এমডিজি থেকে এসডিজি: সমস্যা নীতিতে

এমডিজির প্রধান লক্ষ্য ছিল সামগ্রিক উন্নয়ন৷ এর কিছু বিষয় সুনির্দিষ্ট থাকলেও, অনেকগুলো ক্ষেত্র ছিল বায়বীয়৷ ফলে যখন এমডিজির লক্ষ্য পূরণের ইতিবাচক হিসাব সামনে আনা হয়, তখন অনেক প্রশ্নেরই উত্তর মেলে না৷ তৈরি হয় নতুন প্রশ্নও৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

এমন অবস্থায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রণীত এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা শেষ হয়৷ জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ এসডিজি৷ লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন উন্নয়ন৷ এসডিজির উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এমডিজিরই পরিবর্ধিত রূপ৷ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রায় দারিদ্র বিমোচন, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, ব্যয়সাধ্য ও টেকসই জ্বালানি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও উন্নত অবকাঠামো, বৈষম্য দূরীকরণ – এমন ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে৷ প্রশ্ন হলো, এ রকম এমডিজি থেকে এসডিজি ঘরানার পরিকল্পনা নির্ধারণ করে আসলে কতটা উন্নয়ন করা যায়? এতে মানুষের ভাগ্যেরই বা ঠিক কতটা পরিবর্তন হয়?

রাজনীতি

এমডিজি থেকে এসডিজি

২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল আটটি৷ এমডিজি বাস্তবায়নে কয়েকটি ক্ষেত্রে ভালো সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ৷ এবার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে৷

রাজনীতি

কোনো দারিদ্র্য নয়

এসডিজির প্রথম লক্ষ্য বিশ্ব থেকে একেবারে চরম দারিদ্র্য দূর করা৷ ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি করতে চায় জাতিসংঘ৷ বৈশ্বিক এই সংস্থার হিসাবে যাদের আয় দিনে সোয়া এক ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১০০ টাকা তারাই চরম দরিদ্র৷

রাজনীতি

ক্ষুধা দূর

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষুধা দূর করতে হবে এবং গরিব ও নবজাতক শিশু সহ যেসব মানুষ সংকটের মধ্যে আছে তাদের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও পর্যাপ্ত খাবারের সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে৷

রাজনীতি

মা ও নবজাতকের মৃত্যু সংখ্যা

এক লক্ষ শিশু জন্মের বিপরীতে মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা ৭০ এর নীচে নামিয়ে আনতে হবে৷ আর এক হাজার শিশুর জন্মের বিপরীতে নবজাতকের মৃত্যুর সংখ্যা ১২-র নীচে নামাতে হবে৷ আর পাঁচ বছরের শিশু মৃত্যুর সংখ্যা প্রতি এক হাজারে ২৫ জনে নামিয়ে আনতে হবে৷

রাজনীতি

শিক্ষা

২০৩০ সালের মধ্যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে৷

রাজনীতি

লিঙ্গবৈষম্য দূর করা

নারী ও মেয়েদের ক্ষেত্রে সব ধরণের লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে হবে৷ ব্যক্তিগত ও জনজীবনে নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সব রকমের (যেমন মানব পাচার, যৌন নির্যাতন) নির্যাতন বন্ধ করতে হবে৷

রাজনীতি

বিশুদ্ধ পানি

বিশ্বের সবাই যেন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে৷ খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ বন্ধ করতে হবে৷ নারী ও মেয়েদের জন্য মলমূত্র ত্যাগের স্থান ঠিক করার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে৷

রাজনীতি

অন্য যেসব ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

এর মধ্যে আছে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি, আর্থিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো, রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে অসমতা, নিরাপদ শহর, সম্পদ ভোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক সম্পদ, ইকোসিস্টেম, সুবিচার ও টেকসই উন্নয়ন৷ এ সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উপরের ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

রাজনীতি

পরামর্শক গ্রুপে ইউনূস, মেসি, শাকিরা

এসডিজি কর্মসূচির পরামর্শক গ্রুপে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, লিওনেল মেসি, শাকিরা সহ আরও ১২ জন৷ এই গ্রুপের দায়িত্ব হলো এসডিজি কর্মসূচির উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা৷

