গ্রিস আরো উদ্বাস্তুদের তুরস্কে ফেরত পাঠাচ্ছে

শুক্রবার লেসবস দ্বীপ থেকে ৪৫ জন উদ্বাস্তুকে ফেরিতে করে তুরস্কে পাঠানো হয়৷ তাদের সবাই পাকিস্তানি, বলে গ্রিসের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে৷ দ্বিতীয় একটি ফেরিতে করে আরো ৮০ জন শরণার্থীকে তুরস্কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে প্রকাশ৷

অন্তত দু'জন আন্দোলনকারী ফেরিটির কাছে জলে ঝাঁপ দিয়ে নোঙরের শেকল থেকে ঝুলে থাকেন৷ গ্রিক উপকূলরক্ষীরা তাদের পানি থেকে তুলে আনেন৷

গত সোমবার প্রথম উদ্বাস্তুদের গ্রিস থেকে তুরস্কে ফেরত পাঠানো শুরু হয়; ২০২ জনের এই দলে ছিলেন প্রধানত পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তুরা৷ তাদের লেসবস ও কিওস, এই দুটি দ্বীপ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তারপর শরণার্থীদের মধ্যে গ্রিসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন দাখিল করার হিড়িক পড়ে যায়, ফলে স্থানান্তর কাজ দিন দুয়েকের জন্য বন্ধ রাখতে হয়৷ অবশ্য যাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে, তুরস্কে তাদের ভাগ্যে কি আছে, তা বলা শক্ত৷ যেমন যে হাজার হাজার আফগান শরণার্থী তুরস্কে এসে পৌঁছেছেন ও কোনোমতে জীবনধারণ করছেন, তারাও এখানে কোনো ধরনের ভবিষ্যৎ দেখেন না - এক ইউরোপে যাবার চেষ্টা করা ছাড়া৷

ইতিমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান হুমকি দিয়েছেন যে, ব্রাসেলস চুক্তি অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের করণীয় না করলে, তুরস্কও চুক্তি বাস্তবায়িত করবে না৷ ওদিকে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ-এর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতে উদ্বাস্তুর স্রোত হ্রাস পাওয়ার ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন৷ শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী জার্মানিতে এ-বছরের প্রথম তিন মাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জমা পড়েছে মোট এক লক্ষ আশি হাজার, এমনকি মার্চ মাসেও ষাট হাজার, যদিও তথাকথিত বলকান রুট বন্ধ হওয়ার পর শরণার্থীদের স্রোত প্রায় থেমে এসেছে৷ আসলে জার্মানির বিভিন্ন উদ্বাস্তু শিবিরে যে হাজার হাজার উদ্বাস্তু অবস্থান করছেন, তাদের আবেদন জমা হয়ে এই আকার নিয়েছে৷

বলকান রুট বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার উত্তর আফ্রিকার দিকে নজর ফিরেছে, কেননা লিবিয়ায় নাকি লাখ দুয়েক আফ্রিকান শরণার্থী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসার পথ খুঁজছেন৷ কাজেই ম্যার্কেল ও ওলঁদ লিবিয়াকে স্থিতিশীল করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ গ্রিস ও বলকান দেশগুলি হয়ে মধ্য ইউরোপ অভিমুখে উদ্বাস্তুরা যখন যাচ্ছেন, তখনও ইউরোপ অভিমুখে অপরাপর অভিবাসনের পথ বন্ধ হয়ে যায়নি৷

সব সত্ত্বেও ম্যার্কেলের মতে ইউরোপ উদ্বাস্তু সংকটের মোকাবিলার জন্য ‘‘ঠিক পথে'' চলেছে৷ এখন জরুরি হল গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে সামুদ্রিক সীমান্তের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা, কেননা এই সীমান্ত ‘‘চোরাচালানকারী ও মানুষ পাচারকারীদের নিয়ন্ত্রণে৷''

এসি/জেডএইচ (ডিপিএ, রয়টার্স, এএফপি)

কোনো এক উপায়ের সন্ধানে

শিশু, পরিবারসহ শত শত শরণার্থী ইডোমিনি শরণার্থী শিবির থেকে পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু করেন সোমবার সকালে৷ উদ্দেশ্য গ্রিস-ম্যাসিডোনিয়া সীমান্তের কোন অরক্ষিত অংশ থেকে ম্যাসিডোনিয়ায় প্রবেশ করা৷

