কৃত্রিম হৃদযন্ত্র অনেক মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারবে

আজকাল অনেক কমবয়সি মানুষেরও হৃদরোগ হচ্ছে৷ চিকিৎসার অগ্রগতির ফলে তাদের সহায়তা করাও অনেক সহজ হয়ে পড়েছে৷ কিন্তু হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে গেলে অঙ্গ প্রতিস্থাপন ছাড়া উপায় নেই৷ এক কৃত্রিম হৃদযন্ত্র অনেকের প্রাণ বাঁচাতে পারে৷

জার্মানিতে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম কৃত্রিম হৃদযন্ত্র৷ কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই বহু বছর ধরে সেটি চালু থাকে, কোনো তার না থাকায় সংক্রমণের ভয়ও নেই৷ অদূর ভবিষ্যতে এটি বাজারে এলে সারা বিশ্বে হাজার হাজার রোগী নতুন জীবন পেতে পারেন৷ কারণ সে ক্ষেত্রে তাঁদের আর কারো অঙ্গদানের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না৷

জার্মানির আখেন শহরের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আরডাব্লিউটিএইচ-এর অধ্যাপক উলরিশ স্টাইনসাইফার ও তাঁর টিম নতুন এই কৃত্রিম হৃদযন্ত্র তৈরি করেছেন৷ সেই ১৯৯০-এর দশক থেকেই ইনস্টিটিউট অফ অ্যাপ্লায়েড মেডিকাল টেকনোলজি-তে কৃত্রিম হৃদযন্ত্র নিয়ে কাজ চলছে৷ বিজ্ঞানীরা এবার সেই হৃদযন্ত্র এত ছোট করতে পেরেছেন, যাতে আরও বেশি মানুষের শরীরে তা ইমপ্লান্ট করা যায়৷ অধ্যাপক স্টাইনসাইফার বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য ছিল, কৃত্রিম হৃদযন্ত্র যেন ৮০ শতাংশ রোগীর শরীরে খাপ খায়৷ জায়গাটি খুব ছোট হওয়ায় আমাদের কৃত্রিম হৃদযন্ত্রও খুব ছোট আকারের করতে হয়েছে, যাতে সেটি বুকের খাপে স্থান পায়৷''

Kunstherzimplantation

কৃত্রিম অ্যাক্সিয়াল পাম্প

এর মূল অংশ হলো একটি পাম্পিং ইউনিট, যেটি পুরোপুরি মানুষের হৃদযন্ত্রের বিকল্পের কাজ করে৷ সেটি চালায় এমন এক ইঞ্জিন, যা একটি মাত্র অংশ দিয়ে তৈরি এবং যেটি সহজেই চৌম্বক ক্ষেত্রে নড়াচড়া করতে পারে৷ আরডাব্লিউটিএইচ আখেন-এর ফেলিক্স গ্রেফ বলেন, ‘‘এখানে কয়েল দেখতে পাচ্ছি, পেঁচানো কয়েল, আর এখানে কালো চুম্বকগুলি৷ কয়েলে বিদ্যুত চলাচল শুরু হলে পেন্ডুলামের মতো নড়াচড়া শুরু হয়৷ ফলে হৃদপিণ্ডের বাম ও ডান চেম্বারের ভেন্ট্রিকল বা নিলয় খালি হয় এবং শরীরে রক্তের চলাচল সৃষ্টি হয়৷''

কোনো তার ছাড়াই শুধু ত্বকের মাধ্যমে কৃত্রিম হৃদযন্ত্রে বিদ্যুৎ পাঠানো হয়৷ ত্বকের নীচে তার না থাকায় সংক্রমণও ঘটে না৷ রোগীর বেল্টে ব্যাটারি বসানো থাকায় হাঁটাচলার ক্ষেত্রেও আর তেমন কোনো বাধা থাকে না৷ অধ্যাপক স্টাইনসাইফার বলেন, ‘‘এখান থেকে কৃত্রিম হৃদযন্ত্রে শক্তি পাঠাতে হয়৷ সমস্যা হলো ত্বকের মাধ্যমে তা প্রেরণ করা৷ আমরা এ ক্ষেত্রে ‘ইন্ডাকটিভ কাপলিং' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কাজ করছি৷ দুটি কয়েল-এর মধ্যে একটি ইমপ্লান্ট করা রয়েছে৷ অন্যটি বাইরে থাকে৷ ‘ইন্ডাকশন' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি পাঠানো হয়৷ এটা সহজেই দেখানো যায়৷ একটি এলিমেন্ট কাছে আনলেই ডায়ড জ্বলে ওঠে৷ অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ‘ইন্ডাকটিভ' প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ পাঠানো হচ্ছে৷''

