অন্বেষণ

প্রজাপতির পাখায় যখন ট্রান্সমিটার বসে

প্রজাপতিরা পাখিদের মতো পরিযায়ী হতে পারে; উড়ে উড়ে, পাহাড়-পর্বত নদীনালা পার হয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যেতে পারে৷ বিজ্ঞানীরা প্রজাপতির পিঠে ট্রান্সমিটার বেঁধে তাদের যাত্রাপথের হদিশ পেতে চান৷

default

মাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট ফর অর্নিথোলজি-র পক্ষিবিজ্ঞানী মার্টিন ভিকেলস্কি-র জীবনের স্বপ্ন হলো, তিনি জন্তুজানোয়ারদের আচার-আচরণের রহস্য ভেদ করবেন৷ জীব জীবনধারণ করে কীভাবে, তা জানতে চান মার্টিন ভিকেলস্কি: সেজন্য তিনি বিশ্বের সর্বত্র যেতে ও সব কিছু করতে প্রস্তুত৷

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানীদের একটি দল নিয়ে তিনি পরিযায়ী পাখি ও অন্যান্য জীবজন্তুর মাইগ্রেশান বা অভিপ্রয়াণের পথ নিয়ে গবেষণা করেছেন৷ এ কাজে সহায়তা করছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি৷ ট্রান্সমিটার যে সব তথ্য পাঠাচ্ছে, বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে তা নিয়ে কাজ করা চলবে –প্রণালীটি আবিষ্কার করেছেন ভিকেলস্কি স্বয়ং৷ তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীদের এভাবে একসঙ্গে কাজ করা, তাদের এই বিশ্বব্যাপী পর্যবেক্ষণ প্রণালীর ফলে আমরা এই প্রথমবার গোটা জীবজগতের ‘জীবনধারা' বুঝতে সমর্থ হবো৷''

মার্টিন ভিকেলস্কি যা করতে চাইছেন, তা এর আগে কখনো করা হয়নি: প্রজাপতিরা কীভাবে আল্পস পর্বতমালা পার হয়ে দক্ষিণে যায়, কোন পথে, তিনি সেটা চার্ট করতে চান৷ এজন্য তাঁকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট ট্র্যাকিং ট্রান্সমিটার তৈরি করতে হবে৷ কিন্তু বেতার সংকেত প্রেরণের যাবতীয় সাজসরঞ্জাম কি আধ গ্রাম ওজনের একটা ট্রান্সমিটারের মধ্যে ঢোকানো সম্ভব? চিন্তা তো থেকেই যায়: ‘‘তোমরা খুদে ট্রান্সমিটারটার ব্যাটারি বদলাতে পেরেছ? দারুণ দেখাচ্ছে! ...এবার দেখা যাক, প্রজাপতির গায়ে ওটা বসানো যায় কিনা৷''

ভিকেলস্কি বলেন, ‘‘প্রযুক্তি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের অবশ্যই নানা দিক রয়েছে৷ ট্রান্সমিটারটার জন্য আমাদের সেরা প্রযুক্তি দরকার, যেমন আক্সিলারেশান সেন্সর, ব্যাটারি আর সৌরশক্তি৷ কিন্তু সব কিছু অতি ছোট আকারের হবে, যাতে ট্রান্সমিটারটা প্রজাপতিদের ওপর বসানোর মতো হয়৷ এখন প্রশ্ন হলো: প্রজাপতির শরীরের ঠিক কোন জায়গায় ট্রান্সমিটারটা বসানো যায়?''

সেই পরীক্ষা করা হবে একটি বিশেষ স্থানে: লেক কনস্টানৎস-এর মাইনাউ দ্বীপে৷ দ্বীপটি তার গাছপালা আর পশুপাখির জন্য বিখ্যাত৷ প্রজাপতিদের গায়ে ট্রান্সমিটার বসানোর জন্য এর চেয়ে ভালো জায়গা আর নেই৷

‘পেন্টেড লেডি' প্রজাতির প্রজাপতিগুলো যা ভাবা গিয়েছিল, তার চেয়েও ছোট৷ মার্টিন ভিকেলস্কি কি অসম্ভবকে সম্ভব করতে চাইছেন?

প্রথমে অতি সন্তর্পণে এক ধরনের আঠা দিয়ে অতি খুদে ট্রান্সমিটারটা প্রজাপতির পেটে এঁটে দিতে হবে৷ এই ট্রান্সমিটারের ফলে প্রজাপতিটা যে কোনো মুহূর্তে ঠিক কোথায় আছে, অ্যান্টেনার সিগনাল থেকে তা জানা যাবে৷

প্রথমবার ওড়ার চেষ্টা...

ট্রান্সমিটারটা কি বড় বেশি ভারি, নাকি গুটি থেকে বেরনো প্রজাপতিটা ঠিকমতো উড়তে পারেনি?

ট্রান্সমিটারের ওজনের কারণেই প্রজাপতিটা মাটিতে পড়ে গেছে, বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو