ফেসবুকে তারুণ্যের ভালো-মন্দ

বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুকই বেশি জনপ্রিয়৷ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ বয়সে তরুণ৷ তারা প্রধানত এটাকে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করলেও এর বাইরে এর নেতিবাচক ব্যবহারও কম নয়৷

এখন বাংলাদেশে ফেসবুকে লাইভ ভিডিওর সুযোগ দেয়ায় কেউ কেউ ফেসবুকে লাইভ করেও হয়ে উঠছেন সেলিব্রেটি৷ ফেসবুকে কার কত ফলোয়ার তা নিয়েও আছে প্রতিযোগিতা৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম নিয়ে কাজ করে কনটেন্ট ম্যাটার্স৷ ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান মূলত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহারকারী, বিশেষ করে তরুণরা এখানে কী  করেন, কী ধরনের পোস্ট দেন, কী শেয়ার করেন – এ সব পর্যকেক্ষণ করে৷ এ সব তথ্য তারা নানা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করে৷ প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী রফিকুল্লাহ রোমেল ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে, যারা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করেন, বিশেষ করে তরুণরা, তাদের  শতকরা ৭০ থেকে ৮০ ভাগই ব্যাক্তিগত তথ্য, ছবি বা অনুভূতি শেয়ার করেন৷ শেয়ার করে তারা তাদের ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটাতে চান, অবস্থার জানান দিতে চান৷ তবে এটা করতে গিয়ে কেউ কেউ ভাষার ব্যবহার বা ছবি ও কনটেন্ট ব্যবহারে অসতর্কতার পরিচয় দেন, অথবা অসততা করেন৷''

রফিকুল্লাহ আরো জানান, ‘‘তবে নতুন একটি প্রবণতা গড়ে উঠছে৷ আর তা হলো, ফেসবুক ব্লগিং৷ রাজনীতি, অর্থনীতি, সাহিত্য এবং সামাজিক বিষয় নিয়ে আগে তরুণরা যা ব্লগে লিখতেন, তা এখন ফেসবুক স্ট্যাটাসেই লিখেন৷ সেখানে মন্তব্য আসে৷ পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্ক হয়৷''

সমাজ

‘ফেসবুক লাইভ’- এ নির্যাতন

নতুন বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে এক শ্বেতাঙ্গ তরুণের উপর নির্যাতন চালায় চার কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ-তরুণী৷ পুরো ঘটনা ‘ফেসবুক লাইভ’-এর মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল৷ শ্বেতাঙ্গ ঐ তরুণ মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল৷ পেটানোর পাশাপাশি তার চুল কেটে দেয়া হয়৷ অপরাধ করার সময় নির্যাতনকারীরা ট্রাম্প ও শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছিল৷ পুলিশ ঐ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে৷ ফেসবুক ভিডিওটি মুছে ফেলে৷

সমাজ

টুইটারে ধর্ষণের ভিডিও

২০১৬ সালের মে মাসে ব্রাজিলের রিও ডি জানেরোতে এক তরুণীকে ৩০ জনের বেশি মানুষ ধর্ষণ করে৷ তরুণীটি তার ছেলেবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে সেখানে তাকে ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়৷ তারপর একে একে তার উপর হামলে পড়ে সবাই৷ অপরাধীদের কেউ কেউ টুইটারে ভিডিও আপলোড করেছিল৷ সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেলে পুলিশের টনক নড়ে৷

সমাজ

লাইভ-এ আত্মহত্যা!

ফ্রান্সের ১৯ বছর বয়সি এক তরুণী ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে৷ এই ঘটনা সে পেরিস্কোপ অ্যাপের সাহায্য সরাসরি প্রচার করেছিল৷ ঘটনাটি ২০১৬ সালের মে মাসের৷

সমাজ

নির্যাতিতার সঙ্গে সেলফি

২০১৪ সালে দুই ইংলিশ তরুণী ৩৯ বছরের অ্যাঞ্জেলা রাইটসনের উপর প্রায় ১৭ ঘণ্টা ধরে অত্যাচার চালায়৷ এই সময় আহতের সঙ্গে সেলফি তুলে ঐ দুই তরুণী সেই ছবি স্ন্যাপচ্যাটে শেয়ার করেছিল৷ নির্যাতনের এক পর্যায়ে মারা যান রাইটসন৷

সমাজ

সেলফির কারণে ধরা পড়া

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় ম্যাক্সওয়েল ম্যারিয়ন মর্টন নামের এক টিনএজার আরেক টিনএজারকে হত্যা করে তার সঙ্গে সেলফি তুলে স্ন্যাপচ্যাটে আপলোড করেছিল৷ সেই ছবির সূত্র ধরে মর্টনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ৷ ঘটনাটি ২০১৫ সালের৷

সমাজ

বান্ধবীকে ধর্ষণ সরাসরি সম্প্রচার!

