বিদেশিদের ওপর হামলার নেপথ্যে কারা?

বিদেশিদের ওপর হামলা কারা চালালো তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে৷ পুলিশ বলছে, হামলার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় আহ্বান জানিয়ে লোকজন একত্র করার উদ্যোগও নিয়েছিল কিছু লোক৷ হামলার নেপথ্যের ওই মানুষগুলো কারা?

‘থার্টি ফার্স্ট নাইট'-এর কলঙ্কজনক ঘটনার রেশ কাটার আগেই শরণার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জার্মান কর্তৃপক্ষ৷ যে দেশের সরকার অভিবাসী গ্রহণে সবচেয়ে উদার নীতি অবলম্বন করেছিল, সেই দেশই গত ১লা জানুয়ারি থেকে আর অভিবাসন প্রত্যাশীদের সাদরে গ্রহণ করছে না৷ বরং বইতে শুরু করেছে উল্টো স্রোত৷ নতুন অভিবাসন প্রত্যাশীদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে অস্ট্রিয়ায়৷ প্রথমে দিনে ৫০-৬০ জন করে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছিল, এখন সংখ্যাটি বেড়ে দুই শতাধিক হয়েছে৷

বিশ্লেষকদের একটা অংশ মনে করছেন, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট'-এর উৎসবকে আতঙ্কময় দুঃস্বপ্নের কালোরাত করে দেয়া ঘটনার কারণেই শরণার্থীদের প্রতি জার্মান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির এই আকস্মিক পরিবর্তন৷

ডিসেম্বর থেকেই কিছুটা কঠোর হয়েছিল জার্মানি৷ তখন দিনে ৫০-৬০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেরানো হচ্ছিল৷ তবে ২০১৬ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কোনো কোনো দিন ২০০-র বেশি মানুষকেও ফিরে যেতে হচ্ছে৷

জার্মানির প্রতিবেশি দেশগুলো অবশ্য আগে থেকেই এমন অবস্থানে৷ সুইডেন অভিবাসন প্রত্যাশীর স্রোত সামলাতে ডেনমার্ক সীমান্তে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ কঠোর করেছে৷ ডেনমার্কও জার্মানি থেকে নতুন কোনো অভিবাসন প্রত্যাশী যাতে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে৷ আর শরণার্থী বাড়াতে অস্ট্রিয়াও অনিচ্ছুক৷ তাই স্লোভেনিয়া সংলগ্ন সীমান্ত অবাধে অতিক্রম করে সেই দেশে প্রবেশ করা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না৷ গত ১লা জানুয়ারিও ৬৫২ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেরত পাঠিয়েছে অস্ট্রিয়া৷

জার্মানিতে এখন নতুন করে শরণার্থী গ্রহণের চেয়ে যাঁরা ইতিমধ্যে আশ্রয় পেয়েছেন, তাঁদের নিয়েই আলোচনাটা বেশি হচ্ছে৷ আলোচনা-সমালোচনা জোরদার হয়েছে কোলনে নারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক নিপীড়ন, নির্যাতনের ঘটনা ঘটার পরে৷ দক্ষিণপন্থিরা ইতিমধ্যে উদারভাবে শরণার্থী গ্রহণ করে দেশের সমস্যা বাড়ানোর অভিযোগে চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের পদত্যাগের দাবিও তুলতে শুরু করেছে৷

তবে বিশ্বের সব প্রান্তেই এখন চলছে কোলন নিয়ে আলোচনা৷ ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট'-এর কেলেঙ্কারির পর গত সোমবার সাতজন বিদেশির ওপর অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তির হামলা আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে৷

Infografik ARD-Deutschlandtrend vom 7.1.2016 Ereignisse in Köln ENG

প্রশ্ন উঠেছে, ২০১৫ সালের শেষ লগ্নের অনাকাঙ্খিত, অপ্রীতিকর ঘটনা কি বিদেশি-বিরোধীদের আবার সক্রিয় হবার সুযোগ করে দিলো? আরেকটা প্রশ্নও উঠেছে৷ সোমবার ছয় পাকিস্তানি এবং একজন সিরীয়র ওপর হামলা কি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর চালানো পরিকল্পিত হামলা?

পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত যে সোমবারের হামলার আগে একটি গোষ্ঠী বিদেশিদের বিরুদ্ধে লোকজনকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেছে৷ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তারা সক্রিয় ছিল – এমন প্রমাণও পেয়েছে পুলিশ৷ কোলন পুলিশের মুখপাত্র নরবার্ট ভাগনার বলেছেন, তাঁরা মনে করেন সোমবারের দু'টি হামলা ছিল ডানপন্থিদের বিদেশি-বিরোধী পরিকল্পিত হামলা৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি, রয়টার্স)

সেকেন্ড ক্লাস রেফিউজি?

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

মূক প্রতিবাদ

এক উদ্বাস্তু ছুঁচসুতো দিয়ে নিজের ঠোঁট সেলাই করে রেখেছেন৷ এরা নাকি ইরান থেকে এসেছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া – বলকান অঞ্চলের এই চারটি দেশের জন্য ইরান থেকে আসা মানুষরা ‘অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু’৷ কাজেই তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না৷

আমলাদের খামখেয়াল

এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় হাজার খানেক মানুষ সীমান্তের গ্রিক তরফে অপেক্ষা করছেন৷ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে এক নজর দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে; শুধু মুখ দেখেই আন্দাজ করা হচ্ছে, উদ্বাস্তু কোন দেশ থেকে এসেছেন৷

‘হেল্প!’

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

অবরোধ

গ্রিক তরফে একাধিক মালগাড়ি গত কয়েকদিন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ শত শত উদ্বাস্তু থেসালোনিকি আর ম্যাসিডোনিয়ার মধ্যের রেললাইন অবরোধ করে রেখেছেন৷

ফেরার পথ নেই

‘আমাদের গুলি করে মারো, আমরা কখনো ফিরে যাব না৷’ বাংলাদেশি তরুণটি এই শীতেও জামা খুলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংস্থা ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছে৷ সব দেশের মানুষেরই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার আছে, বলেছে ইউএনএইচসিআর৷

আকুল প্রতিবাদ

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

শীত আসছে

শরীর গরম রাখার থার্মাল ব্ল্যাঙ্কেট জড়িয়ে শীত আটকানোর চেষ্টা করছেন কিছু মহিলা ও একটি শিশু৷ এখন মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি পড়ছে; রাত্রে তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি নেমে যায়৷

ত্রাণের আশা

‘জার্মানি আমাদের সাহায্য করো’ – লেখা রয়েছে পিচবোর্ডের টুকরোয়৷ সেপ্টেম্বরের গোড়ায় জার্মান সরকার হাঙ্গেরিতে যে সব উদ্বাস্তু আটকা পড়েছেন, তাদের নেবার সিদ্ধান্ত করেন৷ ‘নো-ম্যানস-বর্ডার’-এ আটক উদ্বাস্তুরাও ঠিক সেই আশা করছেন৷

এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় হাজার খানেক মানুষ সীমান্তের গ্রিক তরফে অপেক্ষা করছেন৷ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে এক নজর দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে; শুধু মুখ দেখেই আন্দাজ করা হচ্ছে, উদ্বাস্তু কোন দেশ থেকে এসেছেন৷

‘আমাদের গুলি করে মারো, আমরা কখনো ফিরে যাব না৷’ বাংলাদেশি তরুণটি এই শীতেও জামা খুলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংস্থা ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছে৷ সব দেশের মানুষেরই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার আছে, বলেছে ইউএনএইচসিআর৷

