সদ্যোজাত শিশুর যকৃত প্রতিস্থাপন বড় চ্যালেঞ্জ

সদ্যোজাত শিশুর দুরারোগ্য ব্যাধি যে কোনো বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনের জীবনে অন্ধকার বয়ে আনতে পারে৷ কিন্তু চিকিৎসাবিদ্যার উন্নতি অতীতের অনেক জটিল রোগ দূর করার পথ খুলে দিচ্ছে৷ তবে ঝুঁকি থেকেই যায়৷

ন্যান্সি ভারলিশ মা হিসেবে তাঁর শিশুকন্যার জীবন বাঁচাতে ব্যাকুল হয়ে রয়েছেন৷ ছোট্ট লুইসে-র বয়স মাত্র ন'সপ্তাহ৷ ডাক্তাররা তার শরীরে এক দুরারোগ্য ব্যাধি চিহ্নিত করেছেন৷ বিরল এক রোগ নিয়ে তার জন্ম হয়েছে, যার ফলে যকৃত ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়৷ একমাত্র অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে বাচ্চাটির জীবন বাঁচানো সম্ভব৷ ন্যান্সি বলেন, ‘‘মা হিসেবে শিশুর দুরারোগ্য ব্যাধির কথা শোনা সহজ নয়৷ জেনেছিলাম, আমার বাচ্চা বড়জোর তিন মাস বাঁচবে৷ অর্থাৎ কিছু করার জন্য মাত্র তিন মাস হাতে ছিল৷ তখন রাতারাতি হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলাম৷’’

অন্বেষণ | 19.01.2015

লুইসে-র মা বার্লিনের বিখ্যাত শারিটে হাসপাতালে ডাক্তারি পরামর্শ নিতে গিয়েছিলেন৷ অত্যন্ত জটিল এই রোগের চিকিৎসার জন্য ডাক্তারদের সম্মিলিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন রয়েছে৷ তাঁদের সিদ্ধান্তের উপর ছোট্ট মেয়েটির জীবন-মরণ নির্ভর করছে৷

স্বাস্থ্য

সাধারণত ব্যথা কখন হয়?

কখনো এক পা আবার কখনো বা দু’ পা-ই ব্যথা করে৷ কখনো পরপর দু’সপ্তাহ, আবার অনেক সময় কিছুদিনের বিরতিতে এই ব্যথা হয়৷ ব্যথা সাধারণত রাতেই হয়৷

স্বাস্থ্য

ব্যথা কতক্ষণ থাকে?

ব্যথা সাধরণত কয়েক মিনিট থাকে৷ তবে অনেক সময় ঘন্টাখানেকও থাকতে পারে৷ তাছাড়া ব্যথা এক পাশ থেকে আরেক পাশেও যেতে পারে৷

স্বাস্থ্য

ব্যথার কারণ

শিশুদের পা ব্যথা নিয়ে এখনো সেরকম কোনো গবেষণা বা সমীক্ষা হয়নি৷ তবে শিশু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, শিশুদের শরীরের নরম মাংস এবং হাড় দ্রুত বাড়ে বলেই এই ব্যথা হয়৷ বিশেষ করে গ্রোথ হরমোনের চাপই পা ব্যথার মূল কারণ বলে জানান শিশু বিশেষজ্ঞ টোমাস কাউথ৷

স্বাস্থ্য

ব্যথা হওয়ার বয়স

চার থেকে ছয় এবং দশ থেকে ষোল বছরের শিশুদেরই সাধারণত এরকম পায়ের ব্যথা হয়ে থাকে৷ কিন্তু দিনের বেলা শিশু খেলাধুলা বা শারিরিক কোনো পরিশ্রম করলেও পায়ের ব্যথা টের পাওয়া যায়না৷ গ্রোথ হওয়ার ব্যথা সাধারণত সন্ধ্যা বা রাতেই হয়৷

স্বাস্থ্য

পরে যা হতে পারে

আসলে বাড়ন্ত বয়সের পা ব্যথা ক্ষতিকর নয়৷ তবে ব্যথার কারণে পা ভেঙে কিংবা মচকে গেলে, পরে অর্থাৎ বড় হওয়ার পরে বাতের ব্যথা বা হাড়ের সংক্রমণ হতে পারে৷ সময় মতো খেয়াল না করার কারণে অনেকেরই তা হয়ে থাকে৷

স্বাস্থ্য

খেয়াল রাখুন

যদি কোনো শিশুর পায়ের ব্যথা এক সপ্তাহ বা তার চেয়ে বেশিদিন থাকে এবং শিশুটি ব্যথায় কষ্ট পায়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তার দেখানো উচিত৷

স্বাস্থ্য

গুরুত্বপূর্ণ

যদি শিশুর পা অবশ মনে হয় কিংবা পায়ের ব্যথার পাশাপাশি জ্বর কিংবা মাথাব্যথা হয়, তাহলে অতি দ্রুত ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞের৷

স্বাস্থ্য

ব্যথা সাময়িকভাবে ভুলানোর সহজ উপায়

শিশু পা ব্যথার কথা জানালে ওকে জড়িয়ে ধরে আদর করুন, কিংবা মজার কোনো রূপকথার বই পড়ে শোনান৷ দেখবেন আপনার আদরের সন্তানটি সহজেই ব্যথার কথা ভুলে যাবে৷ বিষয়টি যদি মা-বাবা জানেন এবং তাদের সন্তানকে সহযোগিতা করেন, তাহলে বাড়ন্ত শিশুদের খানিকটা কষ্ট কমে বৈকি!

লুইসে-র অবিলম্বে নতুন যকৃতের প্রয়োজন রয়েছে৷ কিন্তু শিশুদের জন্য সহজে দান হিসেবে উপযুক্ত অঙ্গ পাওয়া কঠিন৷ তাই মা-কেই তাঁর যকৃতের একটা অংশ দান করতে হবে৷ শিশু চিকিৎসক ড. ভ্যার্নার লুক বলেন, ‘‘গত শতাব্দীর আশির দশকে প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলাম৷ তখনও যকৃত প্রতিস্থাপন রুটিন অপারেশন হয়ে ওঠেনি৷ তখন দেখতে হয়েছিল, মাসের পর মাস কষ্ট পেয়ে কীভাবে শিশুরা মারা যেত৷ উপায় থাকলে কত ভালো হয়৷ কোনো বাবা-মাকে যখন বলতে হয় যে তাদের শিশুর রোগের কোনো চিকিৎসা নেই, তার থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না৷’’

ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নিলেন, যে লুইসে-র মা অঙ্গদানের যোগ্য হতে পারেন৷ কিন্তু সেই লক্ষ্যে তাঁকে কঠিন এক অপারেশন করাতে হবে, যার ফলে তাঁর নিজের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে৷ ন্যান্সি ভারলিশ বলেন, ‘‘মনের মধ্যে ঝুঁকিগুলি চেপে রাখার চেষ্টা চলে৷ বলা যায়, কোনো অবস্থায় আমি এমন ঝুঁকি নেবো না৷ বড় ভয় করছে৷ কিন্তু তাহলে তো বলতে হয়, আমার মেয়ের জীবনের পরোয়া করি না৷ কারণ তার তো স্বাভাবিক জীবনের আশা নেই৷ তার মৃত্যু তো অনিবার্য৷ সে কারণেই আমি বলি, তার বেঁচে থাকার সুযোগ পাওয়া উচিত৷’’

অন্বেষণ | 10.02.2015

গেরো পুল এই অপারেশন করবেন৷ ৪৪ বছর বয়স্ক এই সার্জেন এর মধ্যে প্রায় ৪০০ বার যকৃত প্রতিস্থাপন করেছেন৷ কিন্তু এমন অভিজ্ঞ শল্যচিকিৎসকের জন্যও এমন অপারেশন এক বড় চ্যালেঞ্জ৷

স্বাস্থ্য

বাড়ি বদল শিশুদের মানসিক চাপ বাড়ায়

মা-বাবার চাকরি বা অন্য কোনো কারণে যেসব শিশুর ঘন ঘন বাড়ি বদল করতে হয়, তারা মানসিক চাপে ভোগে৷ এই তথ্যটি এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জার্নাল অফ অ্যাডোলেসেন্ট হেল্থ ম্যাগাজিনে৷ সেনা পরিবারের মোট ৫ লক্ষ শিশুদের নিয়ে এক সমীক্ষা চালিয়েছিল তারা৷ দেখা গেছে, বাড়ি বা জায়গা বদলের কারণে অনেক শিশুকেই পরে মানসিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হয়েছে৷

স্বাস্থ্য

সূর্যের আলো দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

যেসব শিশু বাইরে মুক্ত হাওয়ায় খেলাধুলা করে এবং যথেষ্ট আলো পায়, তাদের চোখের দৃষ্টি ভালো থাকে৷ কারণ শিশু বয়সেই চোখের স্বাস্থ্য গঠনের জন্য আলো প্রয়োজন৷ এই তথ্যটি জানা গেছে এক আন্তর্জাতিক গবেষক দলের করা সমীক্ষার ফলাফল থেকে৷ চীনে গ্রীষ্মকালের চেয়ে শীতকালে শিশুদের চোখ বেশি খারাপ হয়৷ স্মার্টফোন এবং কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে শিশুদের চোখের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখার কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা৷

স্বাস্থ্য

প্রতিদিন গোসলের কোনো প্রয়োজন নেই !

শিশুদের গোসল করানো সহজ কাজ নয়, যদিও অনেক মা-বাবার ধারণা প্রতিদিনই শিশুদের গোসল করা প্রয়োজন৷ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু বিশেষজ্ঞ ড. রবার্ট সিডবুরি জানান, শিশুদের গায়ে একটু-আধটু জীবাণু থাকলে ক্ষতি নেই, বরং শরীরটা জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে শেখে এবং এর মধ্য দিয়ে ইমিউন সিস্টেমও আরো শক্তিশালী হতে পারে৷ তাই সপ্তাহে তিন-চারদিন গোসলই শিশুর জন্য যথেষ্ট৷

স্বাস্থ্য

শিশুদের স্বাস্থ্যে আপেলের গুরুত্ব

আপেলের উপকারের কথা অনেকের জানা থাকলেও প্রতিদিন হয়তো কোনো শিশুরই আপেল খাওয়া হয়ে ওঠে না৷ তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৩ হাজার শিশুকে নিয়ে করা এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, যেসব বাড়ন্ত শিশু প্রতিদিন একটি করে আপেল খায়, তাদের অতিরিক্ত ওজন বাড়া বা মোটা হওয়ার ভয় থাকে না, অর্থাৎ আপেল বেশি মোটা না হতে সহায়তা করে৷

স্বাস্থ্য

দূষিত বাতাস, পরীক্ষার ফলাফল খারাপ

বাতাসে দূষণের মাত্রা যত বেশি, স্কুলের পড়া-লেখায় শিশুদের মনোযোগ তত কম, অর্থাৎ দূষিত বাতাসে থাকলে শিশুদের শেখার ক্ষমতা কমে যায়৷ ৭ থেকে ১০ বছর বয়সি ৩৯টি স্কুলের ২৭০০ শিশুকে নিয়ে স্পেনের বার্সেলোনা বিশ্ববিদ্যালের করা গবেষণা থেকে এই তথ্যটি বেরিয়ে এসেছে৷ তাই শিশুদের শারীরিক, মানসিক বিকাশ ও পুরো মনোযোগের জন্য চাই দূষণমুক্ত বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ৷