সাহসিকতার পরিচয়

ম্যাসিডোনিয়ায় প্রবেশের আশায় এক উত্তাল নদী এভাবে পাড়ি দিয়েছেন শরণার্থীরা৷ কাঁটাতারের বেড়া নেই সীমান্তের এমন অংশ খুঁজে পেতে তাদের প্রানান্ত চেষ্টা৷

ভয়, আতঙ্ক

উত্তাল নদী পাড় হতে গিয়ে ভয় পাওয়া এক অল্প বয়সি শরণার্থীকে সাহায্যে এগিয়ে আসেন অন্য শরণার্থীরা৷

পুলিশের বাধা

দলভেদে শরণার্থী শিবির ছাড়া শরণার্থীদের এভাবেই ম্যাসিডোনিয়ায় ঢুকতে বাধা দিয়েছে গ্রিসের পুলিশ৷

স্থানীয়দের সহায়তা

গ্রিক সীমান্তের গ্রাম চামিলোর, যেটি কিনা সীমান্ত থেকে মাত্র এক দশমিক পাঁচ কিলোমিটার দূরে, বাসিন্দারা এভাবেই পানি দিয়ে সহায়তা করেছেন লম্বা পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করা শরণার্থীদের৷

চরম দুর্দশা

ক্লান্ত এবং দুর্বল শরণার্থীরা নদী পাড় হতে গিয়ে চরম দুর্দশায় পতিত হন৷

সতর্ক বার্তা

শরণার্থীদের মিছিল দেখার পর সম্ভবত পুলিশকে ফোন করেন ডানের এই স্থানীয় বাসিন্দা৷

সেনাবাহিনীর হুমকি

ম্যাসিডোনিয়া সীমান্তে শরণার্থীদের প্রথমাংশ প্রবেশের কিছু পরেই সেখানে হাজির হন সেদেশের সেনাবাহিনী৷

মার খাওয়া এবং পোড়া

এক আফগান শরণার্থী দাবি করেছেন, ম্যাসিডোনিয়ার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পিটিয়েছে এবং গাল পুড়ে দিয়েছে৷

উত্তাল নদী পাড় হতে গিয়ে ভয় পাওয়া এক অল্প বয়সি শরণার্থীকে সাহায্যে এগিয়ে আসেন অন্য শরণার্থীরা৷

ক্লান্ত এবং দুর্বল শরণার্থীরা নদী পাড় হতে গিয়ে চরম দুর্দশায় পতিত হন৷

এক আফগান শরণার্থী দাবি করেছেন, ম্যাসিডোনিয়ার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পিটিয়েছে এবং গাল পুড়ে দিয়েছে৷

অন্তত দু'জন আন্দোলনকারী ফেরিটির কাছে জলে ঝাঁপ দিয়ে নোঙরের শেকল থেকে ঝুলে থাকেন৷ গ্রিক উপকূলরক্ষীরা তাদের পানি থেকে তুলে আনেন৷

গত সোমবার প্রথম উদ্বাস্তুদের গ্রিস থেকে তুরস্কে ফেরত পাঠানো শুরু হয়; ২০২ জনের এই দলে ছিলেন প্রধানত পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আগত উদ্বাস্তুরা৷ তাদের লেসবস ও কিওস, এই দুটি দ্বীপ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তারপর শরণার্থীদের মধ্যে গ্রিসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন দাখিল করার হিড়িক পড়ে যায়, ফলে স্থানান্তর কাজ দিন দুয়েকের জন্য বন্ধ রাখতে হয়৷ অবশ্য যাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে, তুরস্কে তাদের ভাগ্যে কি আছে, তা বলা শক্ত৷ যেমন যে হাজার হাজার আফগান শরণার্থী তুরস্কে এসে পৌঁছেছেন ও কোনোমতে জীবনধারণ করছেন, তারাও এখানে কোনো ধরনের ভবিষ্যৎ দেখেন না - এক ইউরোপে যাবার চেষ্টা করা ছাড়া৷

ইতিমধ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এর্দোয়ান হুমকি দিয়েছেন যে, ব্রাসেলস চুক্তি অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের করণীয় না করলে, তুরস্কও চুক্তি বাস্তবায়িত করবে না৷ ওদিকে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল বৃহস্পতিবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ-এর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতে উদ্বাস্তুর স্রোত হ্রাস পাওয়ার ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন৷ শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী জার্মানিতে এ-বছরের প্রথম তিন মাসে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জমা পড়েছে মোট এক লক্ষ আশি হাজার, এমনকি মার্চ মাসেও ষাট হাজার, যদিও তথাকথিত বলকান রুট বন্ধ হওয়ার পর শরণার্থীদের স্রোত প্রায় থেমে এসেছে৷ আসলে জার্মানির বিভিন্ন উদ্বাস্তু শিবিরে যে হাজার হাজার উদ্বাস্তু অবস্থান করছেন, তাদের আবেদন জমা হয়ে এই আকার নিয়েছে৷

বলকান রুট বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবার উত্তর আফ্রিকার দিকে নজর ফিরেছে, কেননা লিবিয়ায় নাকি লাখ দুয়েক আফ্রিকান শরণার্থী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসার পথ খুঁজছেন৷ কাজেই ম্যার্কেল ও ওলঁদ লিবিয়াকে স্থিতিশীল করার আহ্বান জানিয়েছেন৷ গ্রিস ও বলকান দেশগুলি হয়ে মধ্য ইউরোপ অভিমুখে উদ্বাস্তুরা যখন যাচ্ছেন, তখনও ইউরোপ অভিমুখে অপরাপর অভিবাসনের পথ বন্ধ হয়ে যায়নি৷

সব সত্ত্বেও ম্যার্কেলের মতে ইউরোপ উদ্বাস্তু সংকটের মোকাবিলার জন্য ‘‘ঠিক পথে'' চলেছে৷ এখন জরুরি হল গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে সামুদ্রিক সীমান্তের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা, কেননা এই সীমান্ত ‘‘চোরাচালানকারী ও মানুষ পাচারকারীদের নিয়ন্ত্রণে৷''

এসি/জেডএইচ (ডিপিএ, রয়টার্স, এএফপি)

কোনো এক উপায়ের সন্ধানে

শিশু, পরিবারসহ শত শত শরণার্থী ইডোমিনি শরণার্থী শিবির থেকে পায়ে হেঁটে যাত্রা শুরু করেন সোমবার সকালে৷ উদ্দেশ্য গ্রিস-ম্যাসিডোনিয়া সীমান্তের কোন অরক্ষিত অংশ থেকে ম্যাসিডোনিয়ায় প্রবেশ করা৷

সাহসিকতার পরিচয়

ম্যাসিডোনিয়ায় প্রবেশের আশায় এক উত্তাল নদী এভাবে পাড়ি দিয়েছেন শরণার্থীরা৷ কাঁটাতারের বেড়া নেই সীমান্তের এমন অংশ খুঁজে পেতে তাদের প্রানান্ত চেষ্টা৷

ভয়, আতঙ্ক

উত্তাল নদী পাড় হতে গিয়ে ভয় পাওয়া এক অল্প বয়সি শরণার্থীকে সাহায্যে এগিয়ে আসেন অন্য শরণার্থীরা৷

পুলিশের বাধা

দলভেদে শরণার্থী শিবির ছাড়া শরণার্থীদের এভাবেই ম্যাসিডোনিয়ায় ঢুকতে বাধা দিয়েছে গ্রিসের পুলিশ৷

স্থানীয়দের সহায়তা

গ্রিক সীমান্তের গ্রাম চামিলোর, যেটি কিনা সীমান্ত থেকে মাত্র এক দশমিক পাঁচ কিলোমিটার দূরে, বাসিন্দারা এভাবেই পানি দিয়ে সহায়তা করেছেন লম্বা পথ পায়ে হেঁটে অতিক্রম করা শরণার্থীদের৷

চরম দুর্দশা

ক্লান্ত এবং দুর্বল শরণার্থীরা নদী পাড় হতে গিয়ে চরম দুর্দশায় পতিত হন৷

সতর্ক বার্তা

শরণার্থীদের মিছিল দেখার পর সম্ভবত পুলিশকে ফোন করেন ডানের এই স্থানীয় বাসিন্দা৷

সেনাবাহিনীর হুমকি

ম্যাসিডোনিয়া সীমান্তে শরণার্থীদের প্রথমাংশ প্রবেশের কিছু পরেই সেখানে হাজির হন সেদেশের সেনাবাহিনী৷

মার খাওয়া এবং পোড়া

এক আফগান শরণার্থী দাবি করেছেন, ম্যাসিডোনিয়ার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের পর পিটিয়েছে এবং গাল পুড়ে দিয়েছে৷

সংশ্লিষ্ট বিষয়