ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার উপায়

মতভিন্নতাসহ নানা কারণে বাংলাদেশে অনেকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ, সাময়িকভাবে বন্ধ হচ্ছে৷ এই প্রেক্ষাপটে কীভাবে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখা যায় সে উপায়গুলো তুলে ধরা হল৷

ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করা ওয়েবসাইট উইকিহাউ ডটকম ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার কয়েকটি উপায় জানিয়েছে৷ ডয়চে ভেলের পাঠকদের জন্য সেসব উপায় এখানে তুলে ধরা হলো: 

ফেসবুকে লগ ইন: ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড টাইপ করুন৷ তবে কখনোই ‘কিপ মি লগড ইন' বক্স চেক করবেন না৷ এটা করলে আপনার অ্যাকাউন্ট বেহাত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে৷ শুধু নিজের কম্পিউটারেই এই বক্সে হাত দেওয়া যেতে পারে৷

পাসওয়ার্ড কাউকে বলা যাবে না: অনেক সময় অন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীর সঙ্গে নিজের পাসওয়ার্ড শেয়ার করেন অ্যাকাউন্টধারীরা, যা থেকে অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটে৷ কোনো বন্ধুর সঙ্গে পাসওয়ার্ড শেয়ার করলে তিনি আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকে উলটোপালটা কিছু করতে পারেন৷ আর এতেই আপনি গুরুতর সমস্যায় পড়ে যেতে পারেন৷

পাবলিক প্লেসে লগ ইন নয়: ঘুরতে বেরিয়ে বন্ধুদের মনে হতে পারে আস্থা করার মতো এবং আপনি পাবলিক প্লেসে যথাযথ নিরাপত্তা পদক্ষেপ ছাড়াই ফেসবুকে লগ ইন করলেন৷ এটাও আপনাকে গুরুতর সমস্যায় ফেলতে পারে৷

# সাইবার ক্যাফে বা কোনো বন্ধুর কম্পিউটারে ফেইসবুক লগ ইনের সময় কখনো ‘কিপ মি লগড ইন' বা ‘সেভ পাসওয়ার্ড’-এ ক্লিক করা যাবে না৷ 

সমাজ-সংস্কৃতি | 24.09.2018

# আপনার বন্ধুরা ফেসবুক ডিক্রিপটর সফটওয়্যার ইনস্টল করে থাকতে পারে, যা আপনার ফেসবুক লগ ইনের সব তথ্য স্টোর করবে৷ তাই এই সফটওয়্যারের বিষয়ে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে৷ কারণ আপনার বন্ধুরা এবং সাইবার ক্যাফে কখনো আপনাকে তা জানাবে না৷

# সব সময় এমন একটি পাসওয়ার্ড রাখতে হবে, যেটা কেউ ধারণা করতে না পারে৷ পাসওয়ার্ড অনেক বড়ও হতে পারে৷

# তবে সহজ কিন্তু বড় একটা পাসওয়ার্ড দিলেই আপনার অ্যাকাউন্ট নিরাপদ হবে না৷ অন্যের অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে হ্যাকাররা ‘ডিকশনারি অ্যাটাক' নামে একটি কৌশল অবলম্বন করে যেখানে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে তৈরি করা যায় এমন সব শব্দই ব্যবহার করা হয়৷ এ ধরনের আক্রমণ থেকে অ্যাকাউন্ট রক্ষায় সব সময়ই সংখ্যা, প্রতীক যেমন !@#%^°& ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়৷

#  পাসওয়ার্ডমিটার-এর মতো ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার পাসওয়ার্ড কতো শক্তিশালী তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন৷

# দুই থেকে তিন মাস পর পর আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন৷ তাহলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জানলেও একটা সময় পর আর ফেসবুকে ঢুকতে পারবে না৷

# এই ভুলগুলোই বেশিরভাগ মানুষ করে থাকে৷ এ থেকে আপনাকে সাবধান থাকতে হবে৷ পাসওয়ার্ড, পাসওয়ার্ড ১২৩, নিজের নাম, বন্ধু-বান্ধবী-স্ত্রীর নাম, নিজের ডাক নাম এগুলোই অনেকে পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেন৷ এখানে গুরুত্বপূর্ণ যে আপনার পরিচিত বা বন্ধুদের কেউ আপনার পাসওয়ার্ড পেতে চাইলে প্রথমেই এগুলো দিয়ে চেষ্টা করবে৷

# একাধিক সাইটের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে না৷ যেমন ফেসবুক, টুইটার ও গুগল অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড রাখতে হবে৷ একই পাসওয়ার্ড হলে কেউ আপনার যে কোনো একটি অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারলে সেই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্যগুলোতেও ঢুকতে পারবে৷

থার্ড পার্টি অ্যাপ নিয়ে সাবধান: আপনারডিভাইস বা ফেইসবুকের ছাড়া অন্য কারও তৈরি অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্যে প্রবেশ ঠিক হবে না৷ এটা করলে ওই অ্যাপগুলো আপনার হয়ে যে কোনো পোস্ট আপলোডে সক্ষম হবে, যা নিরাপদ ফেসবুকের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে৷ এমন থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করবেন যেটা ফেসবুক স্বীকৃত৷

প্রাইভেসি সেটিংস:  প্রাইভেসি সেটিংস নিতান্তই নিজের হাতে রাখতে হবে এবং ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ৷ এর ধাপগুলো নীচে তুলে ধরা হলো –

# সেটিংসে যান৷ সবার উপরে ‘সিকিউর ব্রাউজিং' অপশন পাবেন৷ এই অপশনে ঢুকতে হবে এবং ‘ব্রাউজ ফেসবুক অন অ্যা সিকিউর কানেকশন (এইচটিটিপিএস) হোয়েন পসিবল' বক্স চেক করবেন৷ এটাও আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ করবে৷

# সেটিংসে যান৷ দ্বিতীয় অপশনে আপনি ‘লগইন নোটিফিকেশনস' পাবেন৷ এই অপশনে গিয়ে সেখানে যেসব বক্স পাওয়া যাবে সেগুলো চেক করতে হবে৷ এটার লাভ হলো, কোনো সময় আপনি অন্য কারো কম্পিউটার থেকে ফেসবুকে ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে আপনি একটা বার্তা পাবেন যে কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে৷ এতে ব্রাউজার নেম, কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমও জানিয়ে দেয় এবং তা প্রয়োজনে আপনার অসুন্ধান সহজ করে দেবে৷

# সেটিংসের তৃতীয় অপশন সিকিউরিটিতে যান৷ এখানে ‘লগইন অ্যাপ্রোভালস' অপশন পাবেন৷ ‘এডিটে' ক্লিক করুন এবং ‘রিকয়ার অ্যা সিকিউরিটি কোড টু অ্যাকসেস মাই অ্যাকাউন্ট ফ্রম আননোন ব্রাউজারস' বক্স চেক করুন৷ ‘লগইন অ্যাপ্রোভালস ইজ অ্যান এক্সট্রা লেয়ার অফ সিকিউরিটি দ্যাট ইউজেস ইওর ফোন টু প্রটেক্ট ইওর অ্যাকাউন্ট' লেখা একটি পপ আপ বক্স আসবে৷ ‘গেট স্টারটেড' লেখায় ক্লিক করুন৷ এর ফলে অপরিচিত কোনো ব্রাউজার থেকে আপনার ফেইসবুকে লগইনের চেষ্টা হলে ফেসবুক থেকে আপনার মোবাইলে একটি মেসেজ আসবে৷ বলাবাহুল্য, ফেসবুক মাঝেমাঝে এসব সেটিংসে ভাষাগত পরিবর্তন আনে৷ তবে, মূল বিষয়গুলো একই থাকে৷ 

সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন

ফেসবুক পেজ

পাবলিক ফিগার, ক্রীড়া, মিডিয়া, বিনোদন ও সরকারি পাতা ফেসবুক পেজ ভেরিফিকেশনের জন্য উপযুক্ত৷ পাতার সব তথ্য পূরণ করা আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন৷ এরপর ‘Request a Verified Badge’-এ গিয়ে নির্দিষ্ট ফর্মে পেজটি সিলেক্ট করুন৷ অফিসিয়াল আইডি আপলোড করুন৷ অফিসিয়াল পেজের লিঙ্ক দিন৷ এবার প্রেরণ করুন৷ ভাগ্য ভালো থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আপনার পেজে ভেরিফাইড ব্লু মার্কটি দেখাবে৷

সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন

ফেসবুক প্রোফাইল

ফেসবুক পেজের মতো প্রোফাইলেও একই নিয়ম৷ তবে সেক্ষেত্রে প্রোফাইল ভেরিফিকেশনের ফর্ম পূরণ করতে হবে৷ বিজনেস পেজের ক্ষেত্রে নিয়ম একটু ভিন্ন৷ সেখানে ফর্ম পূরণ করে অথবা আপনার ও ব্যবসার সব তথ্য আছে এমন বিজনেস ডকুমেন্ট আপ করে ভেরিফাই করতে পারেন৷

সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন

টুইটার অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন

সংগীত, অভিনয়, ফ্যাশন, সরকার, রাজনীতি, ধর্ম, সাংবাদিকতা, মিডিয়া, ক্রীড়া, ব্যবসাসহ বিভিন্ন রকমের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীরা ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদন করতে পারতেন৷ সেজন্য প্রোফাইল পাবলিক থাকতে হতো৷ এজন্য একটি ফোন নম্বর ও ই-মেল অ্যাড্রেসও লাগতো৷ তবে আপাতত এই সুবিধা বন্ধ রেখেছে টুইটার৷

সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন

ইউটিউব

ইউটিউবে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার এক লাখ হলেই আপনি ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ তবে পরবর্তীতে আপনি যদি চ্যানেলের নাম পরিবর্তন করেন, তাহলে ভেরিফাইড ব্যাজ উঠে যাবে৷

সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন

গুগল প্লাস

ফেসবুকের মতো গুগল প্লাসেও আপনি সরাসরি আবেদন করতে পারেন৷ তবে সেক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটকে আগে ভেরিফাইড করতে হবে৷

সোশ্যাল মিডিয়া ভেরিফিকেশন

ইনস্টাগ্রাম

ইনস্টাগ্রাম আগে শুধুমাত্র সেলিব্রেটি ব্যক্তি বা ব্র্যান্ডেরই ভেরিফিকেশনের সুযোগ দিতো৷ তবে এখন প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রেখে যেকেউ অ্যাপের মাধ্যমে ভেরিফিকেশনের আবেদন করতে পারেন৷ তবে এজন্য প্রোফাইলের সব তথ্য যথাযথভাবে পূরণ রাখতে হবে৷

# আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হচ্ছে ‘টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন’৷ এই অপশন চালু করলে অপরিচিত ব্রাউজার থেকে লগ-ইন করার সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি একটি কোড ব্যবহার করতে হবে আপনার, যা মোবাইল এসএমএস বা ফেসবুক অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে৷ ফেসবুকে অনাকাঙ্খিত লগ-ইন রোধে এই পন্থা বেশ কার্যকর৷

# সেটিংসে ‘ট্রাস্টেড কনট্রাক্টস'-এ যান৷ এতে ফেসবুকে আপনার ট্রাস্টেড কনটাক্টস তৈরি হবে, যা আপনি পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা কেউ আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করলে তা পুনরুদ্ধারে সহায়তা করবে৷ খুব বেশি নয়, অন্তত তিনজনকে ট্রাস্টেড কনটাক্টসে রাখুন৷

# সেটিংসে প্রাইভেসিতে যান৷ ‘হু ক্যান সি মাই স্টাফস' লেখা দেখতে পাবেন৷ এই অপশন এডিট করে ‘ফ্রেন্ডস অব ফ্রেন্ডস' থেকে ‘ফ্রেন্ডস (অনলি)' করুন৷ এটা না করলে আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ডদের ফ্রেন্ডরাও আপনার  ‘স্টাফস' দেখতে পাবে৷ তাদের মধ্যে কেউ হ্যাকারও হতে পারে৷

# ফটো/ভিডিও বা অন্য কোনো কিছু শেয়ার করার সময় আপনি ‘ফ্রেন্ডস' অপশনেও ক্লিক করতে পারেন৷ এতে আপনি যা শেয়ার করছেন তা শুধু আপনার বন্ধু তালিকায় যারা আছেন তারাই দেখতে পাবেন৷