১. এ সব লক্ষ্য নির্ধারণ, ভালো ভালো শব্দে তার বিবরণ শুনতে ভালো লাগে৷ কিন্তু বাস্তবে এতে খুব একটা কাজ হয় না৷ দারিদ্র বিমোচন থেকে শুরু করে যা কিছুই বলা হোক না কেন, সব কিছুর মূলে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা বা সমাজে সুশাসনের উপস্থিতি না থাকলে, কোনো লক্ষ্যই অর্জন সম্ভব নয়৷

২. সুশাসন না থাকলে ধনী আরও ধনী হয়, গরিব হয় আরও গরিব৷ বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্ট করে বললে, গরিবের অর্থ ধনীরা লুটপাট করে নিয়ে যায়৷ রাষ্ট্র গরিবের স্বার্থ দেখে না, লুটপাটকারী ধনীদের পক্ষেই দাঁড়ায়৷

৩. যদি একটি দেশে গণতন্ত্র না থাকে, জনগণেরও অধিকার থাকে না৷ বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিন দিন কমে যাচ্ছে৷ জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন হয়ে যাচ্ছে৷ তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছে৷ সরকারি মেকানিজমের জোর-জুলুমে নির্বাচনি প্রক্রিয়া বলতে কিছু থাকছে না৷ যে দেশের সরকারের ভোটের জন্যে জনগণের কাছে যেতে হয় না, সে দেশের সরকার জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন নিয়ে ভাবে না৷ সরকার যদি জনগণকে নিয়ে না ভাবে, তবে এসডিজির ১৭টি কেন, প্রায় কোনো লক্ষ্যই সুষ্ঠু-সঠিকভাবে অর্জিত হবে না৷

সংস্কৃতি

লিঙ্গ সমতা মাপা

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, ডাব্লিউইএফ ২০০৬ সাল থেকে প্রতিবছর ‘বিশ্ব লিঙ্গবৈষম্য সূচক’ প্রকাশ করে আসছে৷ মূলত চারটি বিষয় – অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষায় অর্জন, স্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন – বিবেচনা করে এ সূচক প্রকাশ করা হয়৷ ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে সবশেষ সূচকটি প্রকাশ করা হয়েছে৷ প্রতিবেদনটি পড়তে উপরে ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ প্রথম

সবশেষ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৫টি দেশের মধ্যে ৬৮ নম্বরে৷ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের অবস্থান এরও পরে৷ ভারত ১০৮-এ আর পাকিস্তানের অবস্থান ১৪৪ নম্বরে৷ আরও জানতে উপরে ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

শীর্ষে স্বাস্থ্য খাত

যে চারটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সূচক প্রকাশ করা হয় তার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে৷ ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে এই খাতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২২তম৷ ২০১৫ সালে সেটা ২৭ ধাপ এগিয়ে ৯৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে৷

সংস্কৃতি

শিক্ষা

২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে শিক্ষা খাতের ব়্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ১০৯ নম্বরে আছে বাংলাদেশ৷ সবচেয়ে বেশি সাফল্য দেখা গেছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে৷ এ বিষয়ে বাংলাদেশের ব়্যাংকিং এক৷ তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান ১১৯ নম্বরে৷

সংস্কৃতি

রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন

এক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে দুই ধাপ এগিয়েছে৷ ফলে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আট৷ সংসদে নারী সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৭৬৷ আর মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ আছে ১২৬ নম্বরে৷

সংস্কৃতি

যেখানে পিছিয়েছে

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গতবারের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে ১৩০তম অবস্থানে এসেছে৷ শ্রমখাতে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ বিবেচনায় বাংলাদেশে অবস্থান ৯৭, আর একই কাজে নারী-পুরুষের বেতন পাওয়ার ক্ষেত্রে অবস্থান ১২৬ নম্বরে৷

সংস্কৃতি

সমতা আসতে লাগবে ১১৮ বছর!

