বাসায় গৃহকর্মী রাখা মানেই কি টেনশন?

গৃহকর্মী না থাকলে অনেক পরিবারই সমস্যায় পড়ে যায়৷ অথচ নিজের স্বামী বা সন্তানের কাছে অল্প বয়সি নারী গৃহকর্মী রেখে গেলেও যে শান্তি নেই৷ তারা শারীরিক নির্যাতন বা ধর্ষণের শিকার হলো কিনা – চিন্তার শেষ নেই গৃহকর্ত্রীদের৷

সামহয়্যারইন ব্লগে গৃহকর্মীদের নিয়েই ছোট্ট একটা ‘পোস্ট' দিয়েছেন ঈপ্সিতা চৌধুরী৷ লেখার শিরোনাম, বাসায় গৃহকর্মী রাখা মানেই কি টেনশন? ঈপ্সিতা শুরু করেছেন এভাবে, ‘‘ছোট- খাটো বিষয় নিয়ে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনা তো হরহামেশাই ঘটে থাকে৷ কিন্তু এর বাইরে যেটা বেশি চিন্তার কারণ, তা হলো – কখন বাসার গৃহকর্তা বা ছেলেটির দ্বারা সেই গৃহকর্মী শারীরিক নির্যাতন/ছলে-বলে কৌশলে কিংবা ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন/ধর্ষণের শিকার হবে! (তবে সব বাসায় যে এরকমটা ঘটে তা নয়) আবার এরকম ঘটনা প্রায়-ই ঘটে থাকে, এবং নির্যাতিত গৃহকর্মীর ৯৯ শতাংশই বিচার পায় না৷ বোঝাই যায় এ সব বাসার কর্তা/ছেলেরা কতটা নীচু মানসিকতার৷''

সমাজ-সংস্কৃতি

মাসিক বেতন ৫১০ টাকা

পশ্চিমা বিশ্ব এখন ঘরের কাজে রোবট ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে৷ এই নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা৷ তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভিন্ন৷ সেদেশে ঘরের কাজের জন্য অধিকাংশ বাড়িতে রয়েছেন গৃহকর্মী৷ যাঁদের মাসিক গড় বেতন ৫১০ টাকা৷ আর দিনে কাজ করতে হয় কমপক্ষে দশ ঘণ্টা৷

সমাজ-সংস্কৃতি

৮৩ শতাংশ নারী

ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন বা আইটিইউসি ২০১২ সালে বাংলাদেশের গৃহকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছে৷ এতে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে গৃহকর্মীর সংখ্যা বিশ লাখের মতো৷ এঁদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ নারী, যাঁদের অনেকে বয়সে শিশু কিংবা তরুণী৷

সমাজ-সংস্কৃতি

মেঝেতে ঘুমানো

আইটিইউসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গৃহকর্মীদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ রাতে রান্নাঘরে ঘুমান৷ এছাড়া বসার এবং শোয়ার ঘরের মেঝেতে ঘুমান গড়ে ২০ শতাংশ করে গৃহকর্মী৷ কারো কারো আবার ঘুমাতে হয় স্টোর রুমে৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

অন্যায়, নির্যাতন

অধিকাংশ গৃহকর্মী বা কাজের মেয়ে পড়ালেখার সুযোগ পান না৷ বিনোদনেরও অভাব রয়েছে৷ কমপক্ষে ৫৩ শতাংশ গৃহকর্মীর সঙ্গে বাজে ভাষায় কথা বলা হয়৷ কাজ হারানোর আতঙ্কও কাজ করে তাঁদের মধ্যে৷ যৌন নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মীর সংখ্যা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

প্রাণহানি

২০০১ থেকে ২০১০ সাল সময়কালের মধ্যে বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে কমপক্ষে ৩৯৮ গৃহকর্মী প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ লেবার স্টাডিজ বা বিলস৷ এছাড়া নির্যাতনে আহত গৃহকর্মীর সংখ্যা ২৯৯৷ আইটিইউসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বাংলাদেশ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যের উৎস বিলস এবং ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

জনসচেতনতা সৃষ্টি

গৃহকর্মীদের অধিকারের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগও রয়েছে বাংলাদেশে৷ ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’ এক্ষেত্রে সক্রিয়৷ এই নেটওয়ার্ক ১৪ বছরের কম বয়সিদের গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে৷

সমাজ-সংস্কৃতি

ঘরে আটকে রাখা নয়

বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলো অনেক সময় গৃহকর্মীদের ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে বাড়িতে তালা দিয়ে রাখা হয়৷ ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’ এই কাজের তীব্র বিরোধীতা করেছে৷ গৃহকর্মীদের সুরক্ষা নীতির আওতায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে নেটওয়ার্কটি৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি

গৃহকর্মী বা গৃহশ্রমিকদের ‘শ্রমিক হিসেবে’ স্বীকৃতি ও শ্রম আইনে তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’৷ ‘বাংলাদেশ লেবার অ্যাক্ট-২০০৬’-এ গৃহকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷

তারপরই এ বিষয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন সামহয়্যারইন-এর ব্লগার৷ তাঁর মতে, ‘‘পরিচারিকাকে একা বাসায় রেখে (ছেলে/স্বামীর) বাইরে যাওয়া ঠিক না, কারণ, কখন কী ঘটবে তা বলা যায় না৷ বিশ্বাসটাও আজকাল কেমন যেন ঠুনকো হয়ে গেছে! আমার অগাধ বিশ্বাস স্বামী/ছেলের উপর৷ কিন্তু এ ধরনের ঘটনা ঘটে যেতেও পারে – এই ভেবে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত গৃহকর্ত্রীদের৷''

সমাজ সংস্কৃতি | 23.04.2014

ঈপ্সিতা চৌধুরীর মনে গৃহকর্মীদের নিয়ে লেখার ইচ্ছেটা জেগেছে দৈনিক পত্রিকায় এক গৃহকর্মীর ধর্ষণের শিকার হওয়ার খবর পড়ার পর৷ খবরটিতে উঠে আসা ঘটনার বিবরণও দিয়েছেন তিনি৷ এমন ঘটনার খবর প্রতিদিনই আসে সংবাদমাধ্যমে৷ গৃহকর্মীদের নিরাপত্তা, প্রাপ্য পারিশ্রমিক আদায়, অত্যাচারকারী কিংবা ধর্ষকদের শাস্তি নিশ্চিত করার কোনো বাস্তবধর্মী উদ্যোগের খবর সেভাবে আসে কি?

আমার ব্লগে এস এম নিলয় লিখেছেন কয়েকদিন আগে ঢাকার ভাড়া বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া মাওলানা ফারুকীকে নিয়ে৷ ফারুকী টেলিভিশনে ইসলামি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতেন৷ অনেকের মতো এস এম নিলয়ও মনে করেন এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জামায়াত-হেফাজতের হাত আছে৷ তাঁর ‘জামাত-হেফাজত বনাম আমরা অগণিত মাওলানা ফারুকি' শিরোনামেও সে ইঙ্গিত স্পষ্ট৷

নিলয়ের দাবি, তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন ফারুকীকে৷ সেই অভিজ্ঞতা থেকেই লিখেছেন তিনি৷ একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান, যিনি টেলিভিশনে ইসলামভিত্তিক অনুষ্ঠানই উপস্থাপনা করতেন, তাঁকে কেন হত্যা করা হবে? এস এম নিলয় মনে করেন, ‘‘ফারুকির দোষ; সে বিরোধিতা করতেন জাকির নায়েকের মিথ্যাচারের, তিনি বিরোধিতা করতেন হিযবুত তাওহীদ-জামাত-শিবির-হাফাজতের; বিরোধিতা করতেন জঙ্গিবাদের, সর্বোপরি ইসলামের কুলাঙ্গারদের৷''

Indien mehr Mobiltelefone als Toiletten

‘পরিচারিকাকে একা বাসায় রেখে বাইরে যাওয়া ঠিক না’

নিলয়ের লেখার শেষ অংশটাও প্রনিধানযোগ্য৷ সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘‘...শাহবাগ আন্দোলনের সময় জামাত-হেফাজতের বিরোধিতা করার কারণে ১০ জন ওলামার নাম হত্যার উদ্দেশ্যে ‘হিট লিস্ট' করা হয়েছিল; এখন প্রাণ দিলেন মাওলানা ফারুকি! এখন ভয় হচ্ছে বাকি নিরীহ ওলামাকে নিয়ে; যারা আপাত দৃষ্টিতে ইসলামের শান্তিতে বিশ্বাসী৷ তাদের নিরাপত্তা দেবে কে? পশুদের হাতেই কি তাদের শহিদ হতে হবে? এ কেমন অবিচার? যতদিন জামাত শিবির হেফাজত আর হিজবুতের শেকড় উৎপাটন করা সম্ভব না হবে; ততদিন এইসব অনাকাঙ্ক্ষিত খবর আমাদের পেতেই হবে৷ সুশীল, আলেম সমাজ, সাধারণ মডারেট মুসলিম এবং আমাদের নাস্তিকদের যুদ্ধ কখনোই ইসলামের বিরুদ্ধে ছিল না; ছিল এর ধ্বংসাত্মক রূপটির বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে, ধর্মের অমানবিক দিকটার বিরুদ্ধে৷ সত্যকে সত্য আর মিথ্যাকে মিথ্যা বলার অপরাধে আর কতজনকে জঙ্গিদের হাতে এভাবে প্রান দিতে হবে?....জামাত শিবির হেফাজতের কালো হাত রুখে দেয়ার এখনি সঠিক সময়৷''

