বিদেশ নীতি এবং নিরাপত্তা নিয়ে জার্মানির রাজনৈতিক দলগুলো

জার্মানি যেহেতু আন্তর্জাতিক স্তরে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করছে, তাই আগামী নির্বাচনে বিদেশ নীতি এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পাচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব৷উত্তর কোরিয়া থেকে ন্যাটো অবধি নানা বৈশ্বিক ইস্যুতে ছয়টি দলের অবস্থান থাকছে এ লেখায়৷

জার্মানি যেহেতু আন্তর্জাতিক স্তরে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করছে, তাই আগামী নির্বাচনে বিদেশ নীতি এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা পাচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব৷ উত্তর কোরিয়া থেকে ন্যাটো অবধি নানা বৈশ্বিক ইস্যুতে ছয়টি দলের অবস্থান থাকছে এ লেখায়৷

সমাজ-সংস্কৃতি | 15.09.2017

সামাজিক গণতন্ত্রী দল (সিডিইউ)/খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দল (সিএসইউ)

ন্যাটো: সিডিইউ/সিএসইউ এই সামরিক জোটকে সমর্থন করে এমনকি এই জোটে জার্মানির অন্তর্ভূক্তির কৃতিত্বও দাবি করে৷ ১৯৫৫ সালে কনরাড আডেনাওয়ার চ্যান্সেলর থাকাকালে ন্যাটোতে যোগ দেয় জার্মানি৷

ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক: সিডিইউ/সিএসইউ ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ককে ইতিবাচক চোখে দেখে৷ তাদের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক ‘কেন্দ্রীয় সঙ্গী'৷ তবে মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর দু'পারের মধ্যে সম্পর্ক কঠিন হয়ে গেছে৷ জার্মান চ্যান্সেলর পরিষ্কারভাবেই বলেছেন, ইউরোপ আর আগের মতো ওয়াশিংটনের উপর আস্থা রাখতে পারছে না৷

তুরস্ক: সিডিইউ/সিএসইউ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক আরো গভীর করার পক্ষে হলেও সেদেশের ইইউতে অন্তর্ভূক্তিকে কখনো সমর্থন করেনি৷ আর বর্তমানে তুরস্কের প্রসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এর্দোয়ানতাঁর দেশের সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যা করছেন এবং জার্মান নাগরিকদের গ্রেপ্তার নিয়ে দু'দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরো অবনতি ঘটেছে৷ ম্যার্কেল সম্প্রতি তুরস্ককে ইইউতে অন্তর্ভূক্তির সকল আলোচনা সমাপ্তের আহ্বান জানিয়েছেন৷

Infografik Moderater Populismus in Deutschland ENG

উত্তর কোরিয়া: সিডিইউ/সিএসইউ মনে করে, নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক চাপের কারণে একসময় বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকে সরে আসবে উত্তর কোরিয়া এবং কোরীয় পেনিনসুলায় শান্তি ফিরে আসবে৷ দলটি উত্তর কোরিয়ার তেল শিল্পের এবং অতিথি শ্রমিকদের উপরেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে৷

সামাজিক গণতন্ত্রী দল (এসপিডি)

ন্যাটো: শান্তিরক্ষা মিশনে, সংকট প্রতিরোধে এবং সংঘাত ব্যবস্থাপনায় সেনা মোতায়েনের পক্ষে এসপিডি৷ তবে তা ন্যাটো এবং জাতিসংঘের কাঠামোর মধ্যে করতে চায় দলটি৷

ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক: এসপিডি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী মনে করলেও শ্রমিকদের অধিকার এবং জলবায়ু সুরক্ষার মতো ইস্যুতে মার্কিন নীতির বিরোধী৷

তুরস্ক: এসপিডি নীতিগতভাবে সবসময় ইইউতে তুরস্কের অন্তর্ভূক্তির চেষ্টাকে সমর্থন জানিয়েছে৷ তবে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতির পর এই অবস্থান থেকে সরে এসেছেন দলটির চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী মার্টিন শুলৎস৷

উত্তর কোরিয়া: চলতি বছরের নির্বাচনি প্রচারণায় উত্তর কোরিয়াকে গুরুত্ব দেয়নি এসপিডি৷ তবে সেদেশের উপর সামরিক হামলা হলে তাতে জার্মান সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণের পক্ষে নয় দলটি৷

