এ বছরের জার্মান শব্দটি হলো ‘উদ্বাস্তু'

জার্মানিতে ২০১৫ সালে যে শব্দটি সবচেয়ে বেশি শোনা গেছে, সেটি হলো ‘ফ্ল্যুশ্টলিং', বহুবচনে ‘ফ্ল্যুশ্টলিংগে'৷ মানে হলো উদ্বাস্তু৷ বাকিদের মধ্যে রয়েছে ‘জে সুই শার্লি', ‘গ্রেক্সিট' ও ‘সেল্ফি স্টিক'৷

জার্মান ভাষা সমিতির মূল দপ্তর হলো ভিসবাডেন শহরে৷ প্রতিবছর তারা একটি করে শব্দ বাছেন ‘ওয়র্ড অফ দ্য ইয়ার' হিসেবে৷ সঙ্গে থাকে আরো কিছু শব্দ, যা বিদায়ী বছরের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাবলী থেকে উঠে এসেছে৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

ভাষা সমিতি শুক্রবার ঘোষণা করে যে, এ বছরের বাছাই শব্দ হলো ‘ফ্ল্যুশ্টলিংগে' বা ‘উদ্বাস্তু' (বহুবচন)৷ কারণটা বোধগম্য: গত বারো মাসে ইউরোপ যে সমস্যা নিয়ে সবচেয়ে ব্যস্ত ছিল, সেটি হলো উদ্বাস্তু বা শরণার্থী সমস্যা৷ যেমন ২০০৮ সালের জার্মান ওয়র্ড অফ দ্য ইয়ার ছিল ‘ফিনানৎস ক্রিজে' বা আর্থিক সংকট৷

এ বছরের টপ টেন হলো:

১) ফ্ল্যুশ্টলিংগে বা ‘উদ্বাস্তু' (বহুবচন);

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

জার্মান ভাষা সমিতির মূল দপ্তর হলো ভিসবাডেন শহরে৷ প্রতিবছর তারা একটি করে শব্দ বাছেন ‘ওয়র্ড অফ দ্য ইয়ার' হিসেবে৷ সঙ্গে থাকে আরো কিছু শব্দ, যা বিদায়ী বছরের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাবলী থেকে উঠে এসেছে৷

ভাষা সমিতি শুক্রবার ঘোষণা করে যে, এ বছরের বাছাই শব্দ হলো ‘ফ্ল্যুশ্টলিংগে' বা ‘উদ্বাস্তু' (বহুবচন)৷ কারণটা বোধগম্য: গত বারো মাসে ইউরোপ যে সমস্যা নিয়ে সবচেয়ে ব্যস্ত ছিল, সেটি হলো উদ্বাস্তু বা শরণার্থী সমস্যা৷ যেমন ২০০৮ সালের জার্মান ওয়র্ড অফ দ্য ইয়ার ছিল ‘ফিনানৎস ক্রিজে' বা আর্থিক সংকট৷

এ বছরের টপ টেন হলো:

১) ফ্ল্যুশ্টলিংগে বা ‘উদ্বাস্তু' (বহুবচন);

২) জ্য সুই শার্লি – জানুয়ারি মাসে শার্লি এব্দো হত্যাকাণ্ডের পর সারা বিশ্ব যে হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে একত্রিত হয়েছিল: ‘আমিও শার্লি';

৩) গ্রেক্সিট – কথাটি ২০১১ সাল থেকে চালু; গ্রিস আর এক্সিট বা প্রস্থান মিলে তৈরি; অর্থ হলো, ইউরো এলাকা থেকে গ্রিসের বিদায় অথবা বহিষ্কার;

সেকেন্ড ক্লাস রেফিউজি?

