1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

পিছু হটলেন ট্রাম্প!

২১ জুন ২০১৯

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালির কাছে গোয়েন্দা ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে ইরানে বিমান হামলার সিদ্ধান্ত নেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প৷ তবে বিষয়টি খোলাসা করতে চাননি ট্রাম্প৷

https://p.dw.com/p/3Kp8J
USA Spannungen mit dem Iran | Drohne  RQ-4A Global Hawk
ছবি: Reuters/U.S. Air Force/E. Harris

দেশটির বেশ কয়েকটি সূত্র থেকে জানা গেছে, আক্রমণ চালাতে আকাশে ছিল বিমানের টহল আর সাগরে জাহাজগুলো ছিল নিজ নিজ অবস্থানে৷ কিন্তু ছোঁড়া হয়নি কোনো মিসাইল৷ বিষয়টি নিয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা পেন্টাগনের পক্ষ থেকেও কিছুই জানানো হয়নি৷

গতকাল দিনের শেষভাগে এসে, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানগুলোকে হামলা না করার জরুরি আদেশ পাঠায় দেশটির বিমান চলাচল প্রশাসন৷

তার আগে, কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট আর রিপাবলিকান নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প৷ ঘণ্টাখানেক ধরে চলে আলোচনা৷ সেখানে ডেমোক্র্যাট নেতারা বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আক্রমণ চালাতে হলে, কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে৷

এমনকি, ধীরে সুস্থে বুঝে শোনে পরিস্থিতি সামাল দিতেও ট্রাম্পের প্রতি অনুরোধ জানান ডেমোক্র্যাট নেতারা৷ তবে, ওই আলোচনার জের ধরেই ট্রাম্প পিছু হটেছেন কি-না, তা এখনো পরিস্কার হয়নি৷

যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে, কৌশলি সিদ্ধান্ত নিতে ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি৷ তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ করার ‘ক্ষুধা' নেই মার্কিন জনগণের৷

পেলোসির দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের নেতা চাক সুমার৷ কংগ্রেসে আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে তাঁর মত৷ আইনপ্রণেতাদের মাধ্যমে পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে, ‘মুক্ত আলোচনা'র প্রস্তাবও রাখেন তিনি৷

মার্কিন সংবিধানে বলা আছে, যুদ্ধ ঘোষণা ও তা অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেস৷ কিন্তু সামরিক বাহিনীকে ব্যবহারের ক্ষমতা নিয়ে ২০০১ সালের আইনের দোহাই দিয়ে, আগের প্রশাসনগুলোও কংগ্রসের অনুমতি ছাড়াই বর্হিবিশ্বে হস্তক্ষেপ করেছে৷

৯/১১ হামলার পর , মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের ক্ষমতা দিয়ে একটি আইন তৈরি করা হয়৷ ট্রাম্পের সমালোচকরাও সেদিকেই ইঙ্গিত করছেন৷ ওই আইনের বলে, ইরান হামলার বৈধতা এবং কংগ্রেসকে এড়িয়ে যাওয়ার পথ পাবেন ট্রাম্প৷

তবে রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের সমর্থন গেছে প্রেসিডেন্টের পক্ষে৷ সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠদের নেতা মিচ ম্যাককনেল বলেছেন ট্রাম্প প্রশাসেনর উচিত উপযুক্ত জবাব দেয়া৷ আরো একধাপ বাড়িয়ে বলেছেন কেভিন ম্যাকার্থি৷ তার দাবি, ঘটনার ওপর ট্রাম্প ও তার নিরাপত্তা বাহিনীকে পরিস্কার দৃষ্টি রাখতে হবে৷ ইরান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে৷

ট্রাম্পের মিত্র হিসেবে পরিচিত সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, ‘ইরান যদি যুদ্ধের জন্য খোঁচাতে থাকে, তাহলে তারা সমুচিত জবাব পাবে৷' টিএম/কেএম (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য