বর্ণ বিষম: সাদা-কালো

দুনিয়ায় কি শুধু দু'ধরনের মানুষ থাকে: হয় ধনি-দরিদ্র, নয়ত সাদা-কালো? ওদিকে দুনিয়ার প্রায় সব সংঘাত যে ম্যাজিক ফর্মুলায় সমাধান করে দেওয়া যায়, তার নাম বোধহয় ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান'৷ এমনকি ফার্গুসন কিংবা ক্লিভল্যান্ডেও৷

বঙ্গসন্তান হয়ে বর্ণবৈষম্য নিয়ে ব্লগ লিখতে বসার বড় বিপদ হলো: আমরা বাঙালিরা নিজেরাই যে কতটা বর্ণবাদী, তা ফাঁস হয়ে যেতে পারে৷ শ্যামলা মেয়ের গায়ের রঙ ‘একটু চাপা' না ‘উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ', সেটা কে বলে দেবে? অ্যামেরিকায় এই সেদিন অবধি যাদের নিগ্রো বলা হতো এবং আজ যারা কৃষ্ণাঙ্গ, কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় আফ্রিকার সেই ‘কালো মানুষদের' প্রতি বাঙালি ব্রাউন সাহেবদের তাচ্ছিল্য এবং উপেক্ষা কিন্তু অনেকদিনের৷ বাঘের যেমন শেয়াল কিংবা ফেউ, তেমন শ্বেতাঙ্গ সাম্রাজ্যবাদের ফেউ ছিলাম আমরা৷

কাজেই মার্কিন মুলুকে সাদা না হয়ে কালো চামড়া গায়ে নিয়ে জন্মানোর যে কী অর্থ, তা কোনো ‘জাত' বাঙালির পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, বলেই আমার বিশ্বাস৷ খোদ নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়িনী টোনি মরিসন লিখেছেন, তিনি কেমন শিশু বয়সে দুধ-সাদা গায়ের রং, খোড়ো-চুল, পরীদের মেয়ের মতো দেখতে ব্লন্দিনী হবার স্বপ্ন দেখতেন৷ ওদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তফাৎ হলো এই যে, একটা দেশে শ্বেতাঙ্গরা সংখ্যালঘু, অন্যটিতে কৃষ্ণাঙ্গরা৷ অথচ দু'টি দেশেই কৃষ্ণাঙ্গদের হাঁড়ির হাল৷

অরুণ শঙ্কর চৌধুরী, ডয়চে ভেলে বাংলা বিভাগ

আফ্রিকার প্রত্যন্ত প্রদেশ থেকে গাঁয়ের পর গাঁ উজোড় করে যে সব ক্রীতদাসদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; পরে আরব দাসব্যবসায়ীরা যাদের শ্বেতাঙ্গ দাসব্যবসায়ীদের কাছে বেচে দেয়; সেই শ্বেতাঙ্গ দাসব্যবসায়ীরা যাদের জাহাজের খোলে পুরে প্রথমে ইউরোপ, পরে অ্যামেরিকা কিংবা ক্যারিবিয়ানে পাঠায়; যাদের অর্ধেকের বেশি কোনোদিন সেই সমুদ্রযাত্রা থেকে জীবিত অবস্থায় শুকনো মাটিতে পা দিতে পারেনি৷ আমরা আজ যে সব মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গদের কথা বলছি, তারা এই সব ক্রীতদাসদের উত্তরপুরুষ৷

অ্যাব্রাহ্যাম লিংকন নামধারী এক মহাত্মা এই ক্রীতদাসদের মুক্তি দেবার জন্য ভ্রাতৃযুদ্ধ, গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলেন৷ তখন যে শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিরা তাঁর বিরোধিতা করেছিল, হেরে যাবার পরেও ক্লু-ক্লুক্স-ক্ল্যানের মতো সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিশোধ নেবার চেষ্টা করেছিল, তাদের থেকেই কিন্তু আজকের ডেমোক্র্যাট দলের উৎপত্তি, মার্কিন মুলুকের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যে দলের প্রতিভূ৷ মার্কিন ইতিহাসের এ সব ধারা সম্পর্কে আজকের মার্কিনিরা পর্যাপ্ত পরিমাণে অবহিত: কিন্তু ক্লিভল্যান্ডের একটি সিটি রিক্রিয়েশন সেন্টারের সামনে এক ১২ বছরের কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর যদি পুলিশের নির্দেশ অমান্য করে তার খেলনার পিস্তল বার করে, তাহলে এই বন্দুক-পাগল দেশে কোন পুলিশ অফিসার আগে ঠাহর করে নিশ্চিত হতে যাবেন যে, সেটা সত্যি না মেকি?

