প্রবাদপ্রতিম শম্ভু মিত্রের জন্মশতবর্ষ

বাংলা থিয়েটারের অন্যতম পুরোধা পুরুষ তিনি৷ এই বছর তাঁর জন্মশতবর্ষ৷ যদিও সে অর্থে এই জন্মদিন নিয়ে কোনো উদযাপনের আয়োজন হচ্ছে না, কারণ তিনি নিজেই সেই ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিকতার পক্ষপাতী ছিলেন না৷

১৯৯৭ সালের ১৯শে মে শম্ভু মিত্রের মারা যাওয়ার খবর তাঁর শহর পেয়েছিল পরের দিন সকালে, মরদেহ সৎকার হয়ে যাওয়ার পর৷ কারণ তিনি ঠিক সেরকমটাই চেয়েছিলেন৷ নিজের শেষ ইচ্ছাপত্রে ঘনিষ্ঠজনেদের প্রতি স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, অত্যন্ত সাধারণভাবে এবং অবশ্যই লোকচক্ষুর আড়ালে যেন তাঁর অন্ত্যেষ্টি হয়৷ বাঙালিদের মধ্যে মৃত্যু নিয়ে যে মাত্রাতিরিক্ত আবেগ কাজ করে, বিখ্যাত মানুষরা মারা যাওয়ার পর তাঁদের দেহ সর্বজনের শ্রদ্ধা পাওয়ার জন্য যেমন প্রকাশ্যে প্রদর্শিত হয়, তেমন কিছু হোক শম্ভু মিত্র চাননি৷ যার দরুণ শোককে একান্তই ব্যক্তিগত পরিসরে সীমাবদ্ধ রেখে নীরবে, নিভৃতে শেষকৃত্য করা হয়েছিল বাংলা থিয়েটারের সম্ভবত বিখ্যাততম, প্রবাদপ্রতিম মানুষটির

ক্যামেরার চোখে ইরান

কলকাতায় ১৪ জন ইরানি

কলকাতার গ্যোয়েটে ইনস্টিটিউট বা মাক্সম্যুলার ভবনের উদ্যোগে শহরের গ্যালারি টোয়েন্টিওয়ানে শুরু হয়েছে তিন সপ্তাহের এক আলোকচিত্র প্রদর্শনী৷ ‘দ্য ইরান ইস্যু’ শীর্ষক এই প্রদর্শনীতে আছে ১৪ জন প্রতিষ্ঠিত ও প্রতিশ্রুতিবান ইরানি আলোকচিত্রীর স্বদেশে এবং দেশের বাইরে তোলা ছবি৷

ক্যামেরার চোখে ইরান

থ্যের পুনর্নির্মাণ

ইরানের আলোকচিত্রে একটা বহু পুরনো প্রবণতা তার তথ্যচিত্রধর্মিতা৷ সেই ধারাকেই উপজীব্য করে আজাদে আখলাগি এবং মেহেদি বাকেরি নামে দুই ইরানি আলোকচিত্রী এক অভিনব ধারার জন্ম দিয়েছেন, যেখানে কোনো একটা উত্তেজক দৃশ্যের পুনর্নির্মাণ করে তার ছবি নেওয়া হয়৷ ওঁদের এই নাটকীয় সিরিজের নাম, বাংলায় বললে, প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী৷

ক্যামেরার চোখে ইরান

চানঘরের ছবি

আরেকটি অভিনব এবং চমকপ্রদ শৈলী আরাশ ফেশারাকির৷ তাঁর তোলা অন্দরমহলের স্মৃতি শীর্ষক সিরিজে ডিজিটাল ফটোগ্রাফির সঙ্গে সুন্দর মিশেল হয়েছে হাতে আঁকা স্কেচের৷ সঙ্গের ছবিটির শিরোনাম – ‘চানের ঘর’৷

ক্যামেরার চোখে ইরান

বৈপরিত্যের তেহরান

আজকের তেহরান শহরের যে দৃশ্যগত পরস্পরবিরোধিতা, সেটাকেই ধরতে চেয়েছেন রেজা নাজি৷ তাঁর ভাষ্যে, দৃশ্যগুলো এক ধরনের অসঙ্গতি তৈরি করে যা অস্বস্তিকর৷

ক্যামেরার চোখে ইরান

যুদ্ধের পর

ইরানি আলোকচিত্রী মজিদ সঈদি ২০০১ সালে যান আফগানিস্তানে৷ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে যে জীবন তাঁর ক্যামেরাবন্দি হয়েছে, তা যন্ত্রণা দেয়৷ এক কিশোর পরিবারের বাকিদের সঙ্গে আফিমের নেশায় বুঁদ, দুই কিশোরী একটি কৃত্রিম হাত নিয়ে খেলছে – যার মধ্যে আর যাই হোক কোনও শৈল্পিক সুষমা নেই!

