1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের নব প্রচেষ্টা

৯ জানুয়ারি ২০১৭

আধুনিক যুগেও বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে আদানপ্রদান অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা রয়ে গেছে৷ তথ্য প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের এক অভিনব প্রচেষ্টা শুরু হয়ে গেছে৷ মুখের অভিব্যক্তি ও ইশারা ইঙ্গিত শেখানো হচ্ছে কম্পিউটারকে৷

https://p.dw.com/p/2VPBN
Analphabeten-Grundkurs an der Volkshochschule
ছবি: picture-alliance/dpa/B. Wüstneck

আমরা বিশ্বায়নের যুগে বসবাস করছি৷ বিশেষ করে শহরের পরিবেশে বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছে৷ এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে ভুল-বোঝাবুঝি এড়ানো সম্ভব?

যেমন আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুন-এর এরিক ও তার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা চীনের শু একসঙ্গে খাবার সময়ে ভাবেন, চপস্টিক, কাঁটাচামচ, নাকি হাতে করেই খাওয়া উচিত? এই ধরনের বাধাবিপত্তি কাটিয়ে তুলতে বিশেষ গেম ডিজাইন করা হয়েছে৷

কিন্তু তার আগে প্রযুক্তিকে মানুষের চরিত্র বুঝতে হবে৷ কম্পিউটার বিজ্ঞানী এলিজাবেথ আন্ড্রে সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন৷ আউগসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক গবেষকদলের সঙ্গে তিনি মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারের মাধ্যমে আরও কার্যকর যোগাযোগ নিয়ে কাজ করছেন৷ এই সব ডিভাইস যাতে আমাদের ভালো বুঝতে পারে, সেটাই হলো লক্ষ্য৷ প্রো. আন্ড্রে বলেন, ‘‘যন্ত্রের সঙ্গে আদানপ্রদানের সময়ে আমরা যদি ভুলেই যেতে পারি, যে সেটা একটা যন্ত্র, সেটা খুব ভালো হবে৷''

ব্যবহারকারীর আবেগ ও নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া বুঝে সেই অনুযায়ী যন্ত্রকে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা দেওয়াই আসল চ্যালেঞ্জ৷ সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গবেষক দল কম্পিউটারকে বিভিন্ন রকমের ইশারা-ইঙ্গিত ও তার অর্থ শেখাচ্ছে৷ নড়াচড়ার প্রক্রিয়াগুলি শব্দভাণ্ডারের মতো নতুন এক ভাষায় জমা করা হয়৷ কম্পিউটার সেগুলি শনাক্ত করে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়৷

তবে মুখের অভিব্যক্তি বোঝা আরও কঠিন৷ এখনো পর্যন্ত যন্ত্র আনন্দের হাসির সঙ্গে লজ্জার হাসির মধ্যে পার্থক্য করতে পারতো না৷ এখন নতুন সফটওয়্যার কম্পিউটারকে সেই তফাত বোঝাতে সাহায্য করছে৷ প্রো. আন্ড্রে বলেন, ‘‘এবার ঠিকমতো প্রতিক্রিয়া দেখাতে হলে যন্ত্রকে সত্যি বুঝতে হবে, ব্যবহারকারী ঠিক কোন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে৷ সেইসঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরিস্থিতি বুঝে সেটি বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও থাকতে হবে৷''

মুখের অভিব্যক্তি ও শরীরের ইশারা-ইঙ্গিতের গুরুত্ব আবার আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উপর নির্ভর করে৷ প্রথমবার এক র মাধ্যমে সেই পার্থক্য শনাক্ত করা হয়৷ ব্যবহারকারী এক ভার্চুয়াল চরিত্রের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে ভিনদেশি সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারেন৷ সেই গেমে ব্যবহারকারী ইশারা-ইঙ্গিতের সাহায্যে তাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন৷ অপর প্রান্তের চরিত্র বাস্তবের মতোই প্রতিক্রিয়া দেখায়৷

হাতনাড়া, সৌজন্য দেখিয়ে ঝুঁকে পড়া, হাতজোড় করা – কখন এমন আচরণ করা উচিত? প্রো. আন্ড্রে বলেন, ‘‘একটি মাত্রা হলো ক্ষমতার রসায়ন৷ অর্থাৎ কোনো সংস্কৃতিতে বয়স বা অন্যান্য কোনো বিষয়ের ভিত্তিতে উঁচু-নীচু অবস্থান এবং সেগুলির মধ্যে ফারাক কতটা গ্রহণযোগ্য, তার উপর চরিত্রগুলির আচরণ নির্ভর করে৷ যেমন বয়সে বড়দের বেশি সম্মান দেখানো হয়৷''

ফ্ল্যাটের চীনা ও আফ্রিকান বাসিন্দারা কিন্তু কোনো প্রযুক্তি ছাড়াই সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান করছেন৷ কারণ তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে অনেক সময় কাটাচ্ছেন৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য

আরো সংবাদ দেখান