একাত্তর টেলিভিশনের টক শো নিয়ে তোলপাড়

মঙ্গলবার রাতে একাত্তর টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হয়ে উত্তপ্ত বিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাংসদ শামীম ওসমান ও মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী৷ তাদের সেই উত্তপ্ত আলোচনা উত্তাপ ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে৷

অনুষ্ঠানের তৃতীয় আলোচক সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা তাঁর ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, অনুষ্ঠান শেষে তাঁর কাছে কিছু ফোন অবং এসএম এস আসে যার মূল ভাষ্য: ‘‘আপনার কি জানের ভয় নাই? শামীম ওসমানের সঙ্গে কেন অনুষ্ঠানে যান?''

বিশ্ব | 26.06.2014

গোলাম মোর্তজা এ বিষয়ে কয়েকটি কথা জানাতে চেয়েছেন৷ লিখেছেন, ‘‘রাজনীতির আলোচিত-সমালোচিত চরিত্র হওয়ার কারণে, প্রতিনিয়তই শামীম ওসমানকে নিয়ে আমাদের কথা বলতে হয়, লিখতে হয়৷ তাই তাঁর উপস্থিতিতেও আমাদের কথা বলা উচিত বলে মনে করি৷ শামীম ওসমানের কৌশল থাকে অন্যকে উত্তেজিত করে দেয়া৷ বিরতিসহ অনুষ্ঠানের পুরো সময় তিনি এই কৌশল প্রয়োগ করে গেছেন৷ বিরতির সময়েও আইভির চরিত্র নিয়ে একনাগারে কথা বলে গেছেন৷ আমাকে নিয়েও কথা বলেছেন৷ সেলিনা হায়াৎ আইভী এই ফাঁদে পা দিয়েছেন৷ উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন৷ শামীম ওসমান এটাই চেয়েছিলেন৷ সত্য যাতে বলতে না পারি, কথায় অনবরত বাঁধা দিয়ে গেছেন শামীম ওসমান৷''

Narayanganj City Corporation Wahlen Flash-Galerie

শামীম ওসমান তাঁকে মারতে ছুটে যাচ্ছিলেন

হুমকি প্রসঙ্গে মোর্তজা লিখেছেন, ‘‘জানের ভয় অন্য সবার মতো আমারও আছে৷ তবে সত্য বলার সাহস আছে তার চেয়ে বেশি৷ এই কারণেই শামীম ওসমানের মতো ফ্রাঙ্কেস্টাইনের দানবের সঙ্গে বারবার অনুষ্ঠানে যাই৷ বেশ কয়েকবার শামীম-আইভী বিরতিতে যেভাবে উত্তেজিত বাক্য বিনিময় করেছেন, শামীম ওসমান আইভীকে প্রায় আক্রমণ করতে উদ্যত হয়েছেন, তাতে স্টুডিওতে ভিতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল৷'' তিনি জানান শামীম ওসমান আইভীকে বলেছেন, ‘‘তুই নারায়ণগঞ্জে চল, তোরে দেখাইতেছি৷'' এমনকি অনুষ্ঠান শেষে কিছু একটা বলে আইভী যখন বের হয়ে যাচ্ছিলেন তখন শামীম ওসমান তাঁকে মারতে ছুটে যাচ্ছিলেন৷ তাঁকে ধরে ঠেকানো হয়৷''

তিনি আরো লিখেছেন, ‘‘আজকের এই অনুষ্ঠানের পরে, শামীম ওসমানের সঙ্গে আর অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই৷ শামীম ওসমান যেহেতু শক্তিতে বিশ্বাসী, যুক্তিতে নয়৷'' টক শোর যে অংশটি সরাসরি প্রচারিত হয়েছে, এর একটি ভিডিও ক্লিপ ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে৷

অনলাইন পত্রিকা বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরেও বিষয়টি সংবাদ আকারে এসেছে৷ সেখানে লেখা হয়েছে,‘‘ ‘‘মঙ্গলবার রাতে একাত্তর টেলিভিশনের টক শোতে সাত খুনের পেছনে নারায়ণগঞ্জের ‘গডফাদারদের' দায়ী করে আইভী বলেন, গডফাদার বলতে তিনি শামীম ওসমানকে বুঝিয়েছেন৷ তিনি বলেছেন,‘‘গডফাদার বলতে কাকে বুঝাচ্ছি সে তো এখানে বসেই আছে, তাকেই বুঝাচ্ছি৷ নারায়ণগঞ্জের গডফাদার একজনই সেটা এ কে এম শামীম ওসমান এবং তার সৃষ্টি আরো কিছু গডফাদার৷''

