জমে উঠছে চট্টগ্রাম টেস্ট

ঢাকায় দ্বিতীয় ইনিংসের পর চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম ইনিংসেও ওয়ার্নারের সেঞ্চুরি৷ মূলত তাঁর বিশতম সেঞ্চুরির সুবাদেই ৯ উইকেটে ৩৭৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া৷ তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন মিরাজ আর মুস্তাফিজ৷

সেঞ্চুরি তো করেছেনই, সঙ্গে অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে ৯৩ আর হ্যান্ডসকম্বের সঙ্গে ১৫২ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে লিড নেয়ার সুযোগও করে দিয়েছেন ওয়ার্নার৷ বাঁ হাতি এই ওপেনারের অবশ্য ভাগ্য সুপ্রসন্নই বলতে হবে৷ ২৩৪ বলের সাতটিকে সীমানার ওপারে পাঠিয়ে ১২৩ রান করতে তিনবার নতুন জীবন পেয়েছেন তিনি৷

বুধবার বৃষ্টির কারণে মাঠ ভেজা থাকায় দুপুরের আগে খেলাই শুরু করা যায়নি৷ সোয়া একটা নাগাদ শুরু হলেও প্রথম সাফল্যের জন্য বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে৷ আগের দিনের ২ উইকেটে ২২৫ থেকে ততক্ষণে স্কোর ২ উইকেটে ২৫০৷ ৮২ রান করে তখনই সাকিবের থ্রো-তে রান আউট হয়ে যান হ্যান্ডসকম্ব৷

তারপর ওয়ার্নার আর ম্যাক্সওয়েলের জুটিতে ৪৮ রান এলেও আর কোনো বড় জুটি পায়নি অস্ট্রেলিয়া৷ বরং মুস্তাফিজের বলে ওয়ার্নার ইমরুল কায়েসের তালুবন্দি হওয়ার পর এক সময় স্বাগতিকদের তাড়াতাড়ি গুটিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই জেগেছিল৷ মুস্তাফিজ ৮৪ আর মিরাজ ৯৩ রানে তিনটি করে উইকেট নিলেও শেষ পর্যন্ত তা আর সম্ভব হয়নি৷ ৭২ রানের লিড আর শেষ উইকেটটি হাতে রেখে দিন শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া৷ তবে তাতে অবশ্য সুখনিদ্রার সুযোগ নেই৷ এ ম্যাচে এখন যে কোনো ফলাফলই সম্ভব৷ জমে উঠেছে চট্টগ্রাম টেস্ট!

এসিবি/ডিজি

ডিজিটাল বিশ্ব | 30.08.2017
খেলাধুলা

জানুয়ারি ৬-১০, ২০০৫, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ২২৬ রানে জয়ী

টাইগাররা প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় চট্টগ্রামে৷ ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৪৮৮ রান তোলে স্বাগতিকরা৷ আর দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ২০৪ রান করে৷ প্রথম ইনিংসে জিম্বাবোয়ের স্কোর ছিল ৩১২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৪ রান৷

খেলাধুলা

জুলাই ৯-১৩, ২০০৯, প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ: বাংলাদেশ ৯৫ রানে জয়ী

দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয়ের দেখা পায় ২০০৯ সালের ১৩ জুলাই৷ কিংসটাউনে সেই টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯৫ রানে হারায় টাইগাররা৷

খেলাধুলা

জুলাই ১৭-২০, ২০০৯, প্রতিপক্ষ ওয়েস্টইন্ডিজ: বাংলাদেশ চার উইকেটে জয়ী

সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর ছিল সাফল্যে ঠাসা৷ দ্বিতীয় টেস্টে সেন্ট জর্জেসে স্বাগতিকদের হারায় টাইগাররা, সেবার জিতেছিল চার উইকেটে৷

খেলাধুলা

এপ্রিল ২৫-২৯, ২০১৩, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী

জিম্বাবোয়ের হারারেতে স্বাগতিকদের আবার ‘বধ’ করে টাইগাররা৷ প্রথম ইনিংসে ৩৯১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৯১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ৷ জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৮২ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৭ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবোয়ে৷

খেলাধুলা

অক্টোবর ২৫-২৭, ২০১৪, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ তিন উইকেটে জয়ী

ঢাকায় বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়৷ তিন দিনে শেষ হওয়া সেই টেস্টে শুরুতে ব্যাট করতে গিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৪০ রান করে জিম্বাবোয়ে৷ আর দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ছিল ১১৪৷ অন্যদিকে, প্রথম ইনিংসে ২৫৪ আর দ্বিতীয় ইনংসে ৭ উইকেটে ১০৭ রান তুলে জিতে যায় স্বাগতিকরা৷

খেলাধুলা

নভেম্বর ৩-৭, ২০১৪, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ১৬২ রানে জয়ী

খুলনায় জিম্বাবোয়েকে হারায় বাংলাদেশ৷ সেই টেস্ট পাঁচ দিন পর্যন্ত গড়ালেও শেষমেশ তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি জিম্বাবোয়ে৷ ফলাফল স্বাগতিকদের ১৬২ রানের জয়৷

খেলাধুলা

নভেম্বর ১২-১৬, ২০১৪, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ১৮৬ রানে জয়ী

আবারো চট্টগ্রামে জিম্বাবোয়েকে হারায় টাইগাররা৷ সেবার ব্যবধান ছিল ১৮৬ রানের৷

খেলাধুলা

অক্টোবর ২৮-৩০, ২০১৬, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড: বাংলাদেশ ১০৮ রানে জয়ী

এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্রিকেট শক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট জয় এটি৷ ঢাকায় ইংল্যান্ডকে নাস্তানাবুদ করে টাইগাররা৷

খেলাধুলা

মার্চ ১৫-১৯, ২০১৭, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী

একদিকে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের শততম ম্যাচে জয়, অন্যদিকে প্রথমবারের মত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়-দুই দিক দিয়েই ঐতিহাসিক বাংলাদেশের এই টেস্ট ম্যাচটি৷ পঞ্চম দিনে ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা৷ ম্যাচ সেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল৷

খেলাধুলা

আগস্ট ২৭-৩০, ২০১৭, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া: বাংলাদেশ ২০ রানে জয়ী

প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়ে৷ এটা ছিল সাকিব ও তামিমের ৫০তম টেস্ট। সাকিব মোট ১০ উইকেট নিয়ে এবং তামিম দুই ইনিংসেই অর্ধশত করে স্মরণীয় করে রাখলেন এই টেস্টকে৷ ম্যাচ সেরা সাকিব আল হাসান৷ দ্রষ্টব্য: ইএসপিএন ক্রিকইনফো থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ছবিঘরটি তৈরি করা হয়েছে৷