সমুদ্রের পানির উচ্চতা ৬ মিটার বাড়তে পারে!

সাম্প্রতিক গবেষণায় এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ঠেকাতে সরকারগুলো যে পরিকল্পনা নিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়িত হলেও এমনটা হতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা৷
বিজ্ঞান পরিবেশ | 19.08.2014

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের একটি দলের করা গবেষণাটি ‘সায়েন্স' জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷গবেষণায় বলা হয়, আজ থেকে প্রায় সোয়া লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর তাপমাত্রা আজকের মতোই ছিল৷ তখন সমুদ্রের পানির উচ্চতা ছয় থেকে নয় মিটার বেড়ে গিয়েছিল৷ সেসময় উষ্ণ তাপমাত্রার কারণে গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা শুরু করেছিল৷

এছাড়া প্রায় চার লক্ষ বছর আগে তাপমাত্রা যখন আজকের চেয়ে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল, তখনো পানির উচ্চতা বেড়েছিল ৬ থেকে ১৩ মিটার৷ আর ৩০ লক্ষ বছর আগে সমুদ্রের পানির উচ্চতা আজকের চেয়ে অন্তত ৬ মিটার বেশি ছিল৷

পারমাণবিক যুদ্ধ

পারমাণবিক যুদ্ধে আণবিক অস্ত্রের ফলে প্রাণ হারাতে পারে কোটি কোটি মানুষ৷ তবে সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় পরমাণু যুদ্ধের প্রভাব, যাকে বলা হচ্ছে নিউক্লিয়ার উইনটার৷ এর প্রভাবে শত শত বছর ধরে তাপমাত্রা নীচে নেমে যাবে অথবা প্রচণ্ড খরা দেখা দেবে৷ বিশ্ব জুড়ে দেখা দেবে খাদ্যের অভাব৷

বায়ো টেকনোলজি বা জীব প্রযুক্তি

জীব প্রযুক্তির নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণেও মানুষের জীবন এখন হুমকির মুখে৷ যেমন একট্রোমেলিয়া ভাইরাসের কথাই ধরা যাক৷ এই ভাইরাসের কারণে জলবসন্ত হয়ে থাকে৷ গবেষণাগারে এই ভাইরাসটি তৈরি করে ইঁদুরের উপর সফল পরীক্ষা চালানো হয়েছে৷ এই ভাইরাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হলে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে৷

বুদ্ধিমত্তা

যে কোনো লক্ষ্য পূরণের জন্য বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগানো জরুরি৷ কিন্তু এমন মানুষের হাতে যদি বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষমতা থাকে , যারা পৃথিবীর মানুষের অনিষ্ঠ করতে চায়, তাহলে বিপর্যয় ঠেকানো খুব মুশকিল৷

ন্যানো প্রযুক্তি

এই প্রযুক্তিতে পদার্থকে অণু বা আণবিক পদার্থ তৈরি হয়৷ এটা অবশ্যই ক্ষতিকর নয় বরং কার্যকরী৷ সমস্যা হলো এ ধরনের জৈব প্রযুক্তিকে খারাপ ভাবে ব্যবহার করা হতে পারে৷ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হলো যে, এর সাহায্যে খুব দ্রুত এবং অল্প খরচে অস্ত্র উৎপাদন করা যায়৷

অজানা কিছু

আর একটা সম্ভাব্য বিষয় হলো – পৃথিবীতে জীবনকে ধ্বংস করতে পারে, এমন বিধ্বংসী কিছু জানিস আছে, যার অস্তিত্ব আমাদের জানা নেই৷ কিন্তু সেটা লুকিয়ে আছে৷ অজানা কিছু ঘটার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়৷

এ সব হিসেব দেখে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা হয়েছে যে, বর্তমান বিশ্ব হয়ত সেইসব সময়ের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গ্রিনহাউস নির্গমন কমানোর জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সেটা অর্জনে সমর্থ হলেও সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি সেরকমই হতে পারে বলে আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের৷

তবে গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দ্রেয়া ডাটন বলেছেন, ছয় মিটার বৃদ্ধির ঘটনা ঘটতে কয়েক শতাব্দী লেগে যেতে পারে৷

এমনটা হলে বেইজিং থেকে শুরু করে লন্ডন, ফ্লোরিডা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে৷

বিজ্ঞান পরিবেশ | 09.07.2014

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে একবিংশ শতাব্দীর শেষ নাগাদ সাগরের পানির উচ্চতা ১০ থেকে ৩২ ইঞ্চি বাড়তে পারে৷

জেডএইচ/এসবি (রয়টার্স)

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের একটি দলের করা গবেষণাটি ‘সায়েন্স' জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷গবেষণায় বলা হয়, আজ থেকে প্রায় সোয়া লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর তাপমাত্রা আজকের মতোই ছিল৷ তখন সমুদ্রের পানির উচ্চতা ছয় থেকে নয় মিটার বেড়ে গিয়েছিল৷ সেসময় উষ্ণ তাপমাত্রার কারণে গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলা শুরু করেছিল৷