বাম দল

ন্যাটো: এই জোটকে নেতিবাচকভাবে দেখে বাম দল৷ এটি জার্মানির একমাত্র দল যারা ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পক্ষে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সামরিক জোট গড়ার পক্ষে৷

ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক: বাম দল জার্মানির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের সমালোচক এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের সমর্থক৷

তুরস্ক: অভিবাসন ইস্যুতে কোন স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে চুক্তির বিরুদ্ধে বাম দল৷ ফলে ইইউ-র সঙ্গে তুরস্কের বর্তমান যে অভিবাসন চুক্তি রয়েছে, তা বাতিলের পক্ষে আন্দোলন করছে দলটি৷

উত্তর কোরিয়া: বাম দল কিম জন উন-এর কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করলেও সেখানে সংকটের পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে৷

সবুজ দল

ন্যাটো: একসময় ন্যাটোর বিরোধী হলেও সবুজ দল বর্তমানে যৌথ প্রতিরক্ষা পদ্ধতি হিসেবে এই জোটকে সমর্থন করে৷ তবে ট্রাম্প যাতে এই জোটকে এটি গড়ার মূল উদ্দেশ্যের বাইরে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে না পারে সেব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি দেয়ার পক্ষে তারা৷

ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক: প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে সরে আসায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছে সবুজ দল৷

তুরস্ক: সবুজ দল সামগ্রিকভাবে তুরস্ককে ইইউতে অন্তর্ভূক্তির পক্ষে হলেও সদস্যপদ পাওয়ার যে নীতিমালা তা দলটি মানছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে৷

ডিজিটাল বিশ্ব

খ্রিষ্টীয় গণতন্ত্রী দল (সিডিইউ)

টানা তিনবার ক্ষমতায় থাকা জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল নির্বাচনি পোস্টারে এখন আর কোনো অপরিচিত মুখ নন৷ তাঁর দল সিডিইউ ২০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে গোটা জার্মানিতে ২২,০০ প্ল্যাকার্ড বসাচ্ছে৷ এতে জার্মান চ্যান্সেলরের ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে জার্মান পতাকা ব্যবহারে করে দলটির দেশপ্রেম বোঝানো হয়েছে৷ আর স্লোগানে প্রাধান্য পেয়েছে নিরাপত্তা, পরিবার এবং কাজের মতো বিষয়৷

ডিজিটাল বিশ্ব

সামাজিক গণতন্ত্রী (এসপিডি)

সামাজিক গণতন্ত্রীরা তাদের দীর্ঘদিনের লাল আর বর্গাকারের লোগোকে পোস্টারে প্রাধান্য দিয়েছে৷ তাদের পোস্টারে শিক্ষা, পরিবার, পেনশন, বিনিয়োগ এবং বেতন বৈষম্যের মতো বিষয়াদি গুরুত্ব পাচ্ছে৷ ২৪ মিলিয়ন ইউরোর নির্বাচনি প্রচারণার পর নির্বাচনের ঠিক আগে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে নাকি একটি বোমা ফাটাতে পারে এসপিডি, তবে সেসম্পর্ক কিছু এখনো জানা যায়নি৷

ডিজিটাল বিশ্ব

মুক্তগণতন্ত্রী দল (এফডিপি)

মুক্তগণতন্ত্রীদের নির্বাচনি প্রচারণায় খরচ হচ্ছে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ সাদাকালো ফটোশুটের মাধ্যমে পোস্টারে আধুনিক মার্কেটিংয়ের ছাপ ফুটিয়ে তুলেছে সেদেল৷ তাদের পোস্টারে শোভা পাচ্ছেন একজন: ক্রিস্টিয়ান লিন্ডার৷ তবে পোস্টারে ছোট করে লেখা নানা কথা পড়তে ভোটারদের বেশ কষ্টই করতে হবে৷ ‘অস্থিরতাও একটা গুণ’, লেখা হয়েছে পোস্টারে৷

ডিজিটাল বিশ্ব

সবুজ দল

সবুজ দল তাদের দলীয় নীতিকেই নির্বাচনের পোস্টারে তুলে ধরছেন৷ সেদলের স্লোগানে জায়গা করে নিয়েছে পরিবেশ, ইন্টিগ্রেশন এবং শান্তির মতো বিষয়৷ তাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘‘পরিবেশই সবকিছু নয়, তবে পরিবেশ ছাড়া সবকিছুই অর্থহীন৷’’

