নোবেল জয়ী বব ডিলানের জনপ্রিয় গান

হাতে গিটার আর গলায় ঝোলানো হারমোনিকা তাঁর ট্রেডমার্ক৷ যার গান এখনো মানুষের মুখে মুখে, তিনি বব ডিলান৷ ১৯৭১ সালে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশে' জর্জ হ্যারিসন, রবিশঙ্করের সঙ্গে ডিলানও ছিলেন৷

সাহিত্যে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মার্কিন গায়ক ও গীতিকার রবার্ট অ্যালেন জিমারম্যান, সংগীত বিশ্ব যাকে চেনে বব ডিলান নামে৷ তার গান কেবল ৭০ বা ৮০'র দশকে নয়, বর্তমান প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয়৷

কবীর সুমনের কণ্ঠে ‘কতটা পথ পেরোলে তবে পথিক বলা যায়' শোনার পর জেনেছিলাম মূল গানটি বব ডিলানের- ‘‘হাউ মেনি রোডস মাস্ট আ ম্যান ওয়াক ডাউন'' থেকে নেয়া৷ তখন থেকে এই শিল্পীর গানের সঙ্গে সখ্যতা৷ কেবল সুমন নন, অঞ্জন দত্তের গানেও উঠে এসেছে তাঁর কথা৷ অঞ্জনের জনপ্রিয় গান পুরোনো গিটারের সেই লাইনটির কথা মনে পড়ে? ‘‘জন লেননের সোচ্চার ভালোবাসা, বব ডিলানের অভিমান!''

অঞ্জন-সুমনের গানের মধ্য দিয়ে বব ডিলান আমাদের প্রজন্মের কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন৷ সেই ভালোলাগা আজও ফুরোয়নি৷ ডিলানের বয়স এখন  ৭৫৷ কিন্তু এখনো লিখে চলেছেন গান, সেই সাথে গাইছেনও৷

সংগীত শিল্পী হিসেবে আবির্ভাব ঘটে সেই ১৯৫৯ সালে৷ মিনেসোটার বিভিন্ন কফি হাউজে গান গাইতেন৷ সত্তরের দশকে তার লেখা ও গাওয়া গান জনপ্রিয় হয়ে ওঠে৷ সংগীত জগতে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি৷  তাঁর ‘ব্লোইন ইন দ্য উয়িন্ড', ‘মাস্টার্স অব ওয়ার', ‘এ হার্ট রেইন'স এ-গনা ফল', ‘লাইক এ রোলিং স্টোন' গানগুলো দ্রোহ ও স্বাধীনতার ভাব বহন করে৷ এই গানগুলো যুদ্ধবিরোধী ও নাগরিক আন্দোলনের অনেক সংগঠন মর্ম সংগীত হিসেবে ব্যবহার করে৷

সমাজ সংস্কৃতি | 11.12.2008

বৃহস্পতিবার সাহিত্যে নোবেলজয়ী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়৷ যুক্তরাষ্ট্রের সংগীত ঐতিহ্যে নতুন কাব্যিক ধারা সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে ডিলানকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয় বলে জানিয়েছে রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস৷ সুইডিশ অ্যাকাডেমি বলছে, ‘অ্যামেরিকার সংগীত ধারায় নতুন কাব‌্যিক দ‌্যোতনা সৃষ্টির' জন‌্য রক, ফোক, কান্ট্রি মিউজিকের এই কিংবদন্তিকে নোবেল পুরস্কারের জন‌্য বেছে নেয়া হয়েছে৷

ডিলান প্রায় ৫০ বছর ধরে সংগীত জগতে সক্রিয়৷  তাঁর প্রায় সব গানই ইউটিউবে দেখা হয়েছে কয়েক লক্ষ বার৷  আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে ডিলানের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে৷ পুরস্কার হিসেবে ৮০ লাখ ক্রোনার পাবেন তিনি৷

