নীতি নির্ধারণে কতটা অংশ নিচ্ছে নারী?

বাংলাদেশে সর্বস্তরের নারীই ধীরে ধীরে উঠে আসছে৷ তারপরও প্রশ্ন উঠছে, প্রকৃত অর্থে নারীর ক্ষমতায়ন কতটুকু হচ্ছে? নীতি নির্ধারণে নারীর অংশগ্রহণ কতটুকু? নারী কি আদৌ প্রভাব বিস্তার করতে পারছে?

বাংলাদেশের একটি পাঠকপ্রিয় দৈনিক ব্যাতিক্রমী কাজে সফল নারীদের সংবর্ধনা দিয়েছে৷ তাদের ছবি খবরের প্রধান ‘আইটেম’ হিসেবে প্রকাশ করেছে বিশ্ব নারী দিবসে৷ তার মধ্যে ঘোরসওয়ার, তীরন্দাজ, লাঠিয়ালও রয়েছেন৷ আর বিমান চালনা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের নারীরা রেলগাড়িও চালায়৷ চালায় সমুদ্রগামী জাহাজ৷ দেশের শীর্ষ পদে নারী৷ উদ্যোক্তা হিসেবেও নারীর অবস্থান সংহত হচ্ছে ক্রমশই৷ কিন্তু এতকিছুর পরও নারীর ক্ষমতায়ন কতটুকু হচ্ছে?

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

বাংলাদেশে ১৯৮৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে সরাসরি ভোটে মাত্র পাঁচজন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন৷ বর্তমানে সংসদে ৬৯ জন নারী সদস্য রয়েছেন৷ এছাড়া মন্ত্রিসভায় নারী আছেন, প্রধানমন্ত্রী নারী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধী দলীয় নেতা নারী, এমনকি জাতীয় সংসদের স্পিকারও নারী৷

বাংলাদেশে সরকারের নীতি নির্ধারণে মন্ত্রীদের পরই যাদের ভূমিকা, তারা হলেন সচিব৷ এই সচিব বা আমলারাই নীতি নির্ধারণ এবং নীতি বাস্তবায়নে মূল ভূমিকা পালন করেন৷ আর সেখানে নারীদের অবস্থান দেখলে সহজেই বোঝা যাবে নীতি নির্ধারণ এবং নীতি বাস্তবায়নে নারীর অবস্থান৷

বর্তমান সরকারের প্রশাসনে সচিব পদমর্যাদায় কাজ করছেন মোট ৭৮ জন কর্মকর্তা৷ তাদের মধ্যে মাত্র সাত জন নারী সচিব৷ দুই জন ভারপ্রাপ্ত সচিব৷ সব মিলিয়ে বলা যায়, নারী সচিব রয়েছেন মাত্র নয় জন৷ শতকরা হিসেবে মাত্র ১১ ভাগ৷

নারী নেত্রী অ্যাডভোকেট এলিনা খান বলেন, ‘‘ঘোরসওয়ার, তীরন্দাজ নারী আমাদের উৎসাহ দেয়৷ তারা অনেক কষ্ট করে উঠে এসেছেন৷ নারীরা এখন পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ-বাহিনী এবং বিমান বাহিনীতেও ভালো করছেন৷ কিন্তু নারী শিক্ষার হার যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে নীতি নির্ধারণ ও নীতির বাস্তবায়নে তাদের অংশগ্রহণ নেই৷ আর নারী যদি নীতি নির্ধারণে তার অবস্থান সংহত করতে না পারে, তাহলে নারীর ক্ষমতায়ন আশা করা যায় না৷''

এবার কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে নারী কর্মকর্তাদের হিসাব দিলে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হয়ে যাবে৷ নারী দিবসে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে মোট ১৩৪ জন কর্মকর্তার মধ্যে নারী ৩৫ জন৷ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৬৭ জনের মধ্যে নারী কর্মকর্তা ১২ জন৷ 

সমাজ

যে নারী গন্ধ চেনে

নারীর নাক পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল৷ তাই যে কোনো সুগন্ধ বা গন্ধ নারীর নাকে আগে এসে পৌঁছায়৷ কারণ নারীদের মস্তিষ্কের গন্ধকেন্দ্রের নার্ভে ক্রসসংযোগ থাকে পুরুষেদের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বেশি৷

সমাজ

নারীর অনুভূতি

অনুভূতির ক্ষেত্রে যে নারী এগিয়ে সেকথা বহুল উচ্চারিত৷ নারীর নরম হাতের প্রতিটি নার্ভসেলের স্কয়ার সেন্টিমিটার নাকি পুরুষের শক্ত হাতের নার্ভসেলের চেয়ে বড়৷

সমাজ

নারীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি

যে কোনো অসুখের বিরুদ্ধে নারীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরুষের তুলনায় বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে৷ তবে তা নারীর সেক্স হরমোন ‘ইস্ট্রোজেন’-এর কারণে৷ তাছাড়াও ‘ইস্ট্রোজেন’ নারীর রক্তনালীকে সুরক্ষা করে এবং নারীর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করে থাকে৷

