙ্গার৷’ এখন বুঝি জ্ঞানী, সুশিক্ষিত, মুক্তচিন্তক,’’ ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এক প্রশ্নের জবাবে একথা লিখেছেন একজন পাঠক৷

ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের ফেসবুক পাতায় পাঠকদের কাছে প্রশ্ন করা হয়, নাস্তিক শব্দটি শুনলে আপনার কী মনে হয়? এর উত্তরেই ওপরের মন্তব্যটি করেছেন ফেসবুকবন্ধু মেহের আলী৷ আর পাঠক জিল্লুর রহমান এর উত্তরে ডয়চে ভেলের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রেখেছেন, ‘‘আগে একটা কথার জবাব দেন, একজন আপনার টাকায় খায়, আপনার টাকায় পরে, আপনার টাকায় চলে; কিন্তু আপনার কথা শোনে না৷ তার প্রতি আপনার মনোভাব কী?

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

আমাদের পাঠক তৌহিদুর রহমান বেশ পরিষ্কারভাবে তাঁর মতামত তুলে ধরেছেন৷ তাঁর মতে, ‘‘ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ রাষ্ট্র নিরপেক্ষ হবে, ব্যক্তি না৷ মুসলিম তার ধর্ম পালন করবে, হিন্দু তারটা, কেউ যদি ধর্মে অবিশ্বাস করে – এটাও তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার৷ রাষ্ট্র বা পৃথিবী তো কারও পৈত্রিক সম্পত্তি না যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একটা ধর্ম চাপিয়ে দেয়া হবে৷ কেউ ভুল ধর্ম অনুসরণ করলে বা না করলে তার শাস্তি সৃষ্টিকর্তাই দিবেন, মানুষের এত দুশ্চিন্তা কেন?''

ভিডিও দেখুন 03:44
এখন লাইভ
03:44 মিনিট
Life Links | 01.07.2015

Survey in Dhaka: what do people think about atheists?

জামিল আহমেদ বলছেন, ‘‘প্রকৃত অর্থে নাস্তিক বলে কোনো কিছু নেই, অন্তত বাংলাদেশে তো নেই-ই৷ যে বা যারাই আজকাল নাস্তিকতার দাবি করে, মূলত এরা ইসলাম বিদ্বেষী৷ নাস্তিকতার আঁড়ালে এরা ইসলাম বিরোধীতায় লিপ্ত৷''

‘‘কে নাস্তিক হবে আর কে অনাস্তিক হবে এটা তার নিজের ব্যাপার৷ কারণ আমরা আস্তিক হয়ে নাস্তিকের আনুভূতিতে কোনো দিন আঘাত করি না, কারণ ওটা তার নিজের ‘পার্সোনাল' বিষয়৷ কিন্ত কিছু নাস্তিক যেভাবে, বিশেষ করে অন্য ধর্ম বাদ দিয়ে ইসলাম নিয়ে এমন ভাষায় গালাগাল ও উসকানিমূলক কথা বলে, তাদের আপনি কোন ধরের নাস্তিক বলবেন ?'' নাস্তিক শব্দটি শুনলে বন্ধু আলমগীর কবিরের এই কথাটাই মনে হয়৷

জার্মানিতে বন্যা

গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হন নাস্তিক ব্লগার, লেখক ড. অভিজিৎ রায়৷ তবে হামলায় গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তাঁর স্ত্রী বন্যা আহমেদ৷ বন্যা মনে করেন, ধর্মীয় মৌলবাদীরা সেই হামলা চালিয়েছিল৷ গত ২০ জুন জার্মানিতে আসেন তিনি৷

মুক্তমনাদের মিলন

চলতি বছর ঢাকায় নিহত তিন ব্লগারের মধ্যে দু’জনই ছিলেন মুক্তমনা ব্লগের সঙ্গে সম্পৃক্ত৷ স্বভাবতই এরপর মুক্তমনা ব্লগারদের মধ্যেও এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে৷ তবে সেই আতঙ্ককে পাশ কাটিয়ে রেখে লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা৷ শুধু নিজেদের পরিচয় গোপন রাখছেন৷ বন্যার সঙ্গে জার্মানিতে দেখা করেছেন এ রকম কয়েকজন ব্লগার৷ ছবিটি তুলেছেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম৷

অন্য বিজয়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ

বন্যার জার্মানি সফরের মূলে ছিল ডয়চে ভেলের দ্য বব্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করা৷ এ বছর তাঁর এবং অভিজিতের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সামাজিক পরিবর্তন বিভাগে জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করে মুক্তমনা ব্লগ৷ জার্মানি সফরের দ্বিতীয় দিনে বন্যা দেখা করেন দ্য বব্স-এর অন্যান্য বিজয়ী এবং টিমের সঙ্গে৷

জাহাজে আড্ডা

শারীরিকভাবে এখনো দুর্বল বন্যা৷ দুর্বৃত্তরা এলোপাথাড়ি কুপিয়েছেন তাঁকে৷ মাথায় কোপের ক্ষতগুলো দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, তাঁকেও হত্যা করা ছিল তাদের উদ্দেশ্য৷ তবে মানসিকভাবে আজ আগের চেয়েও বেশি শক্তিশালী বন্যা৷ জুনের ২৩ তারিখ ডয়চে ভেলের আয়োজনে নৌভ্রমণে অংশ নেন তিনি৷ তখন আলোচনায় উঠে আসে এ সব বিষয়৷ ছবিতে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনের সঙ্গে বন্যা৷

অবশেষে মাহেন্দ্রক্ষণ

জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে একটি অনুষ্ঠানে দ্য বব্স বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়৷ বব্স-এর বাংলা ভাষার জুরি ড. শহিদুল আলম বন্যার হাতে পু্রস্কার তুলে দেন৷ এ সময় তিনি বলেন, ‘‘মুক্তমনা ছিল অভিজিতের গর্ব এবং আনন্দ৷ এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে পারলে তাঁর চেয়ে সন্তুষ্ট কেউ হতে পারত না৷’’

টিম সেলফি

বন্যা সেলফি তুলতে পছন্দ করেন না৷ তারপরও ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের জোরাজুরিতে রাজি হন তিনি৷ ছবিতে বাংলা বিভাগের বর্তমান এবং প্রাক্তন কর্মীরা ছাড়াও রয়েছেন ডয়চে ভেলের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর গ্যার্ডা ময়ার৷

ফিরে যাওয়া

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ একাধিকবার কথা বলেছেন ব্লগার বন্যা আহমেদের সঙ্গে৷ বন্যার সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন সবাই৷ ২৫শে জুন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন তিনি৷

বন্যার জার্মানি সফরের মূলে ছিল ডয়চে ভেলের দ্য বব্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করা৷ এ বছর তাঁর এবং অভিজিতের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সামাজিক পরিবর্তন বিভাগে জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করে মুক্তমনা ব্লগ৷ জার্মানি সফরের দ্বিতীয় দিনে বন্যা দেখা করেন দ্য বব্স-এর অন্যান্য বিজয়ী এবং টিমের সঙ্গে৷

বন্যা সেলফি তুলতে পছন্দ করেন না৷ তারপরও ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের জোরাজুরিতে রাজি হন তিনি৷ ছবিতে বাংলা বিভাগের বর্তমান এবং প্রাক্তন কর্মীরা ছাড়াও রয়েছেন ডয়চে ভেলের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর গ্যার্ডা ময়ার৷

ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের ফেসবুক পাতায় পাঠকদের কাছে প্রশ্ন করা হয়, নাস্তিক শব্দটি শুনলে আপনার কী মনে হয়? এর উত্তরেই ওপরের মন্তব্যটি করেছেন ফেসবুকবন্ধু মেহের আলী৷ আর পাঠক জিল্লুর রহমান এর উত্তরে ডয়চে ভেলের কাছে পাল্টা প্রশ্ন রেখেছেন, ‘‘আগে একটা কথার জবাব দেন, একজন আপনার টাকায় খায়, আপনার টাকায় পরে, আপনার টাকায় চলে; কিন্তু আপনার কথা শোনে না৷ তার প্রতি আপনার মনোভাব কী?

আমাদের পাঠক তৌহিদুর রহমান বেশ পরিষ্কারভাবে তাঁর মতামত তুলে ধরেছেন৷ তাঁর মতে, ‘‘ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ রাষ্ট্র নিরপেক্ষ হবে, ব্যক্তি না৷ মুসলিম তার ধর্ম পালন করবে, হিন্দু তারটা, কেউ যদি ধর্মে অবিশ্বাস করে – এটাও তার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার৷ রাষ্ট্র বা পৃথিবী তো কারও পৈত্রিক সম্পত্তি না যে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে একটা ধর্ম চাপিয়ে দেয়া হবে৷ কেউ ভুল ধর্ম অনুসরণ করলে বা না করলে তার শাস্তি সৃষ্টিকর্তাই দিবেন, মানুষের এত দুশ্চিন্তা কেন?''

ভিডিও দেখুন 03:44
এখন লাইভ
03:44 মিনিট
Life Links | 01.07.2015

Survey in Dhaka: what do people think about atheists?

জামিল আহমেদ বলছেন, ‘‘প্রকৃত অর্থে নাস্তিক বলে কোনো কিছু নেই, অন্তত বাংলাদেশে তো নেই-ই৷ যে বা যারাই আজকাল নাস্তিকতার দাবি করে, মূলত এরা ইসলাম বিদ্বেষী৷ নাস্তিকতার আঁড়ালে এরা ইসলাম বিরোধীতায় লিপ্ত৷''

‘‘কে নাস্তিক হবে আর কে অনাস্তিক হবে এটা তার নিজের ব্যাপার৷ কারণ আমরা আস্তিক হয়ে নাস্তিকের আনুভূতিতে কোনো দিন আঘাত করি না, কারণ ওটা তার নিজের ‘পার্সোনাল' বিষয়৷ কিন্ত কিছু নাস্তিক যেভাবে, বিশেষ করে অন্য ধর্ম বাদ দিয়ে ইসলাম নিয়ে এমন ভাষায় গালাগাল ও উসকানিমূলক কথা বলে, তাদের আপনি কোন ধরের নাস্তিক বলবেন ?'' নাস্তিক শব্দটি শুনলে বন্ধু আলমগীর কবিরের এই কথাটাই মনে হয়৷

জার্মানিতে বন্যা

গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হন নাস্তিক ব্লগার, লেখক ড. অভিজিৎ রায়৷ তবে হামলায় গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান তাঁর স্ত্রী বন্যা আহমেদ৷ বন্যা মনে করেন, ধর্মীয় মৌলবাদীরা সেই হামলা চালিয়েছিল৷ গত ২০ জুন জার্মানিতে আসেন তিনি৷

মুক্তমনাদের মিলন

চলতি বছর ঢাকায় নিহত তিন ব্লগারের মধ্যে দু’জনই ছিলেন মুক্তমনা ব্লগের সঙ্গে সম্পৃক্ত৷ স্বভাবতই এরপর মুক্তমনা ব্লগারদের মধ্যেও এক ধরনের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে৷ তবে সেই আতঙ্ককে পাশ কাটিয়ে রেখে লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা৷ শুধু নিজেদের পরিচয় গোপন রাখছেন৷ বন্যার সঙ্গে জার্মানিতে দেখা করেছেন এ রকম কয়েকজন ব্লগার৷ ছবিটি তুলেছেন প্রখ্যাত আলোকচিত্রী ড. শহিদুল আলম৷

অন্য বিজয়ীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ

বন্যার জার্মানি সফরের মূলে ছিল ডয়চে ভেলের দ্য বব্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করা৷ এ বছর তাঁর এবং অভিজিতের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সামাজিক পরিবর্তন বিভাগে জুরি অ্যাওয়ার্ড জয় করে মুক্তমনা ব্লগ৷ জার্মানি সফরের দ্বিতীয় দিনে বন্যা দেখা করেন দ্য বব্স-এর অন্যান্য বিজয়ী এবং টিমের সঙ্গে৷

জাহাজে আড্ডা

শারীরিকভাবে এখনো দুর্বল বন্যা৷ দুর্বৃত্তরা এলোপাথাড়ি কুপিয়েছেন তাঁকে৷ মাথায় কোপের ক্ষতগুলো দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, তাঁকেও হত্যা করা ছিল তাদের উদ্দেশ্য৷ তবে মানসিকভাবে আজ আগের চেয়েও বেশি শক্তিশালী বন্যা৷ জুনের ২৩ তারিখ ডয়চে ভেলের আয়োজনে নৌভ্রমণে অংশ নেন তিনি৷ তখন আলোচনায় উঠে আসে এ সব বিষয়৷ ছবিতে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিনের সঙ্গে বন্যা৷

অবশেষে মাহেন্দ্রক্ষণ

জার্মানির বন শহরে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামে একটি অনুষ্ঠানে দ্য বব্স বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়৷ বব্স-এর বাংলা ভাষার জুরি ড. শহিদুল আলম বন্যার হাতে পু্রস্কার তুলে দেন৷ এ সময় তিনি বলেন, ‘‘মুক্তমনা ছিল অভিজিতের গর্ব এবং আনন্দ৷ এই অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করতে পারলে তাঁর চেয়ে সন্তুষ্ট কেউ হতে পারত না৷’’

টিম সেলফি

বন্যা সেলফি তুলতে পছন্দ করেন না৷ তারপরও ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগের জোরাজুরিতে রাজি হন তিনি৷ ছবিতে বাংলা বিভাগের বর্তমান এবং প্রাক্তন কর্মীরা ছাড়াও রয়েছেন ডয়চে ভেলের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর গ্যার্ডা ময়ার৷

ফিরে যাওয়া

ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক পেটার লিমবুর্গ একাধিকবার কথা বলেছেন ব্লগার বন্যা আহমেদের সঙ্গে৷ বন্যার সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন সবাই৷ ২৫শে জুন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন তিনি৷

ডয়চে ভেলের পাঠক রকিবুল ইসলাম নাস্তিক শব্দটি সম্পর্কে শুধু নিজের মতামত জানাননি, বাংলাদেশের জনগণ এ বিষয়ে কী ভাবেন – সে সম্পর্কে তাঁর নিজের ধারণার কথাও লিখেছেন আমাদের ফেসবুকে৷ তাঁর মন্তব্য, ‘‘নাস্তিক বলতে তাকে বোঝায় যে কিনা সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করে না৷ কিন্তু বাংলাদেশের নাস্তিকরা বিশেষভাবে পারদর্শী অন্য কারো বিশ্বাসকে আক্রমণ করায়, বিশেষ করে ইসলামকে আক্রমণ করায়৷ তাদের বোকামি ভাবনা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে চায়, অথচ তারা নিজেদেরকে খুব জানেওয়ালা মনে করে৷''

নাস্তিক শব্দটা শুনলে মো. রাকিবের শুধু মনে হয়, ‘‘নাস্তিকমুক্ত বাংলাদেশ চাই৷''

অমিক কুমার মনে করেন, নাস্তিকতা মানুষের নিজস্ব স্বকীয়তা৷ কেউ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করুক আর না করুক এটা তার নিজস্ব ব্যাপার৷ তবে একজন নাস্তিক ব্যক্তি যদি ঈশ্বরে বিশ্বাসী লোকদের মধ্যে তা প্রচার করে, তাহলে তা এক ধরণের অপরাধের সামিল বলে অমিত কুমার মনে করেন৷ তাছাড়া একজন নাস্তিক ব্যক্তি কেন ঢালাওভাবে সলককে বলে বেড়াবে যে নাস্তিক, এর কারণও অমিত খুঁজে পান না৷

এছাড়া আরো অনেক পাঠক জানিয়েছেন তাঁদের মন্তব্য৷ তাঁদের সেসব মন্তব্য পড়তে ক্লিক করুন এখানে

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

সংশ্লিষ্ট বিষয়