সারা বিশ্বে হার্ট অ্যাটাকেই সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়৷ তবে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু অবধারিত নয়৷ জার্মানির হামবুর্গ শহরের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. টোমাস স্টাইন বলেন, ‘‘একটু সচেতন হলেই হার্ট অ্যাটাককে দূরে রাখা সম্ভব৷ অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাক কিন্তু কখনো কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে হয় না৷’’

এক নাগাড়ে পাঁচ মিনিটের বেশি সময় ধরে বুকের খাঁচা এবং পেটের ওপরের দিকটায় ব্যথা হয় এবং বমি হয়৷ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ টোমাস বলেন, ‘‘হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবার সময় অনেক রোগীকেই বলতে শুনেছি, ‘আর সহ্য করতে পারছি না, বুকে প্রচণ্ড কষ্ট, ব্যথা আর অসম্ভব জ্বালা হচ্ছে’৷’’

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা গেলে রোগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তার দেখানো উচিত৷ সময়মতো সঠিক চিকিৎসা হলে রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব৷

জার্মানিতে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম কৃত্রিম হৃদযন্ত্র৷ কোনো রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়াই বহু বছর ধরে সেটি চালু থাকে, কোনো তার না থাকায় সংক্রমণের ভয়ও নেই৷ অদূর ভবিষ্যতে এটি বাজারে এলে সারা বিশ্বে হাজার হাজার রোগী নতুন জীবন পেতে পারেন৷ কারণ সে ক্ষেত্রে তাঁদের আর কারো অঙ্গদানের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না৷

জার্মানির আখেন শহরের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আরডাব্লিউটিএইচ-এর অধ্যাপক উলরিশ স্টাইনসাইফার ও তাঁর টিম নতুন এই কৃত্রিম হৃদযন্ত্র তৈরি করেছেন৷ সেই ১৯৯০-এর দশক থেকেই ইনস্টিটিউট অফ অ্যাপ্লায়েড মেডিকাল টেকনোলজি-তে কৃত্রিম হৃদযন্ত্র নিয়ে কাজ চলছে৷ বিজ্ঞানীরা এবার সেই হৃদযন্ত্র এত ছোট করতে পেরেছেন, যাতে আরও বেশি মানুষের শরীরে তা ইমপ্লান্ট করা যায়৷ অধ্যাপক স্টাইনসাইফার বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য ছিল, কৃত্রিম হৃদযন্ত্র যেন ৮০ শতাংশ রোগীর শরীরে খাপ খায়৷ জায়গাটি খুব ছোট হওয়ায় আমাদের কৃত্রিম হৃদযন্ত্রও খুব ছোট আকারের করতে হয়েছে, যাতে সেটি বুকের খাপে স্থান পায়৷''

Kunstherzimplantation

কৃত্রিম অ্যাক্সিয়াল পাম্প

এর মূল অংশ হলো একটি পাম্পিং ইউনিট, যেটি পুরোপুরি মানুষের হৃদযন্ত্রের বিকল্পের কাজ করে৷ সেটি চালায় এমন এক ইঞ্জিন, যা একটি মাত্র অংশ দিয়ে তৈরি এবং যেটি সহজেই চৌম্বক ক্ষেত্রে নড়াচড়া করতে পারে৷ আরডাব্লিউটিএইচ আখেন-এর ফেলিক্স গ্রেফ বলেন, ‘‘এখানে কয়েল দেখতে পাচ্ছি, পেঁচানো কয়েল, আর এখানে কালো চুম্বকগুলি৷ কয়েলে বিদ্যুত চলাচল শুরু হলে পেন্ডুলামের মতো নড়াচড়া শুরু হয়৷ ফলে হৃদপিণ্ডের বাম ও ডান চেম্বারের ভেন্ট্রিকল বা নিলয় খালি হয় এবং শরীরে রক্তের চলাচল সৃষ্টি হয়৷''

