ডয়চে ভেলের ফটো প্রতিযোগিতায় বিজয়ী...

এ বছর ব্রাজিলে ‘বিশ্বকাপ ফুটবল’ চলাকালীন ডয়চে ভেলে থেকে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল পাঠকবন্ধুদের জন্য৷ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে পাঠকদের নিজেদের তোলা ছবি পাঠাতে হবে – এমনটাই ছিল শর্ত৷

বলা হয়েছিল, ...যাঁর তোলা ছবিতে বিশ্বকাপের বিষয়টি ভালোভাবে ফুটে উঠবে এবং আমাদের কাছে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে হবে, তাঁকেই বিজয়ী বলে নির্বাচন করা হবে৷

খেলাধুলা | 04.02.2015

কিন্তু আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা আমাদের প্রত্যাশা সেভাবে পূরণ করতে সক্ষম হননি৷ এছাড়া এ কথাও সত্য যে, মাত্র কয়েকজন পাঠকবন্ধুই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন৷ যাই হোক, প্রতিযোগিতা যখন করা হয়েছে, ফলাফল তো প্রকাশ করতেই হবে! তাই না?

আমাদের বিবেচনায় ফটো প্রতিযোগিতায় বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছেন – শাহনাজ পারভীন, ইন্সট্রাকটার, এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, বাংলাবাজার, গাইবান্ধা, বাংলাদেশ৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপের বর্নিল রূপ

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালের আসরকে সামনে রেখে ঢাকাসহ বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা সেজেছে বর্নিল সাজে৷ বাড়ির দেয়াল থেকে রাস্তা-ঘাট, দোকান পাট সবখানেই প্রিয় খেলোয়াড়, প্রিয় দলের পতাকার রং৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

বাড়ির দেয়াল অঙ্কন

কলতাবাজারের একটি বাড়ির বাইরের দেয়ালজুড়ে ফুটবলের এই ছবি বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যেই৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

খেলোয়াড়ের প্রতীকী ছবি

পুরান ঢাকার কলতাবাজারের গলির ভেতরে একটি বাড়ির দেয়ালচিত্রে পাশাপাশি আর্জেন্টিনা ও জার্মানি এই দুই দেশের খেলোয়াড়ের প্রতীকী ছবি৷ ছবিটি যখন আঁকা হয়েছিল তখন কিন্তু এই দুই দলের ফাইনালে খেলার ভাগ্য নির্ধারণ হয়নি৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ গলি

পুরান ঢাকার কলতাবাজারের এই গলির নাম এখন বিশ্বকাপ গলি৷ ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসরকে ঘিরে স্থানীয় তরুণ ফুটবলপ্রেমীরা পুরো এলাকা মুড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বকাপ ফুটবলের নানা চিত্র দিয়ে৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

পতাকা বিক্রি

বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে জার্মানি আর আর্জেন্টিনা৷ তাই এই দুই দেশের পতাকা নিয়ে গুলিস্তানে ক্রেতার অপেক্ষায় পতাকা বিক্রেতা জামাল৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

জাতীয় পতাকার সম্মান

বিশ্বকাপে ৩২টি দলে নেই বাংলাদেশ৷ কিন্তু অন্যান্য দলের পতাকার পাশাপাশি দেশের জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানাতে ভোলেননি ফুটবল ভক্তরা৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

একনিষ্ঠ ভক্ত আমজাদ হোসেন

মাগুরা জেলার দরিদ্র কৃষক আমজাদ হোসেন ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় নিজের জমি বিক্রি করেছে, তৈরি করেছেন প্রিয় দল জার্মানির সাড়ে তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের একটি পতাকা৷ এতে ব্যয় হয়েছে এক লাখেরও বেশি টাকা৷ ১৯৮৭ সালে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত এই কৃষক জার্মানি থেকে আনা ওষুধ খেয়ে সুস্থ হয়ে উঠেন৷ তারপর থেকেই তিনি দেশটির ফুটবল দলের একনিষ্ঠ ভক্ত৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

জার্মান দূতাবাসের সম্মাননা

জার্মানি দলের সমর্থনে দীর্ঘ এই পতাকা তৈরির জন্য আমজাদ হোসেন জার্মান জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল ফ্যানক্লাবের আজীবন সদস্যপদ পাচ্ছেন৷ ঢাকার জার্মান দূতাবাস তাঁকে এ সম্মান জানাচ্ছে৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

ভক্তরা কাঁপছেন বিশ্বকাপ জ্বরে

ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে ফুটবল নিয়ে আনন্দ করছে এক কিশোর৷ ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সারাদেশের ফুটবল ভক্তরা কাঁপছেন বিশ্বকাপ জ্বরে৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

কার্গোতে কসরত

বুড়িগঙ্গা নদীতে চলমান বালুবাহী কার্গো শিপের ফুটবল নিয়ে কসরত করছে দুই কিশোর৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

উড়ছে আর্জেন্টিনা আর জার্মানির পতাকা

ঢাকার পাশের এলাকা কেরাণীগঞ্জের বাড়িগুলোর ছাদে ছাদে উড়ছে আর্জেন্টিনা আর জার্মানির পতাকা৷ ফাইনালে জার্মানির কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর এ এলাকার বেশিরভাগ ব্রাজিল ভক্ত ঐ দেশের পতাকাটা নামিয়ে ফেলেন৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

ক্ষুদে ভক্ত

এই খুদে ফুটবল প্রেমী আর্জেন্টিনা দলের ভক্ত৷ কলতাবাজারের বিশ্বকাপ গলির দেয়ালের পাশে দাঁড়ানো এই শিশুটির মত বাংলাদেশে ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাও কম নয়৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

ঝুলছে ফুটবল

এই ছবিটিও কলতাবাজারের৷ বিশ্বকাপ গলির উপরে ভক্তরা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বেশ কিছু ফুটবল৷

বিশ্বকাপের রঙে বাংলাদেশ

ভক্তদের উচ্ছ্বাস

কলতাবাজারের এই গলিটিকে সবাই এখন চেনে বিশ্বকাপ গলি নামে৷ এখানে দেখতে পাচ্ছেন জার্মান ফুটবল দলের ভক্তদের উচ্ছ্বাস৷ পুরান ঢাকার এই জায়গাটিতে প্রায়ই জড়ো হন ফুটবল ভক্তরা৷

শাহনাজ পারভীনকে আমাদের আন্তরিক অভিনন্দন! আপনার পুরস্কার একটি ‘আইপড' কিছুদিনের মধ্যেই রেজিস্ট্রি ডাকে পাঠানো হবে৷ তাই আপনাকে একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার অনুরোধ করছি৷ আর যাঁরা এই ফটো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ৷

এবার মতামত

জলন্ত অগ্নিশিখা ও যুদ্ধের অপর নাম এবোলা' শীর্ষক প্রতিবেদন পড়লাম৷ তথ্যপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করে আমাদের অবহিত করার জন্য ডিডাব্লিউ-কে ধন্যবাদ৷ যত রোগ আছে তার মধ্যে এবোলা সবচেয়ে ভয়ানক৷ পৃথিবীতে যত প্রযুক্তিগত উন্নত হচ্ছে, রোগব্যাধি তত বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ এর প্রতিরোধক না থাকলে সারা বিশ্বেই এই রোগ বিস্তার লাভ করবে এবং পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে৷ সে কারণে এখনই এর প্রতিশেধক আবশ্যক৷'' মন্তব্য চট্টগ্রাম থেকে ডা. অসিত কুমার দাশ মিন্টুর৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

আমাদের অনুসরণ করুন