উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ ‘অনিবার্য’, বলছে উত্তর কোরিয়া

কোরীয় উপদ্বীপে যুদ্ধ কবে শুরু হবে, সেটাই প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে – বলেছে পিয়ংইয়ং৷ দক্ষিণ কোরীয় ও মার্কিন সামরিক বাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়ার পটভূমিতে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই মন্তব্য করে৷

default

দক্ষিণ কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার বিরুদ্ধে বুধবার পুনরায় বিষোদগার করেছে উত্তর কোরিয়া, বলেছে, যুদ্ধটা এখন অনিবার্য৷

উত্তর কেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যে মুখপাত্র এই মন্তব্য করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে, তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়নি৷ তবে সংশ্লিষ্ট মুখপাত্র দৃশ্যত বলেছেন যে, সিআইএ প্রধান মাইক পম্পেওসহ একাধিক উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তার ‘উগ্র মন্তব্য’ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিপ্রায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়৷

পম্পেও রবিবার বলেন যে, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন জানেন না, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিচারে তাঁর পরিস্থিতি ঠিক কতোটা সঙ্গীণ৷ উত্তর কোরিয়ার মুখপাত্রটি পম্পেওর বিরুদ্ধে সরাসরি প্ররোচনার অভিযোগ করেন, কেননা, পম্পেও ‘‘নির্লজ্জভাবে আমাদের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সমালোচনা’’ করেছেন, যিনি কিনা ‘‘আমাদের জনগণের হৃৎপিণ্ড’’৷

‘‘এখন বাকি প্রশ্ন হলো, কখন যুদ্ধ শুরু হবে,’’ কর্মকর্তাটি বলেন৷ ‘‘আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্ত যুদ্ধ থেকে গা ঢাকা দেওয়ার চেষ্টা করব না এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের ধৈর্য সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা থেকে একটি পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু করে, তাহলে আমাদের জোরদার পারমাণবিক শক্তি, যা আমরা একটানা বাড়িয়ে চলেছি, সেই শক্তি নিয়ে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সমুচিত জবাব দেয়া নিশ্চিত করব৷’’ 

মার্কিন বোমারু বিমানের উড়াল

যৌথ মহড়ার অংশ হিসেবে একটি মার্কিন বি-১বি সুপারসনিক বোমারু বিমান দক্ষিণ কোরিয়ার উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার মুখপাত্রকে এই মন্তব্য করতে শোনা যায়৷

‘‘এই মহড়ার মাধ্যমে দক্ষিণ কোরীয় ও মার্কিন বিমানবাহিনী পারমাণবিক সমরাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিপদ দেখা দিলে, উভয় মিত্রদেশের উত্তর কোরিয়াকে সাজা দেওয়ার দৃঢ় অভিপ্রায় ও ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে,’’ দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর তরফ থেকে একটি বিবৃতিতে বলা হয়৷

গত সপ্তাহান্তে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এইচ আর ম্যাকমাস্টার বলেন যে, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাবনা ‘‘দিন দিন বেড়ে চলেছে৷’’ সম্প্রতি কয়েক মাসে উত্তর কোরিয়ার কিম ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরস্পরের সম্পর্কে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন ও সামগ্রিকভাবে উত্তেজনা বাড়িয়েছেন৷ ইতিমধ্যে উত্তর কোরিয়া সংলগ্ন চীনের একটি প্রদেশের এক দৈনিক সংবাদপত্র উত্তর কোরিয়ার উপর পারমাণবিক আক্রমণ ঘটলে পাঠকদের কী করণীয়, তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে৷

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক প্রধান জেফ্রে ফেল্টম্যান একটি বিরল সফরে উত্তর কোরিয়ায় গিয়েছেন৷ প্রসঙ্গত, ২০১২ সাল থেকে জাতিসংঘের এত উচ্চপদস্থ কোনো কর্মকর্তা বিচ্ছিন্ন দেশটিতে যাননি৷ বুধবার তিনি পিয়ংইয়ংয়ে উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাক মিয়ং গুক-এর সঙ্গে মিলিত হয়ে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা ও অপরাপর বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন বলে উত্তর কোরিয়ার কেসিএনএ সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে৷

এসি/এসিবি (এপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو