তাজমহল, আজও অপরূপ

সম্ভ্রম জাগানো

মর্মরসৌধ তাজমহলের বিশাল রাজকীয় সৌন্দর্য প্রথম দর্শনেই যেন অবশ করে দেয়৷ শ্বাস রুদ্ধ করে দেয় এই স্থাপত্যের মহিমান্বিত উপস্থিতি৷ আর সে জন্যই তো এটি পৃথিবীর সাত আশ্চর্যের অন্যতম৷

পশ্চিমা ফটক

তাজমহল চত্বরে ঢোকার দু’টি দরজা, পুবে আর পশ্চিমে৷ এটি পশ্চিমের ফটক৷ ব্যাপক নিরাপত্তার বিধি-নিষেধ পেরিয়ে ঢুকলে প্রথমে তাজ নয়, চোখে পড়ে বেলেপাথরে তৈরি এই বিরাট ফটকটাই৷

সাতসকালে

তাজমহল দর্শনে বছরভর বহু পর্যটক আসেন৷ ভিড় শুরু হয়ে যায় একেবারে সূর্যোদয়ের মুহূর্ত থেকেই৷ আর আনাগোনা চলে সূর্যাস্ত পর্যন্ত৷

বিদেশি টান

যেসব বিদেশি পর্যটক ভারতে আসেন, তাঁরা প্রত্যেকেই একবার না একবার তাজমহল দেখতে যান৷ অনেকে অভিভূত হন, অনেকে হতাশ৷ কিন্তু তাজের আকর্ষণ কেউই এড়াতে পারেন না৷

যুগলবন্দী

আর সবথেকে বেশি হুড়োহুড়ি তাজের সামনে এই শ্বেতপাথরের বেঞ্চিতে বসে ছবি তোলার৷ প্রেমের সমাধিতীরে এই বেঞ্চের নাম যে ‘লাভ সিট’!

ছবির মতো

তাজমহলের ছবি সবাই তোলেন৷ এর মধ্যে ফোয়ারার জলে প্রতিবিম্বিত তাজের এই ছবিটি অবশ্যই নিয়ে যান সাথে করে৷

লালের ছোঁয়া

মূলত শ্বেতপাথরেরই প্রাধান্য৷ কিন্তু মূল গম্বুজ ঘিরে আছে বেলেপাথরের লালের ছোঁয়া৷ এই বৈপরিত্ব যেন তাজের শুভ্রতাকেই আরও বাড়িয়ে দেয়৷

নজরদারি

নাশকতার আশঙ্কা আছে, তাই তাজমহলের চত্বরে সর্বত্র মোতায়েন নিরাপত্তারক্ষী৷ তাঁরা সতর্ক নজর রাখেন ভিড়ের ওপর৷ থাকে আচমকা হামলা ঠেকানোর সব ব্যবস্থাও৷

ঈগল চোখে

তাজমহলের চার কোণে চার সুউচ্চ মিনার আর তার ভেতরে ঈগলপাখির বাসা৷ এরাও যেন সজাগ বাদশাহ শাহজাহানের সাধের স্থাপত্যের সুরক্ষায়৷

আম আদমির তাজ

বিত্তবান বিদেশি পর্যটক থেকে দেশের সাধারণ মানুষ – সবাই আসেন ঘুরে দেখতে৷ তাজমহল যে সবার জন্যে অবারিতদ্বার৷

‘কালের কপোলতলে এক বিন্দু নয়নের জল’ – তাজমহল সম্পর্কে লিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথ৷ বেগম মমতাজমহলের স্মৃতিরক্ষায় বাদশাহ শাহজাহানের এই কীর্তিটির মূল বিষাদসুরটি ধরা পড়ে এই একটি কথাতেই৷ এই স্মৃতিসৌধ আজ বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতীক৷