ফ্রান্সে জঙ্গি হামলার ত্রাস, বিপর্যস্ত পর্যটন শিল্প

বিশ্বের ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে ফ্রান্স অন্যতম পছন্দের দেশ৷ কিন্তু একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা এবং আবারো হামলার আশঙ্কায় গুটিয়ে যাচ্ছে ফ্রান্সের পর্যটন শিল্প৷ জানাচ্ছে ফ্রান্সের হোটেল অ্যান্ড টুরিজম কনসালটেন্সি ফার্ম এমকেজি৷

সর্বশেষ দেশটির জাতীয় উৎসবের দিন কেঁপে উঠেছিল দক্ষিণের নিস শহর৷ সেখানে ট্রাক চালিয়ে ও গুলি করে মানুষ হত্যার যজ্ঞে মেতে উঠেছিল এক আততায়ী৷ সাম্য-মৈত্রী-স্বাধীনতা রক্ষার উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারাতে হয়েছিল ৮৪ জনকে৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

এর পর থেকেই ফ্রান্সে পর্যটকদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে৷ জুলাই মাসে দেশের হোটেলগুলোতে টুরিস্টদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ!

ডিজি/এসি

বন্ধু, আপনি কি সম্প্রতি ফ্রান্সে গেছেন৷ জানান আপনার অভিজ্ঞতা, লিখুন নীচের ঘরে৷

যে ট্রাক ব্যবহার করে হামলা হয়েছিল

ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে এই ট্রাক৷ তার সামনের কাচে গুলির দাগ৷ ৩১ বছর বয়স্ক টিউনিশীয় বংশোদ্ভূত এক ফরাসি নাগরিক এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে৷

বেঁচে গিয়েও বিহ্বলতা কাটছে না

হামলার কয়েক ঘণ্টা পরেও অরাজকতা দেখা গেছে৷ ভূমধ্যসাগর উপকূলের তীরে সুন্দর, প্রাণখোলা এই শহর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না৷ উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন, তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে৷

বৃহস্পতিবার রাতের চিত্র

রাত এগারোটার কিছুক্ষণ পর স্থানীয় সংবাদপত্র ‘নিস মাত্যাঁ’ ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার খবর প্রকাশ করে৷ তার কয়েক ঘণ্টা পর ঘটনার ভয়াবহতা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তার খণ্ডচিত্র৷

হামলার পরেও আতঙ্ক

অনেকেই হাত তুলে প্রমাণ করতে চাইছিলেন, যে তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়৷ পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, আততায়ী একাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে৷ কিন্তু এমন হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক তদন্তে কিছু জানা যায় নি৷

মৃত্যুর রাত

উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন৷ পথেঘাটে লাশের ছড়াছড়ি৷ যারা আহত অবস্থায় বেঁচে গেছেন, তাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক৷

মানুষের সমাগমের উপলক্ষ্য

ফটোগ্রাফার ভালেরি আশ আসলে ফ্রান্সের জাতীয় দিবস পালন উৎসবের ছবি তুলতে গিয়েছিলেন৷ আতশবাজির প্রথম ছবিগুলি এএফপি প্রকাশ করছিল৷ কিন্তু তারপরই ছবির বিষয় বদলে যায়৷

‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছি’

প্রথমে পুলিশ, তারপর সৈন্যরা নিস শহরের পথঘাটের দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেয়৷ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছেন৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যার্না কাসন্যোভ বলেন, ‘‘আমরা সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত আছি, যারা যে কোনো মূল্যে এবং প্রবল হিংসাসহ আমাদের উপর হামলা চালাতে চায়৷

রাত এগারোটার কিছুক্ষণ পর স্থানীয় সংবাদপত্র ‘নিস মাত্যাঁ’ ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার খবর প্রকাশ করে৷ তার কয়েক ঘণ্টা পর ঘটনার ভয়াবহতা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তার খণ্ডচিত্র৷

ফটোগ্রাফার ভালেরি আশ আসলে ফ্রান্সের জাতীয় দিবস পালন উৎসবের ছবি তুলতে গিয়েছিলেন৷ আতশবাজির প্রথম ছবিগুলি এএফপি প্রকাশ করছিল৷ কিন্তু তারপরই ছবির বিষয় বদলে যায়৷

বিশ্ব | 15.07.2016

সর্বশেষ দেশটির জাতীয় উৎসবের দিন কেঁপে উঠেছিল দক্ষিণের নিস শহর৷ সেখানে ট্রাক চালিয়ে ও গুলি করে মানুষ হত্যার যজ্ঞে মেতে উঠেছিল এক আততায়ী৷ সাম্য-মৈত্রী-স্বাধীনতা রক্ষার উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারাতে হয়েছিল ৮৪ জনকে৷

এর পর থেকেই ফ্রান্সে পর্যটকদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে৷ জুলাই মাসে দেশের হোটেলগুলোতে টুরিস্টদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে প্রায় ১০ শতাংশ!

ডিজি/এসি

বন্ধু, আপনি কি সম্প্রতি ফ্রান্সে গেছেন৷ জানান আপনার অভিজ্ঞতা, লিখুন নীচের ঘরে৷

যে ট্রাক ব্যবহার করে হামলা হয়েছিল

ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে এই ট্রাক৷ তার সামনের কাচে গুলির দাগ৷ ৩১ বছর বয়স্ক টিউনিশীয় বংশোদ্ভূত এক ফরাসি নাগরিক এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে৷

বেঁচে গিয়েও বিহ্বলতা কাটছে না

হামলার কয়েক ঘণ্টা পরেও অরাজকতা দেখা গেছে৷ ভূমধ্যসাগর উপকূলের তীরে সুন্দর, প্রাণখোলা এই শহর এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না৷ উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন, তদন্তের কাজ শুরু হয়েছে৷

বৃহস্পতিবার রাতের চিত্র

রাত এগারোটার কিছুক্ষণ পর স্থানীয় সংবাদপত্র ‘নিস মাত্যাঁ’ ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার খবর প্রকাশ করে৷ তার কয়েক ঘণ্টা পর ঘটনার ভয়াবহতা ধীরে ধীরে স্পষ্ট হতে থাকে৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তার খণ্ডচিত্র৷

হামলার পরেও আতঙ্ক

অনেকেই হাত তুলে প্রমাণ করতে চাইছিলেন, যে তারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়৷ পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, আততায়ী একাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে৷ কিন্তু এমন হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক তদন্তে কিছু জানা যায় নি৷

মৃত্যুর রাত

উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলের এক ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছেন৷ পথেঘাটে লাশের ছড়াছড়ি৷ যারা আহত অবস্থায় বেঁচে গেছেন, তাদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক৷

মানুষের সমাগমের উপলক্ষ্য

ফটোগ্রাফার ভালেরি আশ আসলে ফ্রান্সের জাতীয় দিবস পালন উৎসবের ছবি তুলতে গিয়েছিলেন৷ আতশবাজির প্রথম ছবিগুলি এএফপি প্রকাশ করছিল৷ কিন্তু তারপরই ছবির বিষয় বদলে যায়৷

‘আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছি’

প্রথমে পুলিশ, তারপর সৈন্যরা নিস শহরের পথঘাটের দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেয়৷ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছেন৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যার্না কাসন্যোভ বলেন, ‘‘আমরা সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত আছি, যারা যে কোনো মূল্যে এবং প্রবল হিংসাসহ আমাদের উপর হামলা চালাতে চায়৷