ডাব্লিউইএফ বলছে, বেতনের পাওয়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা পুরোপুরি আসবে ২১৩৩ সালে, অর্থাৎ ১১৮ বছর পর৷ অবশ্য ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে সংস্থাটি আরও আগেই এই সমতা আসতে পারে বলে জানিয়েছিল৷ কিন্তু গত এক বছরে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় সমতা আসার সময়সীমাও বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি৷

যে চারটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সূচক প্রকাশ করা হয় তার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে৷ ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে এই খাতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২২তম৷ ২০১৫ সালে সেটা ২৭ ধাপ এগিয়ে ৯৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে৷

এমন অবস্থায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রণীত এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা শেষ হয়৷ জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ এসডিজি৷ লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন উন্নয়ন৷ এসডিজির উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এমডিজিরই পরিবর্ধিত রূপ৷ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রায় দারিদ্র বিমোচন, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, ব্যয়সাধ্য ও টেকসই জ্বালানি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও উন্নত অবকাঠামো, বৈষম্য দূরীকরণ – এমন ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে৷ প্রশ্ন হলো, এ রকম এমডিজি থেকে এসডিজি ঘরানার পরিকল্পনা নির্ধারণ করে আসলে কতটা উন্নয়ন করা যায়? এতে মানুষের ভাগ্যেরই বা ঠিক কতটা পরিবর্তন হয়?

রাজনীতি

এমডিজি থেকে এসডিজি

২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল আটটি৷ এমডিজি বাস্তবায়নে কয়েকটি ক্ষেত্রে ভালো সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ৷ এবার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে৷

রাজনীতি

কোনো দারিদ্র্য নয়

এসডিজির প্রথম লক্ষ্য বিশ্ব থেকে একেবারে চরম দারিদ্র্য দূর করা৷ ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি করতে চায় জাতিসংঘ৷ বৈশ্বিক এই সংস্থার হিসাবে যাদের আয় দিনে সোয়া এক ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১০০ টাকা তারাই চরম দরিদ্র৷

রাজনীতি

ক্ষুধা দূর

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষুধা দূর করতে হবে এবং গরিব ও নবজাতক শিশু সহ যেসব মানুষ সংকটের মধ্যে আছে তাদের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও পর্যাপ্ত খাবারের সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে৷

রাজনীতি

মা ও নবজাতকের মৃত্যু সংখ্যা

এক লক্ষ শিশু জন্মের বিপরীতে মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা ৭০ এর নীচে নামিয়ে আনতে হবে৷ আর এক হাজার শিশুর জন্মের বিপরীতে নবজাতকের মৃত্যুর সংখ্যা ১২-র নীচে নামাতে হবে৷ আর পাঁচ বছরের শিশু মৃত্যুর সংখ্যা প্রতি এক হাজারে ২৫ জনে নামিয়ে আনতে হবে৷

রাজনীতি

শিক্ষা

২০৩০ সালের মধ্যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে৷

রাজনীতি

লিঙ্গবৈষম্য দূর করা

নারী ও মেয়েদের ক্ষেত্রে সব ধরণের লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে হবে৷ ব্যক্তিগত ও জনজীবনে নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সব রকমের (যেমন মানব পাচার, যৌন নির্যাতন) নির্যাতন বন্ধ করতে হবে৷

রাজনীতি

বিশুদ্ধ পানি

বিশ্বের সবাই যেন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে৷ খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ বন্ধ করতে হবে৷ নারী ও মেয়েদের জন্য মলমূত্র ত্যাগের স্থান ঠিক করার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে৷

রাজনীতি

অন্য যেসব ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

এর মধ্যে আছে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি, আর্থিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো, রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে অসমতা, নিরাপদ শহর, সম্পদ ভোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক সম্পদ, ইকোসিস্টেম, সুবিচার ও টেকসই উন্নয়ন৷ এ সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উপরের ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

রাজনীতি

পরামর্শক গ্রুপে ইউনূস, মেসি, শাকিরা

এসডিজি কর্মসূচির পরামর্শক গ্রুপে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, লিওনেল মেসি, শাকিরা সহ আরও ১২ জন৷ এই গ্রুপের দায়িত্ব হলো এসডিজি কর্মসূচির উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা৷

১. এ সব লক্ষ্য নির্ধারণ, ভালো ভালো শব্দে তার বিবরণ শুনতে ভালো লাগে৷ কিন্তু বাস্তবে এতে খুব একটা কাজ হয় না৷ দারিদ্র বিমোচন থেকে শুরু করে যা কিছুই বলা হোক না কেন, সব কিছুর মূলে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা বা সমাজে সুশাসনের উপস্থিতি না থাকলে, কোনো লক্ষ্যই অর্জন সম্ভব নয়৷