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

বিদায়, নেলসন ম্যান্ডেলা

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট জেকব জুমা বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাতে টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে জানান নেলসন ম্যান্ডেলা আর নেই৷ দীর্ঘদিনের অসুস্থতার ফলে এই দুঃসংবাদের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সহ গোটা বিশ্ব প্রস্তুত থাকলেও এই মুহূর্ত কারো কাছেই কাম্য ছিল না৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ

১৯৯৪ সালের ১০ মে নতুন ইতিহাসের জন্ম হয়৷ গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন৷ ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন৷

Flash-Galerie Mahatma Gandhi Aung San Suu Kyi, Nelson Mandela, Dalai Lama, Martin Luther King

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

গান্ধী থেকে অনুপ্রেরণা

অহিংস আন্দোলনের নেতা মহাত্মা গান্ধীর জীবন একসময় নেলসন ম্যান্ডেলার জন্য বড় প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিল৷ তাইতো ২৭ বছরের কারাজীবন শেষে যখন তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেন তখন ম্যান্ডেলা সশস্ত্র সংগ্রাম ছেড়ে অহিংস আন্দোলনকেই বেছে নিয়েছিলেন৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

যুগান্তকারী এক পরিবর্তন

নেলসন ম্যান্ডেলার হাসিমাখা এই মুখের কথা দক্ষিণ আফ্রিকার বেশিরভাগ মানুষেরই মনে থাকবে৷ যাঁকে সবাই ভালোবেসে ‘মাদিবা’ নামেই ডাকতেন৷ আর যাঁর অবদান বিশ্বের ইতিহাসে এনে দিয়েছে যুগান্তকারী এক পরিবর্তন৷ ম্যান্ডেলা তাঁর জীবনের প্রায় তিন দশক কাটিয়েছেন কারাগারে৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আইনজীবী

১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ প্রদেশে জন্ম নেন নেলসন রোলিলালা ম্যান্ডেলা৷ উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর তিনি আইন পড়ার সিদ্ধান্ত নেন৷ ছাত্র হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি, বিশেষ করে বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে শিক্ষাজীবন থেকেই সংগ্রাম চালিয়েছেন ম্যান্ডেলা৷ ১৯৫২ সালে তিনি জোহানেসবার্গে অলিভার টাম্বোকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ আইনচর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

বর্ণবিদ্বেষ

বর্ণবিদ্বেষ – সোজা কথায় বললে কৃষ্ণাঙ্গ এবং শেতাঙ্গদের মধ্যকার মৌলিক বিভাজন – শিশু এবং তরুণকালে ম্যান্ডেলার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে৷ ফলে দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন তিনি৷ কোসা ভাষায় ম্যান্ডেলার বাবা তাঁর নাম দিয়েছিলেন ‘‘রোলিলালা৷’’ এই নামের অর্থ হচ্ছে, ‘‘যিনি শাখা ভেঙে দেন’’, কথ্যভাষায় ‘‘সমস্যা সৃষ্টিকারী৷’’

Polizist drängt Anhänger Mandelas vor dem Gerichtsgebäude in Pretoria zurück, 1964. (Foto: AP Photo)

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৯৬৪: বর্ণবিদ্বেষ বিরোধী অ্যাক্টিভিস্ট ম্যান্ডেলা এবং অন্যদের শুনানি চলছিল আদালতে৷ কিন্তু পুলিশ সেই আদালতের বাইরে অবস্থানরতদের সরিয়ে দেয়৷ তথাকথিত ‘রিভোনিয়া ট্রায়াল’ এ ম্যান্ডেলাকে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়৷

Nelson Mandelas Gefängniszelle auf Robben Island

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

দীর্ঘ কারাজীবন

রবেন দ্বীপের কারাগারে একটি পাঁচ বর্গমিটার ঘরে ১৮ বছর কাটিয়েছেন ম্যান্ডেলা৷ তাঁর পরিচয় নম্বর ছিল ৪৬৬৬৪৷ জেল থেকে মুক্তির পর ম্যান্ডেলা বলেন, ‘‘আমি একটি নম্বর হিসেবে পরিচিত ছিলাম৷’’

Plakate mit Glückwünschen für den in Haft sitzenden Mandela auf dem Mandela-Konzert im Londoner Wembley-Stadion (AP Photo/Str/Allen)

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

গোটা বিশ্বের আগ্রহ

১৯৮৮ সালে লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্য একটি দাতব্য সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়৷ সেই অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি সংগীতশিল্পীরা ম্যান্ডেলার সত্তরতম জন্মদিন উদযাপন করেছেন এবং বর্ণবিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন৷ দশঘণ্টার সেই কনসার্টে হাজির হয়েছিলেন সত্তর হাজার মানুষ, যা ষাটটির বেশি দেশে সম্প্রচার হয়েছিল৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

অবশেষে মুক্তি

১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি - সাতাশ বছর পর - কারাগার থেকে মুক্তি পান ম্যান্ডেলা৷ ছবিতে মুষ্টিবদ্ধ হাত উচিয়ে ম্যান্ডেলা এবং তাঁর তৎকালীন স্ত্রী উইনি দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ শাসকদের বিরুদ্ধে নিজেদের বিজয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