কোনো তার ছাড়াই শুধু ত্বকের মাধ্যমে কৃত্রিম হৃদযন্ত্রে বিদ্যুৎ পাঠানো হয়৷ ত্বকের নীচে তার না থাকায় সংক্রমণও ঘটে না৷ রোগীর বেল্টে ব্যাটারি বসানো থাকায় হাঁটাচলার ক্ষেত্রেও আর তেমন কোনো বাধা থাকে না৷ অধ্যাপক স্টাইনসাইফার বলেন, ‘‘এখান থেকে কৃত্রিম হৃদযন্ত্রে শক্তি পাঠাতে হয়৷ সমস্যা হলো ত্বকের মাধ্যমে তা প্রেরণ করা৷ আমরা এ ক্ষেত্রে ‘ইন্ডাকটিভ কাপলিং' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কাজ করছি৷ দুটি কয়েল-এর মধ্যে একটি ইমপ্লান্ট করা রয়েছে৷ অন্যটি বাইরে থাকে৷ ‘ইন্ডাকশন' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি পাঠানো হয়৷ এটা সহজেই দেখানো যায়৷ একটি এলিমেন্ট কাছে আনলেই ডায়ড জ্বলে ওঠে৷ অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ‘ইন্ডাকটিভ' প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ পাঠানো হচ্ছে৷''

বর্তমানে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের সময় পর্যন্ত রোগীর জন্য কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড ব্যবহার করা হয়৷ কিন্তু জার্মান গবেষকরা স্থায়ীভাবে কৃত্রিম হৃৎপিণ্ড ব্যবহার সম্ভব করতে চান৷ এখনো পর্যন্ত পরীক্ষায় প্রটোটাইপগুলি পাঁচ বছর পর্যন্ত ব্যবহারের উপযোগী বলে প্রমাণ করা গেছে৷ এই সময়কালে ২০,০০০ কোটিরও বেশি হৃৎস্পন্দন ঘটে৷ মেরামতি বা ব্যাটারি বদলানোর কোনো প্রয়োজন পড়ে নি৷

হৃৎপিণ্ডের চেম্বারদুটির মধ্যে ‘ফ্লো' এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷ রক্ত অতি দ্রুত বা অতি ধীরে চলাচল করলে চলবে না৷ অন্যথায় চেম্বারের ক্ষতি হতে পারে৷ কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমে গবেষকরা রক্তের প্রতিক্রিয়া সিমুলেট করছেন৷ রক্তের সারফেস ও গতিবিধি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ অধ্যাপক স্টাইনসাইফার বলেন, ‘‘আমরা আমাদের কৃত্রিম হৃদযন্ত্রে শুধু ‘অপটিমাইজড সারফেস' ও উপকরণ ব্যবহার করেছি, যা রক্ত বহনের জন্য বেশ উপযুক্ত৷ এছাড়া পাম্পিং চেম্বারে রক্ত চলাচলের আদর্শ পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে৷''

হার্টের অসুখ মানেই মৃত্যু নয়!

সারা বিশ্বে হার্ট অ্যাটাকেই সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়৷ তবে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু অবধারিত নয়৷ জার্মানির হামবুর্গ শহরের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. টোমাস স্টাইন বলেন, ‘‘একটু সচেতন হলেই হার্ট অ্যাটাককে দূরে রাখা সম্ভব৷ অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাক কিন্তু কখনো কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে হয় না৷’’

পেশাগত চাপ নয়

‘‘আজকের এই প্রতিযোগিতার যুগে যেসব মানুষ নিয়মিত কর্মক্ষেত্রে, অর্থাৎ পেশাগত কারণে চাপের ভেতর থাকেন, তাঁদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি৷ তাই কর্মক্ষেত্রে সুস্থ পরিবেশ রক্ষা করতে দ্বন্দ্ব বা সংঘাত এড়িয়ে চলতে হবে’’, বলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ স্টাইন৷

হার্ট অ্যাটাক কি জানিয়ে আসে?

অনেকের ক্ষেত্রেই হার্ট অ্যাটাক একেবারে হঠাৎ করেই হয়৷ অর্থাৎ আগে থেকে কিছুই বোঝা যায় না বা বোঝার উপায়ও থাকে না৷ কারো কারো ক্ষেত্রে অবশ্য দেখা যায় যে, আগেরদিন বা কয়েক ঘণ্টা আগেই শারীরিক কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে৷ যেমন বুকে ব্যথা হচ্ছে, আবার কারো বা মনে হয় দম বা নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে৷

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো কী?