বিজ্ঞান

আলফ্রেড নোবেলের স্বপ্ন পূরণ

ভালো কাজের জন্য বৈশ্বিক এক পুরস্কারের স্বপ্ন দেখেছিলেন সুইডেনের রসায়নবিদ ও শিল্পপতি আলফ্রেড নোবেল৷ স্বপ্ন পূরণের জন্য নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি উইল করে রেখে যান তিনি৷ তাই ১৯০১ সাল থেকে দেয়া হচ্ছে ‘নোবেল’৷ পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা শাস্ত্র, অর্থনীতি, সাহিত্য এবং শান্তি- এই ছয়টি বিষয়ে দেয়া হয় এই পুরস্কার৷

বিজ্ঞান

পদার্থ বিদ্যায় নোবেল পেলেন তিন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী

তত্ত্বের মাধ্যমে পদার্থের টপোলজিক্যাল দশার দিশা দেখিয়ে পদার্থে বিজ্ঞানের নোবেল পেয়েছেন ডেভিড জে ফাউলেস, এফ ডানকেন হোলডেইন ও জে মাইকেল হসট্রলিজ৷ পুরস্কার জয়ী এই তিনজনই ব্রিটেনের নাগরিক৷

বিজ্ঞান

রসায়নে তিন দেশের তিনজন

রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস এবার রসায়ন শাস্ত্রের নোবেল বিজয়ী হিসেবে এবার তিন দেশের তিন বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করেছে৷ তাঁরা হলেন ফ্রান্সের জ‌্যঁ পিয়েরে সভেজ, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রেজার স্টডার্ট এবং নেদারল‌্যান্ডসের বার্নার্ড এল. ফেরিঙ্গা৷ মলিকিউলার মেশিন বা ন‌্যানোমেশিন উদ্ভাবনের গবেষণার জন্য পুরস্কৃত করা হয় তাঁদের৷

বিজ্ঞান

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক জাপানি

চিকিৎসা বিজ্ঞানের নোবেল জিতেছেন জাপানের ইয়োশিনোরি ওশুমি৷ জীবদেহের কোষ এবং কোষের বিকার নিয়ে গবেষণার জন্য এই পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি৷

বিজ্ঞান

শান্তি পুরস্কার পেলেন হুয়ান মানুয়েল সান্তোস

এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান মানুয়েল সান্তোস৷ পাঁচ দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটাতে তাঁর সরকার ফার্ক গেরিলাদের সঙ্গে যে শান্তিচুক্তি করেছিল তার জন্যই তাঁকে এ পুরস্কার দেয়া হলো৷ চুক্তিটি অবশ্য গণভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে৷ তবে নোবেল শান্তি কমিটি মনে করে, শান্তি স্থাপনের জন্য ঐতিহাসিক এই উদ্যোগই বিশেষ স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত৷

বিজ্ঞান

অর্থনীতির নোবেল জিতলেন...

অর্থনীতির নোবেল জিতলেন ব্রিটেনের নাগরিক অলিভার হার্ট ও ফিনল‌্যান্ডের বেঙ্কট হলস্ট্রম৷ অর্থশাস্ত্রের চুক্তি তত্ত্বে খুব গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সোমবার রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস বিজয়ী হিসেবে তাঁদের নাম ঘোষণা করে৷ আগামী ১০ ডিসেম্বর তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে৷

বিজ্ঞান

সাহিত্যে নোবেল পেলেন বব ডিলান

বড় চমক দিয়ে শেষ হলো ২০১৬-র নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা৷ এবার সাহিত্যে নোবেল পাচ্ছেন লোকসংগীতে যুক্তরাষ্ট্রের জীবন্ত কিংবদন্তি বব ডিলান৷ বৃহস্পতিবার তাঁর নাম ঘোষণা করে সুইডিশ অ্যাকাডেমি৷ ডিলানকে সাহিত্যে নোবেল দেয়ার কারণ জানাতে গিয়ে সুইডিশ অ্যাকাডেমির পারমানেন্ট সেক্রেটারি সারা দানিউস বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্টের সংগীত ঐতিহ্যে নতুন ধরণের কাব্যিক অভিব্যক্তির সংযোজন ঘটিয়েছেন তিনি৷’’

এপিবি/এসিবি