জার্মানিতে উদ্বাস্তুদের জন্য নতুন কড়াকড়ি

ম্যার্কেল জোট সরকারে অংশীদার দলগুলি বৃহস্পতিবার একটি সুদীর্ঘ বৈঠকে উদ্বাস্তুদের স্রোত নিয়ন্ত্রণের নতুন পরিকল্পনা নিয়েছেন৷ সিরীয় রিফিউজিরাও এবার বিনা বাধায় তাদের পরিবারবর্গকে জার্মানিতে নিয়ে আসতে পারবেন না৷

২০১৫ সালে এগারো লাখ উদ্বাস্তু জার্মানিতে পৌঁছান৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও যুদ্ধপরবর্তী অভিজ্ঞতার ফলে তথাকথিত ‘ফামিলিয়েন-সুজামেন-ফ্যুরুং' বা পরিবারকে একত্রিত করার অধিকার জার্মান সংবিধানে একটি বিশেষ স্থান পেয়েছে৷ কাজেই উদ্বাস্তু পরিবারের কোনো একজন জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলে পরিবারের বাকি সদস্যেরা এদেশে আসার অধিকার অর্জন করেন৷ এমনকি যে সব উদ্বাস্তু রাজনৈতিক আশ্রয় পাননি, কিন্তু স্বদেশে ফিরলে নিপীড়ন বা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন, তাদের জন্যও ‘সাবসিডিয়ারি প্রোটেকশন' বা সম্পূরক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা আছে, যে অনুযায়ী তারাও তাদের পরিবারবর্গকে জার্মানিতে নিয়ে আসতে পারেন৷ এবার সেই ‘ফামিলিয়েন-সুজামেন-ফ্যুরুং'-এর অধিকার কাটছাঁট করা হচ্ছে, কেননা চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল তাঁর উদ্বাস্তু নীতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাপের মুখে৷

‘ফোকুস' সাপ্তাহিকের হয়ে ইনসা সংস্থার করা একটি সর্বাধুনিক জরিপ অনুযায়ী ৪০ শতাংশ জার্মান চান যে, ম্যার্কেল তাঁর উদ্বাস্তু নীতির কারণে পদত্যাগ করুন৷ যে সম্পর্কে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকার মন্তব্য, ‘ম্যার্কেল ইউরোপকে বাঁচাতে চান৷ আগে তাঁর নিজেকে বাঁচাতে হবে৷'

উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জার্মানিতে তাদের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে শুরু করে সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্তি; অন্যদিকে সীমান্তে চেকপয়েন্ট ও কোটা থেকে শুরু করে যে সব রিফিউজির রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হয়েছে, তাদের স্বদেশে ফেরৎ পাঠানো – এক কথায় উদ্বাস্তু সংকটের প্রতিটি আঙ্গিক নিয়ে সরকার জোটের সিডিইউ-সিএসইউ ও এসপিডি দলগুলির মধ্যে কোঁদল চলেছে গত নভেম্বর মাস থেকে৷

এবার যে আপোশটি সম্ভব হলো, তা প্রায় পুরোপুরি বাভারিয়ার মুখ্যমন্ত্রী ও সিএসইউ দলের প্রধান হর্স্ট সেহোফারের হস্তাক্ষর বহন করছে৷ যেমন: ‘সম্পূরক সুরক্ষা' প্রাপ্ত উদ্বাস্তুরা দু'বছর পার হওয়ার আগে তাদের পরিবারবর্গকে জার্মানিতে আনতে পারবেন না; এক্ষেত্রে এসপিডি কিন্তু চেয়েছিল বড়জোর এক বছর৷

আরেকটি পদক্ষেপ হলো উত্তর আফ্রিকার তিনটি দেশ – আলজিরিয়া, মরক্কো ও টিউনিশিয়াকে ‘নিরাপদ দেশ' হিসেবে ঘোষণা করা, যাতে সেখান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের বস্তুত রাজনৈতিক আশ্রয় পাবার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না – ইতিপূর্বে বলকান অঞ্চলের তিনটি দেশ, আলবানিয়া, মন্টেনিগ্রো ও কসোভোকে ‘নিরাপদ দেশ' ঘোষণা করে ভালো ফল পাওয়া গিয়েছিল৷

