বিশ্ব

‘শরণার্থীরা জার্মানিতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আসেনি'

তিনি মুখ খুললেন৷ উদার শরণার্থী নীতির কারণে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোণঠাসা জার্মান চ্যান্সেলর তথ্যের ভিত্তিতে সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন, শরণার্থীরা মোটেই জার্মানিতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আসেনি৷

ম্যার্কেল

প্রবল সমালোচনা সত্ত্বেও অবিচল থকেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ প্ররোচনার ফাঁদে সহজে পা দেন না৷ কিন্তু তাঁর নীরবতাকে দুর্বলতা হিসেবে তুলে ধরে বিষয়টিকে হাতিয়ার করছে দক্ষিণপন্থি শিবির৷ বেশ কয়েকটি রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনে তাই ম্যার্কেলের খ্রীস্টীয় গণতন্ত্রী শিবিরের ফলাফল খারাপ হতে পারে বলে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে৷ তাই আবেগনির্ভর এই প্রচারণার জবাব দিতে একটি নির্বাচনি জনসভায় মুখ খুললেন ম্যার্কেল৷

উত্তর-পূর্বের জনবিরল মেকলেনবুর্গ-ফোয়রপমার্ন রাজ্যের অখ্যাত নয়স্ট্রেলিৎস শহরে নির্বাচনি জনসভায় ম্যার্কেল স্পষ্ট ভাষায় বলেন, শরণার্থীরা মোটেই জার্মানিতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আসেনি৷ তবে জার্মানিতে আসার পর কিছু শরণার্থীকে ইসলামপন্থি সন্ত্রাসে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে৷

ম্যার্কেল বলেন, উলটে জার্মানি থেকে অনেকে সিরিয়া গিয়ে ইসলামি জঙ্গিদের সঙ্গে সন্ত্রাসের প্রশিক্ষণ নিয়েছে৷ বহু বছর ধরে এই সব ব্যক্তিকে নিয়ে সরকার দুশ্চিন্তায় আছে৷ মূলত মুসলিম শরণার্থীরা জার্মানিতে আশ্রয় নেওয়ার ফলে জনসাধারণের একাংশের মধ্যে যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে, তা নস্যাৎ করে দেন ম্যার্কেল৷

তাঁর সাফ কথা – যে ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা জার্মানির সংবিধান অনুযায়ী এ দেশে বসবাস ও কাজকর্ম করছেন, সেই ইসলাম ধর্ম জার্মানিরই অংশ৷ তবে যে ইসলাম জার্মানির সংবিধান বা নারীদের সমান অধিকার মানে না, জার্মানিতে তার কোনো জায়গা নেই৷

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক এক জনমত সমীক্ষা অনুযায়ী জার্মানির প্রায় ৫২ শতাংশ মানুষ ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতির সমালোচনা করেন৷ এই অসন্তুষ্ট ভোটারদের মনে আতঙ্কের ফায়দা তুলতে এগিয়ে এসেছে এএফডি বা ‘জার্মানির জন্য বিকল্প' নামের দক্ষিণপন্থি দল৷ আগামী ৪ সেপ্টেম্বর মেকলেনবুর্গ-ফোয়রপমার্ন রাজ্যের নির্বাচনে তারা ভালো ফল করতে চলেছে বলে বিভিন্ন সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে৷

নির্বাচনি জনসভায় ম্যার্কেল আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করতে ও নিরাপত্তা বাড়াতে তাঁর সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে৷ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষকে শক্তিশালী করতে কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে৷ তাছাড়া দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের ক্ষমতা আরও বাড়ানো হচ্ছে৷ তবে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে চলায় বিষয়টি বড় ‘চ্যালেঞ্জ' হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পদক্ষেপগুলিকেও তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে৷ ম্যার্কেল বলেন, আগে ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির উপর জোর দিতে হয়েছিল৷ এখন মুখ দেখে মানুষ শনাক্ত করার বিষয়টির উপর জোর দিতে হচ্ছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

Albanian Shqip

Amharic አማርኛ

Arabic العربية

Bengali বাংলা

Bosnian B/H/S

Bulgarian Български

Chinese (Simplified) 简

Chinese (Traditional) 繁

Croatian Hrvatski

Dari دری

English English

French Français

German Deutsch

Greek Ελληνικά

Hausa Hausa

Hindi हिन्दी

Indonesian Bahasa Indonesia

Kiswahili Kiswahili

Macedonian Македонски

Pashto پښتو

Persian فارسی

Polish Polski

Portuguese Português para África

Portuguese Português do Brasil

Romanian Română

Russian Русский

Serbian Српски/Srpski

Spanish Español

Turkish Türkçe

Ukrainian Українська

Urdu اردو