নিউ ইয়র্কে কূটনীতিক গ্রেপ্তার, বাংলাদেশের অসন্তোষ

গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ডেপুটি কনস্যুলার জেনারেল শাহেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ এর প্রতিক্রিয়ায় ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে ডেকে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ৷

মঙ্গলবার ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মাহবুব উজ জামান ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জোয়েল রিফম্যান ও পলিটিক্যাল কাউন্সিলর আন্দ্রেয়া বি রডরিগেজকে ডেকে নিয়ে ব্যাখ্যা চান৷

পাঠক ভাবনা | 22.10.2015

শাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বাংলাদেশি এক নাগরিককে নিজ বাসায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে বিনা বেতনে কাজ করানো এবং নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে৷ একাধিক বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, শাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে এরই মধ্যে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে৷ অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে৷ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শ্রমিক পাচার ও নির্যাতনের অভিযোগে শাহেদুল অভিযুক্ত হয়েছেন৷

অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘরের কাজে সহায়তার জন্য মো. আমিন নামের এক ব্যক্তিকে ২০১২ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে নিউইয়র্কে নিয়ে যান শাহেদুল৷ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরই আমিনের পাসপোর্ট নিয়ে নেওয়া হয়৷ আমিনকে দিয়ে দিনে ১৮ ঘণ্টা কাজ করানো হতো৷ তাঁকে কোনো মজুরি দেওয়া হতো না৷ হুমকি দেওয়া হতো প্রায়ই৷ অভিযোগ অনুযায়ী, মারধরেরও শিকার হয়েছেন তিনি৷ পরিবার ও বাইরের কারো সঙ্গে তাঁকে যোগাযোগ করতে দেওয়া হতো না৷ ২০১৬ সালে শাহেদুলের বাসা থেকে আমিন পালিয়ে যান৷

অডিও শুনুন 01:40
এখন লাইভ
01:40 মিনিট
বিশ্ব | 13.06.2017

নূর খান

রয়টার্স জানায়, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে শাহেদুলের বিরুদ্ধে আমিন অভিযোগ এনেছেন বলে তাঁরা মনে করছেন৷ আমিনের অভিযোগ ভিত্তিহীন৷ গত বছর মে মাসে আমিন পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়৷''

সমাজ সংস্কৃতি | 27.10.2014

কুইন্স কাউন্টির অ্যাটর্নির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ৪৫ বছর বয়সি শাহেদুল ইসলাম ডেপুটি কনসাল জেনারেল অব বাংলাদেশ হিসেবে কর্মরত আছেন৷ তিনি কুইনসের নিকটবর্তী জ্যামাইকা এলাকায় বসবাস করেন৷ নিউ ইয়র্কের কুইন্সবরোর অ্যাটর্নি রিচার্ড ব্রাউন এমন অভিযোগকে ‘খুবই উদ্বেগজনক' বলে উল্লেখ করেছেন৷ এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘‘এই ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক৷ একজন কনস্যুলার তাঁর বাড়িতে আরেকজনকে কাজে বাধ্য করতে শারীরিক জোর খাটিয়েছেন এবং হুমকি দিয়েছেন৷ সেই সঙ্গে প্রথম দিন থেকেই ওই কর্মীকে কাজে আটকে রাখার জন্য তাঁর পাসপোর্ট কেড়ে নিয়েছেন৷ তাঁকে বেতন দিতে অস্বীকার করেছেন এবং অন্য দেশে থাকা তার পরিবারকে বিপদে ফেলার ভয়-ভীতি দেখান৷ এইসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিশ্চিতভাবেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি পেতে হবে৷''

আদালত তাঁকে ৫০ হাজার ডলারের বন্ড অথবা নগদ ২৫ হাজার ডলারের বিনিময়ে জামিন মঞ্জুর করেছেন৷ আগামী ২৮ জুন পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে আদালত৷

এদিকে মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘‘একজন পলাতক ব্যক্তির কথায় একজন কূটনীতিককে কেন আটক করা হয়েছে, সেটি জানার জন্য আমরা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে কারণ জানতে চেয়েছি৷ যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত জোয়েল রিফম্যান ও পলিটিক্যাল কাউন্সেলর আন্দ্রেয়া বি রডরিগেজ ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মাহবুব উজ জামানের সাথে দেখা করেন৷''

তিনি বলেন, ‘‘১৩ মাস আগে এই গৃহপরিচারক শাহেদুল ইসলামের বাসা থেকে পালিয়ে যায় এবং সেই সময়ে একটি আনুষ্ঠানিক পত্রের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে বিষয়টি জানানো হয়৷ গৃহপরিচারক পলাতক হয়েছে এই সংবাদটি আনুষ্ঠানিক পত্রের মাধ্যমে ষ্টেট ডিপার্টমেন্টকে জানানোর পরেও এ ঘটনা কেন ঘটলো, সেটি একটি রহস্য এবং আমরা এটি জানতে চাই৷''

পাঁচ কোটি ৩০ লক্ষ

২০১৩ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা, আইএলও-র এক প্রতিবেদন বলছে, সারা বিশ্বে গৃহকর্মীর সংখ্যা প্রায় ৫৩ মিলিয়ন৷ এর মধ্যে ৮৩ শতাংশই নারী৷ তবে প্রকৃত সংখ্যাটি যে আরও কয়েক মিলিয়ন বেশি হতে পারে, সে কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে৷ এদিকে ১৫ বছরের কমবয়সি শিশু গৃহকর্মীদের সংখ্যা আইএলও-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি – ২০০৮ সালে এই সংখ্যাটি ছিল ৭৪ লক্ষ৷

আইনের বাইরে

আইএলও-র প্রতিবেদন বলছে, বিশ্বের গৃহকর্মীদের প্রায় ৩০ শতাংশই শ্রম আইনের সুবিধাবঞ্চিত৷

সাপ্তাহিক ছুটি

বিশ্বের প্রায় অর্ধেক (৪৫ শতাংশ) গৃহকর্মী সাপ্তাহিক ছুটি পান না৷ তাছাড়া তাঁদের এমন কোনো বার্ষিক ছুটি নেই, যার জন্য তাঁদের অর্থ প্রাপ্য (পেইড লিভ)৷

প্রসূতি সুরক্ষা

প্রতি তিনজনের একজন গৃহকর্মী এই সুবিধা পায় না বলে জানিয়েছে আইএলও৷

বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার!

গৃহকর্মী মানেই যেন কম টাকা দিয়ে বেশি ঘণ্টা কাজ করানো৷ এভাবে গৃহকর্মীদের প্রতারিত করে তাঁদের নিয়োগদাতারা অবৈধভাবে বছরে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সুবিধা পাচ্ছে বলে জানিয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স ফেডারেশন’৷

‘কাফালা’ যেন দাসপ্রথার অন্য রূপ

গাল্ফ দেশগুলোতে এই ব্যবস্থা থাকার কারণে গরিব দেশ থেকে সেখানে যাওয়া গৃহকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হলেও তাঁদের নিয়োগদাতাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারে না৷ কারণ কাফালা ব্যবস্থার কারণে নির্যাতিতরা চাইলেও নিয়োগদাতার ছাড়পত্র ছাড়া দেশ ত্যাগ করতে পারেন না৷ ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন’ এই অবস্থাকে দাসত্বের সঙ্গে তুলনা করেছে৷ আইএলও-র হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে গৃহকর্মীর সংখ্যা প্রায় ২১ লক্ষ৷

হংকংয়ে গৃহকর্মীদের অবস্থা

তিন হাজার গৃহকর্মীর উপর চালানো এক জরিপে উত্তরদাতাদের প্রায় ৫৮ শতাংশ বলেছে, তাঁদের মৌখিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে৷ ১৮ শতাংশ তাঁদের উপর শারীরিক নির্যাতনের কথা বলেছে৷ আর যৌন হয়রানির কথা জানিয়েছে ৬ শতাংশ৷

বাড়ি তো নয়, যেন কারাগার!

উন্নত দেশ অস্ট্রেলিয়াতেও ভালো নেই গৃহকর্মীরা৷ ২০১৪ সালের এক প্রতিবেদনে সেখানে গৃহকর্মীদের সর্বোচ্চ ১৬ ঘণ্টা কাজ করানো, বেতন না দেয়া ও শারীরিক নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে৷ প্রতিবেদনে অস্ট্রেলিয়ার ব্যক্তিমালিকানাধীন বাড়িগুলোকে ‘কারাগার’-এর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে৷

একা বাড়ির বাইরে নয়

না, ছোট্ট শিশুদের কথা বলা হচ্ছে না৷ ইংল্যান্ডের মতো দেশে প্রায় ৬০ শতাংশ গৃহকর্মীদের একা বাড়ির বাইরে যেতে দেয়া হয় না বলে জানিয়েছে বেসরকারি সংস্থা ‘কালায়ন’৷

এ নিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে কূটনীতিকরা ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টে দেখা করে বিষয়টির ব্যাখ্যা চাইবেন বলে জানান আরেক কর্মকর্তা৷

এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ডয়চে ভেলে'র পক্ষ থেকে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান এবং ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশনের উপ রাষ্ট্রদূত মাহবুব হাসান সালেহর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেও তাদের পাওয়া যায়নি৷ ঢাকার পররাষ্ট্র দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলতে রাজি হননি৷

এমনকি বাংলাদেশের কয়েকজন সাবেক রাষ্ট্রদূতও বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি৷ তবে মানবাধিকার কর্মী এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশের দের কেউ কেউ গৃহের কাজের জন্য কখনো আত্মীয় পরিচয়ে আবার কখনো গৃহকর্মী পরিচয়ে কাউকে কাউকে নিয়ে যান৷ কিন্তু যেসব শর্তে নিয়ে যান, অনেক সময় সেই সব শর্ত তারা পূরণ করেন না৷ ফলে জটিলতার সৃষ্টি হয়৷''

তিনি বলেন, ‘‘এই গৃহকর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মনিটরিং প্রয়োজন৷ তা না হলে দেশের ভাবমূর্তির ওপর আঘাত আসে৷''

তিনি আরো বলেন, ‘‘গৃহকর্মীদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়৷ আর তা যদি কোনো কুটনীতিকের মাধ্যমে হয় তাহলে আরো দুঃখজনক৷''

প্রসঙ্গত, শাহেদুল ইসলাম, রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত কূটনীতিক৷ ২০১১ সালে তিনি নিউ ইয়র্ক মিশনে কাউন্সিলর পদে যোগ দেন৷ এর আগে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের প্রাক্তন কনসাল জেনারেল মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একই ধরণের অভিযোগে একটি মামলা করেছিল তার পলাতক গৃহপরিচারক৷

সমাজ-সংস্কৃতি

মাসিক বেতন ৫১০ টাকা

পশ্চিমা বিশ্ব এখন ঘরের কাজে রোবট ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে৷ এই নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা৷ তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভিন্ন৷ সেদেশে ঘরের কাজের জন্য অধিকাংশ বাড়িতে রয়েছেন গৃহকর্মী৷ যাঁদের মাসিক গড় বেতন ৫১০ টাকা৷ আর দিনে কাজ করতে হয় কমপক্ষে দশ ঘণ্টা৷

সমাজ-সংস্কৃতি

৮৩ শতাংশ নারী

ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন বা আইটিইউসি ২০১২ সালে বাংলাদেশের গৃহকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছে৷ এতে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে গৃহকর্মীর সংখ্যা বিশ লাখের মতো৷ এঁদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ নারী, যাঁদের অনেকে বয়সে শিশু কিংবা তরুণী৷

সমাজ-সংস্কৃতি

মেঝেতে ঘুমানো

আইটিইউসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গৃহকর্মীদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ রাতে রান্নাঘরে ঘুমান৷ এছাড়া বসার এবং শোয়ার ঘরের মেঝেতে ঘুমান গড়ে ২০ শতাংশ করে গৃহকর্মী৷ কারো কারো আবার ঘুমাতে হয় স্টোর রুমে৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

অন্যায়, নির্যাতন

অধিকাংশ গৃহকর্মী বা কাজের মেয়ে পড়ালেখার সুযোগ পান না৷ বিনোদনেরও অভাব রয়েছে৷ কমপক্ষে ৫৩ শতাংশ গৃহকর্মীর সঙ্গে বাজে ভাষায় কথা বলা হয়৷ কাজ হারানোর আতঙ্কও কাজ করে তাঁদের মধ্যে৷ যৌন নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মীর সংখ্যা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

প্রাণহানি

২০০১ থেকে ২০১০ সাল সময়কালের মধ্যে বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে কমপক্ষে ৩৯৮ গৃহকর্মী প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ লেবার স্টাডিজ বা বিলস৷ এছাড়া নির্যাতনে আহত গৃহকর্মীর সংখ্যা ২৯৯৷ আইটিইউসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বাংলাদেশ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যের উৎস বিলস এবং ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

জনসচেতনতা সৃষ্টি

গৃহকর্মীদের অধিকারের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগও রয়েছে বাংলাদেশে৷ ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’ এক্ষেত্রে সক্রিয়৷ এই নেটওয়ার্ক ১৪ বছরের কম বয়সিদের গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে৷

সমাজ-সংস্কৃতি

ঘরে আটকে রাখা নয়

বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলো অনেক সময় গৃহকর্মীদের ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে বাড়িতে তালা দিয়ে রাখা হয়৷ ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’ এই কাজের তীব্র বিরোধীতা করেছে৷ গৃহকর্মীদের সুরক্ষা নীতির আওতায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে নেটওয়ার্কটি৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি

গৃহকর্মী বা গৃহশ্রমিকদের ‘শ্রমিক হিসেবে’ স্বীকৃতি ও শ্রম আইনে তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’৷ ‘বাংলাদেশ লেবার অ্যাক্ট-২০০৬’-এ গৃহকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