পল্লির নারীরা যেভাবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করছেন

বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন অনেকে৷ বিশেষ করে নারীরা বের করেছেন বিকল্প পন্থা, যাতে তাদের পরিবারের উপর জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল আঘাত হানতে না পারে৷

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে লবণাক্ত পানি ক্রমশ বাংলাদেশের ভেতরের দিকে ঢুকে পড়ছে৷ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অনেক ফসলি জমিতে তাই লবণের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে৷ ফলে আগে যেসব ধান, শাকসবজি ফলানো যেত তা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

তাই বলে সেসব অঞ্চলের নারীরা হাল ছাড়তে রাজি নন৷ তাঁরা বেছে নিচ্ছেন বিকল্প পথ, এমন সব শাকসবজি তারা ফলাতে চাচ্ছেন, যা লবণাক্ততার শিকার জমিতেও ফলানো সম্ভব৷ জমিতে এমন ধান চাষের চেষ্টা হচ্ছে, যা লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে৷

ডয়চে ভেলের ভিডিওতে সেরকম কয়েক নারীর জীবনসংগ্রাম দেখানো হয়েছে৷ এদের একজন সুচিত্রা মিস্ত্রি৷ তিনি কাঁকড়া চাষ করে তার পরিবারের উপার্জনে সহায়তা করছেন৷ এখানে বলা প্রয়োজন, বাংলাদেশের পল্লী অঞ্চলে সচরাচর নারীদের পরিবারের হাল ধরতে দেখা যায় না৷ তবে এখন পরিস্থিতি ক্রমশ বদলে যাচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে৷

নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছে উন্নয়নসংস্থা ‘সেন্টার ফর গ্লোবাল চেঞ্জ৷' তারা বিভিন্ন শস্য সম্পর্কে নারীদের ধারণা দিচ্ছে, যা বিরূপ পরিবেশে টিকে থাকতে পারে৷ পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ৷ আর একজন নারী নতুন কিছু শিখলে সেটা তিনি অন্যদের জানাচ্ছেন৷ এভাবে তৈরি হচ্ছে একটি দল যারা জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি থেকে তাদের পরিবার রক্ষায় বদ্ধ পরিকর৷

উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অন্যতম ক্ষতির শিকার একটি দেশ বাংলাদেশ৷ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দেশটির উপকূলবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে৷

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় কী? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