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

মূক প্রতিবাদ

এক উদ্বাস্তু ছুঁচসুতো দিয়ে নিজের ঠোঁট সেলাই করে রেখেছেন৷ এরা নাকি ইরান থেকে এসেছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া – বলকান অঞ্চলের এই চারটি দেশের জন্য ইরান থেকে আসা মানুষরা ‘অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু’৷ কাজেই তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না৷

আমলাদের খামখেয়াল

এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় হাজার খানেক মানুষ সীমান্তের গ্রিক তরফে অপেক্ষা করছেন৷ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে এক নজর দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে; শুধু মুখ দেখেই আন্দাজ করা হচ্ছে, উদ্বাস্তু কোন দেশ থেকে এসেছেন৷

‘হেল্প!’

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

অবরোধ

গ্রিক তরফে একাধিক মালগাড়ি গত কয়েকদিন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ শত শত উদ্বাস্তু থেসালোনিকি আর ম্যাসিডোনিয়ার মধ্যের রেললাইন অবরোধ করে রেখেছেন৷

ফেরার পথ নেই

‘আমাদের গুলি করে মারো, আমরা কখনো ফিরে যাব না৷’ বাংলাদেশি তরুণটি এই শীতেও জামা খুলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংস্থা ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছে৷ সব দেশের মানুষেরই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার আছে, বলেছে ইউএনএইচসিআর৷

আকুল প্রতিবাদ

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

শীত আসছে

শরীর গরম রাখার থার্মাল ব্ল্যাঙ্কেট জড়িয়ে শীত আটকানোর চেষ্টা করছেন কিছু মহিলা ও একটি শিশু৷ এখন মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি পড়ছে; রাত্রে তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি নেমে যায়৷

ত্রাণের আশা

‘জার্মানি আমাদের সাহায্য করো’ – লেখা রয়েছে পিচবোর্ডের টুকরোয়৷ সেপ্টেম্বরের গোড়ায় জার্মান সরকার হাঙ্গেরিতে যে সব উদ্বাস্তু আটকা পড়েছেন, তাদের নেবার সিদ্ধান্ত করেন৷ ‘নো-ম্যানস-বর্ডার’-এ আটক উদ্বাস্তুরাও ঠিক সেই আশা করছেন৷

৪) সিলেক্টোরেনলিস্টে – এ বছরের গোড়ার দিকে খবর বেরোয় যে, জার্মান গুপ্তচর বিভাগ বিএনডি-র সাহায্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা এনএসএ জার্মানিতেই নজরদারি চালাচ্ছে; এনএসএ কমপিউটার ও ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজার জন্য যে বিশেষ শব্দ ও অন্যান্য হদিশ ব্যবহার করছে, সেগুলিকে বলে সিলেক্টর; সেই সিলেক্টরগুলির তালিকা – সিলেক্টোরেনলিস্টে – প্রকাশ করতে জার্মান সরকারের আপত্তি নিয়ে একটা রাজনৈতিক ঝড় ওঠে জার্মানিতে;

৫) মোগেল-মোটর – মানে ‘জোচ্চুরির মোটর', অর্থাৎ ফল্কসভাগেন মোটর কোম্পানি তাদের গোপন সফটওয়্যার দিয়ে তাদের বিভিন্ন গাড়ির মডেলের গ্যাস নির্গমন যেভাবে বাস্তবের চেয়ে কম দেখিয়েছে, সেই কেলেঙ্কারি;

৬) ডুর্শভিঙ্কেন – মানে হাত নেড়ে বা হাত দুলিয়ে লাইনে দাঁড়ানো মানুষজনকে এগোতে বলা; ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ তাদের সীমান্তে উদ্বাস্তুদের যেভাবে বিনা বাধায়, বিনা নিয়ন্ত্রণে জার্মানি ইত্যাদি দেশের দিকে যেতে দিয়েছে, ইঙ্গিতটা তার প্রতি;

৭) সেল্ফি-স্টাব – মানে সেল্ফি স্টিক;

আঙ্কারায় ম্যার্কেল

ইউরোপে অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্রোত নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ দাভুতোগলুর সঙ্গে বৈঠক করতে রবিবার আঙ্কারায় যান ম্যার্কেল৷ বৈঠকে শরণার্থী ইস্যু নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে৷ নিজের বক্তব্যে ম্যার্কেল তুরস্কের ইইউ সদস্য হওয়ার দাবিকে সমর্থন করার আশ্বাস দেন৷ তুরস্কের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবিও বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি৷

তুরস্ক যা চায়

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ তুরস্কের দীর্ঘ দিনের দাবি৷ ইইউ অঞ্চলে তুরস্কের নাগরিকদের ভিসা প্রদানে কড়াকড়ির বিষয়টিও এসেছে আলোচনায়৷ দু’টি বিষয়েই ইতিবাচ সাড়া দিয়েছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷

দাভুতোগলুর সন্তোষ প্রকাশ

জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, প্রায় ২০ লক্ষ সিরীয়কে আশ্রয় দিয়েছে তুরস্ক৷ জার্মান চ্যান্সেলরের বক্তব্যে এই বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ায় এবং জার্মানি এই সংকটে তুরস্কের পাশে থাকবে জানানোয় আহমেদ দাভুতোগলু জানান, ‘‘(শরণার্থীর) চাপ ভাগাভাগির বেলায় আন্তর্জাতিক মহল দুঃখজনকভাবে তুরস্ককে একা ফেলে রেখেছিল৷ আগের চেয়ে ভালো দৃষ্টিভঙ্গি দেখে আমরা খুশি৷’’

তুরস্ক প্রসঙ্গে ইইউ-র সাম্প্রতিক অবস্থান

ম্যার্কেলের সঙ্গে বৈঠকে দাভিতোগ্লু যে দু’টি বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, সেগুলো ইতিমধ্যে ইইউ বৈঠকেও আলোচিত হয়েছে৷ তুরস্কে অবস্থানরত সিরীয়দের জন্য তুর্কি সরকারকে ৩ বিলিয়ন ইউরোর অর্থ সহায়তা দেয়া এবং ইইউ অঞ্চলে তুর্কিদের ভিসা প্রাপ্তি সহজ করার সিদ্ধান্ত ইউরোপের ২৮টি দেশের জোট মোটামুটি চূড়ান্ত করেছে বলেই জানা গেছে৷

জার্মানিতে অভিবাসীবিরোধীতা

ইতিমধ্যে ব্যাপক শরণার্থীর ঢল নামায় জার্মানির ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ কয়েকজন সরকার এবং বিরোধী দলীয় রাজনীতিবিদ৷ শরনার্থীবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ নতুন করে শুরু করছে পেগিডা৷ এদিকে শনিবার কোলনের মেয়র প্রার্থী হেনরিয়েটে রেকার-এর ওপর হামলা হয়৷ ছুরির আঘাতে আহত হলেও তিনি এখন সুস্থ হওয়ার পথে৷ প্রথম নারী হিসেবে কোলনের মেয়রও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি৷ অভিবাসীবিরাধী সংগঠন পেগিডা এই হামলায় জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

৮) শুমেল-ভেএম – মানে ‘ফাঁকির বিশ্বকাপ'; জার্মানি যেভাবে ২০০৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ পায়, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে; ‘ফাঁকির বিশ্বকাপ' সেদিকেই ইঙ্গিত করছে;

৯) ফ্লেক্সিটারিয়ার – মানে ‘ফ্লেক্সিট্যারিয়ান'; কথাটা এসেছে ইংরেজি ‘ফ্লেক্সিবল' বা ‘নমনীয়' শব্দটা থেকে, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভেজিট্যারিয়ানের ‘-ট্যারিয়ান'; অর্থাৎ যারা সাধারণত নিরামিষ খেলেও মাঝেমধ্যে একটু-আধটু মাছমাংস খেয়ে ফেলেন;