রাজনীতিতে ফেরা

১৯৯০ সালের মে মাসে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)-র হাল ধরেন ম্যান্ডেলা এবং তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রিডেরিক উইলিয়াম ডি ক্লার্ক (বামে) সঙ্গে আলোচনায় নেতৃত্ব দেন৷ এই আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বর্ণবিদ্বেষ মুছে ফেলার উপায় বের করা৷ ১৯৯৩ সালে তিনি এবং ক্লার্ক নোবেল শান্তি পুরস্কার জয় করেন৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট

১৯৯৪ সালের ১০ মে দিনটি ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে৷ সে বছরের এপ্রিলে প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়লাভের পর সেদিন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ম্যান্ডেলা৷ ১৯৯৯ সাল অবধি এই দায়িত্বে ছিলেন তিনি৷ পরবর্তীতে তাঁর কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাবো এমবেকি৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

‘‘রেইনবো নেশন’’ কি ব্যর্থ হয়েছে?

২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বড় শহরগুলোর অনেক বস্তিতে বিদেশি বিদ্বেষ এবং সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে৷ এ সময় অনেক অভিবাসী প্রাণ হারায়৷ ফলে যে প্রশ্নটি দেখা দিয়েছে, তা হচ্ছে যে ‘‘রেইনবো নেশন’’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ম্যান্ডেলা, বিশেষ করে যেখানে সবার মিলে মিশে থাকার কথা, সেটি কি ব্যর্থ হয়েছে?

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

ক্রীড়াপ্রেমী ম্যান্ডেলা

যুব বয়সে নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন একজন বক্সার৷ খেলাধুলা সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য ছিল এরকম – খেলায় শ্রেণি, ধর্ম বা বর্ণের কোনো ভূমিকা নেই৷ ক্রীড়াপ্রেমি ম্যান্ডেলা কারাগারে থাকার সময়ও নিজেকে ফিট রেখেছেন৷ সেখানে তিনি নিয়মিত ব্যায়াম করতেন৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

শেষবার জনসম্মুখে

২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়েছিল৷ আর সেসময়ই ম্যান্ডেলাকে শেষবারের মতো জনসম্মুখে দেখা গিয়েছিল৷ উপরের ছবিটি ২০০৪ সালের ১৫ মে তারিখের৷ কারণ ঐ বছরই দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের আয়োজক নির্বাচিত হয়৷

Flash-Galerie Muhammad Yunus bei Nelson Mandela

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

ম্যান্ডেলার সঙ্গে ড. ইউনূস

২০০৯ সালে ম্যান্ডেলার ৯১তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত উৎসবে বক্তব্য রেখেছিলেন বাংলাদেশের নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস৷ ম্যান্ডেলার মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে ইউনূস ঐ ঘটনাটিকে তাঁর জীবনের অন্যতম সুখকর ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন৷

নেলসন ম্যান্ডেলা: স্বাধীনতার কণ্ঠ

জীবনের শেষ দিনগুলো

ম্যান্ডেলা তাঁর জীবনের শেষ কয়েকটি বছর মানুষের সামনে আসেননি৷ সে সময়টুকু তিনি পরিবারের সাথে কাটিয়েছেন৷ ছবিতে ২০১১ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার ৯৩তম জন্মদিনে তাঁকে নাতি-পুতিদের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে৷

অবজ্ঞা, অবহেলা, সুযোগের অভাবই যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গদের একটা বড় অংশকে ভায়োলেন্স – অর্থাৎ সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে৷ অপরদিকে বন্দুক-পাগলেরা পাগলের মতো বন্দুক কিনে চলেছে, নিজেদের ও নিজেদের পরিবারবর্গকে সুরক্ষা দেবার আশায়৷ তারই মধ্যে কৃষ্ণাঙ্গ গ্যাং, গ্যাংস্টার ব়্যাপার ইত্যাদি কিম্ভুত-কিমাকার জীব এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে আগে গুলি চালিয়ে পরে প্রশ্ন করাটাই প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ ক্লিভল্যান্ডের ১২ বছরের কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর তামির রাইস তাহলে কার অথবা কিসের অথবা কোন প্রথার শিকার হলো? অতীতের না বর্তমানের? ইতিহাসের না আধুনিকতার?

আমি বলব: জাতিতত্ত্ব, মানববাদের বড় বড় হেঁয়ালিগুলো সমাধানের চেষ্টা না করে, মার্কিন মুলুকের মানুষদের এখন দেখা উচিত, দু'পক্ষের, উভয় পক্ষের, বাদী তথা প্রতিবাদী তথা আসামী পক্ষের, আপামর জনতার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান কিভাবে সম্ভবে: কোনো পক্ষ বন্দুক না হাতে তুলে, গুলি না চালিয়ে৷ তারপরে নাহয় ধীরে ধীরে আলোচনায় বসা যাবে...

আরো প্রতিবেদন...

সমাজ সংস্কৃতি | 8 ঘণ্টা আগে

কালো টাকা কী, পরিমান কত?

সমাজ সংস্কৃতি | 11 ঘণ্টা আগে

প্রত্যর্পণ বিল স্থগিত করলো হংকং

আমাদের অনুসরণ করুন