শম্ভু মিত্রের জন্মশতবর্ষে এই ঘটনার উল্লেখ এই কারণেই জরুরি যে, এর থেকে মানুষটি সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়৷ মাত্র দু-দশকের নাট্য-জীবন অসময়েই শেষ করে কেন তিনি অন্তরালে চলে গিয়েছিলেন, সেটা বুঝতেও সম্ভবত কিছুটা সুবিধে হয়৷ যদিও শম্ভু মিত্রের সম্পর্কে অনুজ নাট্যকর্মীদের একটা বড় অনুযোগ হলো, তাঁর নাটক দেখা, সেই দেখা থেকে জীবনদর্শনের পাঠ নেওয়া, নতুন কিছু শেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম৷ ধরা যাক উৎপল দত্ত বা বাদল সরকার যেভাবে নাট্যমঞ্চে সক্রিয় থেকেছেন, দল পরিচালনা করেছেন, নাট্য-নির্দেশনা এবং অভিনয়ে বাংলা থিয়েটারকে প্রতিনিয়ত ঋদ্ধ করে গিয়েছেন, শম্ভু মিত্রের ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটেনি৷ এতে শুধু পরবর্তী নাট্যকর্মীরাই নন, অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো শম্ভু মিত্রের সমসাময়িক নাট্যব্যক্তিত্ত্বদেরও যথেষ্ট খেদ থেকে গিয়েছে৷

তবে ঘটনা পরম্পরা এত সহজ এবং সরলরৈখিক সম্ভবত ছিল না৷ জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নানাজনের স্মৃতিচারণে বরং এক অচেনা শম্ভু মিত্রেরও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে, যিনি নির্দ্বিধায় বলেছিলেন, বাংলা থিয়েটারের উন্নতিকল্পে তহবিল গড়ার জন্য তাঁকে ব্যবহার করতে৷ তাঁর অভিনয়ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ধারাবাহিক নাট্য প্রযোজনার মধ্য দিয়ে অর্থসংগ্রহ করতে৷ এ খবর দিচ্ছেন রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত৷

নাট্যজীবনের শুরুতে বামপন্থিদের আইপিটিএ নাট্য আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন শম্ভু মিত্র৷ পঞ্চাশের ভয়াবহ মন্বন্তরের সময় দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে আইপিটিএ-র সঙ্গে শম্ভু মিত্র গিয়েছেন মুম্বই৷ সেখানে বিজন ভট্টাচার্যের ‘জবানবন্দি' নাটকটি হিন্দিতে ‘অন্তিম অভিলাষ' নামে অভিনীত হচ্ছে৷ মানুষ নাটক দেখে দুহাত ভরে দান করছেন৷ এই সময়েই অভিনেতা-নির্দেশক রাজ কাপুরের সঙ্গে শম্ভু মিত্রের পরিচয় হয়৷ কথিত আছে, ‘জাগতে রহো' ছবিটির চিত্রনাট্য রাজ-নার্গিসকে শুনিয়েছিলেন শম্ভু মিত্র৷ শুনে রাজ কাপুরের এত ভালো লেগেছিল যে সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তাব দেন, তিনি নিজে নির্দেশক থাকবেন, শম্ভু মিত্র ছবিটিতে অভিনয় করুন৷ শম্ভু মিত্র জবাবে বলেছিলেন, বরং উল্টোটা হোক৷ তাঁর নির্দেশনায় ‘জাগতে রহো' ছবিতে অভিনয় রাজ কাপুরের জীবনের অন্যতম মাইলফলক হয়ে উঠেছিল৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

যবে থেকে শুরু

হাতে টানা রিকশার উদ্ভাবন ১৬ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, জাপানে৷ ১৯ শতকে যানটি গোটা এশিয়ায় বহুল ব্যবহৃত এক গণ-বাহন হয়ে দাঁড়ায়৷ ১৮৮০ সালে ভারতে প্রথম রিকশা চালু হয় হিমাচল প্রদেশের সিমলায়৷ সেখান থেকে হাতে টানা রিকশা চলে আসে কলকাতায়৷ ১৯১৪ সাল নাগাদ কলকাতায় ভাড়াটে রিকশার চলন হয়৷ এরপর এত বছর পরেও কলকাতার কোনো কোনো অঞ্চলে টিকে আছে এই হাতে টানা রিকশা৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

প্রধান সড়ক থেকে গলিতে

কলকাতার প্রধান সড়কপথগুলোতে এখন অবশ্য আর রিকশা চলাচলের অনুমতি দেয় না পুলিশ৷ তার প্রথম কারণ রিকশার মতো ধীরগতির যানের কারণে রাস্তায় যানজট তৈরি হয়৷ তবে অন্য আর একটি কারণ হলো, আজকের দিনে রিকশার সওয়ারি হওয়া নিরাপদও নয়৷ ফলে কিছুটা বাধ্য হয়েই রিকশারা আশ্রয় নিয়েছে পুরনো কলকাতার গলি-ঘুঁজিতে, যেখানে ব্যস্ত ট্রাফিকের তাড়াহুড়ো নেই৷ রিকশায় চড়ে দুলকি চালে সফর করাও উত্তর কলকাতার অনেক বাসিন্দারই এখনও পছন্দসই৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

এখনো ব্যবহারের কারণ

আধুনিক কোনো যন্ত্রচালিত যানের সঙ্গে গতি বা স্বাচ্ছন্দ্যে পাল্লা দিতে পারে না আদ্যিকালের রিকশা৷ তা-ও এটি কী করে কলকাতায় থেকে গেল, তার কিছু নির্দিষ্ট কারণ আছে৷ এখনও অনেক বয়স্ক মানুষ রিকশা চড়তে পছন্দ করেন কারণ, এই যানটি তাঁদের জন্য যাকে বলে একেবারে হ্যাসল-ফ্রি৷ ঠিক একই কারণে অনেক বাড়ির বাচ্চারাও স্কুলে যাওয়ার সময় রিকশায় চড়ে যায়৷ তবে কলকাতা শহরে রিকশার সবথেকে বড় উপযোগিতা বোঝা যায় বর্ষায়৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

রিকশার ওয়ার্কশপ

যেহেতু শহরের রাস্তায় এখনও রিকশা চলে, মেরামতির জন্য রিকশার নিজস্ব হাসপাতালও নেই নেই করে এখনও দু-একটি টিকে আছে৷ এগুলো বিশেষভাবে হাতে টানা রিকশার মেরামতির জন্যই৷ অন্য কোনও কাজ এখানে হয় না৷ তবে আজকাল অসুবিধে হয়, কারণ রোজগার প্রতিদিনই কমছে৷ কাজ জানা লোকেরও অভাব৷ যদিও বা লোক পাওয়া গেল, তাদের দেওয়ার মতো যথেষ্ট কাজ পাওয়া যায় না৷ দোকানের মালিক শুয়ে বসেই দিন গুজরান করেন৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

কাঠ দিয়ে তৈরি চাকা

রিকশা তৈরি বা মেরামতিতে কিন্তু এখনও সেই পুরনো পদ্ধতিই বহাল৷ রিকশার চাকা যেমন এখনও কাঠ দিয়েই তৈরি হয়৷ মাঝখানের অংশটা যথারীতি লোহার, কিন্তু বাকি চাকার জন্য কারিগরদেরই জোগাড় করে আনতে হয় উঁচু মানের কাঠ যা শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা শহরের খানা-খন্দে ভরা এবড়ো খেবড়ো রাস্তা দিয়ে রিকশাকে গড়গড়িয়ে নিয়ে যাবে৷ সওয়ারিকে নিয়ে রিকশা যাতে ভেঙে না পড়ে, তার জন্য ভালো কাঠ বা লোহা যেমন দরকার, তেমনই দরকার ওস্তাদ কারিগর৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

খড় দিয়ে তৈরি বসার গদি

সওয়ারিদের যাতে কষ্ট না হয়, সেজন্যও রিকশাওয়ালারা সমান যত্নবান৷ যাত্রীদের বসার গদিটি যাতে ঠিকঠাক থাকে, এর জন্য নিয়মিত তার পরিচর্যা হয়৷ কাপড় আর রঙিন প্লাস্টিকের তৈরি এই গদির খোলে কী থাকে জানেন তো? না, তুলো বা ফোম নয়, নির্ভেজাল খড়৷ প্রকৃতি-বান্ধব উপাদান ব্যবহার করার এমন নমুনা কি আর কোনো শহুরে যানের ক্ষেত্রে দেখেছেন? রিকশা দূষণ ছড়ায় না, এটাও একটা খেয়াল রাখার মতো বিষয়৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