#  সেটিংস পেইজে ‘টাইমলাইন অ্যান্ড ট্যাগিং'- এ ক্লিক করুন এবং ‘ফ্রেন্ডস টু ফ্রেন্ডস' থেকে ‘ফ্রেন্ডস (অনলি)' অপশনে চলে যান৷ এতে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বাড়বে৷

‘সেটিংস> জেনারেল> ডাউনলোড অ্যা কপি' – এই পদ্ধতিতে আপনার ফেইসবুক ডেটা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারেন, যাতে হ্যাকারের কবলে ডেটা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি মুক্ত থাকা যায়৷

সেলিব্রেটি হলে ফেসবুক পেইজ খুলুন – যাদের  কাছে ভক্তদের অনেক মেইল/মেসেজ আসে বা হুমকি দিয়ে বার্তা দেওয়া হয়, তাদের জন্য এটাই উত্তম পন্থা৷

শুধু পরিচিতদেরই বন্ধু তালিকায় রাখুন – ‘পিপল ইউ মে নো'হিসেবে যারা আসে তাদের সবাইকে ফ্রেন্ড হিসেবে অ্যাড করবেন না৷ সাধারণত কিশোর-কিশোরীরা এটা করে থাকেন৷ এভাবে ফ্রেন্ড করা হলে তাদের মধ্যে হ্যাকারও আপনার বন্ধু তালিকায় চলে আসতে পারে৷

নিয়মিত বন্ধু তালিকা চেক করবেন৷ হ্যাকাররা আপনার কোনো বন্ধুর নাম-ছবি ব্যবহার করে ভুয়া প্রোফাইল খুলতে পারে৷ কোনো হ্যাকারকে বন্ধু তালিকায় ঢুকতে দেওয়ার অর্থ তাকে আপনার ব্যক্তিগত কনটাক্ট ও তথ্যে প্রবেশাধিকার দেওয়া৷ শুধু বাস্তব জীবনে পরিচিতদেরই বন্ধু তালিকায় রেখে এই ঝুঁকি এড়িয়ে চলুন৷

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন

কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়৷ আর ব্যাংক কার্ড-এর সঙ্গে যেন এই পাসওয়ার্ডের মিল না থাকে৷ এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনো পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না৷ এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷ বাড়ির বাইরে গেলে এগুলি ‘লক’ করে যাবেন৷

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

নামে ‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন

এটা খুব সহজ পন্থা, আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে সবাই কী বলছে৷ সোজা এই ঠিকানায় যান – http://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন৷ তারপর আপনার নামের বিভিন্ন ধরন লিখে, তার আগে ও পরে ‘কোটেশন মার্ক’ জুড়ে দিন৷

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা

আপনি যদি অন্য কারো কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন৷ আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন৷ আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে৷

Es ist normal anders zu sein Flash-Galerie

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

ফোন, ই-মেল বা জিপ কোড ব্যবহার করতে না দেয়া

অচেনা কোনো মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, আপনারা দেবেন না৷ দেখা যায় কোনো অফিস তাঁর কর্মীর কাছ থেকে এ সব তথ্য চাইলে, অনেকেই সেচ্ছ্বায় তা দিয়ে দেয়৷ বহু অফিস এ নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করে৷ আপনার কিন্তু এ সব তথ্য না দেয়ার অধিকার আছে৷ তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছ্বন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না৷

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

কার্ড নয় ক্যাশ

আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন৷

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন

ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন৷ পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন৷ আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো৷

তথ্য গোপন রাখার সাতটি সহজ উপায়

‘হিস্ট্রি’ এবং ‘কুকিস’ মুছে ফেলুন

আপনি সবশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন৷ ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন৷ এর ফলে ইন্টারনেটে আপনাকে ‘ট্র্যাক’ করাটা হ্যাকারদের জন্য কঠিন হবে৷ এছাড়া আপনি ‘অ্যাড অন’-ও ব্যবহার করতে পারেন৷

আমাদের অনুসরণ করুন