স্বাস্থ্য

‘অ্যান্টি-ডিপ্রেশন ওষুধ’ শিশুদের কাজে দেয় না

ডিপ্রেশনে ভোগা ৯ থেকে ১৮ বছর বয়সি মোট পাঁচ হাজার শিশুকে নিয়ে আন্তর্জাতিক এক গবেষক দলের গবেষণা থেকে বেরিয়ে আসা এ তথ্যটি ‘ল্যানসেট’-ম্যাগাজিনে প্রকশিত হয়েছে৷ সেখানে বলা হয়েছে, ‘অ্যান্টি-ডিপ্রেশন ওষুধ’ শিশুদের ক্ষেত্রে তেমন কাজে দেয়না, বরং এই ওষুধ সেবনের ফলে কারো কারো আত্মহত্যা করার চিন্তা বেড়ে যায়৷

বার্লিনের শারিটে হাসপাতালে ডাক্তারদের টিম এক জটিল অপারেশন শুরু করলো৷ প্রতিস্থাপনের জন্য মায়ের যকৃতের প্রায় এক-অষ্টমাংশের প্রয়োজন৷ প্রকৃতির এক আশ্চর্য প্রক্রিয়ার কারণে এমন প্রতিস্থাপন আদৌ সম্ভব হয়েছে৷ কারণ যকৃতই একমাত্র অঙ্গ, যা আবার বেড়ে উঠতে পারে৷ সবকিছু ঠিকমতো চললে মাত্র ছ'সপ্তাহের মধ্যে যকৃত আবার তার স্বাভাবিক আয়তন ফিরে পেতে পারে৷ শল্যচিকিৎসক প্রো. গেরো পুল বলেন, ‘‘জীবন্ত অবস্থায় যকৃত প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো একটি মুহূর্ত নয়, গোটা অপারেশনই অত্যন্ত জটিল৷ আপনি জানেন, যে সুস্থ এক মানুষ অপারেশ টেবিলে শুয়ে রয়েছেন৷ এই মানুষটির সঙ্গে কোনো খারাপ কিছু হতে দেওয়া যায় না৷’’

মায়ের অপারেশনের পাশাপাশি একই সঙ্গে ডাক্তাররা সন্তানের বিকল যকৃত বার করে নেন৷ জার্মানিতে বছরে মাত্র ২০ বারের মতো এমন অপারেশন হয়৷ গেরো পুল হাতে গোনা কয়েকজন সার্জেনদের মধ্যে পড়েন, যাঁদের এই জটিল অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে৷ নিজের আবেগ চেপে রাখতে পারলেই পেশাদারিত্বের সঙ্গে তিনি কাজ করতে পারেন৷ তিনি বলেন, ‘‘এমন এক অপারেশনের জন্য ভালো প্রস্তুতির প্রয়োজন, বিশেষ করে মানসিক প্রস্তুতি থাকতে হবে৷ ঠিকমতো অনুশীলনের পর আপনি দ্রুত ভুলে যাবেন, যে আপনি এক শিশুর অপারেশন করছেন৷ তখন শুধু কাজে মন দেবেন এবং পুরোটা সময় ধরে সদ্যোজাত শিশুর কথা ভাববেন না৷ নিজের সন্তান থাকলে আরও কষ্ট হয়, কিন্তু সেটা হতে দেওয়া উচিত নয়৷’’

এবার সেই মুহূর্ত এসে গেছে৷ ডাক্তাররা রক্ত চলাচল বন্ধ করে মায়ের যকৃতের অংশ কেটে নিলেন৷ তারপর অতি সাবধানতার সঙ্গে সার্জেন সেটি পাশের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গেলেন৷ শিশুর শরীর থেকে বিকল যকৃত সরিয়ে ফেলা হয়েছে৷ এবার সবচেয়ে কঠিন কাজের পালা৷ গেরো পুল রক্তবাহী শিরা সেলাই করছেন৷ অত্যন্ত সূক্ষ্ম সেই কাজ৷ সব শিরা ও ধমনি নিখুঁতভাবে জোড়া হলে যকৃত তবেই স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারবে৷ ডাক্তাররা গভীর মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন৷

