1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

ট্রাম্পের শাসনকে 'অন্ধকার যুগ' বললেন বাইডেন

২১ আগস্ট ২০২০

ডনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। পাল্টা সমালোচনা ট্রাম্পেরও।

https://p.dw.com/p/3hHKR
ছবি: Reuters/K. Lamarque

আনুষ্ঠানিক ভাবে ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হলেন তিনি। দলের কনভেনশনের শেষ দিনে জো বাইডেন বললেন, এক 'অন্ধকার' সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে অ্যামেরিকা। দ্রুত সেই দিন কাটবে। বাইডেনের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, বাইডেন বক্তব্য শুধুই কথার কথা। আজ পর্যন্ত কোনও কথাই কাজে পরিণত করতে পারেননি তিনি।

মার্কিন সময় বৃহস্পতিবার রাতে শেষ হয়েছে ডেমোক্র্যাট পার্টির চার দিনের কনভেশন। গোটা কনভেশনটিই অনলাইন হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে সর্বশেষ বক্তৃতা করেন দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেন। ৭৭ বছরের রাজনীতিক অতীতে দেশের ভাইস প্রেসিডেন্টের কাজ নির্বাহ করেছেন। নির্বাচনের আগে দলের শেষ কনভেনশনে তিনি কী বার্তা দেন, সে দিকে চোখ ছিল সকলের। তাঁর ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণে বাইডেন এ দিন জানিয়েছেন, দেশের মানুষ তাঁকে নির্বাচিত করলে কোন কোন বিষয়গুলি নিয়ে সর্বপ্রথম কাজ করবেন তিনি। প্রথমেই তিনি করোনা পরিস্থিতির উল্লেখ করেছেন।

জো বাইডেনকে চমকে দিলেন ওবামা

বাইডেনের অভিযোগ, যে প্রক্রিয়ায় বর্তমান প্রশাসন করোনার মোকিবালি করেছে, তা যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, চাইলে এই পরিস্থিতির হাত থেকে অ্যামেরিকাকে বাঁচানো যেত। তিনি ক্ষমতায় এলে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলা করবেন বলে কথা দিয়েছেন বাইডেন। একি সঙ্গে জানিয়েছেন, ফেডারেল কাঠামো মাথায় রেখেই গোটা দেশে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করবেন তিনি।

এ দিনের বক্তৃতায় ট্রাম্পের আমলের অ্যামেরিকাকে 'কালো অধ্যায়' বলে অভিহিত করেছেন বাইডেন। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে অ্যামেরিকার ক্ষমতা রয়েছে একজন একনায়কের হাতে। তিনি নির্বাচিত হলে এই পরিস্থিতি থেকে দেশ মুক্তি পাবে।

বাইডেনের গোটা বক্তৃতাই শুনেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। বক্তৃতা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর বিরুদ্ধে কড়া টুইট করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ৪৭ বছর ধরে বাইডেন কেবল মুখেই বড় বড় কথা বলে গিয়েছেন। কাজের কাজ কিছুই করেননি।

চার দিনের কনভেশনের শেষ দিনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে কমলা হ্যারিসের নামও। অ্যামেরিকার ইতিহাসে এও এক ঐতিহাসিক ঘটনা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনও পর্যন্ত জনমত সমীক্ষায় বাইডেন-হ্যারিস জুটি ট্রাম্পের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে আছেন। করোনা পরিস্থিতি ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা চোখের পড়ার মতো কমিয়ে দিয়েছে। তবে শেষ মুহূর্তে সর্বস্ব দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। ভোটে জেতার জন্য একের পর এক সিদ্ধান্তের কথা জানাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন কি না, না কি বাইডেনের ভাগ্যে ৭৭ বছর বয়সে শিকে ছেঁড়ে, তা জানা যাবে আর কয়েক মাসের মধ্যেই।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি)