বাংলাদেশের ‘ডাবলসেঞ্চুরি' অবাক হয়ে দেখবে সবাই

প্রথম আর শততম টেস্টের মাঝে বাংলাদেশ এমন একটা কাজ করে ফেলেছে, যা আর কেউ পেরেছে বলে মনে হয় না৷ তখন দেশের বাইরে নিয়মিতই শুনতে হতো সমালোচনা আর তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য৷ এখন সব সমালোচক যেন দেশেই৷

প্রথম টেস্টের পর থেকেই কোনো দেশকে নিয়ে ‘ধন্য ধন্য' পড়ে গেছে, এমন অবশ্য কখনো হয়নি, সম্ভবত হবেও না৷ এখন যাঁরা ক্রিকেট দুনিয়ার কেউকেটা, তাদের নিয়ে কত কাহিনি ইতিহাসে লেখা৷ প্রথম দিকে তাদেরও কত তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য সইতে হয়েছে৷ এই মুহূর্তে ভারতের সর্বনিম্ন টেস্ট স্কোর নিয়ে মজার একটা গল্প মনে পড়ছে৷ গল্পটি যদিও ৪৩ বছর আগের, কিন্তু সে এত হাস্যকর যে মনে পড়লে এখনো ভীষণ হাসি পায়৷

আপনি কী ভাবছেন?

এখানে ক্লিক করুন ও আলোচনায় যোগ দিন

১৯৭৪ সাল৷ ইংল্যান্ড সফরে গেছে ভারত৷ ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম টেস্টটা ১১৩ রানে জিতল ইংল্যান্ড৷ লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে ফিরবে কি, উল্টো মহালজ্জায় ডুবল ভারত৷ ইংল্যান্ডের ৬২৯ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে টেনেটুনে ৩০২ রান৷ ফলো অন করায় তৃতীয় দিনেই শুরু দ্বিতীয় ইনিংস৷ দিন শেষে ভারতের স্কোর বিনা উইকেটে ২৷ তখন আবার টেস্ট ম্যাচে একদিনের বিশ্রাম থাকতো৷ তো বিশ্রাম নিয়ে-টিয়ে একদিন পরে আবার শুরু হলো সুনীল গাভাস্কার, ফারুক ইঞ্জিনিয়ার, অজিত ওয়াড়েকর, গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথের মতো তারকাসমৃদ্ধ ভারতীয় দলের ব্যাটিং৷

খেলাধুলা

কম টেস্ট খেলা

বিশ্বের ক্রিকেট পরাশক্তি হিসেবে বিবেচিত ভারত এবং ইংল্যান্ড যেখানে বছরে ২০টির মতো টেস্ট ম্যাচ খেলে, বাংলাদেশ সেখানে গড়ে ছয়টি টেস্ট খেলার সুযোগ পায়৷ মোটের উপর বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ আরো সীমিত৷ গত ১৭ বছরের মধ্যে ভারতের মাটিতে একবারই টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে টাইগাররা, তাও গতমাসে৷ ফলে টেস্ট খেলার সুযোগ কম থাকায় খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতায় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে৷

খেলাধুলা

সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা

গত জুলাইয়ের ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলার পরও ইংল্যান্ড বাংলাদেশ সফর করেছিল, যা টাইগারদের জন্য এক ইতিবাচক ব্যাপার৷ সেই সফর না হলে বাংলাদেশের অবস্থা পাকিস্তানের মতো হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল৷ ২০০৯ সালে পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট টিমের উপর হামলার পর সেদেশ সফর করেনি কোনো বিদেশি ক্রিকেট দল৷ তবে ইংল্যান্ড ঢাকা সফর করলেও নিরাপত্তার শঙ্কায় আগের বছর অস্ট্রেলিয়া সেদেশ সফর করেনি৷ আরো কয়েকটি দল সফর সীমিত করেছে৷