প্রায় আট ঘণ্টার পর ডাক্তাররা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন৷ অপারেশন সফল হয়েছে৷ ছোট্ট লুইসে এখনো ডাক্তারি নজরদারির মধ্যে রয়েছে৷ তবে আসল বিপদ কেটে গেছে৷

রাজনীতি

১২

স্লোভেনিয়া শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার দিক থেকে সেরা দেশগুলোর তালিকা করতে গিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার, স্বাস্থ্য অধিকার, শিক্ষা অধিকার, সুরক্ষার অধিকার এবং শিশু অধিকারের জন্য অনুকুল পরিবেশ – এই পাঁচটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়েছে কিডসরাইটস ফাউন্ডেশন৷ সার্বিক বিবেচনায় সেরা হওয়া দেশগুলির তালিকায় দ্বাদশ স্থানে রয়েছে স্লোভেনিয়া৷ মূল তালিকাটি দেখতে উপরে (+) চিহ্নে ক্লিক করুন৷

রাজনীতি

১১

একাদশ স্থানে রয়েছে বেলজিয়াম৷

রাজনীতি

১০

স্লোভেনিয়া আর বেলজিয়ামের ঠিক ওপরেই রয়েছে ফিনল্যান্ড৷

রাজনীতি

০৯

নবম স্থানে রয়েছে উত্তর আফ্রিকার দেশ টিউনিশিয়া৷

রাজনীতি

০৮

ইউরোপ বা অ্যামেরিকার অনেক দেশ স্থান না পেলেও এশিয়ার থাইল্যান্ড কিন্তু ঠিকই জায়গা করে নিয়েছে কিডসরাইটস ফাউন্ডেশনের তালিকায়৷ থাইল্যান্ড রয়েছে অষ্টম স্থানে৷

রাজনীতি

০৭

নাগরিকের সার্বিক জীবনমানের নিশ্চয়তা দেয়ায় সুইডেনের সুনাম আছে৷ শিশু অধিকার রক্ষায়ও অনেক দেশের তুলনায় এগিয়ে আছে তারা৷ এ তালিকায় সুইডেন আছে সাত নম্বরে৷

রাজনীতি

০৬

শিল্প-সাহিত্যের দেশ ফ্রান্সে শিশু অধিকার পরিস্থিতিও ভালোই বলতে হবে৷ তালিকায় ইউরোপের এই দেশটি আছে ষষ্ঠ স্থানে৷

রাজনীতি

০৫

পঞ্চম স্থানে রয়েছে স্পেন৷

রাজনীতি

০৪

চতুর্থ স্থানে আইসল্যান্ড৷

রাজনীতি

০৩

মানবাধিকার বিষয়ক যে কোনো তালিকায় ওপরের দিকেই থাকে সুইজারল্যান্ড৷ এখানে তারা তৃতীয় স্থানে৷

রাজনীতি

০২

কিডসরাইটস ফাউন্ডেশনের সমীক্ষা অনুযায়ী, শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় এ মুহূর্তে বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা দেশ নরওয়ে৷

রাজনীতি

০১

সেরা পর্তুগাল শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় অর্থের গুরুত্ব অনেক, তবে সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সবচেয়ে বেশি গরুত্বপূর্ণ৷ সেই বিবেচনায় অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বেশি প্রশংসনীয় হতে পারে৷ কিডসরাইটস ফাউন্ডেশন এভাবে পুরো বিষয়টিকে বিশ্লেষণ করে বলে সেরাদের তালিকায় উঠে গেছে এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড৷