বিশ্ব

বাসায় গৃহকর্মী রাখা মানেই কি টেনশন?

গৃহকর্মী না থাকলে অনেক পরিবারই সমস্যায় পড়ে যায়৷ অথচ নিজের স্বামী বা সন্তানের কাছে অল্প বয়সি নারী গৃহকর্মী রেখে গেলেও যে শান্তি নেই৷ তারা শারীরিক নির্যাতন বা ধর্ষণের শিকার হলো কিনা – চিন্তার শেষ নেই গৃহকর্ত্রীদের৷

Haushaltshilfen in Indien

(ফাইল ফটো)

সামহয়্যারইন ব্লগে গৃহকর্মীদের নিয়েই ছোট্ট একটা ‘পোস্ট' দিয়েছেন ঈপ্সিতা চৌধুরী৷ লেখার শিরোনাম, বাসায় গৃহকর্মী রাখা মানেই কি টেনশন? ঈপ্সিতা শুরু করেছেন এভাবে, ‘‘ছোট- খাটো বিষয় নিয়ে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনা তো হরহামেশাই ঘটে থাকে৷ কিন্তু এর বাইরে যেটা বেশি চিন্তার কারণ, তা হলো – কখন বাসার গৃহকর্তা বা ছেলেটির দ্বারা সেই গৃহকর্মী শারীরিক নির্যাতন/ছলে-বলে কৌশলে কিংবা ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন/ধর্ষণের শিকার হবে! (তবে সব বাসায় যে এরকমটা ঘটে তা নয়) আবার এরকম ঘটনা প্রায়-ই ঘটে থাকে, এবং নির্যাতিত গৃহকর্মীর ৯৯ শতাংশই বিচার পায় না৷ বোঝাই যায় এ সব বাসার কর্তা/ছেলেরা কতটা নীচু মানসিকতার৷''

তারপরই এ বিষয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন সামহয়্যারইন-এর ব্লগার৷ তাঁর মতে, ‘‘পরিচারিকাকে একা বাসায় রেখে (ছেলে/স্বামীর) বাইরে যাওয়া ঠিক না, কারণ, কখন কী ঘটবে তা বলা যায় না৷ বিশ্বাসটাও আজকাল কেমন যেন ঠুনকো হয়ে গেছে! আমার অগাধ বিশ্বাস স্বামী/ছেলের উপর৷ কিন্তু এ ধরনের ঘটনা ঘটে যেতেও পারে – এই ভেবে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত গৃহকর্ত্রীদের৷''

ঈপ্সিতা চৌধুরীর মনে গৃহকর্মীদের নিয়ে লেখার ইচ্ছেটা জেগেছে দৈনিক পত্রিকায় এক গৃহকর্মীর ধর্ষণের শিকার হওয়ার খবর পড়ার পর৷ খবরটিতে উঠে আসা ঘটনার বিবরণও দিয়েছেন তিনি৷ এমন ঘটনার খবর প্রতিদিনই আসে সংবাদমাধ্যমে৷ গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা, প্রাপ্য পারিশ্রমিক আদায়, অত্যাচারকারী কিংবা ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করার কোনো বাস্তবধর্মী উদ্যোগের খবর সেভাবে আসে কি?

আমার ব্লগে এস এম নিলয় লিখেছেন কয়েকদিন আগে ঢাকার ভাড়া বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া মাওলানা ফারুকীকে নিয়ে৷ ফারুকী টেলিভিশনে ইসলামি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন৷ অনেকের মতো এস এম নিলয়ও মনে করেন এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জামায়াত-হেফাজতের হাত আছে৷ তাঁর ‘জামাত-হেফাজত বনাম আমরা অগণিত মাওলানা ফারুকি' শিরোনামেও সে ইঙ্গিত স্পষ্ট৷

নিলয়ের দাবি, তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন ফারুকীকে৷ সেই অভিজ্ঞতা থেকেই লিখেছেন তিনি৷ একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান, যিনি টেলিভিশনে ইসলামভিত্তিক অনুষ্ঠানই উপস্থাপনা করতেন, তাঁকে কেন হত্যা করা হবে? এস এম নিলয় মনে করেন, ‘‘ফারুকির দোষ; সে বিরোধিতা করতেন জাকির নায়েকের মিথ্যাচারের, তিনি বিরোধিতা করতেন হিযবুত তাওহীদ-জামাত-শিবির-হাফাজতের; বিরোধিতা করতেন জঙ্গিবাদের, সর্বোপরি ইসলামের কুলাঙ্গারদের৷''

Indien mehr Mobiltelefone als Toiletten

‘পরিচারিকাকে একা বাসায় রেখে বাইরে যাওয়া ঠিক না’

নিলয়ের লেখার শেষ অংশটাও প্রনিধানযোগ্য৷ সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘...শাহবাগ আন্দোলনের সময় জামাত-হেফাজতের বিরোধিতা করার কারণে ১০ জন ওলামার নাম হত্যার উদ্দেশ্যে ‘হিট লিস্ট' করা হয়েছিল; এখন প্রাণ দিলেন মাওলানা ফারুকি! এখন ভয় হচ্ছে বাকি নিরীহ ওলামাকে নিয়ে; যারা আপাত দৃষ্টিতে ইসলামের শান্তিতে বিশ্বাসী৷ তাদের নিরাপত্তা দেবে কে? পশুদের হাতেই কি তাদের শহিদ হতে হবে? এ কেমন অবিচার? যতদিন জামাত শিবির হেফাজত আর হিজবুতের শেকড় উৎপাটন করা সম্ভব না হবে; ততদিন এইসব অনাকাঙ্ক্ষিত খবর আমাদের পেতেই হবে৷ সুশীল, আলেম সমাজ, সাধারণ মডারেট মুসলিম এবং আমাদের নাস্তিকদের যুদ্ধ কখনোই ইসলামের বিরুদ্ধে ছিল না; ছিল এর ধ্বংসাত্মক রূপটির বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, ধর্মের অমানবিক দিকটার বিরুদ্ধে৷ সত্যকে সত্য আর মিথ্যাকে মিথ্যা বলার অপরাধে আর কতজনকে জঙ্গিদের হাতে এভাবে প্রান দিতে হবে?....জামাত শিবির হেফাজতের কালো হাত রুখে দেয়ার এখনি সঠিক সময়৷''

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو