টিউনিসিয়ায় নারী অধিকার উদযাপন

সমাজ

ঐতিহাসিক আইন

চলতি বছরের জুলাই মাসে টিউনিশিয়ার সংসদ নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা ঠেকাতে এই আইন প্রণয়ন করে৷ দেশটির পরিবার বিষয়ক মন্ত্রী নাজিয়া লাবিদি একে ‘ঐতিহাসিক প্রকল্প’ বলে অভিহিত করেছেন৷

সমাজ

আর নয় ধর্ষণ

পারিবারিক সহিংসতার বিরুদ্ধে শাস্তি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে৷ অপরাধের বদলে পরিবারের মধ্যে ধর্ষণ দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত বিষয় বলে বিবেচিত হতো৷এখন আর সেটি সম্ভব হবে না বলে মনে করছে নারী অধিকার বিষয়ক সংস্হাগুলো৷

সমাজ

চলবে তদন্ত

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই এ ধরনের মামলার তদন্ত করতে হবে৷ কোনো নারী অভিযোগ করার পর যদি তা প্রত্যাহারও করে নেন, তবুও তদন্ত চালিয়ে যেতে হবে৷ এই আইন ‘মানবাধিকার ও লিঙ্গ সমতাকে সমর্থন করে’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷

সমাজ

পরিসংখ্যান

৪ হাজার নারীর ওপর চালানো সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাঁদের ৬৪ ভাগই ঘরের বাইরে যাওয়ার আগে পরিবারের পুরুষ সদস্যের অনুমতি নিতে হয়৷ প্রায় ৭০ ভাগ নারী গণপরিবহনে নানাভাবে লাঞ্ছিত হন৷ আর বিবাহিত নারীদের ৭৬ ভাগই বাড়িতে হয় শারীরিক, নয়তো মানসিক নির্যাতনের শিকার হন৷

সমাজ

কাটছে না আশংকা

নতুন আইনের ফলে সাংস্কৃতিক সংস্কার হবে বলে মনে করেন প্রগতিশীলরা৷ তবে রক্ষণশীলদের আশংকা এ ধরনের আইনের ফলে ‘কট্টর নারীবাদ, পারিবারিক প্রথা ধ্বংস, এমনকি সমকামীতা বৈধ হতে পারে৷

সমাজ

সমালোচনায় ভয়

তবে টিউনিসিয়ায় অনেক পুরুষই তাদের স্ত্রীদের অধিকার দিতে প্রস্তুত৷ দুঃখজনক হলেও সত্য, কেবল সমালোচনার ভয়ে চাইলেও স্ত্রী’র অধিকারের প্রশ্নে কোনো কথা বলেন না তারা৷

টিউনিসিয়ায় বিক্ষোভের দিন শেষ হয়েছে৷ নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা রুখতে জাতীয় সংসদ ঐতিহাসিক এক আইন পাস করায় এসেছে সুদিন৷ সুন্দর আগামীর আশা নারীদের ভাসিয়েছে আনন্দের জোয়ারে৷

Kersten Knipp কার্সটেন নিপ/ এএম