২. সুশাসন না থাকলে ধনী আরও ধনী হয়, গরিব হয় আরও গরিব৷ বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সুনির্দিষ্ট করে বললে, গরিবের অর্থ ধনীরা লুটপাট করে নিয়ে যায়৷ রাষ্ট্র গরিবের স্বার্থ দেখে না, লুটপাটকারী ধনীদের পক্ষেই দাঁড়ায়৷

৩. যদি একটি দেশে গণতন্ত্র না থাকে, জনগণেরও অধিকার থাকে না৷ বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিন দিন কমে যাচ্ছে৷ জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন হয়ে যাচ্ছে৷ তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছে৷ সরকারি মেকানিজমের জোর-জুলুমে নির্বাচনি প্রক্রিয়া বলতে কিছু থাকছে না৷ যে দেশের সরকারের ভোটের জন্যে জনগণের কাছে যেতে হয় না, সে দেশের সরকার জনগণের ভাগ্যোন্নয়ন নিয়ে ভাবে না৷ সরকার যদি জনগণকে নিয়ে না ভাবে, তবে এসডিজির ১৭টি কেন, প্রায় কোনো লক্ষ্যই সুষ্ঠু-সঠিকভাবে অর্জিত হবে না৷

সংস্কৃতি

লিঙ্গ সমতা মাপা

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, ডাব্লিউইএফ ২০০৬ সাল থেকে প্রতিবছর ‘বিশ্ব লিঙ্গবৈষম্য সূচক’ প্রকাশ করে আসছে৷ মূলত চারটি বিষয় – অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষায় অর্জন, স্বাস্থ্য এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন – বিবেচনা করে এ সূচক প্রকাশ করা হয়৷ ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে সবশেষ সূচকটি প্রকাশ করা হয়েছে৷ প্রতিবেদনটি পড়তে উপরে ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ প্রথম

সবশেষ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৫টি দেশের মধ্যে ৬৮ নম্বরে৷ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের অবস্থান এরও পরে৷ ভারত ১০৮-এ আর পাকিস্তানের অবস্থান ১৪৪ নম্বরে৷ আরও জানতে উপরে ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

সংস্কৃতি

শীর্ষে স্বাস্থ্য খাত

যে চারটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে সূচক প্রকাশ করা হয় তার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে৷ ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে এই খাতে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২২তম৷ ২০১৫ সালে সেটা ২৭ ধাপ এগিয়ে ৯৫তম অবস্থানে উঠে এসেছে৷

সংস্কৃতি

শিক্ষা

২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে শিক্ষা খাতের ব়্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ১০৯ নম্বরে আছে বাংলাদেশ৷ সবচেয়ে বেশি সাফল্য দেখা গেছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে৷ এ বিষয়ে বাংলাদেশের ব়্যাংকিং এক৷ তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান ১১৯ নম্বরে৷

সংস্কৃতি

রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন

এক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ২০১৪ সালের তুলনায় ২০১৫ সালে দুই ধাপ এগিয়েছে৷ ফলে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান আট৷ সংসদে নারী সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৭৬৷ আর মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশ আছে ১২৬ নম্বরে৷

সংস্কৃতি

যেখানে পিছিয়েছে

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গতবারের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে ১৩০তম অবস্থানে এসেছে৷ শ্রমখাতে নারী-পুরুষের অংশগ্রহণ বিবেচনায় বাংলাদেশে অবস্থান ৯৭, আর একই কাজে নারী-পুরুষের বেতন পাওয়ার ক্ষেত্রে অবস্থান ১২৬ নম্বরে৷

সংস্কৃতি

সমতা আসতে লাগবে ১১৮ বছর!

