উদ্বাস্তুদের নিয়ে জার্মান রাজনীতিকদের পরিকল্পনা

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের রাজনীতিকদের কাছ থেকে নিত্যনতুন যে সব উদ্ভুটে পরিকল্পনা শোনা যাচ্ছে, তার সঙ্গে একাধিক রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের সংযোগ থাকতে পারে, বলে ডয়চে ভেলের ব্যার্ন্ড গ্র্যেসলার-এর ধারণা৷

ইউলিয়া ক্ল্যোকনার আবার যে কেউ নন, সিডিইউ দলের উপপ্রধান৷ দিন কয়েক আগে ইনিই তাঁর দলীয় সতীর্থদের পরামর্শ দিয়েছিলেন, ‘‘একবার চুপ করলেও তো পারেন!'' ঠিক তাঁর কাছ থেকেই এবার তথাকথিত ‘প্ল্যান এ-টু' বা ‘দ্বিতীয় প্রাথমিক' পরিকল্পনার প্রস্তাব এসেছে৷ চ্যান্সেলর ম্যার্কেল উদ্বাস্তু বা শরণার্থী সমস্যার একটি ইউরোপীয় সমাধানের যে পরিকল্পনা দিয়েছেন, ক্ল্যোকনার-এর প্রস্তাব তার বিকল্প না হয়ে বরং সম্পূরক, এটা দেখানোর জন্যই সম্ভবত ক্ল্যোকনার-এর প্রস্তাবের নাম রাখা হয়েছে ‘প্ল্যান এ-টু', ম্যার্কেলের পরিকল্পনা যেখানে ‘প্ল্যান এ'৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

‘প্ল্যান এ-টু' বলছে, সীমান্তে উদ্বাস্তুদের রেজিস্ট্রি করে, দিনে কতজন উদ্বাস্তুকে জার্মানিতে ঢুকতে দেওয়া হবে, সেটা রাজ্য ও পৌর প্রশাসনগুলির সামর্থ্য ও প্রস্তুতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা হবে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘টাগেসকন্টিন্গেন্টে' বা ‘দৈনন্দিন কোটা'৷ অর্থাৎ প্রতিদিন ঠিক ততজন উদ্বাস্তুকে ঢুকতে দেওয়া হবে, যতজনের ভদ্র-সভ্য আবাস ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে৷

Graessler Bernd Kommentarbild App

ব্যার্ন্ড গ্র্যেসলার, ডয়চে ভেলে

ক্ল্যোকনার-এর প্ল্যান-এর নামধাম-উপজীব্য দেখলে সিডিইউ দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব কিছুটা উপলব্ধি করা যায়: মাসের পর মাস ম্যার্কেলের উদ্বাস্তু নীতির বিরুদ্ধে গজরানো সত্ত্বেও দলের তরফ থেকে সেই নীতি পরিবর্তনের কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি৷ কিন্তু এবার তিনটি প্রাদেশিক নির্বাচন ঘাড়ে এসে পড়েছে; ওদিকে জনমত সমীক্ষায় খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রীদের সমর্থনের অনুপাত ক্রমেই কমে আসছে৷ এই পরিস্থিতিতে রাইনল্যান্ড প্যালেটিনেট রাজ্যে সিডিইউ দলের মুখ্য প্রার্থী ইউলিয়া ক্ল্যোকনার সম্ভবত কিছু একটা করার প্রয়োজন বোধ করেছিলেন৷

বার্লিনকে বৈরী করে নির্বাচনি প্রচার

ড্রেসডেনে ইসলাম বিরোধী পেগিডা গোষ্ঠীর বিক্ষোভ সমাবেশে গত সোমবার প্রায় ন’হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন৷ বিক্ষোভকারীরা মূলত চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল-কেই বর্তমান উদ্বাস্তু সংকটের জন্য দায়ী করছেন৷

টুরিঙ্গিয়ায় এর আগেও উদ্বাস্তু আবাস হিসেবে চিহ্নিত বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে শরণার্থীদের আসা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে৷ যেমন বিশহাগেন-এর এই বাড়িটির ছাদ পুরোপুরি পুড়ে গিয়েছে৷ গত সোমবার এখানে প্রথম উদ্বাস্তুদের আসার কথা ছিল৷