সমাজ

নারীর ‘কুলনেস’

‘ইস্ট্রোজেন’ নারীর স্ট্রেস হরমোনকে একদিকে যেমন দমন করে, তেমনি অন্যদিকে বড় ধরনের কোনো স্ট্রেসের সময়ও নারীকে শান্ত রাখতে বিশেষভাবে সহায়তা করে এই হরমোন৷

সমাজ

চিন্তা ও ভাষায় ভিন্নতা ()

মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অবস্থায়ই শিশু মস্তিষ্কে পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরন এবং নারী হরমোন ইস্ট্রোজেন আলাদাভাবে বিকাশ ঘটে৷ বহু সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে, নারীদের চিন্তা-ভাবনা, বোঝার ক্ষমতা বা অনুভূতি অনেক গভীর হয়৷ তাছাড়া মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় অনেক সহজ ভাষায় তাদের মনের ভাব বা কোনো কঠিন কথাও সহজে বলে ফেলতে পারে৷

সমাজ

অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সচেতন

গবেষণায় জানা গেছে, পুঁজি বা শেয়ার বাজারের ক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের লাভ হয় শতকরা দুই ভাগ বেশি৷ কারণ অর্থ বিনিয়োগের ব্যাপারে মেয়েরা বেশি সচেতনতার পরিচয় দিয়ে থাকে৷

সমাজ

মেয়েরা সতর্ক ড্রাইভার

জার্মানির ট্র্যাফিক আইন অমান্য বা জোড়ে গাড়ি চালানো অপরাধীদের মধ্যে মাত্র ২১ শতাংশ নারী৷ আর শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে তিন ভাগের দুইভাগই ঘটে থাকে পুরুষদের কারণে৷ এই পরিসংখ্যান জানা গেছে জার্মানির ফ্লেন্সবুর্গ-এ ট্র্যাফিক অপরাধমূলক সংস্থা থেকে৷

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ৫৭ জন কর্মকর্তার মধ্যে নারী ৯ জন৷ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ১১৬ কর্মকর্তার মধ্যে নারী ২৮ জন৷ ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ২২ জনের মধ্যে নারী কর্মকর্তা তিনজন৷

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ২৬ জনের মধ্যে চার জন নারী কর্মকর্তা৷ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ৬৫ কর্মকর্তার মধ্যে নারী ১৫ জন৷ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৮ জনের মধ্যে নারী কর্মকর্তা ছয় জন৷ খাদ্য  মন্ত্রণালয়ে ৪৬ জন কর্মকর্তার মধ্যে ১১ জন নারী৷ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের অবস্থা এরচেয়ে ভালো না৷ কোনো মন্ত্রণালয়েই নারীদের অবস্থান শতকরা ২০ ভাগের বেশি নয়৷

সরকারি এবং আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৪টি৷ এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৩, অর্থাৎ শতকরা ৭ দশমিক ৬ ভাগ৷ উপসচিব থেকে সচিব পদ পর্যন্ত নারীদের সংখ্যা গড়ে মাত্র ২ শতাংশ বা তারও কম৷ বিচার বিভাগে বিচারক পদের ১০ শতাংশ নারী হলেও হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি পদে এখনো নারীকে দেখা যায়নি৷

এলিনা খানের মতে, ‘‘বাংলাদেশের শীর্ষ পদে এখন নারী৷ প্রধানমন্ত্রী নারী৷ রাজনীতিতেও নারীর উপস্থিতি লক্ষ্য করার মতো৷ কিন্তু এখানে একটি বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে আর তা হলো, পদে নারী থাকলেই হবে না৷ দেখতে হবে, তিনি প্রকৃত অর্থেই নারীর প্রতিনিধিত্ব করেন কিনা৷নারী যদি হয় পুরুষন্ত্রের প্রতিনিধি, তাহলে সেটা তো আর নারীর ক্ষমতায়ন নয়৷''

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, দেশের ৫ কোটি ৪১ লাখ কর্মজীবীর মধ্যে ১ কোটি ৬২ লাখ নারী৷ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে নারীর সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৯৭ জন৷ বিদেশে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ৭৬ লাখ প্রবাসীর মধ্যে ৮২ হাজার ৫৫৮ জন নারী৷ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পের ৮০ ভাগ কর্মীই নারী৷ আর দেশের ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্রঋণ ব্যবহারকারীও নারী৷

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাবেক সচিব আলী ইমাম মজুমদার ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘নারী এগিয়েছে৷ কর্মজীবী নারী বাড়ছে৷ তবে সার্বিক বিচেনায় নীতি নির্ধারণে বা প্রশাসনে নারীর অংশগ্রহণ কম৷ কিন্তু তাদের অংশগ্রহণ বাড়ছে৷ অতীতে নারীকে নিরুৎসাহিত করা হতো, এখন উৎসাহিত করা হয়৷ পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে৷''

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘নীতি নির্ধারণ এবং নীতি বাস্তবায়নে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে হবে এবং তা বাড়ছে৷''

বন্ধু, আপনার কী মনে হয়? বাংলাদেশে নীতি নির্ধারণে কতটা অংশ নিচ্ছে নারী? লিখুন নীচের ঘরে৷

বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট, প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট আর্জেন্টিনার ইসাবেল পেরন৷ সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান পেরনের তৃতীয় স্ত্রী ইসাবেল প্রথমে ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পান৷ পরে ১৯৭৪ সালের ১লা জুলাই থেকে ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টও ছিলেন৷ বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে৷ তিন দফা (১৯৬০-৬৫, ১৯৭০-৭৭, ১৯৯৪-২০০০) দায়িত্বে ছিলেন তিনি৷ ওপরে তাঁরই ছবি৷

হিমালয় কন্যা বিদ্যা ভান্ডারি

অবশেষে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পেলো নেপাল৷ সাংসদ এবং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (সিপিএন-ইউএমএল) -এর ভাইস চেয়ারপারসন বিদ্যা ভাণ্ডারিকে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত করেছে সে দেশের সংসদ৷ নেপালের রাষ্ট্রপতি এখন রাম বরণ যাদব৷ ২৪০ বছর রাজতন্ত্রের অধীনে থাকা দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি তিনি৷ তাঁর কাছ থেকেই দেশের প্রথম নারী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন ৫৪ বছর বয়সি বিদ্যা ভান্ডারি৷

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে নারীকে প্রেসিডেন্ট করেছে ভারত৷ ২০০৭ সালে সে দেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হন প্রতিভা পাতিল৷ ভারতের দ্বাদশ প্রেসিডেন্ট প্রতিভা ২০১২ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন৷ তাঁর কাছ থেকেই দায়িত্ব নিয়েছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট প্রণব মুখার্জি৷ ছবিতে প্রতিভা পাতিলের কাছ থেকে প্রণব মুখার্জির দায়িত্ব নেয়ার মুহূর্ত৷

১৪টি দেশে নারী প্রেসিডেন্ট

এ মুহূর্তে ১৪ দেশের প্রেসিডেন্ট নারী৷ আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, চিলি, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, লাইবেরিয়া, লিথুয়ানিয়া, মাল্টা, মরিশাস, স্যান মারিনো, দক্ষিণ কোরিয়া এবং সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে বুধবার যোগ হলো নেপাল৷ ওপরের ছবিতে মরিশাসের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আমিনা ফিরদাউস গারিব ফাকিম৷

বাংলাদেশ এখনো অপেক্ষায়

প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিচারপতিসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ পদেই নারী পেয়েছে বাংলাদেশ৷ তবে এ পর্যন্ত ২০ জন রাষ্ট্রপতি পেলেও এ দায়িত্বে এখনো কোনো নারীকে দেখা যায়নি৷

অনন্য সুইডেন ও ফিনল্যান্ড

নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য এক নজির রেখেছে সুইডেন৷ ১৯৯৯ সালে সে দেশের মন্ত্রীপরিষদে পুরুষের চেয়ে নারী সদস্যই ছিল বেশি৷ ১১ জন নারীর বিপরীতে পুরুষ ছিলেন ৯ জন৷ এমনটি আগে কোনো দেশেই দেখা যায়নি৷ পরে ফিনল্যান্ডের মন্ত্রীপরিষদেও নারীর আধিক্য দেখা গেছে৷ ২০০৭ সালে ফিনল্যান্ডের মন্ত্রীপরষদের শতকরা ৬০ ভাগ সদস্যই ছিলেন নারী৷ ছবিতে সুইডেন ও ডেনমার্কের দুই নারী নেত্রী৷

যারা অনেক পিছিয়ে

বিশ্বের সব দেশ নারীর ক্ষমতায়নে কম-বেশি উদ্যোগী হলেও ব্রুনাই এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি পিছিয়ে৷ মুসলিমপ্রধান দেশটিতে নারীকে এখনো উপমন্ত্রীর চেয়ে বড় দায়িত্ব দেয়া হয়নি৷ তবে এ মুহূর্তে অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কোমোরো আইল্যান্ড, কুক আইল্যান্ড, লেবানন, মঁসেরাত এবং সলোমন আইল্যান্ডই সবচেয়ে বেশি নারীবিমুখ৷ এই দেশগুলোর মন্ত্রীপরিষদ, এমনকি সংসদেও এই মুহূর্তে কোনো নারী নেই৷ছবিতে ব্রুনাইয়ের কয়েকজন নারী৷

মালালা ও তাঁর প্রজন্ম

সাম্প্রতিক সময়ে মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ অনেক দেশেই মাথা চাড়া দিয়েছে৷ তবে শান্তির পথে, মানবতার পথে অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে নারীর দৃপ্ত পদচারণাও দেখা যাচ্ছে৷ গত বছর (২০১৪) সবচেয়ে কম বয়সে নোবেল জয় করেছেন মালালা ইউসুফজাই৷ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুন রাজ্য তাঁর জন্মস্থান৷ সেখানে হত্যার উদ্দেশ্যে তালেবান তাঁর ওপর হামলাও চালিয়েছিল৷ মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসে মালালা এখন প্রজন্মের মুক্তচিন্তার মুক্তির প্রতীক৷