বিশ্ব

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হচ্ছে এই মাসেই

চলতি মাসের শেষদিকেই রামপালে ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে৷ আগামী ৪১ মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা৷

UNESCO Weltkulturerbe Sundarbans

ভারতের এনটিপিসি ও বাংলাদেশের বিপিডিবি-র যৌথ মালিকানাধীন ‘ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জ্বল ভট্টাচার্য ঢাকার একটি ইংরেজি দৈনিককে জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে আংশিকভাবে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে৷ ভারতের কোম্পানি ‘ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেড' বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করবে৷ আর জার্মানির পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘ফিশটনার' প্রকৌশল বিষয়ে পরামর্শ দিবে৷

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা এখনও অব্যাহত আছে৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন৷ তিনি বলেছেন, এর ফলে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না৷ ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ‌্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে রামপালে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী৷ বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে৷

রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরোধিতা করছেন অনেক সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী৷

এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ‘তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি'৷ জাতীয় সংসদের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সম্প্রতি জাতীয় কমিটির সদস্যদের রামপাল নিয়ে আলোচনা করার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন৷ সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পক্ষে নানা তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়৷ কিন্তু জাতীয় কমিটি বক্তব্য দেয়ার সময় একাধিকবার বাধা দেয়ায় খুব কম সময়ের মধ্যে তাদের বক্তব্য শেষ করতে হয় বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ

এদিকে, ‘সাপ্তাহিক' পত্রিকার সম্পাদক এবং টিভি টকশো-র মডারেটর গোলাম মোর্তোজা ডয়চে ভেলেতে প্রকাশিত তাঁর ব্লগে সুন্দরবন থেকে প্রকল্পটি সরিয়ে অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘রামপাল প্রকল্পটি সরিয়ে নিতে হবে৷ তবে যেখানেই সরিয়ে নেয়া হোক, পরিবেশ দূষণ হবেই৷ বিদ্যুতের প্রয়োজনে সেই পরিবেশ দূষণ হয়ত মেনে নেয়া যাবে৷ কিন্তু বিদ্যুতের প্রয়োজনে সুন্দরবনের ক্ষতি মেনে নেয়া যাবে না৷''

বন্ধু, আপনি কি চান রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র হোক? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو