‘কুৎসিতদের' বিরুদ্ধে ‘সুন্দর' জার্মানদের লড়াই

জার্মানিতে শরণার্থী-বিরোধী তৎপরতা বাড়ছে৷ চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল দেশবাসিকে সতর্ক করে দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে হঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন৷ তবে অপতৎপরতার বিপরীতে শরণার্থীসহায়ক উদ্যোগও বাড়ছে৷

জার্মানির সাপ্তাহিক ‘ডেয়ার স্পিগেল' সম্প্রতি এক নিবন্ধের শিরোনামে লিখেছে, ‘কুৎসিত জার্মানরা কি ফিরে আসছে?'৷ প্রশ্নটি এ বছর জার্মানিতে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার কারণেই করা৷ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বছরের প্রথম ৬ মাসে সারা দেশে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ এবং অন্যা ধরণের উগ্র তৎপরতার ২০২টি ঘটনা ঘটেছে৷ ২০১৪ সালে সারা বছরেও এত বেশি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেনি৷

বিশ্ব | 13.08.2015

ভাগ্যান্বেষণে নিজের দেশ ছেড়ে জার্মানিতে আসা মানুষদের প্রতি একটি মহলের এমন তৎপরতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ জার্মানির চ্যান্সেলর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‘এমন তৎপরতা আমাদের দেশের জন্য কল্যাণকর নয়, মানানসইও নয়৷'' জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফ-কে তিনি আরো বলেন, ‘‘অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন ক্রমশ বাড়ছে৷ অভিবাসন ইস্যু ভবিষ্যতে ইউরোপের জন্য গ্রিস সংকটের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে৷''

Infografik Größte Flüchtlingsrouten nach Europa Englisch

জার্মানিতে অভিবাসনপ্রত্যাশীর চাপ এ মুহূর্তে আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি৷ ২০১৪ সালের প্রথম ৬ মাসে জার্মানিতে অভিবাসী হতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন ৭৭ হাজার ১০৯ জন৷ চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৷

অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে উগ্রতাও বাড়ছে৷ বিষয়টিকে অনেকের মতো জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলও ‘উদ্বেগজনক বিষয়' হিসেবেই দেখছেন৷ তবে এই উদ্বেগ যাতে বড় সংকট হয়ে না ওঠে, সেদিকেও নজর আছে জার্মানদের বড় একটা অংশের৷ সাম্প্রতিককালে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাশে দাঁড়াতে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসছেন অনেকে৷ তরুণ ছাত্র থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, সমাজসেবী থেকে সংসদ সদস্য – সবাই নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু করা সম্ভব, শরণার্থীদের জন্য ততটা করার চেষ্টা করছেন৷

প্রাথমিক অভ্যর্থনা কেন্দ্রে প্রথম তিন মাস

রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে রাখার জন্য এই ‘রিসেপশান সেন্টারগুলি’ আছে – যেমন রাইনল্যান্ড প্যালেটিনেট রাজ্যের ট্রিয়ার শহরে৷ উদ্বাস্তুরা জার্মানিতে পৌঁছনোর পর তাঁদের সাধারণত এ ধরনের প্রাথমিক অভ্যর্থনা কেন্দ্রে রাখা হয়৷ সেখানে তিন মাস থাকার পর তাঁদের কোনো শহর কি জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়৷

টাউন হলে ক্যাম্পবেড

প্রাথমিক রিসেপশান সেন্টারগুলো পুরোপুরি ভর্তি, কাজেই সাময়িক বাসস্থান হিসেবে অন্যান্য ভবন কাজে লাগানো হচ্ছে৷ নর্থ রাইন ওয়েস্ট ফালিয়া রাজ্যের হাম শহরের টাউন হলে ৫০০ উদ্বাস্তুর থাকার আয়োজন করা হয়েছে৷ ৭০০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের হলটিতে বেড়া দিয়ে দিয়ে আলাদা আলাদা ‘ঘরের’ ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ প্রত্যেকটি ‘ঘরে’ ১৪টি ক্যাম্পবেড রাখা চলে৷

ক্লাশরুমে রাত্রিবাস

উদ্বাস্তুর স্রোতে শহরগুলি নাজেহাল! আখেন শহরকে গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ৩০০ উদ্বাস্তুকে রাখার ভার নিতে হয়৷ একমাত্র সমাধান: উদ্বাস্তুদের শোয়ার জন্য ইন্ডা গিমনাজিয়ুম নামের একটি স্কুলের ক্লাশরুমে ম্যাট্রেস পাতা৷

তাঁবুতে বাস

বর্তমানে জার্মানিতে ক্রমেই আরো বেশি সাময়িক উদ্বাস্তু শিবির সৃষ্টি করা হচ্ছে – তাঁবু গেড়ে৷ স্যাক্সনি আনহাল্ট রাজ্যের হালব্যারস্টাট শহরে এ ধরনের একটি অস্থায়ী ক্যাম্প সৃষ্টি করে আরো অনেক বেশি উদ্বাস্তুদের রাখা সম্ভব হয়েছে৷

ড্রেসডেনের টেন্ট ক্যাম্প

উদ্বাস্তুদের জন্য একটি সুবিশাল টেন্ট ক্যাম্প বা ‘তাঁবু শিবির’ সৃষ্টি করা হয়েছে স্যাক্সনি রাজ্যের রাজধানী ড্রেসডেন শহরে৷ শৌচাগারের সামনে লম্বা লাইন পড়ে, খাবারের জন্যও অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়৷ এখানে আপাতত ১৫টি দেশ থেকে আগত মোট এক হাজার মানুষের বাস৷ আগামীতে আরো শ’খানেক মানুষ এখানে থাকতে বাধ্য হবেন৷

কনটেইনারে বাস

তাঁবুর বদলে উদ্বাস্তুদের কনটেইনারে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে কোথাও কোথাও৷ ট্রিয়ারে ২০১৪ সাল থেকেই এই পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে৷ আজ সেখানে এক হাজারের বেশি উদ্বাস্তু বাস করেন৷

উদ্বাস্তু আবাসের উপর আক্রমণ

বাডেন ভুর্টেনব্যার্গ রাজ্যের রেমকিঙ্গেন শহরে গত জুলাই মাসের ১৮ তারিখে একটি অগ্নিকাণ্ড ঘটে৷ অজ্ঞাত আততায়ীরা যে বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়, সেখানে উদ্বাস্তুদের রাখার কথা ছিল৷ উদ্বাস্তুদের প্রতি এ ধরনের বিরূপ মনোভাব এখন অন্যত্রও পরিলক্ষিত হচ্ছে, বিশেষ করে জার্মানির পূর্ব এবং দক্ষিণাঞ্চলে৷

নতুন আবাসন গড়ার কাজ চলেছে

উদ্বাস্তুদের বসবাসের জন্য একাধিক পৌর এলাকায় নতুন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে, যেমন বাভেরিয়ার একেনটাল শহরে৷ এখানে মোট ৬০ জন মানুষ বাস করতে পারবেন৷ আগামী বছরের সূচনাতে এখানে প্রথম উদ্বাস্তুরা বসবাস করতে পারবেন, বলে আশা করা হচ্ছে৷

উদ্বাস্তুর স্রোতে শহরগুলি নাজেহাল! আখেন শহরকে গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ৩০০ উদ্বাস্তুকে রাখার ভার নিতে হয়৷ একমাত্র সমাধান: উদ্বাস্তুদের শোয়ার জন্য ইন্ডা গিমনাজিয়ুম নামের একটি স্কুলের ক্লাশরুমে ম্যাট্রেস পাতা৷

তাঁবুর বদলে উদ্বাস্তুদের কনটেইনারে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে কোথাও কোথাও৷ ট্রিয়ারে ২০১৪ সাল থেকেই এই পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে৷ আজ সেখানে এক হাজারের বেশি উদ্বাস্তু বাস করেন৷