খেলাধুলা

খেলার মাঠের সংখ্যা কম

৫৫ হাজার বর্গ মাইল দেশের বাসিন্দা ১৬ কোটি মানুষ৷ আর শুধু ঢাকাতেই থাকেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ৷ দেশটিতে খেলার মাঠের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে৷ বিশেষ করে ঢাকাতে সাধারণ মানুষের খেলার মাঠ পাওয়া মুশকিল৷ ফলে তৈরি হচ্ছে না খেলোয়াড়৷ অবস্থা এমন যে, বর্তমান টেস্ট টিমে ঢাকার খেলোয়াড় শুধু একজন, তাসকিন আহমেদ৷

খেলাধুলা

ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ আয়োজনে দুর্বলতা

যদিও বাংলাদেশে চারদিনের দু’টি ক্রিকেট প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, কিন্তু সেগুলো বেশ দুর্বল পর্যায়ের৷ নির্দিষ্ট সময়ের ঠিক নেই, নেই প্রফেশনালিজমের ছোঁয়া৷ ফলে সেসব প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক মানেরতো হয়ই না, অনেকক্ষেত্রে হয়ে পড়ে একপাক্ষিক৷ দেখা যায়, সেসব টুর্নামেন্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানও পরের সপ্তাহে আন্তর্জাতিক ম্যাচে বোল্ড আউট হন দ্রুত৷ টেস্টের মান বাড়াতে গেলে এসব আয়োজনের মানও বাড়াতে হবে৷

খেলাধুলা

স্পিনার থাকলেও পেসারের অভাব

বাংলাদেশ দলে আন্তর্জাতিক মানের স্পিনার থাকলেও টেস্ট জিততে ভালো মানের পেসারও প্রয়োজন৷ কিন্তু টিমে পেসারের ঘাটতি রয়ে গেছে৷ যারা সম্ভাবনা তৈরি করেছেন, যেমন মাশরাফি বিন মোর্তুজা, তারা ইনজুরির কবলে পড়েছেন৷ বর্তমানে দলে থাকা দুই পেসার মুস্তাফিজুর রহমান এবং তাসকিন আহমেদও ইনজুরির কবলে পড়েছেন একাধিকবার৷ ক্রিকেট বোর্ড অবশ্য টেস্টের জন্য পেসার তৈরিতে চেষ্টা করছে৷ তবে সেই চেষ্টার ফল এখনও পাওয়া যায়নি৷

শুরু হতে-না-হতেই মাত্র ৪২ রানে তারা অল আউট৷ পরেরদিন একতরফা ওই ম্যাচ নিয়ে ব্রিটেনের এক দৈনিকে একটা কার্টুন ছাপা হলো৷ এক দর্শক ভারতের উদ্বোধনী জুটিকে মাঠে নামতে দেখে ভেবেছিলেন, ‘‘প্রশ্রাব করে একটু হালকা হয়ে এসে মজা করে ব্যাট-বলের লড়াই দেখি...৷'' কিন্তু প্রশ্রাব সেরে এসে দেখেন ভারত অল আউট! খেলা শেষ! কার্টুনে তো আর সব ঠিকঠাক থাকে না৷ তবে এটা ঠিক, ম্যাচ শেষে সেদিন অনেক দর্শক টিকেটের টাকা ফেরত চেয়েছিলেন৷

১৯৭৪ সালের ওই ম্যাচ অবশ্য সেটা ভারতের প্রথম বা প্রথম দিকের টেস্টও নয়৷ তবু ওই ম্যাচের কথা বললাম, কারণ, এখন যেমন টেস্ট ম্যাচে সাকিব-তামিমদের ব্যাটিংযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, সেই ম্যাচের পরে সুনীল গাভাস্কার, ফারুক ইঞ্জিনিয়ার, অজিত ওয়াড়েকরদের নিয়েও একই প্রশ্ন উঠেছিল৷ তাঁরাও বাজে শট খেলেই উইকেট দিয়ে এসেছিলেন৷ অবাক হয়ে অনেকেই ভেবেছিলেন – টেস্ট ব্যাটিংয়ের অ, আ, ক, খ-ও ভুলে গেলেন ভারতের তারকা ব্যাটসম্যানরা?