ডিজিটাল বিশ্ব

জার্মানির জন্য বিকল্প (এএফডি)

তবে আসন্ন নির্বাচনের সবচেয়ে বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড তৈরি করেছে ডানপন্থি এএফডি পার্টি৷ আপাত দৃষ্টিতে এই পোস্টারটি দেখলে মনে হবে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী হাসছেন৷ কিন্তু স্লোগান কী বলছে জানেন? ‘‘নতুন জার্মান? তাদের আমরাই তৈরি করবো৷’’ দলটির আরেক পোস্টারে বিকিনি পরা তিন নারীকে দেখা গেছে৷ আর তাতে লেখা: ‘‘বোরকা? আমরা বিকিনি পছন্দ করি৷’’

ডিজিটাল বিশ্ব

বামদল

বামদলের পোস্টারে বিভিন্ন ফস্টের বর্ণিল উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে৷ ‘‘[বর্নিল] মানুষ৷ স্পষ্টভাবে ডানপস্থি ঘৃণার বিরোধী’’, বলছে তাদের স্লোগান৷ দলটির নির্বাচনি প্রচারণায় গুরুত্ব পাচ্ছে সাশ্রয়ী ভাড়া, আরো স্বচ্ছ পেনশনের নিশ্চয়তা এবং অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের মতো বিষয়৷

উত্তর কোরিয়া: উত্তর কোরিয়া ইস্যুতে সবুজ দলের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই৷ তবে বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার পক্ষে রয়েছে দলটি৷

মুক্তগণতন্ত্রী দল (এফডিপি)

ন্যাটো: সামরিক জোট ন্যাটোকে পুরোপুরি সমর্থন করে এফডিপি৷

ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক: মার্কিনিদের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখে এফডিপি এবং মুক্ত বাণিজ্য ইস্যুতে সেদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো উন্নয়নের পক্ষ জোটটি৷

তুরস্ক: যতদিন এর্দোয়ান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট থাকবেন, ততদিন সেদেশকে ইইউতে অন্তর্ভূক্তির সব ধরনের আলোচনার বিপক্ষে এফডিপি৷

উত্তর কোরিয়া: এফডিপির এক্ষেত্রে কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই৷

জার্মানির জন্য বিকল্প (এএফডি)

ন্যাটো: ন্যাটোর বর্তমান কাঠামোকে নেতিবাচকভাবে দেখে এএফডি৷ দলটির কিছু সদস্য সামরিক জোটটিতে জার্মানির সদস্যপদ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে৷

ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক: এএফডি হচ্ছে একমাত্র জার্মান রাজনৈতিক দল যারা ব্রেক্সিটকে সমর্থন জানিয়েছে৷ দলটি মুক্ত বাণিজ্যেরও বিপক্ষে৷

তুরস্ক: ইইউতে তুরস্কের অন্তর্ভূক্তির বিরুদ্ধে রয়েছে এএফডি৷ সেদেশের সঙ্গে ইইউ-র থাকা অভিবাসন চুক্তিও বাতিলের পক্ষে দলটি৷

উত্তর কোরিয়া: এএফডি মনে করে দেশটির উপর চাপানো আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায় কাজ হচ্ছে৷ তবে এই নিষেধাজ্ঞা আরো বাড়ানোর পক্ষে দলটি৷

লুইস স্যান্ডার্স ফোর/ডেভিড মার্টিন

রাজনীতি

জার্মানির বড় নির্বাচনের বছর

জার্মানিতে চলতি বছর আয়োজন করা হচ্ছে একের পর এক নির্বাচন৷ একদিকে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল চতুর্থবারের মতো চ্যান্সেলর পদে লড়ছেন, অন্যদিকে পপুলিস্ট পার্টি অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) অভিবাসীবিরোধী অবস্থানের কারণে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে৷ বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এটা নিশ্চিত যে, ২০১৭ সালের শেষে জার্মানির রাজনৈতিক অবস্থা এখনকার মতো থাকবে না৷

রাজনীতি

জুন ১৯: দলের মনোনয়ন জমা দেয়ার দিন ছিল

জার্মানির সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য আবেদনের শেষ দিন ছিল জুন ১৯৷ সেদিন সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে আগ্রহী দলগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আবেদন জানাতে হয়েছে৷

রাজনীতি

জুলাই ৭: কোন কোন দল লড়ছে?