যুক্তরাষ্ট্রের ১৯ বছর বয়সি এক তরুণীকে সম্প্রতি এই অভিযোগে নয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে৷ ২০১৬ সালে মারিনা লোনিনা (ছবি) নামের ঐ তরুণী তার বান্ধবীর সঙ্গে রেমন্ড গেটসের ফ্ল্যাটে গিয়েছিল৷ সেখানে পান করার পর এক পর্যায়ে গেটস লোরিনার বান্ধবীকে ধর্ষণ করতে শুরু করলে পেরিস্কোপ অ্যাপের মাধ্যমে ঐ ঘটনা সরাসরি সম্প্রচার করেন লোরিনা৷ গ্রেপ্তার হওয়ার পর লোরিনা বলেছিল, অপরাধের প্রমাণ রাখতে তিনি ভিডিও করেছিলেন!

সমাজ

ধর্ষণ সম্প্রচারের আরেক ঘটনা

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ পেরিস্কোপে ‘লাইভ সেক্স’ শিরোনাম দিয়ে একটি ভিডিও দেখানো হয়৷ ভিডিওটি যারা দেখেছে, তাদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে ‘বাজফিড’ জানিয়েছে, ভিডিওতে লন্ডনের একটি ফ্ল্যাটে তিন তরুণকে এক তরুণীর সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে দেখা গেছে৷ তবে এটি যে বাস্তবে ধর্ষণের ঘটনা ছিল, সেটি বুঝতে কিছুটা সময় লেগেছে বলে বাজফিডকে জানান তারা৷

সমাজ

সরাসরি ‘আত্মহত্যা’

যুক্তরাষ্ট্রের ১২ বছর বয়সি এক মেয়ে তার আত্মহত্যার ভিডিও ইন্টারনেটে সরাসরি সম্প্রচার করেছে৷ কেটলিন নিকোল ডেভিস নামের তরুণীটি গত ৩০ ডিসেম্বর গাছের ডালের সঙ্গে দড়ি বেঁধে আত্মহত্যা করে৷ আত্মহত্যার সময় সে বলে, এক আত্মীয়ের কাছ থেকে যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ায় সে আত্মহত্যা করছে৷

তরুণদের কাছে নিজেদের ভাবনা-চিন্তা তুলে ধরার জন্য এখন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম একটি সহজ প্ল্যাটফর্ম৷ প্রতিদিন তারা কোন ইস্যুকে প্রধান্য দিচ্ছে তা-ও বোঝা যায় এই মাধ্যম থেকে৷ তাদের কোনো মন্তব্য বা প্রচারণা ভাইরাল হয়, কোনো ভিডিও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে৷

নারায়ণগঞ্জের শিক্ষক শ্যামলকান্তির অবমাননার প্রতিবাদ তরুণরাই প্রধম করেছে ফেসবুকে৷ তারপর সেই অবমাননার ভিডিও এবং ছবি ভাইরাল হলে সক্রিয় হয় মেইন স্ট্রিম মিডিয়া৷ অ্যাকশনে যায় রাষ্ট্র, সরকার৷

সিলেটে শিশু রাজন হত্যার বিচারও সম্ভব হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের তরুণ অ্যাক্টিভিস্টদের কারণে৷ আর শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের কথা তো সবারই জানা৷ ফেসবুক ব্যবহারকারী তরুণরাই এই আদোলন গড়ে তুলোছিলেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে৷

সোলায়মান সুখন একজন ফেসবুক সেলিব্রেটি৷ ফেসবুকে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা এখন প্রায় দুই লাখ৷ ফলোয়ারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে৷ সুখন কিভাবে ব্যবহার করেন তার ফেসবুক? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ফেসবুক এখন আমার ব্যক্তিগত সম্প্রচার মাধ্যম৷ এটা আমার রেডিও, টেলিভিশন, আমার প্রচার মাধ্যম৷ আমি এখানে যা চাই বলতে পারি, স্বাধীনভাবে করতে পারি৷''

ফেসবুকে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণ জানাতে গিয়ে সুখন বলেন, ‘‘ফেসবুকে ইতিবাচক ধারণা নিয়ে কাজ করি৷ জীবনকে সুন্দর করি যেভাবে, তা বলি এবং দেখাই৷ আর তাতে আকৃষ্ট হন আমার ফলোয়াররা, ফেসবুক বন্ধুরা৷ আমি নিজে ভালো চিন্তা করি এবং ভালো চিন্তা শেয়ার করি৷ তবে তা অবশ্যই মজাদার এবং হাল্কাভাবে৷ ভারী করে তুলি না কোনো কিছু৷''