ডাব্লিউইএফ বলছে, বেতনের পাওয়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা পুরোপুরি আসবে ২১৩৩ সালে, অর্থাৎ ১১৮ বছর পর৷ অবশ্য ২০১৪ সালের প্রতিবেদনে সংস্থাটি আরও আগেই এই সমতা আসতে পারে বলে জানিয়েছিল৷ কিন্তু গত এক বছরে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় সমতা আসার সময়সীমাও বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি৷

৪. এ ধরনের সরকার ক্ষমতায় থাকলে জনগণের অর্থ-সম্পদ, স্বার্থ কোনো কিছুই রক্ষিত হয় না৷ দেশের আর্থিকভাবে অস্থিরতা, নৈরাজ্য বিরাজ করে৷ তৈরি হয় দেশে অসুস্থ, অস্থির এক পরিবেশ৷ রিজার্ভের পরিমাণ হয়ত বাড়ে, কিন্তু ব্যাংক থেকে অর্থ চুরি হয়, রিজার্ভ থেকে ডলার চুরি হয়৷ অথচ বিনিয়োগ বা শিল্পায়ন হয় না৷ আর বিনিয়োগ না হলে, বেকারত্ব কমানো যায় না৷ দারিদ্র বিমোচন, বৈষম্য কমানো যায় না, সমতা, অধিকার প্রতিষ্ঠিত করাও যায় না৷

৫. জাতিসংঘের উদ্যোগে উন্নত দেশগুলোর অর্থে গরিব বা অনুন্নত দেশের উন্নয়ন করা হবে৷ এমডিজি বা এসডিজির মূল লক্ষ্য এটাই৷ কিন্তু বাস্তবে উন্নত দেশগুলোর নীতি কী? তাদের নীতির কারণে গরিব মানুষের ভাগ্যের ঠিক কতটা পরিবর্তন হচ্ছে? জাতিসংঘ উন্নত দেশের নীতির ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছে না৷ যেমন বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক জনগণ৷ অথচ জনগণ দিন দিন সেই অধিকার হারাচ্ছে৷ জনগণের সম্পদ দেশের সরকারের সঙ্গে যোগসাজোস করে দখল করে নিচ্ছে উন্নত দেশের বহুজাতিক কোম্পানিগুলো৷ শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীব্যাপী এমন নীতির বাস্তবায়ন হচ্ছে৷ যেমন জাপান কিছু সহায়তা বাংলাদেশকে দেয়, অল্প সুদে ঋণও দেয়৷ কিন্তু নানা শর্তে কাফকো-র কাছে প্রায় বিনামূল্যে গ্যাস বিক্রি করতে বাধ্য করে বাংলাদেশকে৷ গ্যাসের মতো দামি সম্পদ আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম ৬ ডলার, কাফকো-র কাছে সরকার বিক্রি করেছে ০.৭৯ ডলারে৷ বছরের পর বছর এভাবেই চলেছে৷ কিছু সাহায্য, কিছু ঋণ দিয়ে, এভাবে গ্যাস নিয়ে নিলে বাংলাদেশের দারিদ্র কীভাবে দূর হবে?

Bangladesh Journalist Golam Mortoza

গোলাম মোর্তোজা, সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক এবং টিভি টকশো-র মডারেটর

৬. দারিদ্র দূরীকরণ, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা তো দূরের কথা অ্যামেরিকা-ইউরোপের নীতির কারণে ধনী দেশের মানুষও উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছে৷ ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া বিষয়ে যে নীতি, তাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ সব হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে৷ এক সময় যাদের সব ছিল, তারা সব হারিয়ে এখন ইউরোপের শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে৷ সাগরে হারিয়ে গেছে হাজার হাজার নারী-শিশু-যুবক -বৃদ্ধ৷

৭. বলা হয়, পৃথিবীতে অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি৷ তাদের দৈনিক আয় ১.২৫ ডলারের সমান বা কম৷ সামগ্রিকভাবে জাতিসংঘ বা উন্নত দেশগুলো যদি বিশ্বে সমতা প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তবে তার নীতিতে পরিবর্তন আনতে হবে৷ বাংলাদেশ, আফ্রিকা বা অন্য অনুন্নত দেশগুলোর বিষয়ে নতুন করে ভাবতে হবে৷ নিজেদের স্বার্থে অগণতান্ত্রিক সরকার টিকিয়ে রাখার নীতি থেকে বের হয়ে আসতে হবে৷ গরিব দেশের সম্পদ শোষণের মানসিকতা পরিত্যাগ করতে হবে৷ অনুন্নত দেশে শিল্পায়ন বা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু কৌশলি আচরণ বা কথা নয়, বাস্তবে ভূমিকা রাখতে হবে৷ তাহলেই হয়ত এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা অর্জিত হবে বাংলাদেশে৷