১০) ভির শাফেন ডাস! – মানে ‘আমরা পারব!'; চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল উদ্বাস্তুদের দলে দলে জার্মানিতে আসা সম্পর্কে শুরু থেকেই যা বলে আসছেন, ‘আমরা সামলাতে পারব'৷

উদ্বাস্তু শিবিরে দাঙ্গা

হামবুর্গ শহরের ভিলহেল্মসবুর্গ এলাকায় শরণার্থীদের প্রাথমিক আশ্রয়কেন্দ্রটি ভরে যাওয়ায় আগন্তুকদের তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়৷ মঙ্গলবার (৬ই অক্টোবর) সেখানে আফগানিস্তান ও আলবেনিয়া থেকে আগত উদ্বাস্তুদের মধ্যে ব্যাপক দাঙ্গা বাঁধে৷ লোয়ার স্যাক্সনি-র ব্রাউনশোয়াইগ-এও অনুরূপভাবে আলজিরীয় ও সিরীয় উদ্বাস্তুদের মধ্যে দাঙ্গা বাঁধে একটি চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে৷

ইসলাম বিরোধীরা আবার মাথা চাড়া দিয়েছে

ড্রেসডেনে ইসলাম বিরোধী পেগিডা গোষ্ঠীর বিক্ষোভ সমাবেশে গত সোমবার প্রায় ন’হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন৷ বিক্ষোভকারীরা মূলত চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল-কেই বর্তমান উদ্বাস্তু সংকটের জন্য দায়ী করছেন৷

ম্যার্কেল লাগাম টানলেন

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল দৃশ্যত তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের-এর গুরুত্ব কিছুটা খর্ব করে চ্যান্সেলরের দপ্তরের প্রধান পেটার আল্টমায়ার-কে শরণার্থী সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন৷

উদ্বাস্তুর লাশ

টুরিঙ্গিয়া রাজ্যের সালফেল্ড-এ অবস্থিত একটি রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী আবাসে সোমবার একটি অগ্নিকাণ্ডের পর ২৯ বছর বয়সি এক ইরিট্রিয়ান উদ্বাস্তুর লাশ পাওয়া যায়৷ কিভাবে এই শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তা এখনও অজ্ঞাত৷ তবে আবাসটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের কোনো হদিশ পুলিশ এখনও পায়নি৷

যে কোনো পন্থায়

টুরিঙ্গিয়ায় এর আগেও উদ্বাস্তু আবাস হিসেবে চিহ্নিত বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে শরণার্থীদের আসা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে৷ যেমন বিশহাগেন-এর এই বাড়িটির ছাদ পুরোপুরি পুড়ে গিয়েছে৷ গত সোমবার এখানে প্রথম উদ্বাস্তুদের আসার কথা ছিল৷

ঘরে বাইরে

শরণার্থী সংকট এখন জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও টান ধরাচ্ছে৷ চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের জোড়োয়া দল বাভারিয়ার সিএসইউ৷ তাদের প্রধান হর্স্ট জেহোফার সেপ্টেম্বর মাসের শেষে একটি দলীয় সম্মেলনে বক্তা হিসেব আমন্ত্রণ জানান হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বান-কে, যিনি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে উদ্বাস্তুর স্রোত আটকানোর চেষ্টা করেছেন৷

হাওয়া যদি বদলায়

বাভারিয়ার অর্থমন্ত্রী মার্কুস জ্যোডার ইতিপূর্বেও বলেছেন: ‘‘আমরা (অর্থাৎ জার্মানি) বিশ্বকে বাঁচাতে পারি না৷’’ এমনকি তিনি অস্ট্রিয়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কথাও চিন্তা করেছেন৷ তবে জ্যোডার যখন সম্প্রতি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করার কথা বলেন, তখন জেহোফার স্বয়ং সাথে সাথে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন৷

এসি/ডিজি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

আচ্ছা বন্ধু, তালিকার কোন শব্দটি আপনার সবচেয়ে পছন্দ? জানান নীচের ঘরে৷