সুখন মনে করেন, ‘‘সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এখন সিটিজেন জার্নালিজমের বড় মাধ্যম৷ আমি চাইলেও দ্রুত কোনো মেইন স্ট্রিম সংবাদমাধ্যমে কিছু প্রচার করতে পারিনা, দেখাতে পারিনা৷ এখানে পারি৷ এটা আমাকে দিয়েছে স্থান, কাল ও পাত্রের স্বাধীনতা৷''

তাঁর মতে, ‘‘এই ব্যাপক এবং বহুবিধ ব্যবহারের সুবিধা স্যোশাল মিডিয়ায়৷ তাই এটা ব্যবহারে দায়িত্বশীলতাও থাকতে হয়৷ এর অপব্যবহারও করছে তরুণদের একাংশ৷''

এ প্রসঙ্গে ‘কনটেন্ট ম্যাটার্স'-এর প্রধান নির্বাহী রফিকুল্লাহ রোমেল বলেন, ‘‘তরুণদের একাংশ প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে, ব্ল্যাকমেল করতে সামাজিক যোগযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে৷ এমনকি রাজনৈতিক বিতর্কে ফেসবুকে তারা চরম আপত্তিকর আচরণ করে৷''

সম্প্রতি  ঢাকার উত্তরা এলাকায় এক কিশোর হত্যার ঘটনায় তরুণদের ফেসবুক ব্যবহারের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে৷ তারা ফেসবুক পেজ খুলে গড়ে তোলো নানা সন্ত্রাসী গ্রুপ৷ আবার ধানমন্ডিতে এক কিশোরকে আরেক কিশোর গ্রুপকে মারধর করে তার ভিডিও আপলোড করে দেয় ফেসবুকে৷

গত একমাসে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অন্তত দু'টি ঘটনা ঘটেছে, যেখানে তরুণরা ফেসবুক ব্যবহার করে তরুণীকে প্রেমের কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে৷ তরুণদের বিরুদ্ধে ফেসবুক ব্যবহার করে ব্ল্যাক মেইল করা ও পর্নোগ্রাফি ছড়ানোরও অভিযোগ আছে৷

তবে এ সবের বাইরে তরুণরা এখন পড়াশোনা, সমাজ সেবা, রক্তদান, সামাজিক ক্যাম্পেইন, সৃজনশীল কাজ এবং ব্যবসার জন্যও ফেসবুক ব্যবহার করছেন৷ আর ফেসবুকে তাদের এমন গ্রুপগুলা সফলও হচ্ছে৷ কিন্তু রফিকুল্লাহ রোমেল বলেন, ‘‘রক্ত দেয়ার আহ্বানের চেয়ে একটি বিতর্কিত বা অনাকাঙ্কিত পোস্টে তরুণরা সাড়া দেয় বেশি, যা আতঙ্কের৷''

ফেসবুকে গুজব ছড়ানো, তথ্য বিকৃত করা বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে তথ্য এবং ছবি প্রচার করা হয়৷ আর এই প্রচারে ধর্মীয় উন্মাদনা যেমন আছে, তেমনি অন্ধকার জগতের হাতছানিও আছে৷ সোলায়মান সুখন বলেন, ‘‘এ কারণেই আমার দায়িত্বের জায়গা আছে৷ আমি আমার ফেসবুকে দেখাতে চাই, বলতে চাই , পৃথিবী সুন্দর, জীবন সুন্দর৷ আর তাতে সাড়া পাই৷ নেগেটিভ কন্টেন্ট দিয়ে নয়, পজিটিভ কন্টেন্ট দিয়েও এখন প্রচুর লাইক ও কমেন্ট পাওয়া যায়৷ পাওয়া যায় ফলোয়ার৷''

বাংলাদেশে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় সাত কোটি৷ আর মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটিরও বেশি৷ সাত কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর  ছয় কোটিই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন মোবাইল ফোনে৷ এই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রায় তিন কোটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসবে ফেসবুক ব্যবহার করে৷

তথ্য প্রযুক্তিবিদ মুনির হাসান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘ফেসবুক ব্যবহারকারী ৩০ ভাগ তরুণ অন্যকে নিয়ে মজা করে বা পচায়৷ তারা ট্রল করে৷ তবে বড় একটি অংশ আছে, যারা বেশ সিরিয়াস৷ তারা ফেসবুকের মাধ্যমে বড় ধরনের পরিবর্তণ আনতে চায়৷ এমনকি ফেসবুকে তারা বানান নিয়েও কথা বলে৷ তবে বাস্তব জীবনে তারা এতটা অ্যাকটিভ নয়৷ অল্প সংখ্যক আছেন, যারা নানা সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত৷ তারা মূলত ফেসবুকে তাদের কাজের প্রচার চালায়৷ এরা বাস্তব জীবনে বেশি অ্যাকটিভ৷''