ইউলিয়া ক্ল্যোকনার আবার যে কেউ নন, সিডিইউ দলের উপপ্রধান৷ দিন কয়েক আগে ইনিই তাঁর দলীয় সতীর্থদের পরামর্শ দিয়েছিলেন, ‘‘একবার চুপ করলেও তো পারেন!'' ঠিক তাঁর কাছ থেকেই এবার তথাকথিত ‘প্ল্যান এ-টু' বা ‘দ্বিতীয় প্রাথমিক' পরিকল্পনার প্রস্তাব এসেছে৷ চ্যান্সেলর ম্যার্কেল উদ্বাস্তু বা শরণার্থী সমস্যার একটি ইউরোপীয় সমাধানের যে পরিকল্পনা দিয়েছেন, ক্ল্যোকনার-এর প্রস্তাব তার বিকল্প না হয়ে বরং সম্পূরক, এটা দেখানোর জন্যই সম্ভবত ক্ল্যোকনার-এর প্রস্তাবের নাম রাখা হয়েছে ‘প্ল্যান এ-টু', ম্যার্কেলের পরিকল্পনা যেখানে ‘প্ল্যান এ'৷

‘প্ল্যান এ-টু' বলছে, সীমান্তে উদ্বাস্তুদের রেজিস্ট্রি করে, দিনে কতজন উদ্বাস্তুকে জার্মানিতে ঢুকতে দেওয়া হবে, সেটা রাজ্য ও পৌর প্রশাসনগুলির সামর্থ্য ও প্রস্তুতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা হবে, যার নাম রাখা হয়েছে ‘টাগেসকন্টিন্গেন্টে' বা ‘দৈনন্দিন কোটা'৷ অর্থাৎ প্রতিদিন ঠিক ততজন উদ্বাস্তুকে ঢুকতে দেওয়া হবে, যতজনের ভদ্র-সভ্য আবাস ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে৷

Graessler Bernd Kommentarbild App

ব্যার্ন্ড গ্র্যেসলার, ডয়চে ভেলে

ক্ল্যোকনার-এর প্ল্যান-এর নামধাম-উপজীব্য দেখলে সিডিইউ দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব কিছুটা উপলব্ধি করা যায়: মাসের পর মাস ম্যার্কেলের উদ্বাস্তু নীতির বিরুদ্ধে গজরানো সত্ত্বেও দলের তরফ থেকে সেই নীতি পরিবর্তনের কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি৷ কিন্তু এবার তিনটি প্রাদেশিক নির্বাচন ঘাড়ে এসে পড়েছে; ওদিকে জনমত সমীক্ষায় খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রীদের সমর্থনের অনুপাত ক্রমেই কমে আসছে৷ এই পরিস্থিতিতে রাইনল্যান্ড প্যালেটিনেট রাজ্যে সিডিইউ দলের মুখ্য প্রার্থী ইউলিয়া ক্ল্যোকনার সম্ভবত কিছু একটা করার প্রয়োজন বোধ করেছিলেন৷

বার্লিনকে বৈরী করে নির্বাচনি প্রচার

ক্ল্যোকনার যা করছেন, প্রাদেশিক নির্বাচনে সেটা একটা প্রথাও বটে: নিজের দল, কেন্দ্রের জোট সরকার, এমনকি খোদ চ্যান্সেলরের বিরুদ্ধে গিয়ে নিজেকে ভোটারদের কাছে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা সব দলের রাজনীতিকরাই কম-বেশি করে থাকেন৷ তবুও ক্ল্যোকনার তাঁর পরিকল্পনাকে ‘এ-টু' নাম দিয়ে ভব্যতা রক্ষা করেছেন৷ কিন্তু ঐ পরিকল্পনার সার ম্যার্কেলের পরিকল্পনার বিরোধী, কেননা ক্ল্যোকনার-এর পরিকল্পনা কার্যকরি করতে গেলে অন্তত সাময়িকভাবে সীমান্ত বন্ধ করতে হবে – যার জন্য প্রয়োজন পড়বে কাঁটাতার ও বন্দুকধারী সীমান্তরক্ষীদের; হাইওয়ে ছাড়া অন্যান্য রাস্তায় চেকপয়েন্টের ব্যবস্থা করতে হবে; অস্ট্রিয়া সীমান্তে আরো বেশি পুলিশি টহলদারির ব্যবস্থা করতে হবে৷ এ সবই হবে সংবিধান সম্মত, বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত৷ এবং খোদ জার্মান মিডিয়া যা-কে ‘‘ম্যার্কেলের মন্ত্র'' আখ্যা দিয়েছে, সেই ‘‘ভির শাফেন ডাস'' বা ‘‘আমরা পারব''-র সঙ্গে এর কোনো সম্পর্কই নেই৷

