1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

মোক্ষম চাল দিলেন ম্যার্কেল

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

নামটা একটু খটোমটো বটে, তবে সবার কাছে তিনি বেশ গ্রহণযোগ্য৷ আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার সিডিইউ দলে ইতিবাচক সাড়া ফেলছেন৷

https://p.dw.com/p/2sxyb
আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার
ছবি: picture-alliance/dpa/M. Gambarini

সোমবার জার্মানির সিডিইউ দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ারকে মনোনীত করেছেন সিডিইউ নেত্রী আঙ্গেলা ম্যার্কেল৷ ৫৫ বছর বয়স্ক এই নেত্রী এতকাল সারলান্ড রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন৷ তাঁর নাম ঘোষণা করে দলের মধ্যে কিছুটা কোণঠাসা ম্যার্কেল আপাতত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারেন৷ কারণ, ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার দলকে আবার চাঙ্গা করতে পারবেন বলে অনেকের মনে আস্থা রয়েছে৷ এমনকি দলের মধ্যে ম্যার্কেলের সমালোচকরাও ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার সম্পর্কে উচ্চ ধারণা পোষণ করেন৷ দলের যুব শাখাও তাঁর মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছে৷ ম্যার্কেলের প্রার্থী হলেও ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারেন, এমনকি প্রয়োজনে তাঁর বিরোধিতাও করতে পারেন বলে অনেকে মনে করেন৷

ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার নিজে বলেন, জনসাধারণের মধ্যে মধ্যপন্থি ভাবধারার বিস্তীর্ণ অংশের কাছে আবার নিজের সিডিইউ দলকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে চান তিনি৷ তাঁর মতে, বর্তমানে জার্মানির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে৷ কিন্তু গণতন্ত্রে স্থিতিশীলতার স্বার্থে তাদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে৷ গণতন্ত্রের সার্বিক কল্যাণের পাশাপাশি তিনি নিজের দলের স্বার্থে এসপিডিসহ অন্যান্য দলের বিরোধিতা করতে প্রস্তুত৷

আগামী সোমবার দলীয় সম্মেলনে এক ঢিলে দুই পাখি মারতে চান ম্যার্কেল৷ কোয়ালিশন চুক্তি অনুমোদনের পাশাপাশি আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচনের প্রক্রিয়াও সেরে ফেলতে চান তিনি৷

সিডিইউ দলে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত এসপিডি দলের সদস্যদের সিদ্ধান্তের উপর কতটা প্রভাব ফেলবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়৷ তাঁরা মঙ্গলবার থেকে প্রস্তাবিত কোয়ালিশন চুক্তির পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিচ্ছেন৷

রেকর্ড মাত্রায় জনসমর্থন হারিয়ে কোণঠাসা এই দল আমূল সংস্কারের পথে এগোতে চায়৷ আঙ্গেলা ম্যার্কেলের ছত্রছায়ায় মহাজোট সরকারের মধ্যে থেকে সেটা সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে৷ অন্যদিকে নতুন নির্বাচন হলে রাজনৈতিক মানচিত্র থেকে আপাতত প্রায় মুছে যেতে পারে এসপিডি – এমন আশঙ্কাও অমূলক নয়৷ উল্লেখ্য, সর্বশেষ জনমত সমীক্ষায় পপুলিস্ট এএফডি দল এই প্রথম এসপিডিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে৷ আনেগ্রেট ক্রাম্প-কারেনবাউয়ার সিডিইউ দলকে দ্রুত চাঙ্গা করতে পারলে সেই পরিস্থিতি এসপিডি দলের জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে৷ এসপিডি দলের মনোনীত নেত্রী আন্দ্রেয়া নালেস তাঁর মতো এমন ব্যাপক সমর্থন আশা করতে পারেন না৷