এক নাগাড়ে পাঁচ মিনিটের বেশি সময় ধরে বুকের খাঁচা এবং পেটের ওপরের দিকটায় ব্যথা হয় এবং বমি হয়৷ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ টোমাস বলেন, ‘‘হার্ট অ্যাটাকে মারা যাবার সময় অনেক রোগীকেই বলতে শুনেছি, ‘আর সহ্য করতে পারছি না, বুকে প্রচণ্ড কষ্ট, ব্যথা আর অসম্ভব জ্বালা হচ্ছে’৷’’

হার্ট অ্যাটাকের কারণ বা ঝুঁকিগুলো কী?

অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপান, মদ্যপান, স্ট্রেস বা মানসিক চাপ, কম হাঁটা-চলা, ডায়বেটিস ইত্যাদি৷ তাছাড়াও বংশগত কারণেও হৃদরোগ বা স্ট্রোক হতে পারে৷

কিভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব?

বিশেষজ্ঞদের মতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিগুলো থেকে সাবধান থাকলেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব৷ এ জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া, অর্থাৎ অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার, মাংস থেকে দূরে থাকা৷ ডায়বেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত হাঁটাচলা বা ব্যায়াম করা উচিত৷ জীবনযাত্রার মান অনেকক্ষেত্রেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমিয়ে দিতে সক্ষম৷

হার্ট অ্যাটাক মানেই মৃত্যু নয়!

হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা গেলে রোগীকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তার দেখানো উচিত৷ সময়মতো সঠিক চিকিৎসা হলে রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব৷

স্ট্রেস এড়িয়ে চলুন

পেশাগত দায়িত্ব, পরিবার, সন্তান এবং অন্যান্য সব কিছু মিলিয়ে আজকের যান্ত্রিক জীবনে ‘স্ট্রেস’ বা মানসিক চাপ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে৷ স্ট্রেস হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াতে বড় ভূমিকা পালন করে৷ তাই স্ট্রেস থেকে বেরিয়ে আসতে হাঁটাহাঁটি, খেলাধুলা, নাচ, গান, বাগান করা বা অন্য কোনো সখকে বেছে নিন, সপ্তাহে অন্তত দু’দিন৷

রক্ত চলাচলের সিমুলেটর-এ রক্তের চাপ মাপা হচ্ছে৷ কৃত্রিম হৃদযন্ত্রের ভিতরের চাপ কোনো সেন্সর ছাড়াই স্থির করা হয়৷ এক কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে নানা তথ্য জমা পড়ে৷ তারপর অ্যালগোরিদমের সাহায্যে স্থির হয়, রক্তের চাপ বাড়বে না কমবে৷ যেমন সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় আরও অক্সিজেন লাগে বলে পাম্পের গতি বাড়ানোর নির্দেশ আসে৷

এখনই এই হৃদযন্ত্র সফলভাবে বাছুরের শরীরে ট্রান্সপ্লান্ট করা হচ্ছে৷ দু'বছর পর প্রথম বার মানুষের উপর তা পরীক্ষা করা হবে৷ তখন অঙ্গ প্রতিস্থাপনের বিকল্প হিসেবে এর ব্যবহার শুরু হবে৷ অধ্যাপক স্টাইনসাইফার বলেন, ‘‘শরীরের হৃদযন্ত্র দুর্বল হয়ে সার্কুলেশন চালিয়ে যাবার ক্ষমতা হারিয়ে ফেললে এবং প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় হৃদযন্ত্র না পেলে কৃত্রিম হৃদযন্ত্র ব্যবহার করা যেতে পারে, যাতে সার্কুলেশন আবার স্বাভাবিক হয়ে পড়ে৷''

প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় যাঁরা বসে আছেন, তাঁদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বর্তমানে অন্যের দান করা হৃদযন্ত্র পান না৷ জার্মানিতে তৈরি কৃত্রিম হৃদযন্ত্র ভবিষ্যতে অনেক মানুষের জীবন বাঁচাতে পারবে৷

আরো প্রতিবেদন...