অভিযোগ খণ্ডন করতে গিয়ে একই দলের নেতা শামীম ওসমান বলেন, ‘‘যাকে আমি দেখি করাপশনের একজন নায়িকা হিসেবে তাকে অ্যাটাক করে বক্তব্য দিতে চাই না৷ এটা আমার রুচিতে বাধে৷ প্রতিটি জিনিসের একটা সৌজন্যতা, একটা ভদ্রতা, কথা বলার স্টাইল – সব কিছুর মধ্যে একটা মানুষের ব্লাডের পরিচয় পাওয়া যায়৷''

শুভ মেহেদি তাঁর ফেসবুক পাতায় এই টক শো নিয়েই লিখেছেন৷তিনি লিখেছেন, ‘‘আফসোস সবার উপলব্ধি হলেও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি হয় না৷ যখন হবে তখন ২০০১-এর মতো আর শুধরে নেয়ার সময় পাবেন না৷ এখানে আমি শামীম ওসমানকে ইচ্ছে করেই আওয়ামী লীগের শামীম ওসমান বলেছি, কারণ হতে পারে উনি প্রধানমন্ত্রীর প্রিয় ব্যক্তি৷ তাঁর মতো কিছু ব্যক্তি ঐ সব মানুষদের বিমুখ করে তুলছে, যারা আওয়ামীলীগ কে একসময় খুব ভালোবাসতে৷ আমার আসলেই সন্দেহ হয় আমাদের প্রধানমন্ত্রী কি সত্যিই জনগণের ভাষা বুঝেন নাকি এই না বুঝে থাকার ভানের মাঝে অন্য কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে?''

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অত্যন্ত সক্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘‘আমার কাছে তথ্য আছে আওয়ামী লীগ আগামীবার আবার ক্ষমতায় আসবে৷’’ ২৩ জুলাই ঢাকায় এক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি৷

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে থাকা উপদেষ্টাদের নিয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তাব করেন৷ ২১ অক্টোবর তিনি বলেন, ‘‘ওই দুই সরকারের ২০ জন উপদেষ্টার মধ্য থেকে বর্তমান সরকারি দল পাঁচজন এবং বিরোধী দল পাঁচজন সদস্যের নাম প্রস্তাব করবেন৷’’ কিন্তু গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপদেষ্টাদের মধ্যে মাত্র ১৪ জন এখন জীবিত আছেন৷ তাদের কয়েকজন আর উপদেষ্টা হতে রাজি নন৷

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১১ নভেম্বর বলেন, ‘‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচনে গেলে মানুষ আমাকে থুতু দেবে না? এর চেয়ে জেলেই মরে যাওয়া ভালো৷’’ এই মন্তব্যের কয়েকদিন পর তিনি বলেন, ‘‘এই সরকারকে সরাতে হলে নির্বাচন দরকার৷ নির্বাচনে না গেলে মানুষ থুতু দেবে৷’’ শেষ অবধি অবশ্য নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি৷

অনুষ্ঠানের তৃতীয় আলোচক সাংবাদিক গোলাম মোর্তজা তাঁর ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, অনুষ্ঠান শেষে তাঁর কাছে কিছু ফোন অবং এসএম এস আসে যার মূল ভাষ্য: ‘‘আপনার কি জানের ভয় নাই? শামীম ওসমানের সঙ্গে কেন অনুষ্ঠানে যান?''

