1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

নজরদারিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করে অন্য দেশের সরকার!

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা গোপনে বিশ্বজুড়ে যে নজরদারি চালাতো তাতে অন্য দেশের সরকারও সহায়তা করেছে বলে নতুন এক বইয়ে দাবি করেছেন এডওয়ার্ড স্নোডেন৷

https://p.dw.com/p/3Pim6
Snowden Refugees | Anwalt Robert Tibbo und Edward Snowden
ছবি: Lindsay Mills

‘পার্মানেন্ট রেকর্ড‘ নামের বইটিতে স্নোডেন ‘অ্যামেরিকার প্রিমিয়ার সিগন্যাল এজেন্সিতে‘ কাজ করাকে ‘স্বপ্নের কাজ' হিসাবে বর্ণনা করেছেন৷ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন নজরদারী কর্মসূচি নিয়ে বইটিতে বিস্তারিত তথ্যও দিয়েছেন তিনি৷

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর গোপন নজরদারি কর্মসূচির বিস্তারিত ফাঁস করে দেওয়ার পর ২০১৩ সাল থেকে রাশিয়ায় বাস করছেন স্নোডেন৷ ফ্রান্স তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেবে বলে সম্প্রতি আশা প্রকাশ করছেন তিনি৷

বিশ্বের বহু মানবাধিকার কর্মী স্নোডেনকে ‘বীর' হিসেবে বিবেচনা করলেও তাঁর নিজের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাকে বিচারের মুখোমুখি করতে চায়৷

বিখ্যাত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মেট্রোপলিটন বুকস স্নোডেনের নতুন বইটি প্রকাশ করেছে৷ ২০০৯ সালে মার্কিন জাতীয় সুরক্ষা সংস্থায় চুক্তিতে যোগ দিয়েছিলেন এই কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ৷

নতুন বইয়ে স্নোডেন আরো গভীরতর গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন৷ তিনি বলেছেন, পিআরআইএসএম প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এনএসএ বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের জন্য নজরদারি করতো৷ ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পরে এই প্রোগ্রামটি চালু করা হয়েছিল৷

স্নোডেন দাবি করেছেন, তিনি শেষ পর্যন্ত অনুভব করেছিলেন যে, তাঁর প্রজন্ম যদি হস্তক্ষেপ না করে তবে পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে৷ তাই তিনি এসব ফাঁস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং সাংবাদিকদের সাথে এনএসএ কী করছে তা-ও সবাইকে জানাতে চেয়েছিলেন৷

২০১৩ সালে স্নোডেনের তথ্যগুলো যখন বিশ্বব্যাপী আলোচিত হয়েছিল, তখন তিনি চিহ্নিত করেন, যেসব দেশের নাগরিকরা অ্যামেরিকার গণ-নজরদারির সবথেকে বিরোধী ছিল সেসব দেশের সরকারই তাদের এই কাজে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছিল৷

স্নোডেনের তথ্য ফাঁসের পর জার্মানরা তাদের দেশে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে আবিষ্কার করে৷ দেশটিতে এনএসএ-র নজরদারিকে সমর্থন করেছিল বিএনডি৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সেল ফোন ট্যাপ করা হয়েছিল৷ ২০১৩ সালে ম্যার্কেল বলেছিলেন, বন্ধুদের মধ্যে গুপ্তচরবৃত্তি, এটি সহজভাবে করা হয়নি৷ স্নোডেনের তথ্য ফাঁসের পর ২০১৪ সালে জার্মানিতে একটি সংসদীয় তদন্তও করা হয়েছিল৷

মেট্রোপলিটন বুকস-এর মুখপাত্র প্যাট ইসিম্যান আগেই জানিয়েছেন, আত্মজীবনী লিখছেন এডওয়ার্ড স্নোডেন। তাঁর লেখা ‘পারমানেন্ট রেকর্ড' বইটি ২০টি দেশে একযোগে প্রকাশ করা হবে৷

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থায় যোগদানের পর স্নোডেন সেখানে যে বিবেকের সংকট দেখেছিলেন, সেসব নিয়েই বইটি লেখা হয়েছে বলে জানায় প্রকাশনা সংস্থাটি৷

ফাবিয়ান ফন ডা মার্ক/এসআই

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য