বিভাগ ও কর্মীরা

সমাজ

বাংলা বিভাগ

আমাদের কর্মীদল – প্রতিদিন আমরাই আপনাদের সামনে তুলে ধরি নিত্যদিনের খবর, ঘটনা৷ তৈরি করি প্রতিবেদন, নানা বিষয় ও মেজাজের পটভূমি ভিত্তিক ফিচার৷ আমাদের টেলিভিশন অনুষ্ঠান, ওয়েবসাইট, ফেসবুক, টুইটার এবং ইউটিউব চ্যানেলের মধ্য দিয়ে আপনাদের সঙ্গে এক অচ্ছেদ্য সংযোগ গড়ে তুলতে আমরা সদা সচেষ্ট৷

সমাজ

দেবারতি গুহ

দেবারতি গুহ বাংলা বিভাগের প্রধান৷ কলকাতা-ঢাকায় শৈশব-কৈশোর কাটানোর পর তিনি নতুন দিল্লির জওয়াহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ এবং এমফিল ডিগ্রি লাভ করেন৷ পরে জার্মান দৈনিক, ফ্রাংকফুর্টার আলগেমাইনে সাইটুং-এর সঙ্গে কর্মরত থাকেন৷ ডিডাব্লিউ-তে বেতার, অনলাইন ও টেলিভিশন সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ নেন দেবারতি৷ ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের সমন্বয়কারী সম্পাদক ছিলেন৷

সমাজ

সঞ্জীব বর্মন

সঞ্জীব বর্মন ডয়চে ভেলেতে যোগদান করেন ১৯৯৯ সালে৷ এর আগে তিনি কলকাতার গ্যোটে ইনস্টিটিউটে জার্মান ভাষায় শিক্ষকতা করেছেন এবং কলকাতার জার্মান কনস্যুলেটের প্রেস ও জনসংযোগ অফিসার হয়ে কাজ করেছেন৷ ভারত ও জার্মানির মধ্যে পারস্পরিক মৈত্রীসুলভ সম্পর্ক গড়ে তোলাও তাঁর কর্তব্যের মধ্যে পড়ত৷

সমাজ

আশীষ চক্রবর্তী

আশীষ চক্রবর্তী বাংলাদেশের একাধিক মুখ্য দৈনিকে কাজ করেছেন: যেমন প্রথম আলো, কালের কণ্ঠ ও যায় যায় দিন৷ পরে তিনি বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমেও ছিলেন৷ স্নাতকোত্তর পর্যায় অবধি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র৷ পেশাগত জীবন শুরু করেন শিক্ষক হিসেবে, পরে ধারা বদলে হন সাংবাদিক৷ অপরদিকে গায়ক হিসেবে জলসা করেছেন এবং মঞ্চে অভিনয় করেছেন৷ সংগীত আজও তাঁর জীবনে একটা বড় ভূমিকা পালন করে থাকে৷

সমাজ

অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

আদতে ইংরিজি সাহিত্যের ছাত্র অরুণ শঙ্কর চৌধুরী ভারতের একটি মুখ্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও ভারত সরকারের দু’টি উচ্চপর্যায়ের চাকুরি ছাড়ার পর জার্মানিতে আসেন এবং ডয়চে ভেলের হয়ে কাজ শুরু করেন৷ সে ৩০ বছর আগের ঘটনা৷ পড়া, লেখা এবং পোষ্য সারমেয়টিকে নিয়ে হাঁটতে যাওয়া আজও তার নেশা, যেমন এক হারিয়ে যাওয়া দেশের স্মৃতি আজও তাঁকে আকুল করে৷

সমাজ

জাহিদুল হক

জাহিদুল হক ২০১০ সাল থেকে ডয়চে ভেলের হয়ে কাজ করছেন৷ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জাহিদ ২০০১ সালে সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন৷ তখন তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত ইংরিজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর বিজনেস রিপোর্টার৷ জার্মানিতে আসা পর্যন্ত তিনি পত্রিকাটির সাব এডিটর হিসেবে কাজ করছিলেন৷ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সর্বাধুনিক চমক হল জাহিদের নেশা৷

সমাজ

আরাফাতুল ইসলাম

আরাফাতুল ইসলাম তাঁর সাংবাদিক জীবন শুরু করেন দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার তথ্য প্রযুক্তি প্রতিবেদক হিসেবে৷ পরবর্তীতে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও সাপ্তাহিক ২০০০-এর হয়ে কাজ করেছেন৷ ২০০৭ সালে তিনি ‘অফ দ্য রাডার’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন৷ ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের ওয়েবসাইটের বিকাশে আরাফাতের বিশেষ অবদান আছে৷ তাঁর অবসর সময় কাটে ব্লগ লিখে৷ এবং আরো অনেক ব্লগারের মতো তিনিও বেড়াতে ভালোবাসেন৷

সমাজ

নুরুননাহার সাত্তার

বিগত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে নুরুননাহার সাত্তার বাংলা বিভাগের চিঠিপত্র বিভাগের দেখাশোনা করছেন এবং আজ facebook.com/dw.bengali-র দেখাশোনা করতে তাঁর ঠিক ততটাই ভালো লাগছে৷

সমাজ

অমৃতা পারভেজ

অমৃতা পারভেজ বাংলা বিভাগের বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও পরিবেশ বিষয়ক অনুষ্ঠান অন্বেষণের সঞ্চালক এবং সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন৷ দিনাজপুরে শৈশব-কৈশোর কাটানোর পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে এমএস ডিগ্রি লাভ করেন৷ পরে বাংলাভিশন এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে সংবাদ পাঠিকা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন৷ পাশাপাশি ভ্রমণ বিষয়ক লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি৷

জার্মানির আন্তর্জাতিক সম্প্রচার কেন্দ্র ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের কর্মীরা৷