1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

৭২ ঘণ্টার হরতাল!

হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা৮ নভেম্বর ২০১৩

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আদায়ের আন্দোলন আরো তীব্র করতে তৈরি প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোট৷ তাই দুই সপ্তাহ টানা ৬০ ঘণ্টার হরতালের পর, এবার তারা টানা ৭২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে৷

https://p.dw.com/p/1AE8f
Bangladeshi police officials stand guard on a street during a general strike in Dhaka, Bangladesh, Monday, Oct. 28, 2013. At least 13 people have died since Friday in violence as the government of Prime Minister Sheikh Hasina and an 18-party alliance led by opposition leader Khaleda Zia disagree over forming a caretaker government. The opposition began the three-day general strike on Sunday to force the government to quit and form an independent government to oversee an election due by early next year. (AP Photo/A.M. Ahad)
ছবি: picture-alliance/dpa

গত দুই সপ্তাহ বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধী ১৮ দলীয় জোট দু'দফায় টানা ৬০ ঘণ্টার হরতাল পালন করে৷ এই দু'দফা হারতালে মোট ১৮ জন নিহত হন, আহতও হন অনেকে৷ ঢাকাসহ সারা দেশে হরতালের কারণে এখন ককটেল আর বোমার আতঙ্কে সাধারণ মানুষ৷ হরতালে জরুরি কাজে ঘরের বাইরে বের হলেও, তাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাফেরা করেন৷

এ অবস্থায় বিএনপি আন্দোলনকে আরো তীব্র করতে চলেছে৷ এবারও আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে হরতালকেই সহজ এবং মোক্ষম হিসেবে বেছে নিচ্ছে তারা৷ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জোটের মহাসচিবদের সঙ্গে বৈঠকের পর, শুক্রবার বিকেলে, আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন৷ রবিবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টার এই হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি৷

BANGLADESH-POLITICS-STRIKE Bildunterschrift: Buses are parked at an inter-district bus terminal during a nationwide strike called by the Islamist political party, Bangladesh Jumaat-e-Islami in Dhaka on August 13, 2013. The strike has been called by the party to protest cancellation of its registration which may deny it the chance to contest parliament elections. AFP PHOTO /Munir uz ZAMAN (Photo credit should read MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images) Erstellt am: 13 Aug 2013
রবিবার থেকে আবারো শুরু হবে হরতাল...ছবি: MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে গণকারফিউয়ের মতো কর্মসূচি দেয়া হবে৷ তিনি বলেন, একতরফা কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না৷ এছাড়া, কোনো দলীয় বা সর্বদলীয় সরকারের অধীনেও হবে না নির্বাচন৷ নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে৷ আর সে দাবি আদায়ের জন্য হরতাল, অবরোধ, ঘেরাও, এমনকি গণকারফিউ কর্মসূচিও দেয়া হতে পারে৷

অন্যদিকে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাফরউল্লাহ বলেছেন, দেশে এখন নির্বাচনি বাতাস বইতে শুরু করেছে৷ জাতি এখন একটি নির্বাচন দেখতে চায়৷ তাই তিনি বিরোধী দলকে হরতাল অবরোধ বাদ দিয়ে আলোচনায় এসে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান৷ বলেন, বিরোধী দল সংসদে গিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যাতে আলোচনা করতে পারে সেজন্যই সংসদ অধিবেশনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে৷

তবে দুই দলের নেতারা যা-ই বলুন না কেন, সাধারণ মানুষের জীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসছে৷ হরতালের কারণে পচনশীল ভোগ্যপণ্যের দাম যাচ্ছে বেড়ে৷ কমে যাচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের আয়৷ ৭২ ঘণ্টা হরতাল ঘোষণার পর, কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আহসান উল্লাহ ডয়চে ভেলেকে জানান, গত দুই সপ্তাহ তিনি ব্যবসা করতে পারেননি৷ এরপর সামনের সপ্তাহে হরতাল হলে তাঁর ব্যবসা লাটে উঠবে৷ নিউ মার্কেট এলাকার দিনমজুর রফিকুল ইসলাম জানান, হরতালে কোনো কাজ থাকে না, ধার করে চলতে হয়৷ কিন্তু এভাবে হরতাল হলে ধার দেয়ার লোকও যে থাকবে না৷

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য