গ্রিস থেকে বাংলাদেশিদেরও তুরস্কে পাঠানো হলো

বিতর্কিত ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় কয়েকজন বাংলাদেশি সহ ১৩৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে সোমবার সকালে গ্রিস থেকে তুরস্কে পাঠানো হয়েছে৷ একই চুক্তির আওতায় ১৬ জন সিরীয় জার্মানিতে পৌঁছেছেন৷

ক'দিন আগে স্বাক্ষরিত ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় ইউরোপের গ্রিস থেকে তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া সিরিয়ার একজন মানুষের বিনিময়ে ইউরোপ অপর একজন সিরীয়কে বৈধভাবে অভিবাসী হওয়ার সুযোগ দেবে৷ এছাড়া ২০শে মার্চ থেকে কার্যকর হওয়া এই চুক্তি অনুযায়ী, গ্রিসে পৌঁছানো কেউ যদি সেখানেই রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন না করেন কিংবা তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয় তাহলে তাঁকে তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া হবে৷

সোমবার প্রথমবারের মতো ১৩৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে গ্রিসের লেসবস দ্বীপ থেকে দু'টি ফেরিতে করে তুরস্কের ডিকিলিতে পৌঁছে দেয়া হয়৷ এদের বেশিরভাগই পাকিস্তানি৷ এছাড়া কয়েকজন বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে রয়টার্স৷

সোমবার গ্রিস থেকে প্রায় ৫০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী তুরস্কে পৌঁছাবে৷

এদিকে, তুরস্কের ইস্তানবুল থেকে ১৬ জন সিরীয়কে বিমানে করে জার্মানির হ্যানোভারে নিয়ে আসা হয়েছে৷ তাঁরা তিনটি পরিবারের সদস্য বলে বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে৷

চুক্তির সমালোচনা

জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন সংগঠন, এমনকি ইইউ-র সদস্যরাষ্ট্র অস্ট্রিয়া ইইউ-তুরস্ক চুক্তির সমালোচনা করেছে৷ গ্রিসের লেসবস দ্বীপে এই চুক্তির প্রতিবাদে বিভিন্ন সংগঠনকে বিক্ষোভ করতে দেখেছেন ডয়চে ভেলের প্রতিবেদক অলিভার সালেট৷

জাতিসংঘ বলছে এই চুক্তির কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা আশ্রয় আবেদনের সুযোগ পাবেনা, যেটা তাঁদের অধিকার৷ এ কারণে চুক্তিটি অবৈধ বলেও মনে করছে বৈশ্বিক এই সংস্থাটি৷

অস্ট্রিয়া এই চুক্তির সফলতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে৷

গ্রিসে থাকা অভিবাসনপ্রত্যাশীরাও তুরস্কে যেতে আগ্রহী নন৷ তাঁরা ইউরোপ তথা গ্রিসেই থাকতে আগ্রহী৷

সিরীয় দুই শরণার্থী সেদিন সবে লেসবসের এই ছোট্ট গ্রামটিতে এসেছেন৷ সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রামটিতে প্রবেশ করতেই তাঁদের সহায়তায় এগিয়ে এলেন দু’জন স্বেচ্ছাসেবী৷ একজনের হাতের ট্যাটুতে আরবি ও ফারসি ভাষায় লেখা, ‘স্বাগতম’৷

লাইটহাউস শরণার্থী শিবিরে নারী আর শিশুদের কাপড় শুকানোয় ব্যস্ত লিসা ট্রান৷ কাজটি আন্তরিকতার সঙ্গেই করেন জার্মান এই নারী৷

ক'দিন আগে স্বাক্ষরিত ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় ইউরোপের গ্রিস থেকে তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া সিরিয়ার একজন মানুষের বিনিময়ে ইউরোপ অপর একজন সিরীয়কে বৈধভাবে অভিবাসী হওয়ার সুযোগ দেবে৷ এছাড়া ২০শে মার্চ থেকে কার্যকর হওয়া এই চুক্তি অনুযায়ী, গ্রিসে পৌঁছানো কেউ যদি সেখানেই রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন না করেন কিংবা তাঁর আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয় তাহলে তাঁকে তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া হবে৷

সোমবার প্রথমবারের মতো ১৩৫ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে গ্রিসের লেসবস দ্বীপ থেকে দু'টি ফেরিতে করে তুরস্কের ডিকিলিতে পৌঁছে দেয়া হয়৷ এদের বেশিরভাগই পাকিস্তানি৷ এছাড়া কয়েকজন বাংলাদেশের নাগরিক বলে জানিয়েছে রয়টার্স৷