গোলাম মোর্তজা এ বিষয়ে কয়েকটি কথা জানাতে চেয়েছেন৷ লিখেছেন, ‘‘রাজনীতির আলোচিত-সমালোচিত চরিত্র হওয়ার কারণে, প্রতিনিয়তই শামীম ওসমানকে নিয়ে আমাদের কথা বলতে হয়, লিখতে হয়৷ তাই তাঁর উপস্থিতিতেও আমাদের কথা বলা উচিত বলে মনে করি৷ শামীম ওসমানের কৌশল থাকে অন্যকে উত্তেজিত করে দেয়া৷ বিরতিসহ অনুষ্ঠানের পুরো সময় তিনি এই কৌশল প্রয়োগ করে গেছেন৷ বিরতির সময়েও আইভির চরিত্র নিয়ে একনাগারে কথা বলে গেছেন৷ আমাকে নিয়েও কথা বলেছেন৷ সেলিনা হায়াৎ আইভী এই ফাঁদে পা দিয়েছেন৷ উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন৷ শামীম ওসমান এটাই চেয়েছিলেন৷ সত্য যাতে বলতে না পারি, কথায় অনবরত বাঁধা দিয়ে গেছেন শামীম ওসমান৷''

Narayanganj City Corporation Wahlen Flash-Galerie

শামীম ওসমান তাঁকে মারতে ছুটে যাচ্ছিলেন

হুমকি প্রসঙ্গে মোর্তজা লিখেছেন, ‘‘জানের ভয় অন্য সবার মতো আমারও আছে৷ তবে সত্য বলার সাহস আছে তার চেয়ে বেশি৷ এই কারণেই শামীম ওসমানের মতো ফ্রাঙ্কেস্টাইনের দানবের সঙ্গে বারবার অনুষ্ঠানে যাই৷ বেশ কয়েকবার শামীম-আইভী বিরতিতে যেভাবে উত্তেজিত বাক্য বিনিময় করেছেন, শামীম ওসমান আইভীকে প্রায় আক্রমণ করতে উদ্যত হয়েছেন, তাতে স্টুডিওতে ভিতিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল৷'' তিনি জানান শামীম ওসমান আইভীকে বলেছেন, ‘‘তুই নারায়ণগঞ্জে চল, তোরে দেখাইতেছি৷'' এমনকি অনুষ্ঠান শেষে কিছু একটা বলে আইভী যখন বের হয়ে যাচ্ছিলেন তখন শামীম ওসমান তাঁকে মারতে ছুটে যাচ্ছিলেন৷ তাঁকে ধরে ঠেকানো হয়৷''

তিনি আরো লিখেছেন, ‘‘আজকের এই অনুষ্ঠানের পরে, শামীম ওসমানের সঙ্গে আর অনুষ্ঠান করতে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই৷ শামীম ওসমান যেহেতু শক্তিতে বিশ্বাসী, যুক্তিতে নয়৷'' টক শোর যে অংশটি সরাসরি প্রচারিত হয়েছে, এর একটি ভিডিও ক্লিপ ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে৷

অনলাইন পত্রিকা বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরেও বিষয়টি সংবাদ আকারে এসেছে৷ সেখানে লেখা হয়েছে,‘‘ ‘‘মঙ্গলবার রাতে একাত্তর টেলিভিশনের টক শোতে সাত খুনের পেছনে নারায়ণগঞ্জের ‘গডফাদারদের' দায়ী করে আইভী বলেন, গডফাদার বলতে তিনি শামীম ওসমানকে বুঝিয়েছেন৷ তিনি বলেছেন,‘‘গডফাদার বলতে কাকে বুঝাচ্ছি সে তো এখানে বসেই আছে, তাকেই বুঝাচ্ছি৷ নারায়ণগঞ্জের গডফাদার একজনই সেটা এ কে এম শামীম ওসমান এবং তার সৃষ্টি আরো কিছু গডফাদার৷''

অভিযোগ খণ্ডন করতে গিয়ে একই দলের নেতা শামীম ওসমান বলেন, ‘‘যাকে আমি দেখি করাপশনের একজন নায়িকা হিসেবে তাকে অ্যাটাক করে বক্তব্য দিতে চাই না৷ এটা আমার রুচিতে বাধে৷ প্রতিটি জিনিসের একটা সৌজন্যতা, একটা ভদ্রতা, কথা বলার স্টাইল – সব কিছুর মধ্যে একটা মানুষের ব্লাডের পরিচয় পাওয়া যায়৷''

শুভ মেহেদি তাঁর ফেসবুক পাতায় এই টক শো নিয়েই লিখেছেন৷তিনি লিখেছেন, ‘‘আফসোস সবার উপলব্ধি হলেও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি হয় না৷ যখন হবে তখন ২০০১-এর মতো আর শুধরে নেয়ার সময় পাবেন না৷ এখানে আমি শামীম ওসমানকে ইচ্ছে করেই আওয়ামী লীগের শামীম ওসমান বলেছি, কারণ হতে পারে উনি প্রধানমন্ত্রীর প্রিয় ব্যক্তি৷ তাঁর মতো কিছু ব্যক্তি ঐ সব মানুষদের বিমুখ করে তুলছে, যারা আওয়ামীলীগ কে একসময় খুব ভালোবাসতে৷ আমার আসলেই সন্দেহ হয় আমাদের প্রধানমন্ত্রী কি সত্যিই জনগণের ভাষা বুঝেন নাকি এই না বুঝে থাকার ভানের মাঝে অন্য কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে?''

