বিজ্ঞান পরিবেশ

বিমান পরিবহনের ভবিষ্যৎ

পরিবহনের অন্যান্য শাখার মত বিমান চলাচল ক্ষেত্রেও জ্বালানীর সাশ্রয় ও বিকল্প জ্বালানীর সন্ধান চলছে৷ এশিয়া প্যাসিফিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে এয়ারবাস সংস্থার এক প্রতিনিধি তার রূপরেখা তুলে ধরলেন৷

default

এ ৩৮০ বিমানে জ্বালানীর যথেষ্ট সাশ্রয় সম্ভব

বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সঙ্কট

একটি বড় বিমান ওড়ার সময় যে পরিমাণ জ্বালানী খরচ এবং বায়ু ও শব্দ দূষণ হয়, ভবিষ্যতেও তেমনটা চলতে থাকলে জ্বালানী সাশ্রয় বা পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ এই সঙ্কটের একটা ব্যবসায়িক মাত্রাও রয়েছে৷ গত বছর পেট্রোলিয়ামের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিমান ভাড়া আচমকা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল, যে বেসামরিক বিমান ক্ষেত্র মারাত্মক আর্থিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিল৷ পরিবহনের অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রের মত বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও যে পেট্রোলিয়ামের উপর নির্ভরতা কমাতে হবে, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল৷ ফলে বিমানের জ্বালানী সাশ্রয় ও বিকল্প জ্বালানী নিয়েও নতুন করে ভাবনা-চিন্তা শুরু হয়ে গেছে৷ বিস্ময়কর মনে হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী বিমান এয়ারবাস ‘এ ৩৮০’ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশী জ্বালানী সাশ্রয় করতে সক্ষম৷ একের পর এক বিমান সংস্থা ধাপে ধাপে এই বিমান কাজে লাগাতে শুরু করেছে৷ তবে বর্তমান প্রজন্মের বিমানগুলির ক্ষেত্রে কোন বড় রকমের পরিবর্তন আশা করা না গেলেও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিমানে অভাবনীয় উন্নতির পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷

বিমানের রূপান্তর প্রক্রিয়া

গাড়ি বা বাস যেমন কোন পেট্রলিয়াম ছাড়াই বিকল্প জ্বালানীর সাহায্যে চালানো যেতে পারে, বিমানের ক্ষেত্রে এখনই এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব নয়৷ এয়ারবাস সংস্থার জ্বালানী বিশেষজ্ঞ হান্স-ইয়ুর্গেন হাইনরিশ শুক্রবার আমাদের শোনালেন অভিনব সেই উদ্যোগের কথা৷ বহুমুখী এই প্রকল্পের রূপরেখা হল এরকম৷ উদ্দেশ্য, এক ঢিলে বহু পাখি মারা৷ প্রথমত, বিমানের মধ্যে বিদ্যুতের যোগান দিতে যথেষ্ট সংখ্যক ‘ফুয়েল সেল’ থাকবে৷ এই প্রযুক্তির বর্জ্য পদার্থ হিসেবে হিসেবে যে জল, গ্যাস ও জলীয় বাস্পের সৃষ্টি হয়, তাও বিমানের অন্যান্য কাজে লাগানো যেতে পারে৷

সামগ্রিক এই কাঠামো কার্যকর করা সম্ভব বলে জ্বালানী সাশ্রয়ের পাশাপাশি কার্বন নির্গমনের মাত্রা ও উড়ান-প্রতি ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার আশা করা হচ্ছে৷ সেক্ষেত্রে বিমানের ওজন, ইঞ্জিনের আওয়াজ, রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয় ও কর্মীর সংখ্যাও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে৷ তাছাড়া শুধু আকাশে নয় – বিমানবন্দরেও ‘ফুয়েল সেল’ প্রযুক্তি প্রয়োগ করে দক্ষতা বাড়ানো সম্ভব৷ ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বে প্রায় ২০টি বিমানবন্দরে হাইড্রোজেন-ভিত্তিক ‘ফুয়েল সেল’ প্রযুক্তি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে৷ সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ২০১২ সাল থেকেই আগামী প্রজন্মের বিমান তৈরীর কাজ শুরু হতে পারে৷ ২০২০ সাল থেকে সম্ভবত বাণিজ্যিক আকারে বিমান তৈরী হবে৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন, সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو