কুকুর পুষলে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

এখন আর শুধু খাদ্য হিসেবে নয়, পোষা প্রাণী হিসেবেও কুকুরের কদর বাড়ছে চীনে৷ তবে এতে পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

চীনে যে হারে কুকুর খাওয়ার বাড়ছিল তাতেও পরিবেশ বিপর্যযের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল৷ তবে বর্তমানে তারা কুকুর পোষার দিকে ঝুঁকছে৷ কিন্তু বিশ্বের অন্যতম বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কয়েক লাখ কুকুরের বাস পরিবেশ সমস্যার কোনো সমাধান দেবে কীভাবে?

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

চীনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিবছর জুনে ইউলিন ডগ ফেস্টিভেলের সময় ১০ হাজার কুকুর জবাই করা হয়৷ কখনো কখনো এদের নৃশংস নির্যাতন করে মারা হয়, যাতে এদের মাংস খেতে খুব নরম ও সৃস্বাদু হয়৷

সবচেয়ে ভয়ংকর হলো জ্যান্ত কুকুরের রোস্ট, যা নাকি খেতে সবচেয়ে সুস্বাদু৷ কিন্তু এই রোস্ট তৈরির প্রক্রিয়া দেখে সম্প্রতি চীনারা এই উৎসব বন্ধের প্রচারে নেমেছেন৷

China Yulin Hundefleischmarkt

চীনে কুকুরের মাংসের দোকান

প্রাণী অধিকার কর্মীরা বলছেন, এই প্রচারের পর কুকুর হত্যা অনেকটাই কমে গেছে৷ কিন্তু এতে নাকি চীনের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে গেছে৷ ২০১২ সালে কেবল বেইজিং-এ নিবন্ধিত পোষ্য কুকুরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ, ১৯৯২ সালের চেয়ে ১০ গুণ বেশি৷ এদিকে, প্রায় ৯০ লাখ মানুষ ‘কুকুর উৎসবটি' নিষিদ্ধ করার পক্ষে অনলাইন প্রস্তাবে সমর্থন করেছেন৷ চীনা সরকারি ওয়েবসাইটে এই জরিপ প্রকাশ করা হয়েছে৷

আইন পরিবর্তন

চীনে কুকুরের মাংস নিষিদ্ধের জন্য প্রাণী রক্ষা গ্রুপ এইচএসআই একটি প্রচার শুরু করেছে৷ গ্রুপটি বলছে, বর্তমানে চীনারাও কুকুরের মাংস বিক্রি বন্ধ করার পক্ষে৷ চীনের সরকারও এ থেকে একটা বার্তা পাচ্ছে বলে মনে করেন এইচএসআই-এর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের পরিচালক ওয়েনডি হিগিনস৷

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ কুকুর পোষ্য নিলে বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যাবে৷ ২০১৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, চীনের শতকরা ৭ ভাগ বাড়িতে কুকুর আছে৷ এ সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে পশ্চিমাবিশ্বকে পোষ্য রাখার দিক থেকে হারিয়ে দিতে পারে চীনারা৷

এবারের ফাইনালে ছিল ১৫টি কুৎসিত কুকুর৷ ১৪ জনকে পিছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন, অর্থাৎ বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত কুকুর হয়েছে ওপরের ছবির ‘সুইটপি’৷ নীল চোখের এই চাইনিজ চিহুয়াহুয়া কুকুর দেখতে আসলে ‘সুইট’, নাকি কুৎসিত, আপনিই বলুন৷

যারা কুকুর পোষেন, তাদের অনেকেই পোষা কুকুরকে সন্তানের মতো স্নেহ করেন৷ তাই টাকা-পয়সা খরচ করে তাদের সুস্থ, সুন্দর রাখার চেষ্টাও করেন আপ্রাণ৷ ছবিতে দেখুন, কুৎসিত কুকুরদের প্রতিযোগিতায় একজন তার কুকুরের পা পর্যন্ত সাজিয়ে নিয়ে এসেছেন৷ কুকুরেরও পেডিকিউর, ভাবা যায়!

অন্বেষণ | 24.06.2016

চীনে যে হারে কুকুর খাওয়ার বাড়ছিল তাতেও পরিবেশ বিপর্যযের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল৷ তবে বর্তমানে তারা কুকুর পোষার দিকে ঝুঁকছে৷ কিন্তু বিশ্বের অন্যতম বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কয়েক লাখ কুকুরের বাস পরিবেশ সমস্যার কোনো সমাধান দেবে কীভাবে?

চীনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিবছর জুনে ইউলিন ডগ ফেস্টিভেলের সময় ১০ হাজার কুকুর জবাই করা হয়৷ কখনো কখনো এদের নৃশংস নির্যাতন করে মারা হয়, যাতে এদের মাংস খেতে খুব নরম ও সৃস্বাদু হয়৷

সবচেয়ে ভয়ংকর হলো জ্যান্ত কুকুরের রোস্ট, যা নাকি খেতে সবচেয়ে সুস্বাদু৷ কিন্তু এই রোস্ট তৈরির প্রক্রিয়া দেখে সম্প্রতি চীনারা এই উৎসব বন্ধের প্রচারে নেমেছেন৷