তিনি আহ্বান জানিয়েছেন যাতে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে শামীম ওসমানকে মহিরুহ করে তুলেছেন ঠিক তেমনি ভাবেই পরগাছা বানিয়ে এমন ভাবে পদাঘাত করবেন, যাতে জনগণের মাঝে আবার রাজনীতিবিদদের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা ফিরে আসে৷

রাজনীতি

‘হরতাল সমর্থকদের নাড়াচাড়ায় ভবন ধস’

সাভারে রানা প্লাজা ধসে পড়ার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর ২৪ এপ্রিল বলেন, ‘‘কিছু হরতাল সমর্থক ভবনটির ফাটল ধরা দেয়ালের বিভিন্ন স্তম্ভ এবং গেট ধরে নাড়াচাড়া করেছে বলে জানতে পেরেছি৷ ভবনটি ধসে পড়ার পেছনে সেটাও একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে৷’’ রানা প্লাজা ধসে প্রাণ হারিয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ৷

রাজনীতি

‘আমার কাছে তথ্য আছে’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অত্যন্ত সক্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘‘আমার কাছে তথ্য আছে আওয়ামী লীগ আগামীবার আবার ক্ষমতায় আসবে৷’’ ২৩ জুলাই ঢাকায় এক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি৷

রাজনীতি

‘লোডশেডিং দিতে বলেছিলাম’

বিদ্যুতের প্রয়োজনীয় উৎপাদন নিশ্চিত হওয়ার পরও লোডশেডিং প্রসঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘‘আমি নিজেই প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে লোডশেডিং দিতে বলেছিলাম৷ তা না হলে মানুষ ভুলে যাবে দেশে লোডশেডিং ছিল৷’’ ২০১৩ সালের ৪ আগস্ট ঢাকায় কুড়িল উড়ালসেতু উদ্বোধনকালে একথা বলেন শেখ হাসিনা৷

রাজনীতি

‘...তারা বাঙালি নয়’ (প্রতীকী ছবি)

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মিতা হকের একটি মন্তব্য আলোচনার ঝড় তোলে৷ ‘‘যারা ঘোমটা পরে, তারা বাঙালি নয়’’ – এ কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও, মিতা জানান, তিনি চোখ পর্যন্ত ঢেকে রাখার যে রীতি দেখা যাচ্ছে, তার সমালোচনা করেছিলেন৷ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা যারা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করি, তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে৷’’

রাজনীতি

‘২০ জন উপদেষ্টা’

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে থাকা উপদেষ্টাদের নিয়ে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তাব করেন৷ ২১ অক্টোবর তিনি বলেন, ‘‘ওই দুই সরকারের ২০ জন উপদেষ্টার মধ্য থেকে বর্তমান সরকারি দল পাঁচজন এবং বিরোধী দল পাঁচজন সদস্যের নাম প্রস্তাব করবেন৷’’ কিন্তু গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপদেষ্টাদের মধ্যে মাত্র ১৪ জন এখন জীবিত আছেন৷ তাদের কয়েকজন আর উপদেষ্টা হতে রাজি নন৷

রাজনীতি

‘...তেঁতুল বলি নাই’

হেফাজতে ইসলামের আমীর আহমেদ শফী এক ওয়াজ মাহফিলে ‘নারীদের তেঁতুল’ বলেন৷ বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়৷ পরবর্তীতে ২ নভেম্বর চট্টগ্রামে এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘‘আমি মহিলাদের তেঁতুলের মতো বলেছি, তেঁতুল বলি নাই৷’’

রাজনীতি

‘ধ্বংস এখন অবধারিত’