আরো অনেক ছোটখাটো পদক্ষেপ: সিরিয়া থেকে আগতেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আর রাজনৈতিক আশ্রয় পাবেন না৷ উদ্বাস্তুদের তাদের বিভিন্ন ‘অন্তর্ভুক্তি' পাঠক্রমের জন্য মাসে দশ ইউরো করে দিতে হবে৷ আপাতত একটা কমিটি নিয়োগ করা হচ্ছে; কমিটি রিপোর্ট দেবে ফেব্রুয়ারির মধ্যে, ইত্যাদি৷ মিডিয়ার মতে ম্যার্কেল তাঁর সরকার জোট ভেঙে পড়াটা অন্তত সাময়িকভাবে রুখতে পেরেছেন৷

যেটা বিস্মৃত হয়েছে এবং হচ্ছে, সেটা সম্ভবত ম্যার্কেলের আদর্শবাদ ও তাঁর ইউরোপীয় স্বপ্ন৷ ম্যার্কেল কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানিতে তাঁর নিজের অতীতের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি ইউরোপকে আবার কাঁটাতারের পেছনে দেখতে চান না৷ তাঁর এই মনোভাবকে ‘‘বীরোচিত'' বলে আখ্যা দিয়েছেন ৮৪ বছর বয়সি রুট ক্ল্যুগার, যিনি হলোকস্ট থেকে প্রাণ নিয়ে বাঁচেন৷ গত বুধবার আন্তর্জাতিক হলোকস্ট স্মরণ দিবস উপলক্ষ্যে জার্মান সংসদে রুট বলেন, ‘‘শতাব্দীর সবচেয়ে জঘন্য অপরাধগুলির জন্য দায়ী এই দেশ আজ সারা বিশ্বের প্রশংসা কুড়োচ্ছে৷''

হামবুর্গ শহরের ভিলহেল্মসবুর্গ এলাকায় শরণার্থীদের প্রাথমিক আশ্রয়কেন্দ্রটি ভরে যাওয়ায় আগন্তুকদের তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়৷ মঙ্গলবার (৬ই অক্টোবর) সেখানে আফগানিস্তান ও আলবেনিয়া থেকে আগত উদ্বাস্তুদের মধ্যে ব্যাপক দাঙ্গা বাঁধে৷ লোয়ার স্যাক্সনি-র ব্রাউনশোয়াইগ-এও অনুরূপভাবে আলজিরীয় ও সিরীয় উদ্বাস্তুদের মধ্যে দাঙ্গা বাঁধে একটি চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে৷

টুরিঙ্গিয়া রাজ্যের সালফেল্ড-এ অবস্থিত একটি রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী আবাসে সোমবার একটি অগ্নিকাণ্ডের পর ২৯ বছর বয়সি এক ইরিট্রিয়ান উদ্বাস্তুর লাশ পাওয়া যায়৷ কিভাবে এই শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তা এখনও অজ্ঞাত৷ তবে আবাসটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের কোনো হদিশ পুলিশ এখনও পায়নি৷

বাভারিয়ার অর্থমন্ত্রী মার্কুস জ্যোডার ইতিপূর্বেও বলেছেন: ‘‘আমরা (অর্থাৎ জার্মানি) বিশ্বকে বাঁচাতে পারি না৷’’ এমনকি তিনি অস্ট্রিয়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কথাও চিন্তা করেছেন৷ তবে জ্যোডার যখন সম্প্রতি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করার কথা বলেন, তখন জেহোফার স্বয়ং সাথে সাথে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন৷

২০১৫ সালে এগারো লাখ উদ্বাস্তু জার্মানিতে পৌঁছান৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও যুদ্ধপরবর্তী অভিজ্ঞতার ফলে তথাকথিত ‘ফামিলিয়েন-সুজামেন-ফ্যুরুং' বা পরিবারকে একত্রিত করার অধিকার জার্মান সংবিধানে একটি বিশেষ স্থান পেয়েছে৷ কাজেই উদ্বাস্তু পরিবারের কোনো একজন জার্মানিতে রাজনৈতিক আশ্রয় পেলে পরিবারের বাকি সদস্যেরা এদেশে আসার অধিকার অর্জন করেন৷ এমনকি যে সব উদ্বাস্তু রাজনৈতিক আশ্রয় পাননি, কিন্তু স্বদেশে ফিরলে নিপীড়ন বা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন, তাদের জন্যও ‘সাবসিডিয়ারি প্রোটেকশন' বা সম্পূরক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা আছে, যে অনুযায়ী তারাও তাদের পরিবারবর্গকে জার্মানিতে নিয়ে আসতে পারেন৷ এবার সেই ‘ফামিলিয়েন-সুজামেন-ফ্যুরুং'-এর অধিকার কাটছাঁট করা হচ্ছে, কেননা চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল তাঁর উদ্বাস্তু নীতিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাপের মুখে৷

‘ফোকুস' সাপ্তাহিকের হয়ে ইনসা সংস্থার করা একটি সর্বাধুনিক জরিপ অনুযায়ী ৪০ শতাংশ জার্মান চান যে, ম্যার্কেল তাঁর উদ্বাস্তু নীতির কারণে পদত্যাগ করুন৷ যে সম্পর্কে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকার মন্তব্য, ‘ম্যার্কেল ইউরোপকে বাঁচাতে চান৷ আগে তাঁর নিজেকে বাঁচাতে হবে৷'

উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও জার্মানিতে তাদের রক্ষণাবেক্ষণ থেকে শুরু করে সমাজে তাদের অন্তর্ভুক্তি; অন্যদিকে সীমান্তে চেকপয়েন্ট ও কোটা থেকে শুরু করে যে সব রিফিউজির রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন বাতিল হয়েছে, তাদের স্বদেশে ফেরৎ পাঠানো – এক কথায় উদ্বাস্তু সংকটের প্রতিটি আঙ্গিক নিয়ে সরকার জোটের সিডিইউ-সিএসইউ ও এসপিডি দলগুলির মধ্যে কোঁদল চলেছে গত নভেম্বর মাস থেকে৷

এবার যে আপোশটি সম্ভব হলো, তা প্রায় পুরোপুরি বাভারিয়ার মুখ্যমন্ত্রী ও সিএসইউ দলের প্রধান হর্স্ট সেহোফারের হস্তাক্ষর বহন করছে৷ যেমন: ‘সম্পূরক সুরক্ষা' প্রাপ্ত উদ্বাস্তুরা দু'বছর পার হওয়ার আগে তাদের পরিবারবর্গকে জার্মানিতে আনতে পারবেন না; এক্ষেত্রে এসপিডি কিন্তু চেয়েছিল বড়জোর এক বছর৷

আরেকটি পদক্ষেপ হলো উত্তর আফ্রিকার তিনটি দেশ – আলজিরিয়া, মরক্কো ও টিউনিশিয়াকে ‘নিরাপদ দেশ' হিসেবে ঘোষণা করা, যাতে সেখান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের বস্তুত রাজনৈতিক আশ্রয় পাবার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না – ইতিপূর্বে বলকান অঞ্চলের তিনটি দেশ, আলবানিয়া, মন্টেনিগ্রো ও কসোভোকে ‘নিরাপদ দেশ' ঘোষণা করে ভালো ফল পাওয়া গিয়েছিল৷

আরো অনেক ছোটখাটো পদক্ষেপ: সিরিয়া থেকে আগতেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আর রাজনৈতিক আশ্রয় পাবেন না৷ উদ্বাস্তুদের তাদের বিভিন্ন ‘অন্তর্ভুক্তি' পাঠক্রমের জন্য মাসে দশ ইউরো করে দিতে হবে৷ আপাতত একটা কমিটি নিয়োগ করা হচ্ছে; কমিটি রিপোর্ট দেবে ফেব্রুয়ারির মধ্যে, ইত্যাদি৷ মিডিয়ার মতে ম্যার্কেল তাঁর সরকার জোট ভেঙে পড়াটা অন্তত সাময়িকভাবে রুখতে পেরেছেন৷

যেটা বিস্মৃত হয়েছে এবং হচ্ছে, সেটা সম্ভবত ম্যার্কেলের আদর্শবাদ ও তাঁর ইউরোপীয় স্বপ্ন৷ ম্যার্কেল কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানিতে তাঁর নিজের অতীতের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, তিনি ইউরোপকে আবার কাঁটাতারের পেছনে দেখতে চান না৷ তাঁর এই মনোভাবকে ‘‘বীরোচিত'' বলে আখ্যা দিয়েছেন ৮৪ বছর বয়সি রুট ক্ল্যুগার, যিনি হলোকস্ট থেকে প্রাণ নিয়ে বাঁচেন৷ গত বুধবার আন্তর্জাতিক হলোকস্ট স্মরণ দিবস উপলক্ষ্যে জার্মান সংসদে রুট বলেন, ‘‘শতাব্দীর সবচেয়ে জঘন্য অপরাধগুলির জন্য দায়ী এই দেশ আজ সারা বিশ্বের প্রশংসা কুড়োচ্ছে৷''

এসি/ডিজি (ডিপিএ, এপি, এএফপি)

উদ্বাস্তু শিবিরে দাঙ্গা

হামবুর্গ শহরের ভিলহেল্মসবুর্গ এলাকায় শরণার্থীদের প্রাথমিক আশ্রয়কেন্দ্রটি ভরে যাওয়ায় আগন্তুকদের তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়৷ মঙ্গলবার (৬ই অক্টোবর) সেখানে আফগানিস্তান ও আলবেনিয়া থেকে আগত উদ্বাস্তুদের মধ্যে ব্যাপক দাঙ্গা বাঁধে৷ লোয়ার স্যাক্সনি-র ব্রাউনশোয়াইগ-এও অনুরূপভাবে আলজিরীয় ও সিরীয় উদ্বাস্তুদের মধ্যে দাঙ্গা বাঁধে একটি চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে৷

ইসলাম বিরোধীরা আবার মাথা চাড়া দিয়েছে

ড্রেসডেনে ইসলাম বিরোধী পেগিডা গোষ্ঠীর বিক্ষোভ সমাবেশে গত সোমবার প্রায় ন’হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন৷ বিক্ষোভকারীরা মূলত চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল-কেই বর্তমান উদ্বাস্তু সংকটের জন্য দায়ী করছেন৷

ম্যার্কেল লাগাম টানলেন

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল দৃশ্যত তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টোমাস ডেমেজিয়ের-এর গুরুত্ব কিছুটা খর্ব করে চ্যান্সেলরের দপ্তরের প্রধান পেটার আল্টমায়ার-কে শরণার্থী সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন৷

উদ্বাস্তুর লাশ

টুরিঙ্গিয়া রাজ্যের সালফেল্ড-এ অবস্থিত একটি রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী আবাসে সোমবার একটি অগ্নিকাণ্ডের পর ২৯ বছর বয়সি এক ইরিট্রিয়ান উদ্বাস্তুর লাশ পাওয়া যায়৷ কিভাবে এই শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তা এখনও অজ্ঞাত৷ তবে আবাসটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অগ্নিসংযোগের কোনো হদিশ পুলিশ এখনও পায়নি৷

যে কোনো পন্থায়

টুরিঙ্গিয়ায় এর আগেও উদ্বাস্তু আবাস হিসেবে চিহ্নিত বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে শরণার্থীদের আসা বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে৷ যেমন বিশহাগেন-এর এই বাড়িটির ছাদ পুরোপুরি পুড়ে গিয়েছে৷ গত সোমবার এখানে প্রথম উদ্বাস্তুদের আসার কথা ছিল৷

ঘরে বাইরে

শরণার্থী সংকট এখন জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও টান ধরাচ্ছে৷ চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের জোড়োয়া দল বাভারিয়ার সিএসইউ৷ তাদের প্রধান হর্স্ট জেহোফার সেপ্টেম্বর মাসের শেষে একটি দলীয় সম্মেলনে বক্তা হিসেব আমন্ত্রণ জানান হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অর্বান-কে, যিনি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে উদ্বাস্তুর স্রোত আটকানোর চেষ্টা করেছেন৷

হাওয়া যদি বদলায়

বাভারিয়ার অর্থমন্ত্রী মার্কুস জ্যোডার ইতিপূর্বেও বলেছেন: ‘‘আমরা (অর্থাৎ জার্মানি) বিশ্বকে বাঁচাতে পারি না৷’’ এমনকি তিনি অস্ট্রিয়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কথাও চিন্তা করেছেন৷ তবে জ্যোডার যখন সম্প্রতি রাজনৈতিক আশ্রয় প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার সীমিত করার কথা বলেন, তখন জেহোফার স্বয়ং সাথে সাথে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন৷