তুরস্কে পৌঁছনো বাংলাদেশিদের দেশে পাঠানো হবে

সোমবার গ্রিস থেকে প্রায় ২০২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে তুরস্কে পাঠানো হয়েছে৷ এর মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশিও রয়েছেন৷ ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় তাদের তুরস্কে পাঠানো হয়৷

গ্রিসের অভিবাসন বিষয়ক মুখপাত্র ইয়োর্গোস কিরিটসিস বাংলাদেশিদের থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

তুরস্কের ইইউ বিষয়ক মন্ত্রী ভলকান বোজকির একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, গ্রিস থেকে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে যারা সিরীয় নন, তাদের প্রথমে কিরক্লারেলি নামক এক স্থানে কিছু দিনের জন্য রাখা হবে৷ তারপর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে৷ সেক্ষেত্রে তারা যেসব দেশের নাগরিক তাদের সহায়তা চাওয়া হবে৷

বিতর্কিত ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় ২০ মার্চের পর যারা তুরস্ক থেকে গ্রিসে পৌঁছাবেন, তাদের আবার তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া হবে৷ তবে যারা গ্রিসে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করবেন তাদের আবেদন বিবেচনা করা পর্যন্ত গ্রিসেই থাকতে দেয়া হবে৷ এছাড়া তুরস্ক গ্রিস থেকে যতজন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে ফেরত নেবে ঠিক ততজন সিরীয়কে তুরস্ক থেকে ইউরোপে নিয়ে আসা হবে৷ তবে সর্বোচ্চ সংখ্যাটি হবে ৭২,০০০ জন৷

গ্রিস থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বুধবার তুরস্ক পাঠানো হবে৷

এদিকে, চুক্তির আওতায় ৪৩ জন সিরীয়কে সোমবার ইউরোপে নিয়ে আসা হয়েছে৷ এর মধ্যে ৩২ জন এসেছে জার্মানিতে৷ বাকি ১১ জনকে ফিনল্যান্ডে পাঠানো হয়েছে৷ মঙ্গলবার আরও কয়েকজন সিরীয় নেদারল্যান্ডসে পৌঁছবেন৷

সংখ্যা কমেছে?

ইইউ-তুরস্ক চুক্তির উদ্দেশ্য, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছানোর চেষ্টা থেকে বিরত থাকা৷ এই উদ্দেশ্যটা সফল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এফকান আলা৷ গত ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ জন করে মানুষ সাগর পাড়ি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷ সংখ্যাটি আগের চেয়ে অনেক কম বলে জানান তিনি৷

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

গ্রিসের অভিবাসন বিষয়ক মুখপাত্র ইয়োর্গোস কিরিটসিস বাংলাদেশিদের থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷

তুরস্কের ইইউ বিষয়ক মন্ত্রী ভলকান বোজকির একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, গ্রিস থেকে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে যারা সিরীয় নন, তাদের প্রথমে কিরক্লারেলি নামক এক স্থানে কিছু দিনের জন্য রাখা হবে৷ তারপর তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে৷ সেক্ষেত্রে তারা যেসব দেশের নাগরিক তাদের সহায়তা চাওয়া হবে৷

বিতর্কিত ইইউ-তুরস্ক চুক্তির আওতায় ২০ মার্চের পর যারা তুরস্ক থেকে গ্রিসে পৌঁছাবেন, তাদের আবার তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া হবে৷ তবে যারা গ্রিসে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করবেন তাদের আবেদন বিবেচনা করা পর্যন্ত গ্রিসেই থাকতে দেয়া হবে৷ এছাড়া তুরস্ক গ্রিস থেকে যতজন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে ফেরত নেবে ঠিক ততজন সিরীয়কে তুরস্ক থেকে ইউরোপে নিয়ে আসা হবে৷ তবে সর্বোচ্চ সংখ্যাটি হবে ৭২,০০০ জন৷

গ্রিস থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বুধবার তুরস্ক পাঠানো হবে৷

এদিকে, চুক্তির আওতায় ৪৩ জন সিরীয়কে সোমবার ইউরোপে নিয়ে আসা হয়েছে৷ এর মধ্যে ৩২ জন এসেছে জার্মানিতে৷ বাকি ১১ জনকে ফিনল্যান্ডে পাঠানো হয়েছে৷ মঙ্গলবার আরও কয়েকজন সিরীয় নেদারল্যান্ডসে পৌঁছবেন৷

সংখ্যা কমেছে?

ইইউ-তুরস্ক চুক্তির উদ্দেশ্য, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তুরস্ক থেকে সাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছানোর চেষ্টা থেকে বিরত থাকা৷ এই উদ্দেশ্যটা সফল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এফকান আলা৷ গত ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ জন করে মানুষ সাগর পাড়ি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷ সংখ্যাটি আগের চেয়ে অনেক কম বলে জানান তিনি৷

জেডএইচ/ডিজি (এএফপি, রয়টার্স)

বাংলাদেশি শরণার্থীদের এভাবে দেশে পাঠিয়ে দেয়া আপনি কি সমর্থন করেন? জানান মন্তব্যের ঘরে৷

সেকেন্ড ক্লাস রেফিউজি?

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

মূক প্রতিবাদ

এক উদ্বাস্তু ছুঁচসুতো দিয়ে নিজের ঠোঁট সেলাই করে রেখেছেন৷ এরা নাকি ইরান থেকে এসেছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া – বলকান অঞ্চলের এই চারটি দেশের জন্য ইরান থেকে আসা মানুষরা ‘অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু’৷ কাজেই তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না৷

আমলাদের খামখেয়াল

এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় হাজার খানেক মানুষ সীমান্তের গ্রিক তরফে অপেক্ষা করছেন৷ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে এক নজর দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে; শুধু মুখ দেখেই আন্দাজ করা হচ্ছে, উদ্বাস্তু কোন দেশ থেকে এসেছেন৷

‘হেল্প!’

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

অবরোধ

গ্রিক তরফে একাধিক মালগাড়ি গত কয়েকদিন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ শত শত উদ্বাস্তু থেসালোনিকি আর ম্যাসিডোনিয়ার মধ্যের রেললাইন অবরোধ করে রেখেছেন৷

ফেরার পথ নেই

‘আমাদের গুলি করে মারো, আমরা কখনো ফিরে যাব না৷’ বাংলাদেশি তরুণটি এই শীতেও জামা খুলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংস্থা ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছে৷ সব দেশের মানুষেরই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার আছে, বলেছে ইউএনএইচসিআর৷

আকুল প্রতিবাদ

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

শীত আসছে

শরীর গরম রাখার থার্মাল ব্ল্যাঙ্কেট জড়িয়ে শীত আটকানোর চেষ্টা করছেন কিছু মহিলা ও একটি শিশু৷ এখন মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি পড়ছে; রাত্রে তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি নেমে যায়৷

ত্রাণের আশা

‘জার্মানি আমাদের সাহায্য করো’ – লেখা রয়েছে পিচবোর্ডের টুকরোয়৷ সেপ্টেম্বরের গোড়ায় জার্মান সরকার হাঙ্গেরিতে যে সব উদ্বাস্তু আটকা পড়েছেন, তাদের নেবার সিদ্ধান্ত করেন৷ ‘নো-ম্যানস-বর্ডার’-এ আটক উদ্বাস্তুরাও ঠিক সেই আশা করছেন৷