সরকার গ্রামীণ ব্যাংক আইন সংশোধনের পর ব্যাংকটির ভবিষ্যত সম্পর্কে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘‘এর মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের ধ্বংস অবধারিত হলো৷’’ ৬ নভেম্বর এক বিবৃতিতে একথা বলেন ইউনূস৷ গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে বর্তমান সরকারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ রয়েছে৷

রাজনীতি

‘মানুষ থুতু দেবে’

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১১ নভেম্বর বলেন, ‘‘সব দলের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচনে গেলে মানুষ আমাকে থুতু দেবে না? এর চেয়ে জেলেই মরে যাওয়া ভালো৷’’ এই মন্তব্যের কয়েকদিন পর তিনি বলেন, ‘‘এই সরকারকে সরাতে হলে নির্বাচন দরকার৷ নির্বাচনে না গেলে মানুষ থুতু দেবে৷’’ শেষ অবধি অবশ্য নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি৷

রাজনীতি

‘আমরা আপনাদের তৈরি করেছি’

অবরোধের আগুনে পোড়া গীতা সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সব রাজনীতিবিদদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘‘আমরা আপনাদের তৈরি করছি, আপনারা আমাদের তৈরি করেন নাই৷ আমাদের স্বামীরটা আমরা খাই৷ আপনারা আমাদের নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন৷’’ প্রধানমন্ত্রী ১ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিট পরিদর্শনে গেলে তাঁকে এসব কথা বলেন গীতা৷

রাজনীতি

‘দিস ইজ বেয়াদবি’

১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে স্মৃতিসৌধে যান নি ঢাকায় অবস্থানরত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতরা৷ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ইইউ রাষ্ট্রদূতদের এই আচরণ প্রসঙ্গে ১৯ ডিসেম্বর বলেন, ‘‘ইইউ রাষ্ট্রদূত স্মৃতিসৌধে গেলেন না, দিস ইজ বেয়াদবি, এক্কেবারে বেয়াদবি৷’’ এরকম বিভিন্ন মন্তব্য করে গত পাঁচ বছর ধরেই আলোচনায় আছেন মুহিত৷

রাকিব জাভেদ মিন্টু সামহয়্যার ইন ব্লগে লিখেছেন,‘‘বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় বিভিন্ন টিভি চ্যনেলে প্রচারিত টক শো এবং টক শো টেবিলে আমন্ত্রিত অতিথি, এই যেমন ধরুন গতকাল ৭১ টিভিতে রাত আটটার সময় সরাসরি প্রচারিত নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনে কে জড়িত, কে নয়? যা বাংলাদেশের শহর এবং গ্রামের শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব, সকলের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে৷'' তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন টেলিভিশন জগতে টক শোকে বাঁচিয়ে রাখতে যাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে অবিলম্বে টকশোর টেবিলে মুখোমুখী করা হয়৷''

বাংলাদেশের জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোতেও এই টকশো নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে৷লেখা হয়েছে, ‘‘এবার টক শোতে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর প্রতি চড়াও হলেন সাংসদ শামীম ওসমান৷ একাত্তর টেলিভিশনের লাইভ টক শো ‘একাত্তর সংযোগে' আইভীর ব্যক্তিজীবন এবং পরিবারকেও আক্রমণ করেন শামীম ওসমান৷ এমনকি নজিরবিহীনভাবে অনুষ্ঠান চলাকালেও শামীম ওসমান আইভীকে নিয়ে একা একাই আপত্তিকর কথা বলেছেন৷ গত মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সাত খুন নিয়ে এই টক শো অনুষ্ঠিত হয়৷ অনুষ্ঠানের শুরু থেকেই শামীম ওসমান ও আইভীর মধ্যে উত্তেজিত বাক্যবিনিময় হয়৷ অনুষ্ঠানের মাঝবিরতি এবং শেষে উত্তেজনা আরও বাড়ে৷ সরাসরি এটা দর্শকেরা দেখতে না পেলেও অন্য আলোচক, সঞ্চালক, ক্যামেরাকর্মীরা তা দেখেন৷ জানা গেছে, অনুষ্ঠান শেষে আইভীর দিকে শামীম ওসমান তেড়ে যান, নারায়ণগঞ্জে গিয়ে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন৷ আইভীও পাল্টা চ্যালেঞ্জ দেন শামীম ওসমানকে৷''

সংকলন: অমৃতা পারভেজ

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