উদ্বাস্তু শিবিরে দাঙ্গা

হামবুর্গ শহরের ভিলহেল্মসবুর্গ এলাকায় শরণার্থীদের প্রাথমিক আশ্রয়কেন্দ্রটি ভরে যাওয়ায় আগন্তুকদের তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়৷ মঙ্গলবার (৬ই অক্টোবর) সেখানে আফগানিস্তান ও আলবেনিয়া থেকে আগত উদ্বাস্তুদের মধ্যে ব্যাপক দাঙ্গা বাঁধে৷ লোয়ার স্যাক্সনি-র ব্রাউনশোয়াইগ-এও অনুরূপভাবে আলজিরীয় ও সিরীয় উদ্বাস্তুদের মধ্যে দাঙ্গা বাঁধে একটি চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে৷

ইসলাম বিরোধীরা আবার মাথা চাড়া দিয়েছে

ড্রেসডেনে ইসলাম বিরোধী পেগিডা গোষ্ঠীর বিক্ষোভ সমাবেশে গত সোমবার প্রায় ন’হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন৷ বিক্ষোভকারীরা মূলত চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল-কেই বর্তমান উদ্বাস্তু সংকটের জন্য দায়ী করছেন৷

ম্যার্কেল লাগাম টানলেন

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল দৃশ্যত তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের-এর গুরুত্ব কিছুটা খর্ব করে চ্যান্সেলরের দপ্তরের প্রধান পেটার আল্টমায়ার-কে শরণার্থী সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন৷

উদ্বাস্তুর লাশ

টুরিঙ্গিয়া রাজ্যের সালফেল্ড-এ অবস্থিত একটি রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী আবাসে সোমবার একটি অগ্নিকাণ্ডের পর ২৯ বছর বয়সি এক ইরিট্রিয়ান উদ্বাস্তুর লাশ পাওয়া যায়৷ কিভাবে এই শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তা এখনও অজ্ঞাত৷ তবে আবাসটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের কোনো হদিশ পুলিশ এখনও পায়নি৷

যে কোনো পন্থায়

টুরিঙ্গিয়ায় এর আগেও উদ্বাস্তু আবাস হিসেবে চিহ্নিত বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে শরণার্থীদের আসা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে৷ যেমন বিশহাগেন-এর এই বাড়িটির ছাদ পুরোপুরি পুড়ে গিয়েছে৷ গত সোমবার এখানে প্রথম উদ্বাস্তুদের আসার কথা ছিল৷

ঘরে বাইরে

শরণার্থী সংকট এখন জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও টান ধরাচ্ছে৷ চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের জোড়োয়া দল বাভারিয়ার সিএসইউ৷ তাদের প্রধান হর্স্ট জেহোফার সেপ্টেম্বর মাসের শেষে একটি দলীয় সম্মেলনে বক্তা হিসেব আমন্ত্রণ জানান হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বান-কে, যিনি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে উদ্বাস্তুর স্রোত আটকানোর চেষ্টা করেছেন৷

হাওয়া যদি বদলায়

বাভারিয়ার অর্থমন্ত্রী মার্কুস জ্যোডার ইতিপূর্বেও বলেছেন: ‘‘আমরা (অর্থাৎ জার্মানি) বিশ্বকে বাঁচাতে পারি না৷’’ এমনকি তিনি অস্ট্রিয়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কথাও চিন্তা করেছেন৷ তবে জ্যোডার যখন সম্প্রতি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করার কথা বলেন, তখন জেহোফার স্বয়ং সাথে সাথে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন৷

ম্যার্কেলকে জানানো হয়েছিল

অথচ সিডিইউ দলের সাধারণ সম্পাদক পেটার টাউবার স্বয়ং ক্ল্যোকনার-এর ‘‘প্ল্যান এ-টু''-কে ‘‘চলতি নীতির উত্তরোত্তর বিকাশ'' বলে প্রশংসা করেছেন৷ বার্লিনের খবর হলো যে, ক্ল্যোকনার নাকি তাঁর এই পরিকল্পনার ব্যাপারে আগে থেকেই চ্যান্সেলরের সঙ্গে কথাবার্তা বলে নিয়েছিলেন৷ সেটা কি বিশ্বাসযোগ্য?

বোঝা যাচ্ছে যে, ম্যার্কেল যে জনসমক্ষে তাঁর নিজের ছাড়া উদ্বাস্তু সংক্রান্ত অন্য কোনো ধরনের পরিকল্পনা সম্পর্কে কথা বলতে রাজি নন, সেটা হলো এক ব্যাপার৷ অপরদিকে রয়েছে যাকে জার্মানে বলে রেয়ালপলিটিক বা বাস্তব রাজনীতি৷ মিডিয়া যাকে ‘‘বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল মহিলা'' নাম দিয়েছে, তাঁর উপর আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে চাপ এখন এমনই চরমে উঠেছে যে, ম্যার্কেল তাঁর উদ্বাস্তু নীতি থেকে অনেক আগেই পশ্চাদপসারণ করতে শুরু করেছেন – শুধু ‘‘উদ্বাস্তুদের সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্দিষ্ট করা''-র কথা, আর ‘‘প্ল্যান এ-টু''-র পরিবর্তে ‘‘প্ল্যান বি''-র কথা না বললেই হলো৷

ম্যার্কেল কি তাঁর উদ্বাস্তু নীতি বদলাতে চলেছেন বলে আপনি মনে করেন? জানান নীচে, মন্তব্যের ঘরে৷

‘বিশ্বাসঘাতক’ ম্যার্কেল

জার্মানির ইসলাম ও অভিবাসী বিরোধী গোষ্ঠী পেগিডার হাজার হাজার সমর্থক সোমবার জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের শরণার্থী নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে৷ শরণার্থীদের প্রতি নরম মনোভাবের কারণ তারা ম্যার্কেলের বিরুদ্ধে ‘উচ্চ পর্যায়ের বিশ্বাসঘাতকতা’ ও ‘জার্মানির মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ’-এর অভিযোগ আনেন৷

শরণার্থীদের নিয়ে কটূক্তি

পেগিডার (প্যাট্রিয়টিক ইউরোপিয়ান অ্যাগেনস্ট দ্য ইসলামাইজেশন অফ দ্য অক্সিডেন্ট) প্রতিষ্ঠাতা লুটৎস বাখমান সম্প্রতি শরণার্থীদের ‘পশু’, ‘আবর্জনা’ ও ‘উচ্ছৃঙ্খল জনতা’ বলে আখ্যায়িত করেন৷ এ জন্য তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে সরকার৷

সমাজে অন্তর্ভুক্তি সম্ভব নয়

সোমবার বিক্ষোভের সময় বাখমান বলেন, শরণার্থীর সংখ্যা দেড় কিংবা দুই মিলিয়নেই থেমে থাকবে না৷ এরপর আসবে তাদের স্ত্রী; আসবে এক, দুই কিংবা তিন সন্তান৷ ফলে এতগুলো লোকের জার্মান সমাজে অন্তর্ভুক্তির কাজ অসম্ভব হয়ে পড়বে৷

জার্মান সরকারের অস্বীকার

জার্মানির জনপ্রিয় পত্রিকা ‘বিল্ড’ সরকারের গোপন ডকুমেন্টের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, চলতি বছর জার্মানিতে প্রায় দেড় মিলিয়ন শরণার্থী আসবে বলে মনে করছে সরকার৷ যদিও প্রকাশ্যে সরকার বলছে সংখ্যাটা এক মিলিয়ন হতে পারে৷ তবে জার্মান সরকারের এক মুখপাত্র এ ধরনের কোনো গোপন ডকুমেন্টের কথা তিনি জানেন না বলে সাংবাদিকদের বলেছেন৷

শরণার্থীর মৃত্যু

জার্মানির পূর্বাঞ্চলের এক শরণার্থীদের বাসস্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ইরিত্রিয়া থেকে আসা ২৯ বছরের এক শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে৷ অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও জানা যায়নি৷ এদিকে, জার্মান সরকারের হিসেবে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছর শরণার্থী ও তাদের বাসস্থানের উপর হামলার সংখ্যা বেড়েছে৷ এ বছরের প্রথম ছয় মাসেই এরকম ২০২টি ঘটনা ঘটেছে বলে সরকার জানিয়েছে, যেখানে গত বছর সংখ্যাটি ছিল ১৯৮৷

বিপদে ম্যার্কেল

শরণার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণের কারণে নিজ দল সহ অন্যান্য দলের রাজনীতিবিদদের তোপের মুখে পড়েছেন ম্যার্কেল৷ তাঁরা জার্মানির শরণার্থী নীতি ও শরণার্থীদের আগমনের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে চ্যান্সেলরকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন৷