সংসদ নির্বাচনে কোন কোন দল অংশ নিতে পারবে তা ঘোষণা করা হবে এই দিনে৷ যদি কোন দল নির্বাচনী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হয় তাহলে পরবর্তী চারদিনের মধ্যে জার্মানির সাংবিধানিক আদালতে নালিশ করতে পারবে৷

রাজনীতি

জুলাই ১৭: কারা কারা থাকছেন?

চলতি বছরের ১৭ জুলাইয়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কোন কোন প্রার্থী কোন কোন এলাকায় লড়বেন, তা চূড়ান্ত করতে হবে৷ জার্মানিতে একসঙ্গে দু’টি ভোট দেয়ার সুযোগ রয়েছে৷ প্রথমটি প্রার্থীকে, দ্বিতীয়টি দলকে৷

রাজনীতি

জুলাই ২৭: ব্যালটে নাম উঠানোর লড়াই

যেসব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে সাংবিধানিক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে, তাদের বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হবে এই দিনে৷ ২০১৩ সালে এই পন্থা চালু করা হয়েছিল৷ সেবছর এগারোটি দল আদালতের স্মরণাপন্ন হলেও কেউই মামলা জেতেনি৷

রাজনীতি

আগস্ট ১৩: আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা

জার্মানিতে নির্বাচন শুরুর ছয় সপ্তাহ আগ পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলো আনুষ্ঠানিক প্রচারণার পোস্টার বা টেলিভিশন বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারে না৷ চলতি বছরের জাতীয় নির্বাচনের জন্য আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর তারিখ ১৩ আগস্ট৷ এই দিন থেকে দলগুলো তাদের প্রচারণায় কোনো ঘাটতি রাখবে না৷

রাজনীতি

আগস্ট ২০: কে ভোট দিতে পারবেন?

নির্বাচনের মাসখানেক আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তালিকা চূড়ান্ত হবে৷ ভোটার লিস্ট ঘোষণা করবে নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ৷ জার্মানিতে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সি যে কোনো জার্মান নাগরিক ভোট দিতে পারবেন৷ সে হিসেবে চলতি বছর ভোটারের সংখ্যা সাড়ে ৬১ মিলিয়ন৷

রাজনীতি

সেপ্টেম্বর ৩: তিন সপ্তাহ বাকি

এই সময়ের মধ্যে সকল ভোটার পোস্টে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে ভোট দেয়ার সার্টিফিকেট পাবেন৷ যারা তখন অবধি ভোটার লিস্টে নিজেদের নাম পাননি, তারা রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ পাবেন৷ আর যারা পোস্টের মাধ্যমে ভোট দিতে চান, তারা ব্যালট পেপার চাইতে পারেন৷

রাজনীতি

সেপ্টেম্বর ২৪: নির্বাচনের দিন

অবশেষে সেই মহেন্দ্রক্ষণ৷ জার্মানির জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৪ সেপ্টেম্বর৷ সেদিন সকাল আটটায় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হবে, চলবে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত৷ ভোটগণনা সেদিনই শেষ হবে এবং নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ রাতে প্রাথমিক ফলাফল ঘোষণা করবে৷

রাজনীতি

সেপ্টেম্বর ২৫: বিজয়ী এবং বিজিত

সকল প্রতিনিধি এবং দলগত ভোট গণনা শেষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা দেয়া হবে ২৫ সেপ্টেম্বর৷ যদি কোনো প্রার্থী তাঁর নির্বাচনী এলাকায় জিততে ব্যর্থ হন, তা সত্ত্বেও দলগত জয়ের কারণে তিনি সংসদে একটি আসন পেতে পারেন৷

রাজনীতি

অক্টোবর ২৪: নতুন সাংসদরা সংসদে

নির্বাচন শেষ হওয়ার এক মাসের মধ্যে নতুন সাংসদদের সংসদে মিলিত হওয়ার নিয়ম রয়েছে৷ এ বছর সেই দিনটি হচ্ছে অক্টোবর ২৪৷ সেদিন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে জার্মানির পরবর্তী চ্যান্সেলর নির্বাচিত হবেন৷

রাজনীতি

নভেম্বর ২৪: সবকিছু কি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয়েছে?

যদি কেউ জাতীয় নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চান, তাহলে তার হাতে সময় থাকে নির্বাচন পরবর্তী দুই মাস৷ ভোটাররাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যে কেউ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার রাখেন এই সময়ের মধ্যে৷