China Yulin Hundefleischmarkt

চীনে কুকুরের মাংসের দোকান

প্রাণী অধিকার কর্মীরা বলছেন, এই প্রচারের পর কুকুর হত্যা অনেকটাই কমে গেছে৷ কিন্তু এতে নাকি চীনের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে গেছে৷ ২০১২ সালে কেবল বেইজিং-এ নিবন্ধিত পোষ্য কুকুরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ, ১৯৯২ সালের চেয়ে ১০ গুণ বেশি৷ এদিকে, প্রায় ৯০ লাখ মানুষ ‘কুকুর উৎসবটি' নিষিদ্ধ করার পক্ষে অনলাইন প্রস্তাবে সমর্থন করেছেন৷ চীনা সরকারি ওয়েবসাইটে এই জরিপ প্রকাশ করা হয়েছে৷

আইন পরিবর্তন

চীনে কুকুরের মাংস নিষিদ্ধের জন্য প্রাণী রক্ষা গ্রুপ এইচএসআই একটি প্রচার শুরু করেছে৷ গ্রুপটি বলছে, বর্তমানে চীনারাও কুকুরের মাংস বিক্রি বন্ধ করার পক্ষে৷ চীনের সরকারও এ থেকে একটা বার্তা পাচ্ছে বলে মনে করেন এইচএসআই-এর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের পরিচালক ওয়েনডি হিগিনস৷

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত বিপুল পরিমাণ কুকুর পোষ্য নিলে বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যাবে৷ ২০১৪ সালের জরিপ অনুযায়ী, চীনের শতকরা ৭ ভাগ বাড়িতে কুকুর আছে৷ এ সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তাতে পশ্চিমাবিশ্বকে পোষ্য রাখার দিক থেকে হারিয়ে দিতে পারে চীনারা৷

লিডস বিশ্ববিদ্যারয়ের বিশ্ব ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক জন ব্যারেট ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, কুকুরের মাংসজাতীয় খাদ্যাভাসের কারণে পরিবেশের কার্বন নিঃসরণের হার বেড়ে যাচ্ছে৷ তাই বিশ্বে পোষ্য কুকুরের সংখ্যা বেড়ে গেলে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের৷ সেইসাথে তাঁরা এটাও বলছেন, এক্ষেত্রে পোষ্যদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের চাইতেও যেটা বেশি জরুরি, সেটা হলো মানুষের খ্যাদ্যাভাসে পরিবর্তন৷ তাই পোষ্যদের পাশাপাশি মালিকদেরও মাংসজাতীয় খাবার পরিবর্তন করে নিরামিশাষী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷

রাস্তার কুকুর কি সত্যিই পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে? জানান আমাদের, লিখুন নীচের ঘরে৷

বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত কুকুর

এবারের ফাইনালে ছিল ১৫টি কুৎসিত কুকুর৷ ১৪ জনকে পিছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন, অর্থাৎ বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত কুকুর হয়েছে ওপরের ছবির ‘সুইটপি’৷ নীল চোখের এই চাইনিজ চিহুয়াহুয়া কুকুর দেখতে আসলে ‘সুইট’, নাকি কুৎসিত, আপনিই বলুন৷

সেরা বন্ধু

বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর মনিব জেসন ভুর্টসের সঙ্গে বিজয় উদযাপন করছেন সুইটপি রাম্বো৷ জেসন আর সুইটপি’র বন্ধুত্বের বন্ধনটা খুব দৃঢ়৷ একবার দুজনই এক মোটরবাইক দুর্ঘটনায় প্রায় মরতে বসেছিলেন৷ দুর্ঘটনার পর নতুন করে পাওয়া জীবনে দুজনই দুজনের সেরা বন্ধু৷

কুৎসিতদের বংশ

এই কুকুরটির নাম রাস্কেল ডিয়ক্স৷ বংশের ঐতিহ্য ধরে রেখে এবার সে-ও এসেছিল কুৎসিত কুকুরদের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে৷ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার দীর্ঘ এক ইতিহাস আছে রাস্কেল ডিয়ক্সের পরিবারের৷ তার বাবা ২০০২ সালে হয়েছিল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন৷ এছাড়া বিশ্বের ১৭টি প্রতিযোগিতায় পেয়েছিল প্রথম স্থান৷ ৭টি বিশ্ব শিরোপা জেতায় গিনেস বুকে নাম উঠেছে প্রমাতামহ চি চি-র৷ এছাড়া দুই মাতামহও বিশ্বখেতাব জিতেছেন তিনবার করে৷

কুকুরের রূপচর্চা

যারা কুকুর পোষেন, তাদের অনেকেই পোষা কুকুরকে সন্তানের মতো স্নেহ করেন৷ তাই টাকা-পয়সা খরচ করে তাদের সুস্থ, সুন্দর রাখার চেষ্টাও করেন আপ্রাণ৷ ছবিতে দেখুন, কুৎসিত কুকুরদের প্রতিযোগিতায় একজন তার কুকুরের পা পর্যন্ত সাজিয়ে নিয়ে এসেছেন৷ কুকুরেরও পেডিকিউর, ভাবা যায়!

‘কুকুর রাজ্যের ডোনাল্ড ট্রাম্প’

হ্যাঁ, ক্যালিফোর্নিয়ায় কুৎসিত কুকুরদের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ দর্শক হিসেবে নয়, একেবারে প্রতিযোগী হিসেবেই ছিল ‘ট্রাম্প’! সবাই বলে, ওপরের ছবির এই কুকুরটির চুল নাকি একেবারে ট্রাম্পের চুলের মতো৷ কারো কারো মনে হয়েছিল এ চুল হয়তো নকল৷ কুকুরের মালিক তাদের আশ্বস্ত করতে বলেছেন, ‘এই চুল একশ ভাগ ন্যাচারাল৷’’

আরো প্রতিবেদন...