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

সামহয়্যারইন ব্লগে গৃহকর্মীদের নিয়েই ছোট্ট একটা ‘পোস্ট' দিয়েছেন ঈপ্সিতা চৌধুরী৷ লেখার শিরোনাম, বাসায় গৃহকর্মী রাখা মানেই কি টেনশন? ঈপ্সিতা শুরু করেছেন এভাবে, ‘‘ছোট- খাটো বিষয় নিয়ে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের ঘটনা তো হরহামেশাই ঘটে থাকে৷ কিন্তু এর বাইরে যেটা বেশি চিন্তার কারণ, তা হলো – কখন বাসার গৃহকর্তা বা ছেলেটির দ্বারা সেই গৃহকর্মী শারীরিক নির্যাতন/ছলে-বলে কৌশলে কিংবা ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন/ধর্ষণের শিকার হবে! (তবে সব বাসায় যে এরকমটা ঘটে তা নয়) আবার এরকম ঘটনা প্রায়-ই ঘটে থাকে, এবং নির্যাতিত গৃহকর্মীর ৯৯ শতাংশই বিচার পায় না৷ বোঝাই যায় এ সব বাসার কর্তা/ছেলেরা কতটা নীচু মানসিকতার৷''

সমাজ-সংস্কৃতি

মাসিক বেতন ৫১০ টাকা

পশ্চিমা বিশ্ব এখন ঘরের কাজে রোবট ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে৷ এই নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা৷ তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভিন্ন৷ সেদেশে ঘরের কাজের জন্য অধিকাংশ বাড়িতে রয়েছেন গৃহকর্মী৷ যাঁদের মাসিক গড় বেতন ৫১০ টাকা৷ আর দিনে কাজ করতে হয় কমপক্ষে দশ ঘণ্টা৷

সমাজ-সংস্কৃতি

৮৩ শতাংশ নারী

ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন বা আইটিইউসি ২০১২ সালে বাংলাদেশের গৃহকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করেছে৷ এতে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে গৃহকর্মীর সংখ্যা বিশ লাখের মতো৷ এঁদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ নারী, যাঁদের অনেকে বয়সে শিশু কিংবা তরুণী৷

সমাজ-সংস্কৃতি

মেঝেতে ঘুমানো

আইটিইউসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গৃহকর্মীদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ রাতে রান্নাঘরে ঘুমান৷ এছাড়া বসার এবং শোয়ার ঘরের মেঝেতে ঘুমান গড়ে ২০ শতাংশ করে গৃহকর্মী৷ কারো কারো আবার ঘুমাতে হয় স্টোর রুমে৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

অন্যায়, নির্যাতন

অধিকাংশ গৃহকর্মী বা কাজের মেয়ে পড়ালেখার সুযোগ পান না৷ বিনোদনেরও অভাব রয়েছে৷ কমপক্ষে ৫৩ শতাংশ গৃহকর্মীর সঙ্গে বাজে ভাষায় কথা বলা হয়৷ কাজ হারানোর আতঙ্কও কাজ করে তাঁদের মধ্যে৷ যৌন নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মীর সংখ্যা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

প্রাণহানি

২০০১ থেকে ২০১০ সাল সময়কালের মধ্যে বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে কমপক্ষে ৩৯৮ গৃহকর্মী প্রাণ হারিয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ লেবার স্টাডিজ বা বিলস৷ এছাড়া নির্যাতনে আহত গৃহকর্মীর সংখ্যা ২৯৯৷ আইটিইউসি-র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বাংলাদেশ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্যের উৎস বিলস এবং ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

জনসচেতনতা সৃষ্টি

গৃহকর্মীদের অধিকারের বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন উদ্যোগও রয়েছে বাংলাদেশে৷ ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’ এক্ষেত্রে সক্রিয়৷ এই নেটওয়ার্ক ১৪ বছরের কম বয়সিদের গৃহকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে৷

সমাজ-সংস্কৃতি

ঘরে আটকে রাখা নয়

বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলো অনেক সময় গৃহকর্মীদের ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে বাড়িতে তালা দিয়ে রাখা হয়৷ ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’ এই কাজের তীব্র বিরোধীতা করেছে৷ গৃহকর্মীদের সুরক্ষা নীতির আওতায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে নেটওয়ার্কটি৷ (প্রতীকী ছবি)

সমাজ-সংস্কৃতি

শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি

গৃহকর্মী বা গৃহশ্রমিকদের ‘শ্রমিক হিসেবে’ স্বীকৃতি ও শ্রম আইনে তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছে ‘গৃহশ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা নেটওয়ার্ক’৷ ‘বাংলাদেশ লেবার অ্যাক্ট-২০০৬’-এ গৃহকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি৷

সংশ্লিষ্ট বিষয়