ভারত তখনো ওয়ানডে খেলা সে অর্থে শেখেইনি৷ তাই বলার উপায় ছিল না যে, সুনীল গাভাস্কাররা অতিরিক্ত ওয়ানডে খেলার কারণে টেস্ট ম্যাচের উপযোগী ব্যাটিং ভুলে গেছেন৷

সাকিব, তামিমরা ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি – দু'টিই খেলছেন সারা বছর৷ টেস্ট খেলছেন ফাঁকফোকরে৷ বল ছাড়তে ভুলে যাওয়া, অফ স্টাম্পের দু'হাত বাইরের বলও তাড়া করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেয়া – এ সব তো হবেই৷ হতো না, যদি ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত চার দিনের ম্যাচ খেলার বাধ্যবাধ্যকতা থাকতো৷ দেশে চারদিনের ক্রিকেট বলতে গেলে হয়ই না, বর্তমান বা আগামীর সাকিব, তামিম, সৌম্যরা টেস্ট ম্যাচের জন্য তৈরি হবেন কী করে?

কিন্তু এখনো হয় না বলে ভবিষ্যতেও হবে না? হবে হয়তে৷ চলুন স্বপ্নের ভেলায় চড়ে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের ডাবল সেঞ্চুরি, অর্থাৎ দু'শ'তম টেস্ট পর্যন্ত এগিয়ে যাই৷

Deutsche Welle DW Ashish Chakraborty

আশীষ চক্রবর্ত্তী, ডয়চে ভেলে

ধরুন, ততদিনে ক্রীড়া সাংবাদিকরা এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, আর শুধু বোর্ডের সমালোচনা নয়, নিজেদের দায়-দায়িত্বও স্মরণে রেখে প্রতি দিনের আয়োজনে বড় পরিসরের ক্রিকেটকেও টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে-র মতো গুরুত্ব দেয়া হবে৷

ধরা যাক, তখনকার বিসিবি সভাপতি একেবারেই বাচাল বা প্রচারকাঙাল নন৷ ধরা যাক, ততদিনে বিসিবি ভাষণ-তোষণ ছেড়েছে আর স্বল্প পরিসরের ম্যাচের সাফল্যে তৃপ্তির ঢেঁকুড় তুলে তুলে ক্লান্তও হয়েছে৷ ক্লান্তি ভুলতে ঘরোয়া ক্রিকেটকে ঢেলে সাজিয়ে ত্রিমাত্রিকতা দিয়েছে৷ সব বিভাগীয় শহর তো বটেই, অজপাড়াগাঁয়েও লিগ হচ্ছে৷ বিসিবির পাশাপাশি কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটারও খালেদ মাসুদ পাইলটের মতো অ্যাকাডেমি গড়েছেন৷ অ্যাকাডেমিগুলো থেকে নিয়মিত বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন ক্রিকেটার৷ পাইপলাইনে ক্রিকেটারের অভাব নেই৷ ফলে টি-টোয়েন্টি আর ওয়ানডে দল গড়েও ৭-৮ জন অন্তত এমন থাকেই যারা প্রকৃত অর্থেই লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেট স্পেশালিস্ট৷

খেলাধুলা

জানুয়ারি ৬-১০, ২০০৫, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ২২৬ রানে জয়ী

টাইগাররা প্রথমবারের মতো টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় চট্টগ্রামে৷ ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৪৮৮ রান তোলে স্বাগতিকরা৷ আর দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ২০৪ রান করে৷ প্রথম ইনিংসে জিম্বাবোয়ের স্কোর ছিল ৩১২ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৪ রান৷

খেলাধুলা

জুলাই ৯-১৩, ২০০৯, প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ: বাংলাদেশ ৯৫ রানে জয়ী

দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয়ের দেখা পায় ২০০৯ সালের ১৩ জুলাই৷ কিংসটাউনে সেই টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯৫ রানে হারায় টাইগাররা৷

খেলাধুলা

জুলাই ১৭-২০, ২০০৯, প্রতিপক্ষ ওয়েস্টইন্ডিজ: বাংলাদেশ চার উইকেটে জয়ী

সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর ছিল সাফল্যে ঠাসা৷ দ্বিতীয় টেস্টে সেন্ট জর্জেসে স্বাগতিকদের হারায় টাইগাররা, সেবার জিতেছিল চার উইকেটে৷