অমানবিক

তবু হাতে টানা রিকশা উঠে যাচ্ছে কলকাতা থেকে৷ কারণ, একজন মানুষ আর একজন মানুষকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে, এটা অনেকের কাছেই খুব অমানবিক মনে হয়৷ সাইকেল রিকশাতে যদিও একই ঘটনা ঘটে, কিন্তু সেক্ষেত্রে চালক প্যাডেলের মাধ্যমে কিছুটা যান্ত্রিক সুবিধা পান৷ যদিও এই রিকশা নিয়ে রোমান্টিকতার কোনো শেষ নেই৷ পরিচালক বিমল রায়ের ‘দো বিঘা জমিন’ ছবির গোটা ক্লাইম্যাক্স সিনটিই গড়ে উঠেছে দুটি হাতে টানা রিকশার রেষারেষির মধ্য দিয়ে৷

কলকাতার হাতে টানা রিকশার একাল

সময় কি বিদায় নেয়ার?

তাই দিনের শেষে পড়ন্ত সূর্যের আলোয় যখন ছায়া দীর্ঘতর হয়, আর রাস্তার একধারে স্থবির হয়ে অপেক্ষায় থাকে সওয়ারি না পাওয়া একটি রিকশা, ব্যস্ত শহর তার পাশ দিয়ে ছুটে যেতে যেতে তার কর্কশ কলরবে যেন বারবার মনে পড়িয়ে যায়, এবার সময় হয়েছে বিদায় নেওয়ার৷ আধুনিক সময়ের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে না রিকশা৷ সে কারণেই রাজপথ থেকে সরে গিয়ে তাকে মুখ লুকোতে হয়েছে গলিতে৷ খুব শিগগিরই বোধহয় সেই আড়ালটুকুও যাবে৷

চলচ্চিত্র পরিচালনায় সাফল্য এবং সেই সময়ে মুম্বইয়ের হিন্দি ছবিতে সবথেকে বেশি প্রবাবশালী কাপুর পরিবারের গুণমুগ্ধতা ও পৃষ্ঠপোষকতা – অন্য যে কোনো অভিনেতা হলে হয়তো বাকি অভিনয়-জীবন মুম্বইতেই কাটিয়ে দিতেন৷ কিন্তু শম্ভু মিত্র থাকেননি৷ বলেছিলেন, বিজন ভট্টাচার্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাটক লিখেছেন, যার প্রযোজনার জন্য তাঁকে বাংলায় ফিরতে হবে৷ সেই নাটকটির নাম ‘নবান্ন'৷ আর ১৯৬৪ সালে সদ্যোজাত যে নাটকের দলটি সেটি অভিনয় করল, সেই দলের নাম ‘বহুরূপী'৷

শম্ভু মিত্রের নাটক বা তাঁর নাট্যদর্শন সম্পর্কে এই জন্মশতবর্ষে নিঃসন্দেহে আরও বিস্তৃত মূল্যায়ণ হবে৷ প্রশংসা এবং সমালোচনা, দুই-ই তাঁর নাট্যভাবনাকে বুঝতে সাহায্য করবে৷ এবং তখন একটা কথা নিশ্চয় বার বার বলা হবে৷ আইপিটিএ নাট্য আন্দোলন বা নির্দিষ্ট কোনো ধারার নাটকে আটকে না থেকে শম্ভু মিত্রই বার বার দুর্জয় সাহস দেখিয়েছেন নিত্য নতুন নাট্য বিষয় ও আঙ্গিকের সঙ্গে বাংলা নাগরিক থিয়েটারে আগ্রহী দর্শকদের পরিচয় করানোর৷ কিন্তু কখনই তিনি এই ভেবে বিরত থাকেননি বা পিছিয়ে যাননি যে দর্শকের কেমন লাগবে৷ বরং তিনি নতুন বাংলা নাটকের দর্শক তৈরি করে নিতে প্রয়াসী হয়েছেন৷ যে তাগিদ থেকে একদিকে তিনি যখন গ্রিক নাট্যকার সোফোক্লিসের নাটক মঞ্চস্থ করছেন, অন্যদিকে তেমন রবীন্দ্রনাথের নাটক নিয়ে কাজ করছেন৷ আবার তিনিই ইবসেনের নাটক করছেন৷ মঞ্চসজ্জা থেকে অভিনয়রীতি, নাটকের আঙ্গিক থেকে প্রকরণ, সবকিছু তিনি বারে বারে বদলে দেওয়ার দুঃসাহস দেখিয়েছেন৷ বাংলা নাটকের নয়া ইতিহাস লিখে গিয়েছেন শম্ভু মিত্র৷

আমাদের অনুসরণ করুন