বন্ধু, আপনি কি গোলাম মোর্তোজার সঙ্গে একমত? জানান মন্তব্যের ঘরে৷

এমন অবস্থায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রণীত এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা শেষ হয়৷ জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ এসডিজি৷ লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন উন্নয়ন৷ এসডিজির উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এমডিজিরই পরিবর্ধিত রূপ৷ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রায় দারিদ্র বিমোচন, ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব, সুস্বাস্থ্য, মানসম্মত শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন, ব্যয়সাধ্য ও টেকসই জ্বালানি, কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও উন্নত অবকাঠামো, বৈষম্য দূরীকরণ – এমন ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে৷ প্রশ্ন হলো, এ রকম এমডিজি থেকে এসডিজি ঘরানার পরিকল্পনা নির্ধারণ করে আসলে কতটা উন্নয়ন করা যায়? এতে মানুষের ভাগ্যেরই বা ঠিক কতটা পরিবর্তন হয়?

রাজনীতি

এমডিজি থেকে এসডিজি

২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত চলা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা এমডিজিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল আটটি৷ এমডিজি বাস্তবায়নে কয়েকটি ক্ষেত্রে ভালো সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ৷ এবার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে৷

রাজনীতি

কোনো দারিদ্র্য নয়

এসডিজির প্রথম লক্ষ্য বিশ্ব থেকে একেবারে চরম দারিদ্র্য দূর করা৷ ২০৩০ সালের মধ্যে সেটি করতে চায় জাতিসংঘ৷ বৈশ্বিক এই সংস্থার হিসাবে যাদের আয় দিনে সোয়া এক ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১০০ টাকা তারাই চরম দরিদ্র৷

রাজনীতি

ক্ষুধা দূর

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্ষুধা দূর করতে হবে এবং গরিব ও নবজাতক শিশু সহ যেসব মানুষ সংকটের মধ্যে আছে তাদের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর ও পর্যাপ্ত খাবারের সংস্থান নিশ্চিত করতে হবে৷

রাজনীতি

মা ও নবজাতকের মৃত্যু সংখ্যা

এক লক্ষ শিশু জন্মের বিপরীতে মাতৃমৃত্যুর সংখ্যা ৭০ এর নীচে নামিয়ে আনতে হবে৷ আর এক হাজার শিশুর জন্মের বিপরীতে নবজাতকের মৃত্যুর সংখ্যা ১২-র নীচে নামাতে হবে৷ আর পাঁচ বছরের শিশু মৃত্যুর সংখ্যা প্রতি এক হাজারে ২৫ জনে নামিয়ে আনতে হবে৷

রাজনীতি

শিক্ষা

২০৩০ সালের মধ্যে ছেলে ও মেয়ে উভয়ের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে৷

রাজনীতি

লিঙ্গবৈষম্য দূর করা

নারী ও মেয়েদের ক্ষেত্রে সব ধরণের লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে হবে৷ ব্যক্তিগত ও জনজীবনে নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সব রকমের (যেমন মানব পাচার, যৌন নির্যাতন) নির্যাতন বন্ধ করতে হবে৷

রাজনীতি

বিশুদ্ধ পানি

বিশ্বের সবাই যেন নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে৷ খোলা জায়গায় মলমূত্র ত্যাগ বন্ধ করতে হবে৷ নারী ও মেয়েদের জন্য মলমূত্র ত্যাগের স্থান ঠিক করার বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে৷

রাজনীতি

অন্য যেসব ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে

এর মধ্যে আছে সাশ্রয়ী ও টেকসই জ্বালানি, আর্থিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামো, রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে অসমতা, নিরাপদ শহর, সম্পদ ভোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক সম্পদ, ইকোসিস্টেম, সুবিচার ও টেকসই উন্নয়ন৷ এ সব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে উপরের ‘+’ চিহ্নে ক্লিক করুন৷

রাজনীতি

পরামর্শক গ্রুপে ইউনূস, মেসি, শাকিরা

এসডিজি কর্মসূচির পরামর্শক গ্রুপে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, লিওনেল মেসি, শাকিরা সহ আরও ১২ জন৷ এই গ্রুপের দায়িত্ব হলো এসডিজি কর্মসূচির উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করা৷

আরো প্রতিবেদন...