‘থার্টি ফার্স্ট নাইট'-এর কলঙ্কজনক ঘটনার রেশ কাটার আগেই শরণার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে জার্মান কর্তৃপক্ষ৷ যে দেশের সরকার অভিবাসী গ্রহণে সবচেয়ে উদার নীতি অবলম্বন করেছিল, সেই দেশই গত ১লা জানুয়ারি থেকে আর অভিবাসন প্রত্যাশীদের সাদরে গ্রহণ করছে না৷ বরং বইতে শুরু করেছে উল্টো স্রোত৷ নতুন অভিবাসন প্রত্যাশীদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে অস্ট্রিয়ায়৷ প্রথমে দিনে ৫০-৬০ জন করে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছিল, এখন সংখ্যাটি বেড়ে দুই শতাধিক হয়েছে৷

বিশ্লেষকদের একটা অংশ মনে করছেন, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট'-এর উৎসবকে আতঙ্কময় দুঃস্বপ্নের কালোরাত করে দেয়া ঘটনার কারণেই শরণার্থীদের প্রতি জার্মান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গির এই আকস্মিক পরিবর্তন৷

ডিসেম্বর থেকেই কিছুটা কঠোর হয়েছিল জার্মানি৷ তখন দিনে ৫০-৬০ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেরানো হচ্ছিল৷ তবে ২০১৬ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে কোনো কোনো দিন ২০০-র বেশি মানুষকেও ফিরে যেতে হচ্ছে৷

জার্মানির প্রতিবেশি দেশগুলো অবশ্য আগে থেকেই এমন অবস্থানে৷ সুইডেন অভিবাসন প্রত্যাশীর স্রোত সামলাতে ডেনমার্ক সীমান্তে নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ কঠোর করেছে৷ ডেনমার্কও জার্মানি থেকে নতুন কোনো অভিবাসন প্রত্যাশী যাতে ঢুকতে না পারে, তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে৷ আর শরণার্থী বাড়াতে অস্ট্রিয়াও অনিচ্ছুক৷ তাই স্লোভেনিয়া সংলগ্ন সীমান্ত অবাধে অতিক্রম করে সেই দেশে প্রবেশ করা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না৷ গত ১লা জানুয়ারিও ৬৫২ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে ফেরত পাঠিয়েছে অস্ট্রিয়া৷

জার্মানিতে এখন নতুন করে শরণার্থী গ্রহণের চেয়ে যাঁরা ইতিমধ্যে আশ্রয় পেয়েছেন, তাঁদের নিয়েই আলোচনাটা বেশি হচ্ছে৷ আলোচনা-সমালোচনা জোরদার হয়েছে কোলনে নারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক নিপীড়ন, নির্যাতনের ঘটনা ঘটার পরে৷ দক্ষিণপন্থিরা ইতিমধ্যে উদারভাবে শরণার্থী গ্রহণ করে দেশের সমস্যা বাড়ানোর অভিযোগে চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের পদত্যাগের দাবিও তুলতে শুরু করেছে৷

তবে বিশ্বের সব প্রান্তেই এখন চলছে কোলন নিয়ে আলোচনা৷ ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট'-এর কেলেঙ্কারির পর গত সোমবার সাতজন বিদেশির ওপর অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তির হামলা আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে৷

Infografik ARD-Deutschlandtrend vom 7.1.2016 Ereignisse in Köln ENG

প্রশ্ন উঠেছে, ২০১৫ সালের শেষ লগ্নের অনাকাঙ্খিত, অপ্রীতিকর ঘটনা কি বিদেশি-বিরোধীদের আবার সক্রিয় হবার সুযোগ করে দিলো? আরেকটা প্রশ্নও উঠেছে৷ সোমবার ছয় পাকিস্তানি এবং একজন সিরীয়র ওপর হামলা কি কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর চালানো পরিকল্পিত হামলা?

পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত যে সোমবারের হামলার আগে একটি গোষ্ঠী বিদেশিদের বিরুদ্ধে লোকজনকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেছে৷ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তারা সক্রিয় ছিল – এমন প্রমাণও পেয়েছে পুলিশ৷ কোলন পুলিশের মুখপাত্র নরবার্ট ভাগনার বলেছেন, তাঁরা মনে করেন সোমবারের দু'টি হামলা ছিল ডানপন্থিদের বিদেশি-বিরোধী পরিকল্পিত হামলা৷

এসিবি/ডিজি (ডিপিএ, এএফপি, রয়টার্স)

সেকেন্ড ক্লাস রেফিউজি?

‘‘বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, ইরানি, নেপালি বা মরোক্কানরা কি মানুষ নন?’’ এই স্লোগান দিয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপার থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন উদ্বাস্তুরা৷ তারা সবাই গেভগেলিয়া সীমান্তে আটকা পড়েছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া শুধুমাত্র সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তান থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে৷

মূক প্রতিবাদ

এক উদ্বাস্তু ছুঁচসুতো দিয়ে নিজের ঠোঁট সেলাই করে রেখেছেন৷ এরা নাকি ইরান থেকে এসেছেন৷ ম্যাসিডোনিয়া, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া – বলকান অঞ্চলের এই চারটি দেশের জন্য ইরান থেকে আসা মানুষরা ‘অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু’৷ কাজেই তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না৷

আমলাদের খামখেয়াল

এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রায় হাজার খানেক মানুষ সীমান্তের গ্রিক তরফে অপেক্ষা করছেন৷ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে এক নজর দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে; শুধু মুখ দেখেই আন্দাজ করা হচ্ছে, উদ্বাস্তু কোন দেশ থেকে এসেছেন৷

‘হেল্প!’

একটি ইরানি মেয়ের দুই গালে লেখা ‘হেল্প!’, ‘সাহায্য করো৷’ সীমান্তের পরিস্থিতি থমথমে৷ ম্যাসিডোনিয়ার প্রেসিডেন্ট গিয়র্গে ইভানভ ঝগড়া-মারামারির ‘সমুচ্চ ঝুঁকির’ কথা বলেছেন৷

অবরোধ

গ্রিক তরফে একাধিক মালগাড়ি গত কয়েকদিন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে৷ শত শত উদ্বাস্তু থেসালোনিকি আর ম্যাসিডোনিয়ার মধ্যের রেললাইন অবরোধ করে রেখেছেন৷

ফেরার পথ নেই

‘আমাদের গুলি করে মারো, আমরা কখনো ফিরে যাব না৷’ বাংলাদেশি তরুণটি এই শীতেও জামা খুলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন৷ জাতিসংঘের উদ্বাস্তু ত্রাণ সংস্থা ম্যাসিডোনিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গের অভিযোগ করেছে৷ সব দেশের মানুষেরই রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার আছে, বলেছে ইউএনএইচসিআর৷

আকুল প্রতিবাদ

প্রায় দু’শো উদ্বাস্তু অনশন ধর্মঘট শুরু করেছেন৷ উদ্বাস্তুদের অধিকাংশ উত্তর ইউরোপে যেতে চান৷ তাদের কেউই গ্রিসে থাকতে চান না৷

শীত আসছে

শরীর গরম রাখার থার্মাল ব্ল্যাঙ্কেট জড়িয়ে শীত আটকানোর চেষ্টা করছেন কিছু মহিলা ও একটি শিশু৷ এখন মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি পড়ছে; রাত্রে তাপমাত্রা শূন্যের কাছাকাছি নেমে যায়৷

ত্রাণের আশা

‘জার্মানি আমাদের সাহায্য করো’ – লেখা রয়েছে পিচবোর্ডের টুকরোয়৷ সেপ্টেম্বরের গোড়ায় জার্মান সরকার হাঙ্গেরিতে যে সব উদ্বাস্তু আটকা পড়েছেন, তাদের নেবার সিদ্ধান্ত করেন৷ ‘নো-ম্যানস-বর্ডার’-এ আটক উদ্বাস্তুরাও ঠিক সেই আশা করছেন৷