তিনি আরো বলেন, ‘‘ফেসবুকে তাদের তৎপরতা বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি, তরুণদের বড় একটি অংশ অস্থির৷ সে কারণেই এক-দুই লাইনের স্ট্যাটাস জনপ্রিয় হয়৷ আর অনেকেই না পড়ে লাইক দেয়৷ না বুঝেও লাইক দেয়, শেয়ার করে৷ তবে এই অস্থিরতার কারণ ফেসবুক নয়৷ আমাদের সমাজেই অস্থিরতার কারণ লুকিয়ে আছে৷''

সংগীত

সেলেনা গোমেজ

মার্কিন পপস্টার এবং ডিজনি চ্যানেলের অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ ইন্সটাগ্রামে সবচেয়ে জনপ্রিয়৷ তাঁর রয়েছে ১০৯ মিলিয়ন ইন্সটাগ্রাম অনুসারী৷ আর এই সংখ্যা দ্রুতই বাড়ছে৷ নিজের অ্যাকাউন্টে সেলফি ছাড়াও নিত্যদিনের জীবনের বিভিন্ন ছবি শেয়ার করেন তিনি৷ তবে খুব ঘনঘন পোস্ট করেন না৷

সংগীত

টেলর সুইফট

৯৮ মিলিয়ন অনুসারী নিয়ে ইন্সটাগ্রামের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন টেইলর সুইফট৷ মার্কিন এই পপস্টার নিজের সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন কান্ট্রি মিউজিক দিয়ে৷ বর্তমানে তিনি সর্বকালের ‘বেস্ট সেলিং’ শিল্পীদের একজন৷ তাঁর গানের অ্যালবামের অন্তত চল্লিশ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে এবং ডাউনলোড হয়েছে একশ’ ত্রিশ মিলিয়নবার৷

সংগীত

বিয়ন্সে

ইন্সটাগ্রামে নিজে কাউকে অনুসরণ না করলেও তাঁকে অনুসরণ করেন ৯৪ মিলিয়ন মানুষ৷ সম্প্রতি তাঁর অন্তসত্ত্বা অবস্থার একটি ছবি শেয়ারিং সাইটটিতে রেকর্ড গড়েছে৷ দশ মিলিয়নের বেশি মানুষ ছবিটি লাইক দিয়েছেন এবং মন্তব্য করা হয়েছে প্রায় অর্ধলক্ষবার৷ সতেরটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন এই সঙ্গীত তারকা৷

সংগীত

আরিয়ানা গ্রান্ডে

মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী এবং অভিনেত্রী আরিয়ানা গ্রান্ডের ইন্সটাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা ৯৬ মিলিয়ন৷ মাত্র ১৩ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু করা এই তরুণী বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত শিল্পী৷ ২০১৪ সালে ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেটের ফ্যাশন শো-তে এক মডেলের পাখার সঙ্গে ধাক্কা খান তিনি৷ এই নিয়ে তখন বেশ আলোচনা হয়েছিল৷

সংগীত

কিম কার্দেশিয়ান

প্রায় ৯২ মিলিয়ন অনুসারীকে সন্তুষ্ট রাখতে ঘনঘনই নানা ছবি ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেন কিম কার্দেশিয়ান৷ কার্দেশিয়ান পরিবারের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইন্সটাগ্রাম তারকা তিনি৷ কয়েকবছর আগে এক সেক্সটেপ প্রকাশের পর মূলত দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন কিম৷ তিনি একজন ফ্যাশন ডিজাইনার, উদ্যোক্তা, মডেল এবং ব়্যাপস্টার কেনিয়া ওয়েস্টের স্ত্রী৷

সংগীত

ক্রিষ্টিয়ানো রোনাল্ডো

প্রায় ৯০ মিলিয়ন অনুসারী নিয়ে ইন্সটাগ্রামের জনপ্রিয়তার তালিকায় আছেন ফুটবলার ক্রিষ্টিয়ানো রোনাল্ডো৷ ছবি শেয়ার করার সাইটটিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পুরুষ তিনি৷ পপস্টার জাস্টিন বিবার নিজের ইন্সটাগ্রাম মুছে ফেলায় এই অবস্থানে গেছেন তিনি৷

সংগীত

কাইলি জেনার

উঠতি তারকা কাইলি জেনারের ইন্সটাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা ৮৪ মিলিয়ন৷ সাইটটিতে বেশ খোলামেলা ছবি পোস্ট করেন তিনি৷

আপনার কি কিছু বলার আছে? লিখুন নীচের মন্তব্যের ঘরে৷