সোমবার গ্রিস থেকে প্রায় ৫০০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী তুরস্কে পৌঁছাবে৷

এদিকে, তুরস্কের ইস্তানবুল থেকে ১৬ জন সিরীয়কে বিমানে করে জার্মানির হ্যানোভারে নিয়ে আসা হয়েছে৷ তাঁরা তিনটি পরিবারের সদস্য বলে বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে৷

চুক্তির সমালোচনা

জাতিসংঘ সহ বিভিন্ন সংগঠন, এমনকি ইইউ-র সদস্যরাষ্ট্র অস্ট্রিয়া ইইউ-তুরস্ক চুক্তির সমালোচনা করেছে৷ গ্রিসের লেসবস দ্বীপে এই চুক্তির প্রতিবাদে বিভিন্ন সংগঠনকে বিক্ষোভ করতে দেখেছেন ডয়চে ভেলের প্রতিবেদক অলিভার সালেট৷

জাতিসংঘ বলছে এই চুক্তির কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা আশ্রয় আবেদনের সুযোগ পাবেনা, যেটা তাঁদের অধিকার৷ এ কারণে চুক্তিটি অবৈধ বলেও মনে করছে বৈশ্বিক এই সংস্থাটি৷

অস্ট্রিয়া এই চুক্তির সফলতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে৷

গ্রিসে থাকা অভিবাসনপ্রত্যাশীরাও তুরস্কে যেতে আগ্রহী নন৷ তাঁরা ইউরোপ তথা গ্রিসেই থাকতে আগ্রহী৷

চুক্তির পর

ইইউ-তুরস্ক চুক্তির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে লেসবসে৷ গত ২০শে মার্চ মোরিয়া রেজিস্ট্রেশন সেন্টার থেকে সব বেসরকারি সংস্থাকে চলে যেতে হয়৷ যেখানে এতদিন শরণার্থীরা যেখানে নাম ঠিকানা লেখাতেন, সেখানে আগামীতে অবৈধভাবে থেকে যাওয়া লোকদের আটক রাখা হতে পারে৷

স্বাগতম

সিরীয় দুই শরণার্থী সেদিন সবে লেসবসের এই ছোট্ট গ্রামটিতে এসেছেন৷ সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রামটিতে প্রবেশ করতেই তাঁদের সহায়তায় এগিয়ে এলেন দু’জন স্বেচ্ছাসেবী৷ একজনের হাতের ট্যাটুতে আরবি ও ফারসি ভাষায় লেখা, ‘স্বাগতম’৷

মেয়েটি কোথায়?

কোনো এক মেয়ের কাপড় পড়ে আছে৷ কাপড়গুলো কার? কোনো শরণার্থী কিশোরীর? সে এখন কোথায়?

মেয়ে আর বাবা

সিরীয় শরণার্থী নাদাল আর তাঁর মেয়েকে দেখা যাচ্ছে ওপরের ছবিতে৷ নাদালের দুই ছেলে এখন জার্মানিতে, এক ছেলে সুইডেনে আর এক ছেলে এখনো সিরিয়ায়৷ আদরের নাতিও সিরিয়ায়৷ সিরিয়ায় আটকে পড়া স্বজনদের কথা ভাবলে এখনো চোখে জল আসে নাদালের৷

কাপড় শুকানো

লাইটহাউস শরণার্থী শিবিরে নারী আর শিশুদের কাপড় শুকানোয় ব্যস্ত লিসা ট্রান৷ কাজটি আন্তরিকতার সঙ্গেই করেন জার্মান এই নারী৷

চা গরম

লাইটহাউস শিবিরে শরণার্থীদের চায়ে চুমুক দেয়ার জন্য শুধু এই জায়গাটায় হাজির হলেই হয়৷ বড় একটা পাত্রে লং আর দারুচিনি দিয়ে চা তৈরি করে তাঁদের জন্য সবসময় অপেক্ষায় আছেন জেন শ-সুইট৷

শিশুর আঁকা ছবি

মোরিয়া রেজিস্ট্রেশন সেন্টার বন্ধ করার আগে এখানে শরণার্থী শিশুরা ছবি আঁকতো৷ তখনই এই ছবিটি এঁকেছিল আফগান দুই শিশু৷

লাইফ জ্যাকেটের পাহাড়

সাগর পাড়ি দিয়ে কত মানুষ আসে তা এই ছবিটি দেখলেও অনুমান করা যায়৷ ছবির এই রঙিন কাপড়গুলো আসলে লাইফ জ্যাকেট৷

জেডএইচ/ডিজি (রয়টার্স, এএফপি, এপি)