জার্মানির সাপ্তাহিক ‘ডেয়ার স্পিগেল' সম্প্রতি এক নিবন্ধের শিরোনামে লিখেছে, ‘কুৎসিত জার্মানরা কি ফিরে আসছে?'৷ প্রশ্নটি এ বছর জার্মানিতে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার কারণেই করা৷ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বছরের প্রথম ৬ মাসে সারা দেশে শরণার্থীদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ এবং অন্যা ধরণের উগ্র তৎপরতার ২০২টি ঘটনা ঘটেছে৷ ২০১৪ সালে সারা বছরেও এত বেশি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেনি৷

ভাগ্যান্বেষণে নিজের দেশ ছেড়ে জার্মানিতে আসা মানুষদের প্রতি একটি মহলের এমন তৎপরতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ জার্মানির চ্যান্সেলর বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘‘এমন তৎপরতা আমাদের দেশের জন্য কল্যাণকর নয়, মানানসইও নয়৷'' জার্মান টেলিভিশন চ্যানেল জেডডিএফ-কে তিনি আরো বলেন, ‘‘অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন ক্রমশ বাড়ছে৷ অভিবাসন ইস্যু ভবিষ্যতে ইউরোপের জন্য গ্রিস সংকটের চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে৷''

Infografik Größte Flüchtlingsrouten nach Europa Englisch

জার্মানিতে অভিবাসনপ্রত্যাশীর চাপ এ মুহূর্তে আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি৷ ২০১৪ সালের প্রথম ৬ মাসে জার্মানিতে অভিবাসী হতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন ৭৭ হাজার ১০৯ জন৷ চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৷

অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে উগ্রতাও বাড়ছে৷ বিষয়টিকে অনেকের মতো জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলও ‘উদ্বেগজনক বিষয়' হিসেবেই দেখছেন৷ তবে এই উদ্বেগ যাতে বড় সংকট হয়ে না ওঠে, সেদিকেও নজর আছে জার্মানদের বড় একটা অংশের৷ সাম্প্রতিককালে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাশে দাঁড়াতে স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসছেন অনেকে৷ তরুণ ছাত্র থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, সমাজসেবী থেকে সংসদ সদস্য – সবাই নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু করা সম্ভব, শরণার্থীদের জন্য ততটা করার চেষ্টা করছেন৷

প্রাথমিক অভ্যর্থনা কেন্দ্রে প্রথম তিন মাস

রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে রাখার জন্য এই ‘রিসেপশান সেন্টারগুলি’ আছে – যেমন রাইনল্যান্ড প্যালেটিনেট রাজ্যের ট্রিয়ার শহরে৷ উদ্বাস্তুরা জার্মানিতে পৌঁছনোর পর তাঁদের সাধারণত এ ধরনের প্রাথমিক অভ্যর্থনা কেন্দ্রে রাখা হয়৷ সেখানে তিন মাস থাকার পর তাঁদের কোনো শহর কি জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়৷

টাউন হলে ক্যাম্পবেড

প্রাথমিক রিসেপশান সেন্টারগুলো পুরোপুরি ভর্তি, কাজেই সাময়িক বাসস্থান হিসেবে অন্যান্য ভবন কাজে লাগানো হচ্ছে৷ নর্থ রাইন ওয়েস্ট ফালিয়া রাজ্যের হাম শহরের টাউন হলে ৫০০ উদ্বাস্তুর থাকার আয়োজন করা হয়েছে৷ ৭০০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের হলটিতে বেড়া দিয়ে দিয়ে আলাদা আলাদা ‘ঘরের’ ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ প্রত্যেকটি ‘ঘরে’ ১৪টি ক্যাম্পবেড রাখা চলে৷

ক্লাশরুমে রাত্রিবাস

উদ্বাস্তুর স্রোতে শহরগুলি নাজেহাল! আখেন শহরকে গত জুলাই মাসের মাঝামাঝি অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ৩০০ উদ্বাস্তুকে রাখার ভার নিতে হয়৷ একমাত্র সমাধান: উদ্বাস্তুদের শোয়ার জন্য ইন্ডা গিমনাজিয়ুম নামের একটি স্কুলের ক্লাশরুমে ম্যাট্রেস পাতা৷