খেলাধুলা

এপ্রিল ২৫-২৯, ২০১৩, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী

জিম্বাবোয়ের হারারেতে স্বাগতিকদের আবার ‘বধ’ করে টাইগাররা৷ প্রথম ইনিংসে ৩৯১ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ২৯১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ৷ জবাবে প্রথম ইনিংসে ২৮২ আর দ্বিতীয় ইনিংসে ২৫৭ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবোয়ে৷

খেলাধুলা

অক্টোবর ২৫-২৭, ২০১৪, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ তিন উইকেটে জয়ী

ঢাকায় বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়৷ তিন দিনে শেষ হওয়া সেই টেস্টে শুরুতে ব্যাট করতে গিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৪০ রান করে জিম্বাবোয়ে৷ আর দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের সংগ্রহ ছিল ১১৪৷ অন্যদিকে, প্রথম ইনিংসে ২৫৪ আর দ্বিতীয় ইনংসে ৭ উইকেটে ১০৭ রান তুলে জিতে যায় স্বাগতিকরা৷

খেলাধুলা

নভেম্বর ৩-৭, ২০১৪, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ১৬২ রানে জয়ী

খুলনায় জিম্বাবোয়েকে হারায় বাংলাদেশ৷ সেই টেস্ট পাঁচ দিন পর্যন্ত গড়ালেও শেষমেশ তেমন একটা সুবিধা করতে পারেনি জিম্বাবোয়ে৷ ফলাফল স্বাগতিকদের ১৬২ রানের জয়৷

খেলাধুলা

নভেম্বর ১২-১৬, ২০১৪, প্রতিপক্ষ জিম্বাবোয়ে: বাংলাদেশ ১৮৬ রানে জয়ী

আবারো চট্টগ্রামে জিম্বাবোয়েকে হারায় টাইগাররা৷ সেবার ব্যবধান ছিল ১৮৬ রানের৷

খেলাধুলা

অক্টোবর ২৮-৩০, ২০১৬, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড: বাংলাদেশ ১০৮ রানে জয়ী

এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্রিকেট শক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট জয় এটি৷ ঢাকায় ইংল্যান্ডকে নাস্তানাবুদ করে টাইগাররা৷

খেলাধুলা

মার্চ ১৫-১৯, ২০১৭, প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা: বাংলাদেশ ৪ উইকেটে জয়ী

একদিকে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের শততম ম্যাচে জয়, অন্যদিকে প্রথমবারের মত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়-দুই দিক দিয়েই ঐতিহাসিক বাংলাদেশের এই টেস্ট ম্যাচটি৷ পঞ্চম দিনে ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা৷ ম্যাচ সেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল৷

খেলাধুলা

আগস্ট ২৭-৩০, ২০১৭, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া: বাংলাদেশ ২০ রানে জয়ী

প্রথমবারের মত অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়ে৷ এটা ছিল সাকিব ও তামিমের ৫০তম টেস্ট। সাকিব মোট ১০ উইকেট নিয়ে এবং তামিম দুই ইনিংসেই অর্ধশত করে স্মরণীয় করে রাখলেন এই টেস্টকে৷ ম্যাচ সেরা সাকিব আল হাসান৷ দ্রষ্টব্য: ইএসপিএন ক্রিকইনফো থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ছবিঘরটি তৈরি করা হয়েছে৷

এবং ধরা যাক, ২০৩৪ সালের এমন সময়েই টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের ডাবল সেঞ্চুরির ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ৷ কাকতালীয়ভাবে অভিষেক টেস্টের মতো সেই ম্যাচেও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত৷ ৩৪ বছরে টেস্ট ম্যাচে বেশ হাত পাকানো বাংলাদেশ ম্যাচটা জিতে গেল! তখন সুকান্তের ওই কবিতাটা মনে পড়বেই, ‘‘সাবাস বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়...৷''

আশীষ চক্রবর্ত্তীর লেখা আপনাদের কেমন লাগলো? জানান আমাদের, লিখুন নীচের ঘরে৷