তাঁবুতে বাস

বর্তমানে জার্মানিতে ক্রমেই আরো বেশি সাময়িক উদ্বাস্তু শিবির সৃষ্টি করা হচ্ছে – তাঁবু গেড়ে৷ স্যাক্সনি আনহাল্ট রাজ্যের হালব্যারস্টাট শহরে এ ধরনের একটি অস্থায়ী ক্যাম্প সৃষ্টি করে আরো অনেক বেশি উদ্বাস্তুদের রাখা সম্ভব হয়েছে৷

ড্রেসডেনের টেন্ট ক্যাম্প

উদ্বাস্তুদের জন্য একটি সুবিশাল টেন্ট ক্যাম্প বা ‘তাঁবু শিবির’ সৃষ্টি করা হয়েছে স্যাক্সনি রাজ্যের রাজধানী ড্রেসডেন শহরে৷ শৌচাগারের সামনে লম্বা লাইন পড়ে, খাবারের জন্যও অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়৷ এখানে আপাতত ১৫টি দেশ থেকে আগত মোট এক হাজার মানুষের বাস৷ আগামীতে আরো শ’খানেক মানুষ এখানে থাকতে বাধ্য হবেন৷

কনটেইনারে বাস

তাঁবুর বদলে উদ্বাস্তুদের কনটেইনারে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে কোথাও কোথাও৷ ট্রিয়ারে ২০১৪ সাল থেকেই এই পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে৷ আজ সেখানে এক হাজারের বেশি উদ্বাস্তু বাস করেন৷

উদ্বাস্তু আবাসের উপর আক্রমণ

বাডেন ভুর্টেনব্যার্গ রাজ্যের রেমকিঙ্গেন শহরে গত জুলাই মাসের ১৮ তারিখে একটি অগ্নিকাণ্ড ঘটে৷ অজ্ঞাত আততায়ীরা যে বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়, সেখানে উদ্বাস্তুদের রাখার কথা ছিল৷ উদ্বাস্তুদের প্রতি এ ধরনের বিরূপ মনোভাব এখন অন্যত্রও পরিলক্ষিত হচ্ছে, বিশেষ করে জার্মানির পূর্ব এবং দক্ষিণাঞ্চলে৷

নতুন আবাসন গড়ার কাজ চলেছে

উদ্বাস্তুদের বসবাসের জন্য একাধিক পৌর এলাকায় নতুন বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে, যেমন বাভেরিয়ার একেনটাল শহরে৷ এখানে মোট ৬০ জন মানুষ বাস করতে পারবেন৷ আগামী বছরের সূচনাতে এখানে প্রথম উদ্বাস্তুরা বসবাস করতে পারবেন, বলে আশা করা হচ্ছে৷

বার্লিনের ২৪ বছর বয়সি ছাত্র ডাভিড ইয়াকব নিয়েছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ৷ সম্প্রতি একটি ওয়েবসাইট চালু করেছেন তিনি, নাম ওয়ারকিয়ার ডট ডিই৷ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তিনি জার্মান শিখেছেন এমন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কিছু নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ করিয়ে দেন৷ জুলাই মাসেই কাজ শুরু করেছেন ডাভিড ইয়াকব৷ এক মাসের মধ্যে ১ হাজার লোক চাকুরির জন্য এই ওয়েবসাইটের সহায়তা চেয়েছেন৷ পাশাপাশি ৪৫০টি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে তারা ইয়াকবের মাধ্যমে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের পাশ আছে৷

বেশ কিছু জায়গায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের স্বাগত জানানোর জন্য অভ্যর্থনা কমিটি গঠন করছেন স্থানীয় জার্মানরা৷ ছাত্র, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ নিজের বাড়িতে থাকতে দিয়েছেন অভিবাসনপ্রত্যাশীদের৷ কেউ কেউ ওয়েবসাইট খুলে বলছেন, ‘‘আাপনাদের নিয়ে আসার জন্য আমাদের গাড়ি তৈরি আছে৷''

অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অনাকাঙ্খিত ভাবছে কিছু মানুষ৷ ডেয়ার স্পিগেল তাদেরই ‘কুৎসিত জার্মান' বলেছে৷ তবে আশার কথা, সুন্দর মনের জার্মানের সংখ্যা এখনো অনেক বেশি!

এসিবি/ডিজি (এপি, এএফপি)